<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/cloud/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	>

<channel>
	<title>CHT Media24.com অবসান হোক বৈষম্যের</title>
	<link>https://www.chtmedia24.com</link>
	<description>অবসান হোক বৈষম্যের</description>
	<pubDate>Sat, 11 Jul 2026 17:37:14 +0000</pubDate>
	<generator>http://dotsilicon.com?v=19</generator>
	<language>en</language>
			<item>
		<title>রাঙ্গুনিয়ায় কর্ণফুলী নদীতে নৌকা উল্টে তরুণ নিখোঁজ</title>
		<link>https://www.chtmedia24.com/69611</link>
		<comments>https://www.chtmedia24.com/69611#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>chtmedia</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[চট্টগ্রাম]]></category>

		<category><![CDATA[চট্টগ্রাম বিভাগ]]></category>

		<category><![CDATA[সকল বিভাগ]]></category>

		<category><![CDATA[সর্বশেষ সংবাদ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.chtmedia24.com/69611</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.chtmedia24.com/cloud/archives/2026/07/9c90b1-thumbnail.jpg" alt="" /></span> মো. ইউসুফ, রাঙ্গুনিয়া :: ‎চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় কর্ণফুলী নদীতে স্রোতে ভাসমান লাকড়ি সংগ্রহ করতে ডিঙ্গি নৌকা উল্টে মো. সোলেমান (২০)  নামে এক  তরুণ নিখোঁজ হয়েছেন।  শনিবার (১১ জুলাই) সকাল সাড়ে ৮টায় উপজেলার পূর্ব সরফভাটা এলাকায় কর্ণফুলী নদীতে এই নিখোঁজের ঘটনা ঘটে।
‎
‎ কর্ণফুলী নদীর সরফভাটা মুয়াবিনুল ইসলাম মাদ্রাসা সংলগ্ন কর্ণফুলী – শিলক ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.chtmedia24.com/cloud/archives/2026/07/9c90b1-thumbnail.jpg" alt="রাঙ্গুনিয়ায় কর্ণফুলী নদীতে নৌকা উল্টে তরুণ নিখোঁজ" /> মো. ইউসুফ, রাঙ্গুনিয়া :: ‎চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় কর্ণফুলী নদীতে স্রোতে ভাসমান লাকড়ি সংগ্রহ করতে ডিঙ্গি নৌকা উল্টে মো. সোলেমান (২০)  নামে এক  তরুণ নিখোঁজ হয়েছেন।  শনিবার (১১ জুলাই) সকাল সাড়ে ৮টায় উপজেলার পূর্ব সরফভাটা এলাকায় কর্ণফুলী নদীতে এই নিখোঁজের ঘটনা ঘটে।<br />
‎<br />
‎ কর্ণফুলী নদীর সরফভাটা মুয়াবিনুল ইসলাম মাদ্রাসা সংলগ্ন কর্ণফুলী – শিলক খালের মুখে নৌকা নিয়ে লাকড়ি কুড়াতে গিয়ে প্রবল স্রোতের কারণে নৌকা ডুবির ঘটনা ঘটে। এসময় সোলেমান বাদশার সাথে তার বড় ভাই আব্দুল হালিম ও ছিল।<br />
‎<br />
‎নিখোঁজের স্বজন ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে সোলেমান ও তার বড় ভাই আব্দুল হালিম (৩০) একটি ডিঙ্গি নৌকা নিয়ে নদীতে স্রোতে ভেসে আসা লাকড়ি ধরতে যান। এসময় নদীর তীব্র স্রোতের মুখে পড়ে তাদের নৌকাটি দ্রুত উল্টে যায়। এতে  দুজনেই পানিতে তলিয়ে যান। এরমধ্যে বড় ভাই আব্দুল হালিমকে আশেপাশে থাকা অন্য লাকড়ি সংগ্রহকারীরা তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করতে পারলেও সোলেমান মুহূর্তের মধ্যেই পানির প্রবল স্রোতে তলিয়ে হারিয়ে যান।<br />
‎<br />
‎নিখোঁজ সোলেমান ও উদ্ধার হওয়া আব্দুল হালিম  পূর্ব সরফভাটার কানুর হাট লোকমান মিস্ত্রি বাড়ির ওসমান গনি ওরফে গুর বইদ্দুর ছেলে, সে তার বাবার চা দোকানে সাহায্য করতো বলে স্থানীয় সূত্রে যানা যায়।<br />
‎<br />
‎দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ফায়ার সার্ভিসের টিম। ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার জাহেদুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আমরা খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়েছি এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছি। বিষয়টি আমাদের উর্ধ্বতন মহলকে জানানো হয়েছে। নিখোঁজ যুবককে উদ্ধারে দ্রুতই একটি বিশেষ ডুবুরি দল উদ্ধার কাজে যোগ দিচ্ছে।<br />
‎<br />
‎শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, নিখোঁজ সোলেমানকে উদ্ধারে স্থানীয়দের সহায়তায় ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তবে নদীতে তীব্র স্রোত থাকায় উদ্ধার কাজে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে। এই ঘটনায় পুরো এলাকায় ও নিখোঁজের পরিবারে চরম শোকের ছায়া নেমে এসেছে।</p>
<p><strong><font color="#ff0000">রাঙ্গুনিয়ায় কর্ণফুলী নদীতে ভেসে এলো অজ্ঞাত লাশ </font></strong></p>
<p>​রাঙ্গুনিয়া :: চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় কর্ণফুলী নদীতে পাহাড়ি ঢলের পানিতে ভেসে আসা অজ্ঞাত পরিচয় এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।<br />
​বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার শিলক ইউনিয়নের বুচুক্রহাট স্কুলঘাট এলাকায় স্থানীয়রা লাশটি ভাসতে দেখে উদ্ধার করেন।</p>
<p>​স্থানীয় বুচুক্রহাটের ব্যবসায়ী রবিন জানান, দুপুরে পাহাড়ি ঢলের তোড়ে ওপর থেকে একটি লাশ উপুড় হয়ে ভেসে আসতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাৎক্ষণিকভাবে কয়েকজন লোক নৌকা নিয়ে নদী থেকে লাশটি টেনে তীরে নিয়ে আসেন এবং দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানা পুলিশকে খবর দেন।</p>
<p>​খবর পেয়ে দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। পরবর্তীতে সন্ধ্যা ৬টার দিকে লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়।</p>
<p>​দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানার ওসি মো. হিলাল উদ্দিন আহমদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, লাশটি পানিতে ভেসে আসার কারণে ফুলে গিয়ে চেহারা বিকৃত হয়ে গেছে। ফলে তাৎক্ষণিকভাবে তার নাম ও পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে বাহ্যিক অবয়ব দেখে ধারণা করা হচ্ছে লাশটি কোনো পাহাড়ি উপজাতির হতে পারে।<br />
​এই ঘটনায় দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। নিহতের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.chtmedia24.com/69611/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>দাঁড়াশ ভেবে ধরা হয়েছিল দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বিষধর সাপ</title>
		<link>https://www.chtmedia24.com/69608</link>
		<comments>https://www.chtmedia24.com/69608#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>chtmedia</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[ময়মনসিংহ]]></category>

