বুধবার ● ১ এপ্রিল ২০২৬
প্রথম পাতা » চট্টগ্রাম বিভাগ » ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপনের অংশ হিসাবে রাঙামাটি সড়ক বিভাগের বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্ধোধন
৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপনের অংশ হিসাবে রাঙামাটি সড়ক বিভাগের বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্ধোধন
স্টাফ রিপোর্টার :: সরকারের ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপন কর্মসূচিতে রাঙামাটি সড়ক ও জপথ বিভাগ এর কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসাবে আজ বুধবার ১ এপ্রিল সকাল ১১টায় চট্টগ্রাম-রাঙামাটি জাতীয় মহাসড়ক সাপছড়ি যৌথখামার এলাকায় জাতীয় মহাসড়কে বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্ধোধন করা হয়।
চট্টগ্রাম- রাঙামাটি জাতীয় মহাসড়কে বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্ধোধন করেন রাঙামাটি সড়ক বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোফাজ্জল হায়দার ।
জাতীয় মহাসড়কে বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্ধোধনকালিন সাপছড়ি যৌথখামার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বৃক্ষরোপন কর্মসূচিতে অংশ গ্রহন করেন।
এসময় রাঙামাটি সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সবুজ চাকমা, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি রাঙামাটি জেলা সভাপতি নির্মল বড়ুয়া মিলন, রাঙামাটি সড়ক বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী তৌহিদুল বারী ও রনেল চাকমা এবং সহকারী প্রকৌশলী রেনুকা তঞ্চঙ্গাসহ জেলায় কর্মরত গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
রাঙামাটি সড়ক বিভাগের অধিনে রাঙামাটি সদর, কাউখালী, নানিয়ারচর ও রাজস্থলী উপজেলার সড়ক সমুহের দুই পার্শে, সড়ক বিভাগের অফিস কম্পাউন্ডের খালি জায়গাতে বৃক্ষরোপন করার কথা উদ্ধোধনকালিন জানান, রাঙামাটি সড়ক বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোফাজ্জল হায়দার ।
উল্লেখ্য ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপন কর্মসূচির অংশে রাঙামাটি সড়ক ও জপথ বিভাগ ৪১ হাজার বৃক্ষরোপন করবেন রাঙামাটি জেলার ৪ উপজেলায়।
রাঙামাটিতে বৃক্ষরোপন কর্মসূচির আওতায় জারুল, পলাশ, সোনালু, লাল সোনাইল, চন্দ্রপ্রভা, কাঞ্চন, সাজিনা, নিম, মনিমালা, বসন্ত,মন্জুরি, আমলকি, মানদার, বকুল, জলপাই, আমড়া, বহেড়া, হরতকি, ছাতিম,নাগেশ্বর ও পাকুর ইত্যাদি বৃক্ষরোপন করার কর্মপরিকল্পনার কথা জানান, রাঙামাটি সড়ক ও জপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সবুজ চাকমা।





কাউখালীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন
কাপ্তাইয়ে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন
মিরসরাইয়ে ঝংকার ক্লাবের কার্যকরী কমিটি ঘোষণা
কাউখালীতে পুকুরে ডুবে কিশোরের মৃত্যু
মিরসরাইয়ে উত্তরণ’র ৭ম ঈদ উপহার বিতরণ
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে দীপেন দেওয়ান ও মীর হেলালের নিয়োগ ক্ষমতার ভারসাম্য : পাহাড়ী-বাঙালি বিভেদ থাকবে না