শিরোনাম:
●   দুই এমপির উপস্থিতিতে ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত ●   ১১ মাসে কুরআন হিফজ সম্পন্ন করলো ৮ বছরের মুগ্ধ ●   গ্রেটার দেউলগ্রাম ওয়েলফেয়ার ট্রাষ্ট ইউকে এর সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত : সভাপতি অহিদ-সম্পাদক হাকিম ●   দূর্গম পাহাড়ে শিশুদের মাঝে শিক্ষা-সামগ্রী বিতরণ ●   আত্রাইয়ে বজ্রপাতে এক শিশুর মৃত্যু ●   ঝালকাঠিতে দুর্গাপূজা উদযাপনে জেলা প্রশাসনের প্রস্তুতিমূলক সভা ●   বান্দরবানে বিএনপির সন্ত্রাস ও মাদকবিরোধী সমাবেশ ●   পার্বতীপুরে মোস্তফাপুর ইউপি ভবন পূর্বস্থানে নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন ●   কুষ্টিয়ায় ডিবি পুলিশের বিরুদ্ধে দুই যুবককে অস্ত্র দিয়ে ফাঁসানোর অভিযোগ ●   বান্দরবানের নতুন ডিসি নাজনীন সুলতানা ●   রাঙামাটিতে আইএফআইসি ব্যাংকের ৫০ বছর পূর্তি উদ্যাপন ●   নিখোঁজ শিশুর অনিশ্চিৎ ভবিষ্যৎ : আইনি ও সামাজিক সুরক্ষা জরুরী ●   পার্বতীপুরে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার বাড়তি দামে বিক্রয়ের দায়ে দুই প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ টাকা জরিমানা ●   ভূমি মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব হিসেবে দায়িত্বে এমদাদুল হক চৌধুরী ●   রাবিপ্রবি’তে আচরণ ও শৃঙ্খলা বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত ●   ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগে নারী আটক ●   রাউজানে চেকপোস্টে পিস্তল-গুলিসহ গ্রেফতার ●   আত্রাইয়ে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত-১ ●   ঝালকাঠিতে পালিত পিতার বিরুদ্ধে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ ●   বান্দরবানে দুই দিনব্যাপী সেনাবাহিনীর ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ●   সাংবাদিকদের সাথে রাঙামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের শুভেচ্ছা বিনিময় ●   রাঙামাটিতে জমি বিরোধ নিয়ে ১৮ জনের বিরুদ্ধে পুলিশের চার্জশিট ●   ঝালকাঠিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ●   আত্রাইয়ে গোয়ালঘরের জানালার ইট খুলে দুটি গরু চুরি ●   মিরসরাইয়ে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার ●   তায়কোয়ানডো ক্লাব কাপ চ্যাম্পিয়নশীপে রাজশাহী ১৫টি পদক জয়ী ●   আত্রাইয়ে সড়কে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে পুলিশ বক্সের উদ্বোধন ●   গাজীপুরে বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ●   বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিতে স্থায়ী নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন ●   ঈশ্বরগঞ্জে ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার
রাঙামাটি, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩



CHT Media24.com অবসান হোক বৈষম্যের
বৃহস্পতিবার ● ২৯ নভেম্বর ২০১৮
প্রথম পাতা » পটুয়াখালী » পটুয়াখালীতে শীতের পিঠা বিক্রির ধুম
প্রথম পাতা » পটুয়াখালী » পটুয়াখালীতে শীতের পিঠা বিক্রির ধুম
বৃহস্পতিবার ● ২৯ নভেম্বর ২০১৮
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

পটুয়াখালীতে শীতের পিঠা বিক্রির ধুম

---হাসান আলী,পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: (১৫ অগ্রহায়ন ১৪২৫ বাঙলা: বাংলাদেশ সময় বিকাল ৪.২১মি.) এক সময় শীতের আগমনী বার্তার সঙ্গে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে গ্রাম অঞ্চলে পিঠাপুলির উৎসব শুরু হতো। শুধুমাত্র গ্রামের বাড়িতে নয় প্রতিটি বাজারে জমজমাট হয়ে উঠেছে পিঠা বিক্রির ব্যবসা। কুয়াশা মোড়ানো শীতের হিমেল হাওয়ায় ধোঁয়া উঠা পিঠার স্বাদ না নিলে যেন তৃপ্তি মিঠতো না অনেকের। প্রতিদিন সরিষা বাটার ঝাঁজ আর চিতই পিঠা খেতে রাস্তার বিভিন্ন দোকানে ভীড় করতো ক্রেতারা। মৌসুমি এই পিঠার প্রতি বেশ আগ্রহ ছিল পিঠা প্রেমিকদের। ফলে শীতের শুরুতেই চিতইসহ নানা রকম পিঠার ব্যবসা জমে উঠতো। কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে আমাদের গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্য নানা রকমের শীতের পিঠা।