		<category><![CDATA[ময়মনসিংহ বিভাগ]]></category>

		<category><![CDATA[সকল বিভাগ]]></category>

		<category><![CDATA[সর্বশেষ সংবাদ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.chtmedia24.com/69608</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.chtmedia24.com/cloud/archives/2026/07/d5d18c-thumbnail.jpg" alt="" /></span>উবায়দুল্লাহ রুমি, ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি :: ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে সাধারণ নির্বিষ দাঁড়াশ সাপ ভেবে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বিষধর ও প্রাণঘাতী ওয়ালস ক্রেট (Wall&#8217;s Krait) সাপ ধরে চার দিন বস্তাবন্দী করে রেখেছিলেন স্থানীয়রা। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও দেখে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সহযোগিতায় বন্যপ্রাণী উদ্ধারকারী দল সাপটি উদ্ধার করে নিরাপদে প্রাকৃতিক পরিবেশে ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.chtmedia24.com/cloud/archives/2026/07/d5d18c-thumbnail.jpg" alt="দাঁড়াশ ভেবে ধরা হয়েছিল দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বিষধর সাপ" />উবায়দুল্লাহ রুমি, ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি :: ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে সাধারণ নির্বিষ দাঁড়াশ সাপ ভেবে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বিষধর ও প্রাণঘাতী ওয়ালস ক্রেট (Wall&#8217;s Krait) সাপ ধরে চার দিন বস্তাবন্দী করে রেখেছিলেন স্থানীয়রা। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও দেখে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সহযোগিতায় বন্যপ্রাণী উদ্ধারকারী দল সাপটি উদ্ধার করে নিরাপদে প্রাকৃতিক পরিবেশে অবমুক্ত করে।<br />
শনিবার (১১ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার ঈশ্বরগঞ্জ সদর ইউনিয়নের ভাইদগাঁও গ্রাম থেকে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন জনতার ঈশ্বরগঞ্জ এর সহযোগিতায় সাপটি উদ্ধার করে ওয়াইল্ড লাইফ অ্যান্ড স্নেক রেসকিউ টিম ইন বাংলাদেশ। উদ্ধার অভিযানে অংশ নেন সংগঠনটির ময়মনসিংহ প্রতিনিধি মাহমুদুল হাসান। পরে সাপটিকে ময়মনসিংহে নিয়ে গিয়ে শনিবার বিকেলেই একটি নির্জন বনে অবমুক্ত করা হয়।<br />
জানা যায়, গত মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার কাকনহাটি এলাকার কাঁচামাটিয়া নদীর পাড়ে সাপটির দেখা পান স্থানীয় কয়েকজন। দেখতে অনেকটা দাঁড়াশ সাপের মতো হওয়ায় তারা এটিকে নির্বিষ মনে করেন। পরে সাপটিকে তাড়া করে ধরে বস্তাবন্দী করেন ভাইদগাঁও গ্রামের কৃষক হারুন অর রশিদ। চার দিন ধরে তিনি বস্তার ভেতরে সাপটিকে টিকটিকি ও ব্যাঙ খেতে দেন।<br />
শুক্রবার (১০ জুলাই) সন্ধ্যায় সাপটি ধরার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নজরে আসে বন্যপ্রাণী উদ্ধারকর্মীদের। ভিডিও দেখে তারা বুঝতে পারেন এটি সাধারণ কোনো সাপ নয়, বরং অত্যন্ত বিষধর ওয়ালস ক্রেট। এরপর শনিবার ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সহযোগিতায় সাপটি উদ্ধার করা হয়।<br />
কৃষক হারুন অর রশিদ বলেন, আমরা বুঝতেই পারিনি এটি এত বিষধর সাপ। দাঁড়াশ ভেবেই ধরেছিলাম। পরে জনতার ঈশ্বরগঞ্জের সদস্যদের মাধ্যমে জানতে পারি এটি প্রাণঘাতী সাপ। তখন রেসকিউ টিমকে খবর দেওয়া হয়। তারা এসে নিরাপদে সাপটি নিয়ে যান।<br />
ওয়াইল্ড লাইফ অ্যান্ড স্নেক রেসকিউ টিম ইন বাংলাদেশের ময়মনসিংহ প্রতিনিধি মাহমুদুল হাসান বলেন, ওয়ালস ক্রেটের বৈজ্ঞানিক নাম Bungarus walli। এটি কালাচ বা শঙ্খিনী পরিবারের সদস্য এবং দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বিষধর সাপ। এর বিষ অত্যন্ত শক্তিশালী নিউরোটক্সিক, যা মানুষের স্নায়ুতন্ত্রে সরাসরি আঘাত হানে।<br />
তিনি আরও বলেন, এই সাপ সাধারণত নিশাচর। রাতের বেলায় খাবারের সন্ধানে বের হয় এবং দিনের বেলায় ধানক্ষেত, জলাশয়ের আশপাশ, ঝোপঝাড় কিংবা গর্তে লুকিয়ে থাকে। দেখতে অনেকটা দাঁড়াশ সাপের মতো হওয়ায় সাধারণ মানুষ প্রায়ই ভুল করেন। এ সাপের কামড়ে শুরুতে তেমন ব্যথা বা ফোলাভাব নাও হতে পারে। কিন্তু দ্রুত বিষক্রিয়া শুরু হয়ে শ্বাসপ্রশ্বাসের পেশি অবশ হয়ে মৃত্যুও ঘটতে পারে। তাই সাপে কামড়ালে কোনো ধরনের ঝাড়ফুঁক বা বিলম্ব না করে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে। একই সঙ্গে প্রশিক্ষণ ছাড়া কোনো অবস্থাতেই বিষধর বা অজানা সাপ ধরার চেষ্টা করা উচিত নয়।<br />
তিনি জানান, উদ্ধারকৃত সাপটি সুস্থ অবস্থায় ছিল। প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের স্বার্থে শনিবার বিকেলে ময়মনসিংহের একটি নির্জন বনে সাপটিকে অবমুক্ত করা হয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.chtmedia24.com/69608/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>রাঙ্গুনিয়াতে অজগর উদ্ধার : ঠান্ডাছড়ির গহীন অরণ্যে অবমুক্ত</title>
		<link>https://www.chtmedia24.com/69607</link>
		<comments>https://www.chtmedia24.com/69607#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>chtmedia</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[চট্টগ্রাম]]></category>

