শিরোনাম:
●   রাষ্ট্রকে হাইজ্যাক করে আওয়ামী লীগ এখন মানুষের ভোটের অধিকারও হাইজ্যাক করেছে : ড. কামাল হোসেন ●   ঝিনাইদহে ঐহিত্যবাহী গরুর গাড়ীর দৌড় প্রতিযোগিতা ●   ঝিনাইদহে বাঁধাকপি এখন গোখাদ্য ●   বিশ্বনাথে ফ্রি চিকিৎসা সেবা প্রদান ●   বম জাতিগোষ্ঠীর খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণের শতবর্ষ পূর্তিতে তিন দিন ব্যাপী বর্ণিল আয়োজন ●   নিরাপদ উপকরন ছাড়াই পরিচ্ছন্নতার কাজে হরিজন শিশুরা : বাড়ছে স্বাস্থ্য ঝুঁকি ●   খাগড়াছড়িতে গোপাল কৃষ্ণ ত্রিপুরা’র মৃত্যুতে স্মরণসভা ●   মধু সংগ্রহে ব্যস্ত আক্কেলপুরে মৌ চাষিরা ●   ঐতিহাসিক মজিদবাড়ীয়া শাহী মসজিদ শ্রীহীন হয়ে পড়েছে সংস্কারের অভাবে ●   আরব আমিরাতের সিভিল ডিফেন্স থেকে সম্মাননা পেলেন বাংলাদেশের ফারুক ●   নবীগঞ্জের একাধিক মামলার আসামী ডাকাত সেলিম র‌্যাবের জালে বন্ধি ●   অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবির অভিযোগে আটক-৩ : অপহৃত উদ্ধার ●   গাইবান্ধা-৩ আসনের নির্বাচন বিতর্কিত না হয় সে ব্যাপারে সকলকে সতর্ক থাকতে হবে : ইসি সচিব ●   সাংবাদিক হাফিজুলের মহৎ কাজ : কুড়িয়ে পাওয়া টাকা হস্তান্তর ●   ছোটহরিণায় ভারতীয় মদসহ ইয়াবা উদ্ধার ●   পাহাড়ে শীতার্ত মানুষের মাঝে উষ্ণতা ছড়িয়ে দেবার চেষ্টা করছি : লেঃ কর্নেল আতিক চৌধুরি ●   মহালছড়ি উপজেলায় ভাইস চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় জিয়া ●   বিশ্বনাথে ভেজাল বিরোধী অভিযানে ৯ ব্যবসায়ীকে জরিমানা ●   মানবপাচার মামলা তুলে না নেওয়ায় বাদীকে কুপিয়ে জখম ●   নোয়াখালীতে বিএনপি’র ২১৮ নেতাকর্মী কারাগারে ●   রুমা উপজেলা চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী বাসিংথুয়াই মারমার প্রস্তুতি ●   গাইবান্ধার বেগুন যাচ্ছে জেলার বাহিরে ●   নবীগঞ্জে ঐতিহ্যবাহী ঘোড় দৌড় প্রতিযোগিতা ●   দুর্নীতিরোধেই সরকারের অবস্থান জিরো টলারেন্স ●   বান্দরবা‌নে সনাতন ধর্মাবলম্বী‌দের উত্তরায়ন সংক্রা‌ন্তি উদযাপন ●   মহেশপুরে চাষিদের আগ্রহ বাড়ছে চীনা বাদাম চাষে ●   ছলিমপুর ভুমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়ম দূর্নীতির অভিযোগ ●   গাইবান্ধায় রোটা ভাইরাসে আক্রান্তের ঝুঁকিতে ৯০% শিশু ●   গোলাপগঞ্জ উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন সামছুল ইসলাম লস্কর ●   একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে জাল ভোট পড়েছে ৮২ শতাংশ : টিআইবি
রাঙামাটি, রবিবার, ২০ জানুয়ারী ২০১৯, ৭ মাঘ ১৪২৫


CHT Media24.com অবসান হোক বৈষম্যের
রবিবার ● ৬ জানুয়ারী ২০১৯
প্রথম পাতা » কৃষি » ঝিনাইদহে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে মধু বৃক্ষ খেজুর গাছ
প্রথম পাতা » কৃষি » ঝিনাইদহে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে মধু বৃক্ষ খেজুর গাছ
৬৪ বার পঠিত
রবিবার ● ৬ জানুয়ারী ২০১৯
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

ঝিনাইদহে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে মধু বৃক্ষ খেজুর গাছ