পটুয়াখালীর বিভিন্ন অঞ্চলে মেয়ের জামাইয়েরে বাড়িতে তৈরি পিঠা নিয়ে যাওয়ার রেওয়াজ ছিল। যতই শীত বাড়ে ততই যেন মানুষের পিঠা বানানোর ব্যস্থতা বেড়েই চলত। বাহারি রকমের পিঠা তৈরির উৎসবে আত্মহারা হত সর্বস্তরের মানুষ। এখন কর্মচাঞ্চল্য এই ব্যস্ত জীবনের গর্ভে পিঠা বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। শীতের সময়ে গ্রামাঞ্চলের প্রতি ঘরেই চিতই, দুধচিতল, পুলি, নকশি, পাটিসাপটা, ভাপা, চুসি, সীম, পাখন, তেলে ভাজা পিঠাসহ হরেক রকমের পিঠা তৈরিতে ব্যস্ত হয়ে পড়তেন গৃহিণীরা। কালের বিবর্তনে বাড়িতে পিঠা তৈরির সেই উৎসবমুখর আমেজ হারিয়ে। মানুষ ফুটপাতের দোকান থেকে পিঠা কিনে নিজে খাচ্ছেন ও ছেলেমেয়েদেরও খাওয়াচ্ছেন। হতদরিদ্র মানুষের জীবিকা নির্বাহের অন্যতম পন্থা হয়ে ওঠে পিঠা বিক্রি।পটুয়াখালীর প্রত্যন্ত অঞ্চলের একাধিক হতদরিদ্র মানুষ পিঠা বিক্রির উপার্জিত অর্থের মাধ্যমে চালাছে তাদের সংসার। তীব্র কনকনে শীতকে উপেক্ষা করে মির্জাগঞ্জ উপজেলা সুবিদখালী বাজার এলাকা বিভিন্ন সড়কের পাশে,মোড়েমোড়ে বহু হতদরিদ্র মানুষ পিঠা বিক্রি করছেন। বিকেল থেকে শুরু করে অনেক রাত পর্যন্ত এই পিঠা বিক্রি চলে। এসব পিঠা খাওয়ার জন্য বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ ভীড় করতে দেখা যায়। এতে এই সব বিক্রেতার রোজগারও ভালো হয়। এসব পিঠা বিক্রির কাজে পুরুষের পাশাপাশি বাড়ির গৃহিণীরাও যুক্ত হচ্ছেন তাদের সঙ্গে। পৃথক পৃথক দোকান সাজিয়ে অনেকেই পিঠা বিক্রির কাজ করতে দেখা যায়।

মির্জাগঞ্জে উপজেলায় বাজার কয়েকটি পিঠার দোকান ঘুরে দেখা গেছে, চিতই, ভাপা পিঠা দিয়ে সাজানো রয়েছে রাস্তার পাশে দোকানগুলো। আর তাতে ভীড় করছেন বিভিন্ন পেশার পিঠা প্রেমিকরা। চিতই পিঠার সঙ্গে খাওয়ার জন্য রয়েছে বেশ কয়েকটি ভর্তা (সুটকিভর্তা, সরিষা ভর্তা, মরিচের ভর্তা, ধনিয়া পাতা ভর্তা) ইত্যদি। বিক্রেতারা পিঠা গুলো বানাতে বানাতেই ক্রেতারা গরম পিঠা কিনে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়েই মজা করে খাচ্ছে। প্রতিটি চিতই পিঠা বিক্রি হচ্ছে ৫ টাকা করে।ভাপা পিঠার উপকরণ হিসেবে ব্যবহার করা হয়, গুড়, নারকেল, সিদ্ধ চালের গুঁড়া, শুকনা মরিচ, গুড়া আধা ইত্যাদি।
পিঠা বিক্রেতা জাহাংগির জানান, আগে শীত আসলে গ্রামের মহিলারা ভোরে ঘুম থেকে উঠে পিঠা বানাতে বসত। তখন পরিবারের সবাই মিলে মিশে পরিবারের মধ্যে চলত পিঠা খাওয়ার উৎসব। কিন্তু এখন তা আর হয় না। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের জীবন যাত্রা বদলে যাচ্ছে অনেক। কালের বিবর্তনে সঙ্গে আমাদের গ্রামীণ সংস্কৃতিগুলো হারিয়ে যাচ্ছে। ফলে পিঠা পাগল মানুষ জন্য বাজারে বিক্রিকৃত পিঠার দিকে ঝুঁকে পড়ছে। শীতের আগমনে দিন মজুরি ছেড়ে অনেকেই ফুটপাতে পিঠা তৈরি করে বিক্রি করেন। পিঠা বানানোর কাজে গৃহিণীরা সাহায্য করে থাকেন। রান্না বান্নার কাজ সেরে গৃহিণীরা পিঠার চাল কুটে গুঁড়ো করে বিকেলে দোকান সাজিয়ে বসেন।তিনি আরও জানান, প্রতিদিন হাজার টাকার মত পিঠা বিক্রয় করতে পারেন তিনি। মূলত সন্ধ্যায় পিঠা বিক্রি হলেও তুলনামূলক সন্ধ্যার পর পিঠার চাহিদা বেশি থাকে। সব মিলিয়ে ১ হাজার টাকা আয় করতে পারেন তিনি।

মো.মাহাবুবুর রহমান জানান, শিতে সরিষা বাঁটা, ধনিয়া পাতা বাঁটা দিয়ে চিতই পিঠা খাওয়ার মজাই আলাদা। বাসায় তৈরি পিঠার চেয়ে একটু বেশিই মজা দোকানের তাই তিনি প্রায় প্রতিদিনই পিঠা কিনে খেয়ে থাকেন।

মির্জাগঞ্জের পিঠা বিক্রেতা লিটন জানান, বছরের অন্য সময় অন্যান্য পেশার কাজ করলেও এই সময়টা পিঠা ব্যবসা করি। ব্যবসা কেমন চলছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রতিদিন প্রায় ১ হাজার থেকে ১২শ টাকা বিক্রি করতে পারি। তবে লাভ লোকসান বুঝিনা আমার সংসার কোন রকম চলছে। শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পিঠার চাহিদাও বাড়ছে বলে জানান তিনি। এক সময় শীতে শুরুতে বাড়িতে গৃহিণীরা বাহারি পিঠা তৈরি করতেন। কিন্তু এখন আর নানা ঝামেলায় বাড়িতে আর পিঠা বানানো হয় না। সে কারণে বাজারেএসব দোকান থেকে ভাপা পিঠা কিনে খেয়েছেন। পরিবারের জন্য ও নিয়ে যাচ্ছি।





আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)