		<category><![CDATA[চট্টগ্রাম বিভাগ]]></category>

		<category><![CDATA[সকল বিভাগ]]></category>

		<category><![CDATA[সর্বশেষ সংবাদ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.chtmedia24.com/69607</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.chtmedia24.com/cloud/archives/2026/07/64ac39-thumbnail.jpg" alt="" /></span> মো. ইউসুফ, রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধি :: চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার রাজনগর ইউনিয়নে লোকালয় থেকে একটি বিশাল আকৃতির অজগর সাপ অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। পরবর্তীতে বন্যপ্রাণীটিকে বন বিভাগের সহায়তায় গহীন অরণ্যে অবমুক্ত করা হয়।
আজ ৯ জুলাই বৃহস্পতিবার সকালে রাজনগর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের হালিমপুর সাত গড়িয়া পাড়া জামে মসজিদের পাশে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রথম এই বিশাল অজগরটি ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.chtmedia24.com/cloud/archives/2026/07/64ac39-thumbnail.jpg" alt="রাঙ্গুনিয়াতে অজগর উদ্ধার : ঠান্ডাছড়ির গহীন অরণ্যে অবমুক্ত" /> মো. ইউসুফ, রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধি :: চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার রাজনগর ইউনিয়নে লোকালয় থেকে একটি বিশাল আকৃতির অজগর সাপ অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। পরবর্তীতে বন্যপ্রাণীটিকে বন বিভাগের সহায়তায় গহীন অরণ্যে অবমুক্ত করা হয়।<br />
আজ ৯ জুলাই বৃহস্পতিবার সকালে রাজনগর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের হালিমপুর সাত গড়িয়া পাড়া জামে মসজিদের পাশে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রথম এই বিশাল অজগরটি দেখতে পান। লোকালয়ে এত বড় সাপ দেখে এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র চাঞ্চল্য ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।<br />
সাপটি দেখার পর তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে ছুটে যান রাজনগর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক জসীম উদ্দিন লিটন। তিনি স্থানীয় উৎসুক জনতাকে শান্ত করেন এবং তাদের সহযোগিতায় অত্যন্ত সতর্কতার সাথে সাপটিকে কোনো প্রকার আঘাত না করে, সম্পূর্ণ অক্ষত ও নিরাপদ অবস্থায় উদ্ধার করতে সক্ষম হন।<br />
উদ্ধারের পর সাপটিকে দ্রুত রাণীরহাট ইছামতি বন বিভাগের কর্মকর্তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।<br />
ইছামতি রেঞ্জ কর্মকর্তা সাপটিকে গ্রহণ করে তার শারীরিক সুস্থতা নিশ্চিত করেন।<br />
সাপটি সম্পূর্ণ সুস্থ থাকায় সেটিকে তার নিরাপদ ও স্বাভাবিক প্রাকৃতিক আবাসে ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এরপর বন বিভাগের তত্ত্বাবধানে অজগরটিকে ঠান্ডাছড়ি বনের গহীন অরণ্যে অবমুক্ত করা হয়।<br />
বন্যপ্রাণী পিটিয়ে না মেরে তা রক্ষায় জসীম উদ্দিন লিটনের এমন দায়িত্বশীল, সচেতন এবং মানবিক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন ইছামতি রেঞ্জ কর্মকর্তা এবং স্থানীয় এলাকাবাসী। প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় এমন দৃষ্টান্ত অনুকরণীয় হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.chtmedia24.com/69607/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>কয়েক দিনের ভারি বর্ষণে রাঙামাটি সহ বিভিন্ন উপজেলায় জণ জীবন বিপর্যস্থ</title>
		<link>https://www.chtmedia24.com/69605</link>
		<comments>https://www.chtmedia24.com/69605#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>chtmedia</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[চট্টগ্রাম বিভাগ]]></category>

		<category><![CDATA[প্রধান সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[রাঙামাটি]]></category>

