রবিবার ● ১৮ জানুয়ারী ২০২৬
প্রথম পাতা » ঢাকা » পরিকল্পিত নগরায়ণ ও জাতীয় উন্নয়ন নিশ্চিতে রাজনৈতিক ঐক্যমত্যের বিকল্প নেই
পরিকল্পিত নগরায়ণ ও জাতীয় উন্নয়ন নিশ্চিতে রাজনৈতিক ঐক্যমত্যের বিকল্প নেই
ঢাকা :: টেকসই ও জনবান্ধব শহর গড়তে এবং বর্তমানের প্রকল্প-ভিত্তিক বিচ্ছিন্ন উন্নয়নের ধারা থেকে বেরিয়ে আসতে দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ব্যাপক ঐক্যমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আজ রাজধানীর সিক্স সিজনস হোটেলে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্স (বিআইপি) এবং নেদারল্যান্ডস দূতাবাস-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত “রাজনৈতিক চর্চায় পরিকল্পিত নগরায়ণ” শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
বিআইপি’র সাধারণ সম্পাদক পরিকল্পনাবিদ অধ্যাপক মুঃ মোসলেহ উদ্দীন হাসান-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিআইপি উপদেষ্টা পরিষদের আহ্বায়ক পরিকল্পনাবিদ অধ্যাপক ড. আকতার মাহমুদ। তিনি বলেন, “জলাশয় পুনরুদ্ধার ও নারী-শিশু বান্ধব গণপরিবহন নিশ্চিত করে পরিকল্পিত ভূমি ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করা এখন সময়ের দাবি।”
মূল প্রবন্ধে বিআইপি’র সহ-সভাপতি-১ পরিকল্পনাবিদ শেখ মুহাম্মদ মেহেদী আহসান সতর্ক করে বলেন, ২০৫০ সাল নাগাদ বর্ধিত ৩-৪ কোটি জনসংখ্যার চাপ সামলাতে ‘জাতীয় স্থানিক পরিকল্পনা কাঠামো’ বাস্তবায়ন অপরিহার্য।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দলের প্রতিনিধিরা তাদের সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা তুলে ধরেন:
ব্যারিস্টার নাসরিন সুলতানা মিলি (এবি পার্টি): ঢাকাকে ‘কংক্রিট জঙ্গল’ আখ্যা দিয়ে তৃণমূল পর্যায়ে পরিকল্পনাবিদ নিয়োগ ও ‘স্যাটেলাইট টাউন’ গড়ার গুরুত্বারোপ করেন।
এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী): বৈষম্যহীন ও ন্যায়ভিত্তিক নগর নীতি প্রণয়নের মাধ্যমে মানবসম্পদকে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান।
প্রকৌশলী মুহাম্মদ আশরাফুল আলম (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ): উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতিরোধ ও স্বনির্ভর অর্থনীতির ওপর জোর দেন।
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক তার বক্তব্যে ঢাকা-১২ আসনের (তেজগাঁও, ফার্মগেট, নাখালপাড়া, মণিপুরিপাড়া) কৌশলগত গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মতো অতি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা এই আসনেই অবস্থিত। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে, আসন্ন নির্বাচনে জয়ী হলে তিনি এই ভিআইপি জোনের পাশাপাশি অবহেলিত এলাকার সাধারণ মানুষের জন্য আধুনিক ও বৈষম্যহীন নগর সুবিধা নিশ্চিত করবেন।
সমাপনী বক্তব্যে বিআইপি সভাপতি পরিকল্পনাবিদ ড. মুহাম্মদ আরিফুল ইসলাম স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও কোনো ‘জাতীয় স্থানিক পরিকল্পনা’ না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ‘নগর পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগ’ গঠনের দাবি জানান।





নির্বাচিত সরকার মবতন্ত্রের কাছে জিম্মি হতে পারেনা
গত দু’বছর রাষ্ট্র জুলাই শহীদদের স্বপ্নের উল্টো পথে হাটছে : সাইফুল হক
মিরপুর আবাসন মেলায় দর্শনার্থীদের ব্যাপক সাড়া
ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির গভীর শোক
ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর শোক
স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রকে নিবন্ধনের দায়িত্ব প্রদানের তাগিদ
সাভারে এনসিপির সমাবেশে ককটেল হামলায় বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির নিন্দা
শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আবুল কাশেম ফজলুল হকের মৃত্যুতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির শোক
বরেণ্য চিত্রশিল্পী মূস্তাফা মনোয়ারের মৃত্যুতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি শোক
দুর্নীতিমুক্ত পার্বত্য অঞ্চল গড়ে তোলার ঘোষণা পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালের