রবিবার ● ৪ ডিসেম্বর ২০১৬
প্রথম পাতা » প্রধান সংবাদ » গ্রাম বাংলার ঢেঁকি এখন বিলুপ্তির পথে
গ্রাম বাংলার ঢেঁকি এখন বিলুপ্তির পথে

বগুড়া প্রতিনিধি :: (২০ অগ্রহায়ন ১৪২৩ বাঙলা: বাংরাদেশ সময় রাত ৮.০০মি.) গ্রাম বাংলার তরুণী-নববধূঁ ও কৃষাণীদের কণ্ঠে ‘ও বউ চাল ভাঙ্গে রে, ঢেঁকিতে পাড় দিয়া, নতুন চাল ভাঙ্গে হেলিয়া দুলিয়া, ও বউ চাল ভাঙ্গে রে ঢেঁকিতে পাড় দিয়া’ এ রকম গান আর শোনা যায় না। অগ্রহায়ন-পৌষ মাসে কৃষক ধান কাঁটার সঙ্গে সঙ্গে কৃষাণীদের ঘরে ধানের নতুন চাল ভাঙ্গা বা চাল গুড়া করা, আর সে চাল দিয়ে পিঠা, পুলি, ফিরনি, পায়েশ তৈরী করার ধুম পড়ে যায়। এছাড়াও নবান্ন উৎসব, বিয়ে, ঈদ ও পূজা’য় ঢেঁকিতে ধান ভাঙ্গে আটা তৈরীর সময় গ্রাম্যবধুঁরা গান গাইতে থাকেন। চারদিকে পড়ে যায় হৈ-চৈ। কালের বিবর্তণে ঢেঁকি এখন যেন শুধু ঐতিহ্যের স্মৃতি। আবহমান বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঢেঁকি আগের মত আর চোঁখে পড়ে না। এক সময় ছিল ঢেঁকি গ্রাম জনপদে চাল ও চালের গুড়া-আটা তৈরীর একমাত্র মাধ্যম। বধূঁরা কাজ করতো গভীর রাঁত থেকে ভোর সকাল পয়র্ন্ত। এখন ঢেঁকির সেই ধুপধাপ শব্দ আর শুনা যায় না। বর্তমানে আধুনিকতার ছোয়ায় বগুড়া জেলায় ঢেঁকির শব্দ আর নেই। বগুড়া জেলা’সহ গাবতলী উপজেলায় ঢেঁকির ব্যবহার কমে গেছে। ফলে বিলুপ্তির পথে গ্রামীণ জনপদের কাঁঠের তৈরী ঢেঁকি। প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে যেখানে বিদ্যুৎ নেই সেখানেও ঢেঁকির ব্যবহার কমেছে। তবুও গ্রামীণ ঐতিহ্যেকে ধরে
রাখতে কেউ কেউ বাড়ীতে ঢেঁকি রাখলেও তারা ব্যবহার করছে না। তবে আবার কেউ কেউ দরিদ্র নারীদের দিন মজুরী দিয়ে ঢেঁকিতে ধান-চাল বা আটা তৈরী করতে দেখা গেছে। সেখানে একটু হলেও ধুপধাপ শব্দ শুনাগেছে। ঢেঁকি শিল্প হলেও এ শিল্পকে সংরক্ষণের কোন উদ্যোগ নেই। একসময় ঢেঁকি শিল্পের বেশ কদর ছিল। যখন মানুষ ঢেঁকিতে ধান ও চাল ভেঙ্গে চিড়া-আটা তৈরী করে জীবিকা নির্বাহ করতো। তবে কৃষকের ঘরে এখন আর ঢেঁকি চোঁখে পড়ে না। তেল-বিদ্যুৎ চালিত মেশিনদিয়ে ধান ও চাল ভাঙ্গার ফলে ঢেঁকি আজ বিলুপ্তির পথে। সে সময়ে কবি সাহিত্যিক গন ঢেঁকি কে নিয়ে অনেক কবিতা ও গান লেখেছেন। আর ঢেঁকি ছাটা আউশ চালের পান্তা ভাত পুষ্টিমান ও খেতে খুব স্বাদ লাগতো। বর্তমান প্রজন্ম সে স্বাদ থেকে বঞ্চিত। প্রাচীনকালে ঢেঁকির ব্যবহার বেশী হলেও বর্তমানে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের ফলে গ্রাম বাংলার ঢেঁকি আজ বিলুপ্তির পথে। গাবতলী কাগইলের দাসকান্দি গ্রামের বাউল গায়ক বাদশা বয়াতি জানান, ঢেঁকি কে নিয়ে বহু গান গেয়েছি। এখন ঢেঁকি নেই বহু গ্রামীণ গান আর গাওয়া হয় না। হিজলী গ্রামের নববধূঁ মোছাঃ জান্নাতি আকতার জানান, ধান ঢেঁকিতে পাড় দিয়ে সে আটা’য় পিটা-পুলি ও পায়েশ তৈরী করে নতুন স্বামী’কে খাওয়াবো কিন্তু কোথাও ঢেঁকির সন্ধান পাচ্ছি না। গাবতলী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আ. জা. মু. আহসান শহীদ সরকার জানান, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের ফলে গ্রাম
বাংলায় ঢেঁকি’র ব্যবহার কমে গেছে। তবে ঢেঁকি আমাদের একটি প্রাচীন ঐতিহ্য।
সেজন্য এ ঢেঁকি শিল্প রক্ষায় সংরক্ষণের জন্য সকলের সহযোগিতা ও গণসচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে।





বাঘাইছড়িতে শিল্প অঞ্চল গড়ে তোলার উপর গুরুতর করেন জুঁই চাকমা
জনগণের ভোটাধিকার রক্ষার্থে আমি নির্বাচন করছি : জুঁই চাকমা
চাঁদাবাজির জুলুম বন্ধে সামাজিক প্রতিরোধ জোরদার করা হবে
পরিবর্তিত বাংলাদেশ গড়তে জনগণকে আমার পাশে চাই : জুঁই চাকমা
শিক্ষিত বেকাররা কোন ধরনের ঘুষ ছাড়া চাকরি পাবেন : জুঁই চাকমা
নির্বাচনী প্রচারণায় জুঁই চাকমার রাঙামাটি শহরে জনসংযোগ
আমি নির্বাচিত হলে জনগণকে সাথে নিয়ে ঘুষমুক্ত রাঙামাটি গড়বো : জুঁই চাকমা
এবার যাতে কেউ ভোটারদের মাথা বিক্রি করতে না পারে সে বিষয়ে সজাগ থাকতে ভোটাদের প্রতি অনুরোধ জানান জুঁই চাকমা
গণহারে গ্রেফতার বন্ধ করার জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন জুঁই চাকমা
কালো টাকা ও পেশিশক্তি দিয়ে এবার ভোটের বাক্স ভরা যাবে না : সাইফুল হক