		<category><![CDATA[সকল বিভাগ]]></category>

		<category><![CDATA[সর্বশেষ সংবাদ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.chtmedia24.com/69605</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.chtmedia24.com/cloud/archives/2026/07/469859-thumbnail.jpg" alt="" /></span>
মো. ওমর ফারুক, (রাঙামাটি) :: কয়েক দিনের ভারি বর্ষণের ফলে পার্বত্য জেলা রাঙামাটি সহ  বিভিন্ন  উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় জণ জীবন বিপর্যস্থ  হয়ে পড়েছে।
আজ বেশ কয়েক দিন যাবত ভারি বর্ষণ শুরু হলে পার্বত্য জেলা রাঙামাটির বিভিন্ন উপজেলা সহ কাউখালী উপজেলা সহ সকল উপজেলার বাসিন্দাদের জীবন যাপন ভিষণ বিপর্যয় অবস্থায় পড়েছে।  কারণ গত ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.chtmedia24.com/cloud/archives/2026/07/941aa2-thumbnail.jpg" alt="কয়েক দিনের ভারি বর্ষণে রাঙামাটি সহ বিভিন্ন উপজেলায় জণ জীবন বিপর্যস্থ" /><img src="https://www.chtmedia24.com/cloud/archives/2026/07/469859-thumbnail.jpg" alt="কয়েক দিনের ভারি বর্ষণে রাঙামাটি সহ বিভিন্ন উপজেলায় জণ জীবন বিপর্যস্থ" /><br />
মো. ওমর ফারুক, (রাঙামাটি) :: কয়েক দিনের ভারি বর্ষণের ফলে পার্বত্য জেলা রাঙামাটি সহ  বিভিন্ন  উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় জণ জীবন বিপর্যস্থ  হয়ে পড়েছে।<br />
আজ বেশ কয়েক দিন যাবত ভারি বর্ষণ শুরু হলে পার্বত্য জেলা রাঙামাটির বিভিন্ন উপজেলা সহ কাউখালী উপজেলা সহ সকল উপজেলার বাসিন্দাদের জীবন যাপন ভিষণ বিপর্যয় অবস্থায় পড়েছে।  কারণ গত ৪ জুলাই-২০২৬ ইং তারিখ রাত হতে প্রবল ভারি বর্ষন শুরু হওয়ায় জেলার বিভিন্ন উপজেলায় পাহাড়ের পাশে বসবাসরত পরিবার গুলি রয়েছে খুবই কষ্টের মধ্যে এবং  ঝুঁকি পুর্ন অবস্থা   ভারি বর্ষণ অব্যাহত থাকায় জেলার বিভিন্ন ছড়া নদী খাল বিলে পানি বেড়ে গিয়েছে  কোথাও আবার পাহাড় ধ্বসের  ঘটনাও ঘটেছে এবং সেই সাথে  যানবাহন ও  লন্চ সাময়িক বন্ধ হয়ে পড়ে।  এইদিকে  চট্টগ্রাম রাঙামাটি মহাসড়কের ঠান্ডা ছড়ি এলাকা ঘাগড়া কলাবাগান এলাকায়  রাঙামাটি সাপছড়ি এলাকায়  পাহাড় ধ্বসে পড়ে কাপ্তাই রাঙামাটি সড়ক রাজস্থলী সড়কে  যানবাহন চলাচল বিগ্ন ঘটে বলে খবর পাওয়া যায়।<br />
তাছাড়া  ভারি বর্ষণের ফলে পার্বত্য জেলা রাঙামাটির সাথে লন্চ ও যানবাহন চলাচলে সাময়িক সমস্যার সৃষ্টি হলেও পরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে তা পরিস্কার করে দিলে পুনরায় বিভিন্ন সড়কে পুনরায় যানবাহন চলাচল শুরু হয় বলে জানা যায়। অন্যদিকে জেলা প্রশাসন সহ জেলার বিভিন্ন উপজেলায় প্রশাসনের উদ্যোগে আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়। তা ছাড়া প্রশাসনের পক্ষ হতে দূর্যোগকালিন সময়ে নিরাপদ স্থানে বা নিরাপদ আশ্রয় কেন্দ্র লোকজনকে চলে যাওয়ার জন্য প্রচারণা চালানো হয় বলে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ জানান।<br />
যদিওবা ভারি বর্ষণ অব্যাহত রয়েছে।  তাতে করে জেলা  এবং বিভিন্ন উপজেলায় এখানো  তেমন কোন হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। কিছু কিছু এলাকায় পশু পাখি ও বিভিন্ন ফলজ বাগান বনজ বাগানের ক্ষতি সাধন হয়েছে বলে জানা যায়।  তবে ঢাকা আবহাওয়া অফিস থেকে জানানো হয়েছে আরো কয়েক দিন দেশের বিভিন্ন স্থানে ভারি বর্ষণ অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানানো হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সুত্র জানায়।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.chtmedia24.com/69605/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>খাগড়াছড়ির তিন মসজিদে ১ হাজার ৪শত চারা বিতরণ</title>
		<link>https://www.chtmedia24.com/69602</link>
		<comments>https://www.chtmedia24.com/69602#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>chtmedia</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[খাগড়াছড়ি]]></category>

