মঙ্গলবার ● ৩ মার্চ ২০২৬
প্রথম পাতা » ঢাকা » ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনীর হত্যা অপরাধমূলক আন্তর্জাতিক সন্ত্রাস
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনীর হত্যা অপরাধমূলক আন্তর্জাতিক সন্ত্রাস
আজ মঙ্গলবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সম্মুখে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে পার্টির সাধারণ সম্পাদক জননেতা সাইফুল হক বলেছেন, ইরানে মার্কিন -ইজরায়েলের যৌথ সামরিক হামলা-আগ্রাসন ও ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতউল্লাহ খামেনিকে হত্যার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়ে এই হামলা- আক্রমণকে আন্তর্জাতিক রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসী তৎপরতা হিসাবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন আন্তর্জাতিক বিধি বিধান ও সকল রীতিনীতি লংঘন করে একটি স্বাধীন দেশের উপর এই সামরিক আগ্রাসন ও সাধারণ নাগরিকদের হত্যাকাণ্ডকে যুদ্ধাপরাধ হিসাবে আখ্যায়িত করেছেন। এটা মধ্যযুগীয় বর্বরতার সামিল।
তিনি বলেন, ঠুনকো ও হাস্যকর অজুহাতে যেভাবে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান পরিচালিত হচ্ছে তা মার্কিন- ইজরায়েলের চরম ঔদ্ধত্বের বহিঃপ্রকাশ এবং জাতিরাষ্ট্রের স্বাধিনতা,সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তাকে বৃদ্ধাংগুলী দেখানোর মত ঘটনা। একবিংশ শতাব্দীতে এধরণের অপতৎপরতা প্রায় অবিশ্বাস্য।
তিনি বলেন, ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা ধ্বংস ও সরকার পরিবর্তনের লক্ষ্যে সংঘটিত এই সামরিক আগ্রাসনের আসল উদ্দেশ্য হচ্ছে গোটা মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন - ইজরায়েলের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামরিক কর্তৃত্ব নিরংকুশ করা।ইরানে তাদের অনুগত সরকার প্রতিষ্ঠা করতে পারলে তাদের উদ্দেশ্য সফল হয়। এই আগ্রাসী যুদ্ধের আর এক দুরর্বর্তী লক্ষ্য হচ্ছে ইজরায়েলী ভুখন্ডকে বিস্তৃত করা এবং আরব দুনিয়ার রাজনৈতিক মানচিত্র পরিবর্তন করে দেয়া।
সমাবেশে তিনি ক্ষোভের সাথে উল্লেখ করেন, কিছুদিন আগে একইরকম ঠুনকো অজুহাতে সামরিক অভিযান চালিয়ে তারা ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্টকে স্বস্ত্রীক তুলে নিয়ে যায়।তিনি বলেন, গত কয়েক দশক ধরে মার্কিনীদের এই অপরাধমূলক সন্ত্রাসী তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
তিনি বলেন, এসব অপরাধমূলক সন্ত্রাসী তৎপরতার মধ্যে মার্কিন ও তার পশ্চিমা মিত্রদের কথিত গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও মানবাধিকারের মুখোশও পুরোপুরি খসে পড়েছে।
তিনি অনতিবিলম্বে ইরানে এই যৌথ সামরিক আগ্রাসন বন্ধে কার্যকরি উদ্যোগ নিতে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি সাম্রাজ্যবাদী এই আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ভূমিকা নিতে বিশ্বের শান্তিকামী জনগণের প্রতিও আহবান জানিয়েছেন।
তিনি বাংলাদেশ সরকারকেও এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেবার আহবান জানিয়েছেন।
সাইফুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য আকবর খান, মীর মোফাজ্জল হোসেন মোশতাক, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সাইফুল ইসলাম, অরবিন্দু বেপারী বিন্দু, মীর রেজাউল আলম, কেন্দ্রীয় সংগঠক বাবর চৌধুরী প্রমুখ।
সমাবেশের পর একটি বিক্ষোভ মিছিল তোপখানা রোড, পুরানা পল্টন, বিজয়নগর হয়ে সেগুনবাগিচায় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এসে শেষ হয়।





বাংলাদেশ - ভারত সীমান্তে ভারতের পুশইন তৎপরতা বন্ধে কুটনৈতিক উদ্যোগ নেবার আহবান
পার্বত্য বিষয়ক মন্ত্রীর সাথে ইউএনএফপিএ ও আইএলও প্রতিনিধিদের সাক্ষাৎ
ঈদযাত্রা স্বস্তির ও নিরাপদ রাখুন : সাইফুল হক
তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন শক্তিশালীকরণে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা প্রশংসনীয়
শতভাগ জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন এসডিজি অর্জনে সহায়ক
সরকারকে দৃঢতার সাথে জনপ্রত্যাশা পূরণে পদক্ষেপ নিতে হবে
একজন আরেকজনকে দোষারোপ করে উন্নয়ন হয় না : ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী
হামে প্রায় পাঁচশো শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যুর দায় কাউকে না কাউকে নিতে হবে
প্রধানমন্ত্রীর সাথে বিকেএমইএ প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ: পোশাক খাতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা ও নীতিগত সহায়তার আশ্বাস
বিচারকদেরকে মনস্তাত্ত্বিক সংকট থেকে মুক্তি দিতে হবে