---জাহিদুর রহমান তারিক,ঝিনাইদহ প্রতিনিধি :: হারিয়ে যাচ্ছে ঝিনাইদহের ঐতিহ্য “মধু বৃক্ষ” খেজুর গাছ। একসময় খেজুরের রস ও গুড় প্রসদ্ধ ছিল। মার্কেটে এর চাহিদা ছিল প্রচুর দহ জেলার কালীগঞ্জ, মহেশপুর, কোটচাঁদপুর অঞ্চলের সাধারণ মানুষ শীতকালীন সময়ে অর্থনৈতিকভাবে নির্ভরশীল ছিল খেজুর গাছের উপর। সেই হিসেবে খেজুর গাছ অর্থকারী ফসলের মধ্যে পড়ে। কিন্তু এখন আর খেজুর গাছের উপরে ভরসা করছে না। প্রায় ৯’শ বছর পূর্বে এ অঞ্চলে প্রচুর পরিমানে খেজুর গাছ ছিল। কৃষকরা খেজুর বাগান তৈরী করতো বানিজ্যিক ভাবে। প্রাকৃতিক ভাবেও এটা জন্মাতো। এই খেজুর গাছ কে ঘিরে তৈরী হতো মহল। যারা গাছ কাটে তাদেরকে বলা হতো গাছী এবং রস জালানোর আকাকে বলা হতো বান, হাড়ীকে বলা হতো জ্বালা, টিনের গুলিকে বলা হতো তাপাল। বৃটিশ আমলে ঝিনাইদহ জেলায় খেজুরের চিনি উৎপাদনের জন্য প্রচুর কারখানা গড়ে ওঠে ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ, কোটচাঁদপুর ,মহেশপুর ও যশোর জেলার চৌগাছা উপজেলায় প্রচুর পরিমান খেজুরের গুড় ও চিনি উৎপাদনের কথা শোনা যেত। কপোতাক্ষ নদের কোল ঘেষে চিনি উৎপাদনের কারখানা গড়ে উঠেছিল। খেজুরের চিনি তৈরী করতে পাট্টা শেয়ালার প্রয়োজন হতো বৃটিশ অমলে বঙ্গদেশে খেজুরের গুড় থেকে চিনি তৈরীর প্রধান কারখানা ছিল কোটচাঁদপুরে। সে সময় বিভিন্ন অঞ্চল থেকে লোকজন গরুর গাড়ীতে করে গুড় বিক্রির জন্য কোটচাঁদপুরে আসতো। কপোতাক্ষ ও ভৈরব নদী দিয়ে লঞ্চ ও বড় বড় নৌকা দিয়ে বরিশাল ও নোয়াখালী জেলায় ব্যাবসায়ীরা খেজুরের গুড় নিয়ে যেত এবং সেখান থেকে অন্য মালামাল বৃহত্তর যশোর জেলায় বিক্রির জন্য নিয়ে আসা হতো। উনবিংশ শতাদ্বীর প্রথম ভাগে ইউরোপ হতে চিনি কারবার করতে এ দেশে আসে মি. ব্লেক সাহেব পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার (ভারত) বাগদা নামক স্থানে প্রথমে খেজুরের গুড় থেকে চিনি প্রস্তুত কারখানা হয়। কিন্তু সেখানে প্রচুর লোকসান হতে থাকে। কোটচাঁদপুর এই চিনির ব্যবসার সুনাম থাকায় চিনি কোম্পানি পর্যায়ক্রমে চৌগাছায় চিনির কারখানা চালু করেন কলকাতার গ্লায়েটান উইল এন্ড কোং এবং এর ম্যানেজার ছিলেন ম্যাকলিয়ড সাহেব। ১৮৬১ সালের দিকে এই অঞ্চলে অনেক কারখানা গড়ে উঠে। ইউরোপীয়দের মতে চিনি ছাড়াও মদ তৈরী করা হতো। কারখানা ক্রমেই লোকসানের পরিমান বেশী হওয়ায় ১৮৮০ সালে মিঃ নিউ হাউস বিক্রি করে দেন এমেট চেম্বার্স কোম্পানির নিকট। ১৮৭৪ সালের একটি হিসাব মতে, কোটচাঁদপুর ৬৩টি চিনি কারখানা চালু ছিল। ১৯০৯ সালের পর চিনি শিল্প বিভিন্ন কারণে বন্ধ হয়ে যায়। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের পূর্ব পর্যন্ত দুই বাংলায় গুড়ের ব্যবসা ছিল জমজমাট। মহেশপুর অঞ্চলের লোকজন পশ্চিম বঙ্গের নদীয়া জেলার মাজদে বাজারে গুড় বিক্রি করে সাপ্তাহিক বাজার করে নিয়ে আসতো। দেশ স্বাধীনের পর এ অঞ্চলের অধিকাংশ খেজুরের গুড় রপ্তানি করা হতো সিলেট অঞ্চলে। বর্তমানে খেজুর গাছ নিধন এবং বানিজ্যক ভাবে চাষ না হওয়ায় খেজুর গাছ বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু এখন ও কালীগঞ্জ শহরে বিশাল গুড়ের হাট রয়েছে। সাপ্তাহিক ২ টি হাটে প্রায় ৫ থেকে ৭ ট্রাক গুড় দেশের বিভিন্ন স্থানে নিয়ে চলে যায়। এ হাটে পায়কারি হিসাবে গুড়ের ভাড় বিক্রি হয়। একসময় কালীগঞ্জ ও কোটচাঁদপুরে বড় বড় ব্যবসায়িরা গুড় ষ্টক করে রাখতো। দাম বেশি হলে তারা বিক্রি করতো।



পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)