		<category><![CDATA[চট্টগ্রাম বিভাগ]]></category>

		<category><![CDATA[সকল বিভাগ]]></category>

		<category><![CDATA[সর্বশেষ সংবাদ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.chtmedia24.com/69602</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.chtmedia24.com/cloud/archives/2026/07/753bc5-thumbnail.jpg" alt="" /></span> খাগড়াছড়ি, ১০ জুলাই ২০২৬ :: পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং ফলজ বৃক্ষরোপণে মানুষকে উৎসাহিত করতে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের দেশব্যাপী ২ লাখ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬ এর অংশ হিসেবে খাগড়াছড়ি জেলার তিনটি মসজিদে জুমার নামাজ শেষে মুসল্লিদের মাঝে ১ হাজার ৪০০টি ফলজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।
শুক্রবার (১০ জুলাই) জুমার নামাজ শেষে ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবীরা মুসল্লিদের হাতে আম ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.chtmedia24.com/cloud/archives/2026/07/753bc5-thumbnail.jpg" alt="খাগড়াছড়ির তিন মসজিদে ১ হাজার ৪শত চারা বিতরণ" /> খাগড়াছড়ি, ১০ জুলাই ২০২৬ :: পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং ফলজ বৃক্ষরোপণে মানুষকে উৎসাহিত করতে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের দেশব্যাপী ২ লাখ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬ এর অংশ হিসেবে খাগড়াছড়ি জেলার তিনটি মসজিদে জুমার নামাজ শেষে মুসল্লিদের মাঝে ১ হাজার ৪০০টি ফলজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।<br />
শুক্রবার (১০ জুলাই) জুমার নামাজ শেষে ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবীরা মুসল্লিদের হাতে আম ও লিচুর চারা তুলে দেন। এ সময় তারা বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং প্রত্যেককে নিজ নিজ বাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আশপাশের খালি জায়গায় চারা রোপণ ও পরিচর্যার আহ্বান জানান।<br />
কর্মসূচির আওতায় দীঘিনালা উপজেলার মেরুং এলাকার বেলছড়ি জামে মসজিদে ৪০০টি (২০০টি আম ও ২০০টি লিচু), গুইমারা উপজেলার জালিয়াপাড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে ৬০০টি (৩০০টি আম ও ৩০০টি লিচু) এবং পানছড়ি উপজেলার উল্টাছড়ি এলাকার মুসলিম নগর হযরত উমর (রা.) জামে মসজিদে ৪০০টি (২০০টি আম ও ২০০টি লিচু) ফলজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়।<br />
এর আগে বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) থেকে খাগড়াছড়ি জেলায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন এলাকায় ফলজ গাছের চারা বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়। প্রথম দিনে জেলার বিভিন্ন বিদ্যালয় ও এলাকায় মোট ৮ হাজার ৮৩৫টি ফলজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে রামগড় সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, পাতাছড়া, গুইমারা, মাটিরাঙ্গা, খাগড়াছড়ি সদর ও দীঘিনালার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং স্থানীয় জনগণের মাঝে চারা বিতরণ করা হয়। পরদিন শুক্রবার তিনটি মসজিদে আরও ১ হাজার ৪০০টি চারা বিতরণের মাধ্যমে খাগড়াছড়ি জেলায় মোট ১০ হাজার ২৩৫টি ফলজ গাছের চারা বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে।<br />
আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন জানায়, দেশব্যাপী চলমান ২ লাখ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬ এর লক্ষ্য পরিবেশ সংরক্ষণ, সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং ফলজ বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে পরিবেশবান্ধব মানসিকতা গড়ে তোলা। একই সঙ্গে সাদাকায়ে জারিয়াহর অংশ হিসেবে বেশি বেশি গাছ লাগাতে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করাও এ উদ্যোগের অন্যতম উদ্দেশ্য। এ লক্ষ্যে সংগঠনটির স্বেচ্ছাসেবীরা জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও জনবহুল এলাকায় ধারাবাহিকভাবে বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশ সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।<br />
স্থানীয় মুসল্লিরা এ উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, মসজিদকেন্দ্রিক এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি যেমন পরিবেশ সংরক্ষণে ভূমিকা রাখবে, তেমনি সাধারণ মানুষের মধ্যে বৃক্ষরোপণের আগ্রহ ও সচেতনতা বৃদ্ধি করবে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.chtmedia24.com/69602/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>৫২ দিন পর উৎপাদনে ফিরেছে মধ্যপাড়া পাথর খনি</title>
		<link>https://www.chtmedia24.com/69600</link>
		<comments>https://www.chtmedia24.com/69600#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>chtmedia</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[দিনাজপুর]]></category>

		<category><![CDATA[বিদ্যুৎ -জ্বালানি]]></category>

		<category><![CDATA[রংপুর বিভাগ]]></category>

		<category><![CDATA[সকল বিভাগ]]></category>

		<category><![CDATA[সর্বশেষ সংবাদ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.chtmedia24.com/69600</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.chtmedia24.com/cloud/archives/2026/07/dc2353-thumbnail.jpg" alt="" /></span> রুকুনুজ্জামান, পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি :: দিনাজপুরের মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডে (এমজিএমসিএল) টানা ৫২ দিন বন্ধ থাকার পর আবারও পাথর উৎপাদন শুরু হয়েছে।
শনিবার ১১ জুলাই সকাল থেকে খনির ভূগর্ভ থেকে পুরোদমে পাথর উত্তোলনের কার্যক্রম পুনরায় চালু হয়।
খনি সূত্রে জানা গেছে, পাথর উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত প্রধান বিস্ফোরক অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটের মজুত ১৮ মে শেষ হয়ে যায়। ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.chtmedia24.com/cloud/archives/2026/07/dc2353-thumbnail.jpg" alt="৫২ দিন পর উৎপাদনে ফিরেছে মধ্যপাড়া পাথর খনি" /> রুকুনুজ্জামান, পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি :: দিনাজপুরের মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডে (এমজিএমসিএল) টানা ৫২ দিন বন্ধ থাকার পর আবারও পাথর উৎপাদন শুরু হয়েছে।<br />
শনিবার ১১ জুলাই সকাল থেকে খনির ভূগর্ভ থেকে পুরোদমে পাথর উত্তোলনের কার্যক্রম পুনরায় চালু হয়।<br />
খনি সূত্রে জানা গেছে, পাথর উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত প্রধান বিস্ফোরক অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটের মজুত ১৮ মে শেষ হয়ে যায়। এর ফলে ১৯ মে সকাল থেকে খনির উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে পড়ে। প্রয়োজনীয় বিস্ফোরক ১০ জুলাই খনিতে পৌঁছানোর পর শনিবার সকাল থেকে প্রায় এক মাস ২২ দিন (৫২ দিন) পর পুনরায় উৎপাদন শুরু হয়।<br />
মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. আমজাদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটের মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় সাময়িকভাবে পাথর উত্তোলন বন্ধ ছিল। নতুন করে বিস্ফোরক সরবরাহ পাওয়ায় শনিবার সকাল থেকেই পুরোদমে উৎপাদন শুরু হয়েছে।<br />
তিনি জানান, শুক্রবার খনিতে ৮৮ টন অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট পৌঁছেছে। এ পরিমাণ বিস্ফোরক দিয়ে প্রায় আড়াই মাস পাথর উত্তোলন কার্যক্রম চালানো সম্ভব হবে। এছাড়া আরও ৩০০ টন বিস্ফোরকের চাহিদা দেওয়া হয়েছে, যা পর্যায়ক্রমে সরবরাহ করা হবে। ভবিষ্যতে বিস্ফোরক সংকটের কারণে যাতে উৎপাদন ব্যাহত না হয়, সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।<br />
খনি সূত্র জানায়, সময়মতো বিস্ফোরক সরবরাহ না হওয়ায় এর আগেও ২০১৪, ২০১৮, ২০২২, ২০২৫ এবং সর্বশেষ ২০২৬ সালে খনির উৎপাদন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হয়েছিল।<br />
উল্লেখ্য, দেশের একমাত্র ভূগর্ভস্থ পাথর খনি মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড ২০০৭ সালের ২৫ মে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু করে। বর্তমানে তিন শিফটে প্রায় ৭০০ শ্রমিক খনিতে পাথর উত্তোলনের কাজে নিয়োজিত রয়েছেন।<br />
২০২১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জার্মানিয়া ট্রেস্ট কনসোর্টিয়াম (জিটিসি)-এর সঙ্গে ছয় বছরের জন্য পুনঃচুক্তি করে এমজিএমসিএল। চুক্তি অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটি প্রতিদিন গড়ে প্রায় সাড়ে ৫ হাজার টন পাথর উত্তোলন করছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.chtmedia24.com/69600/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>সেতু ধসে পড়ে রাঙামাটি-বান্দরবানের সড়ক যোগাযোগ সম্পুর্ণ বিচ্ছিন্ন</title>
		<link>https://www.chtmedia24.com/69598</link>
		<comments>https://www.chtmedia24.com/69598#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>chtmedia</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[চট্টগ্রাম বিভাগ]]></category>

		<category><![CDATA[রাঙামাটি]]></category>

		<category><![CDATA[সকল বিভাগ]]></category>

		<category><![CDATA[সর্বশেষ সংবাদ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.chtmedia24.com/69598</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.chtmedia24.com/cloud/archives/2026/07/ac78b2-thumbnail.jpg" alt="" /></span>
অব্যাহত টানা বর্ষন ও পাহাড়ী ঢলের প্রবল স্রোতের কারনে বান্দরবান সদর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে রাঙ্গুনিয়া উপজেলার দুধপুকুরিয়া-পদুয়া এলাকায় একটি সেতু ধসে পড়ে রাঙামাটি-বান্দরবানের সড়ক যোগাযোগ সম্পুর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।
শনিবার ১১ জুলাই সকালের দিকে এ ঘটনা ঘটলে বান্দরবান-রাঙামাটি সড়কপথে সকল ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে পানির তীব্র স্রোতের মুখে ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.chtmedia24.com/cloud/archives/2026/07/ac78b2-thumbnail.jpg" alt="সেতু ধসে পড়ে রাঙামাটি-বান্দরবানের সড়ক যোগাযোগ সম্পুর্ণ বিচ্ছিন্ন" /><br />
অব্যাহত টানা বর্ষন ও পাহাড়ী ঢলের প্রবল স্রোতের কারনে বান্দরবান সদর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে রাঙ্গুনিয়া উপজেলার দুধপুকুরিয়া-পদুয়া এলাকায় একটি সেতু ধসে পড়ে রাঙামাটি-বান্দরবানের সড়ক যোগাযোগ সম্পুর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।<br />
শনিবার ১১ জুলাই সকালের দিকে এ ঘটনা ঘটলে বান্দরবান-রাঙামাটি সড়কপথে সকল ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।<br />
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে পানির তীব্র স্রোতের মুখে দুধপুকুরিয়া-পদুয়া এলাকার সেতুটি ধসে পড়ে। ফলে সড়কটিতে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং দুই পাশের মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েন।<br />
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সেতু ধসে পড়ায় কর্মস্থল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াতকারী মানুষ সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন।<br />
এ বিষয়ে রাঙ্গুনিয়া উপজেলার সহকারি কমিশনার (ভূমি) দেবব্রত দাশ জানান, টানা বর্ষন ও প্রবল পানির স্রোতের কারনে আজ সকালে রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পদুয়া ইউনিয়নের দুধপুকুরিয়া এলাকার সেতুটি ভেঙে পড়ায় সেতুতে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। পদুয়া ইউনিয়নের দুধপুকুরিয়া সেতুটি ভেঙে পড়ায় রাঙ্গুনিয়া উপজেলা হয়ে বান্দরবানের সাথে রাঙামাটির সড়ক যোগাযোগ এখন বন্ধ আছে।<br />
তিনি জানান, সেতুটি সড়ক ও জনপথ বিভাগের হওয়ায় তাদের সাথে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে জানিয়েছি।<br />
তিনি আরো জানান, কর্ণফুলী নদীতে পানি বাড়ায় রাঙ্গুনিয়া উপজেলার লিচু বাগান এলাকা থেকে নদীর অপর পাড়ে যে ফেরি চলাচল করত সেটিও বন্ধ আছে।<br />
এতে করে উপজেলা থেকে বিকল্প এই পথে সেতু পেরিয়ে বান্দরবানের পথে যাত্রাও বর্তমানের বন্ধ আছে বলে জানিয়েছেন তিনি।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.chtmedia24.com/69598/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রকে নিবন্ধনের দায়িত্ব প্রদানের তাগিদ</title>
		<link>https://www.chtmedia24.com/69594</link>
		<comments>https://www.chtmedia24.com/69594#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>chtmedia</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[ঢাকা]]></category>

		<category><![CDATA[ঢাকা বিভাগ]]></category>

		<category><![CDATA[সকল বিভাগ]]></category>

		<category><![CDATA[সর্বশেষ সংবাদ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.chtmedia24.com/69594</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.chtmedia24.com/cloud/archives/2026/07/ae96d4-thumbnail.jpg" alt="" /></span> শিক্ষা, স্বাস্থ্য, উত্তরাধিকার এবং ভোটাধিকারের মতো মৌলিক নাগরিক অধিকারসমূহ নিশ্চিত করতে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন অপরিহার্য। রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনা, সুশাসন এবং বাজেট প্রণয়নেও নিবন্ধন তথ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে বাংলাদেশে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন হার যথাক্রমে ৫০% ও ৪৭%, যা বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক গড় হারের তুলনায় অনেক কম। অথচ সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে এই হার শতভাগে ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.chtmedia24.com/cloud/archives/2026/07/ae96d4-thumbnail.jpg" alt="স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রকে নিবন্ধনের দায়িত্ব প্রদানের তাগিদ" /> শিক্ষা, স্বাস্থ্য, উত্তরাধিকার এবং ভোটাধিকারের মতো মৌলিক নাগরিক অধিকারসমূহ নিশ্চিত করতে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন অপরিহার্য। রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনা, সুশাসন এবং বাজেট প্রণয়নেও নিবন্ধন তথ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে বাংলাদেশে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন হার যথাক্রমে ৫০% ও ৪৭%, যা বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক গড় হারের তুলনায় অনেক কম। অথচ সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে এই হার শতভাগে উন্নীত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বিশেষজ্ঞদের মতে, ‘জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন, ২০০৪’ সংশোধন করে নিবন্ধনের আইনি দায়িত্ব হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে দেওয়া হলে এই লক্ষ্য অর্জন দ্রুততর হবে। একই সঙ্গে এটি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ১৬.৯ অনুযায়ী সবার জন্য বৈধ পরিচয়পত্র নিশ্চিত করার লক্ষ্যমাত্রা অর্জনকে ত্বরান্বিত করবে।</p>
<p>আজ ০৮ জুলাই রাজধানীর বিএমএ ভবনে অনুষ্ঠিত “বাংলাদেশে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন: অগ্রগতি, প্রতিবন্ধকতা ও করণীয়” শীর্ষক এক সাংবাদিক কর্মশালায় এসব বিষয় তুলে ধরেন বক্তারা। গ্লোবাল হেলথ অ্যাডভোকেসি ইনকিউবেটর (জিএইচএআই) এর সহযোগিতায় প্রজ্ঞা (প্রগতির জন্য জ্ঞান) এই কর্মশালার আয়োজন করে। কর্মশালায় প্রিন্ট, টেলিভিশন এবং অনলাইন মিডিয়ার ৩০ জন সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেন।</p>
<p>কর্মশালায় উল্লেখ করা হয়, বর্তমান আইনে জন্ম ও মৃত্যুর তথ্য দেওয়ার মূল দায়িত্ব কেবল পরিবারের, স্বাস্থ্য বিভাগের নয়। তবে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোকে জন্ম নিবন্ধনের দায়িত্ব দেওয়া হলে এগুলোর আওতায় জন্ম নেওয়া দেশের প্রায় ৬৭ শতাংশ শিশুকে সহজেই নিবন্ধনের আওতায় আনা সম্ভব। এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের বহু দেশ এই পদ্ধতি অনুসরণ করেই শতভাগ নিবন্ধনের লক্ষ্য পূরণ করেছে।</p>
<p>জিএইচএআই-এর বাংলাদেশ কান্ট্রি লিড মুহাম্মাদ রূহুল কুদ্দুস বলেন, “শতভাগ নিবন্ধন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোকে আইনগতভাবে নিবন্ধনের দায়িত্ব প্রদানের কোন বিকল্প নেই।”</p>
<p>ভাইটাল স্ট্র্যাটেজিস-এর কান্ট্রি কো-অর্ডিনেটর মো. নজরুল ইসলাম বলেন, “আইন শক্তিশালীকরণের পাশাপাশি আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। এক্ষেত্রে জনবল সংকট, প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা এবং আন্তঃখাত সমন্বয়হীনতা দূর করা বিশেষভাবে জরুরি।”</p>
<p>ডেইলি টাইমস অফ বাংলাদেশ এর হেড অফ অনলাইন (বাংলা) মো. মনির হোসেন লিটন বলেন, “নিবন্ধন প্রক্রিয়ার দুর্বলতা ও জনভোগান্তির চিত্র তুলে ধরে নিয়মিত সংবাদ প্রকাশ করতে হবে, যা নীতি পরিবর্তনে ইতিবাচক চাপ তৈরি করবে।”</p>
<p>কর্মশালায় আলোচক হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রজ্ঞা’র নির্বাহী পরিচালক এবিএম জুবায়ের। গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে বিষয়ভিত্তিক উপস্থাপনা তুলে ধরেন প্রজ্ঞা’র কোঅর্ডিনেটর মাশিয়াত আবেদিন।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.chtmedia24.com/69594/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামে ভারী বর্ষণে জনদুর্ভোগে প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলালের দুঃখ প্রকাশ</title>
		<link>https://www.chtmedia24.com/69592</link>
		<comments>https://www.chtmedia24.com/69592#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>chtmedia</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[চট্টগ্রাম]]></category>

		<category><![CDATA[চট্টগ্রাম বিভাগ]]></category>

		<category><![CDATA[রাঙামাটি]]></category>

		<category><![CDATA[সকল বিভাগ]]></category>

		<category><![CDATA[সর্বশেষ সংবাদ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.chtmedia24.com/69592</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.chtmedia24.com/cloud/archives/2026/07/567a46-thumbnail.jpg" alt="" /></span> ঢাকা, ০৮ জুলাই, ২০২৬ :: কয়েকদিনের অবিরাম বর্ষণে চট্টগ্রাম এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলায় তৈরি হওয়া জলাবদ্ধতা ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হওয়ায় গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, এমপি।
গতকাল রাতে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় প্রতিমন্ত্রী প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট এই বৈরী আবহাওয়া থেকে নিজেদের জানমাল রক্ষা ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.chtmedia24.com/cloud/archives/2026/07/567a46-thumbnail.jpg" alt="চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামে ভারী বর্ষণে জনদুর্ভোগে প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলালের দুঃখ প্রকাশ" /> ঢাকা, ০৮ জুলাই, ২০২৬ :: কয়েকদিনের অবিরাম বর্ষণে চট্টগ্রাম এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলায় তৈরি হওয়া জলাবদ্ধতা ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হওয়ায় গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, এমপি।<br />
গতকাল রাতে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় প্রতিমন্ত্রী প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট এই বৈরী আবহাওয়া থেকে নিজেদের জানমাল রক্ষা এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সহায়তা করার জন্য চট্টগ্রাম বিভাগের স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও এর অঙ্গসংগঠনসহ সকল জনপ্রতিনিধি, দলীয় নেতাকর্মী এবং স্থানীয় তরুণ সমাজকে সমন্বিতভাবে সর্বাত্মক পাশে দাঁড়ানোর উদাত্ত আহ্বান জানান।<br />
ভিডিও বার্তায় প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের এই উদ্ভূত পরিস্থিতির সার্বিক খোঁজখবর রাখছেন এবং আমাদের সংশ্লিষ্ট সকলকে প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি কঠিন এই পরিস্থিতিতে ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানিয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে দুর্গত মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণসহ খাদ্য, বস্ত্র ও আশ্রয় দিয়ে সহায়তা করার প্রতি বিশেষ জোর দেন।<br />
উল্লেখ্য, ৪২ বছরের রেকর্ড ভেঙে হওয়া এই ভারী বর্ষণে চট্টগ্রাম এবং পার্বত্য চট্টগ্রামে চরম জনদুর্ভোগ তৈরি হয়েছে। বৈরী আবহাওয়ার কারণে চট্টগ্রামে বিমান ও ট্রেন চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে। এছাড়া রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িতে সড়কে পানি জমে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে এবং পরিস্থিতি বিবেচনায় আগামী শুক্রবার পর্যন্ত বান্দরবানের সকল পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.chtmedia24.com/69592/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>খাগড়াছড়িতে ইউপিডিএফ-পিসিজেএসএসের গোলাগুলিতে নিহত -৩</title>
		<link>https://www.chtmedia24.com/69590</link>
		<comments>https://www.chtmedia24.com/69590#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>chtmedia</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[খাগড়াছড়ি]]></category>

		<category><![CDATA[চট্টগ্রাম বিভাগ]]></category>

		<category><![CDATA[সকল বিভাগ]]></category>

		<category><![CDATA[সর্বশেষ সংবাদ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.chtmedia24.com/69590</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.chtmedia24.com/cloud/archives/2026/07/5d386c-thumbnail.jpg" alt="" /></span> খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি :: খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলায় আঞ্চলিক দুই সংগঠন ইউপিডিএফ-
মূল এবং পিসিজেএসএস-মুলএর মধ্যে গোলাগুলির ঘটনায় তিনজন নিহত হয়েছেন।
সোমবার ৬ জুলাই দুপুরে উপজেলার ২ নম্বর চেঙ্গী ইউনিয়নের মধুমঙ্গল পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পানছড়ি থানার ওসি ফেরদৌস ওয়াহিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিবাদমান দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.chtmedia24.com/cloud/archives/2026/07/5d386c-thumbnail.jpg" alt="খাগড়াছড়িতে ইউপিডিএফ-পিসিজেএসএসের গোলাগুলিতে নিহত -৩" /> খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি :: খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলায় আঞ্চলিক দুই সংগঠন ইউপিডিএফ-<br />
মূল এবং পিসিজেএসএস-মুলএর মধ্যে গোলাগুলির ঘটনায় তিনজন নিহত হয়েছেন।<br />
সোমবার ৬ জুলাই দুপুরে উপজেলার ২ নম্বর চেঙ্গী ইউনিয়নের মধুমঙ্গল পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।<br />
পানছড়ি থানার ওসি ফেরদৌস ওয়াহিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।<br />
তিনি জানান, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিবাদমান দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজন নিহত হন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের পরিচয় জানা যায়নি।<br />
ওসি আরও জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। ঘটনার বিস্তারিত জানতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।<br />
উল্লেখ্য, গত কয়েক মাস ধরে পানছড়ি এলাকায় পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (পিসিজেএসএস-মুল) এবং ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ-মুল)-এর মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে থেমে থেমে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। এতে এর আগেও হতাহতের ঘটনা ঘটেছে, যা এলাকায় উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.chtmedia24.com/69590/feed</wfw:commentRss>
		</item>
	</channel>
</rss>
