শিরোনাম:
●   বেতবুনিয়ায় সিকান্দর তাহেরা মেমোরিয়াল হেলথ কেয়ারের শুভ উদ্ভোধন ●   ঢাকা-১২ আসনে কোদাল মার্কায় গণজোয়ার কোদাল মার্কায় ভোট দিয়ে ভোটের মর্যাদা রক্ষা করুন : জননেতা সাইফুল হক ●   ঈশ্বরগঞ্জে ১১ দলীয় জোটের নির্বাচনী জনসভা ●   বেগম খালেদা জিয়ায় আত্মার মাগফেরাত কামনায় বাগবাড়ীতে মানুষের ঢল ●   দুটি আঞ্চলিক গোষ্ঠী পরোক্ষভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পর থেকে ভোটারদের মুখ কালো : জুঁই চাকমা ●   হুমকি-ধমকি দিয়ে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে মানুষের ভোটাধিকার খর্ব করা যাবে না : জুঁই চাকমা ●   রাঙামাটি আসনের ভোটকেন্দ্র গুলিতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি করেছেন জুঁই চাকমা ●   ঈশ্বরগঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১০ দোকান পুড়ে ছাই ●   নানিয়ারচর উপজেলাকে আধুনিকায়ন করে মাঝারি শিল্প গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেব : জুঁই চাকমা ●   ঈশ্বরগঞ্জে হাতপাখা কর্মীর ওপর হামলার প্রতিবাদ ●   খাগড়াছড়িতে ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে নিরপেক্ষ ভোটের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন ●   ৫৪ বছরে দেশ দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন, হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার হয়েছে ●   বেতবুনিয়াতে জুঁই চাকমার জনসংযোগ ●   ঢাকা ১২ আসনে নির্বাচন হবে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি,জুলুম ও মাদকের বিরুদ্ধে ●   শখের বসে মোটরসাইকেল চালাতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু ●   বাঘাইছড়িতে শিল্প অঞ্চল গড়ে তোলার উপর গুরুতর করেন জুঁই চাকমা ●   বাবার বাড়ি থেকে নিখোঁজ গৃহবধু, সন্ধানে পরিবারের আকুতি ●   বেতবুনিয়া পিএসটিএস টিআরসিদের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ ●   ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে কাপ্তাইয়ে মানববন্ধন ●   ২৪ ঘন্টার মধ্যে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করুন, অন্যথায় নির্বাচন অফিস ঘেরাও করবো : সাইফুল হক ●   জুরাইছড়ি একটি দুর্গম উপজেলা সড়ক পথে যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু করা অত্যন্ত প্রয়োজন : জুঁই চাকমা ●   খোলা ড্রামের ভোজ্যতেল অনিরাপদ ●   পার্বতীপুরে ১১ দলীয় জোটের নির্বাচনী জনসভা ●   ঝালকাঠিতে ভুয়া আইনজীবী আটক ●   নির্বাচনকে ঘিরে নাশকতা ঠেকাতে খাগড়াছড়িতে ৩০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন ●   ঈশ্বরগঞ্জে বিএনপি নেতার মৃত্যু ●   জনগণের ভোটাধিকার রক্ষার্থে আমি নির্বাচন করছি : জুঁই চাকমা ●   অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে ভোক্তা সচেতনতা জরুরি ●   মিরসরাইয়ে বাড়ির উঠান থেকে মোটরসাইকেল চুরির চেষ্টা ●   চাঁদাবাজির জুলুম বন্ধে সামাজিক প্রতিরোধ জোরদার করা হবে
রাঙামাটি, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৮ মাঘ ১৪৩২



CHT Media24.com অবসান হোক বৈষম্যের
শনিবার ● ৩ মার্চ ২০১৮
প্রথম পাতা » ঢাকা » অপরাধীর চেয়ে সহযোগীর সাজা বেশি
প্রথম পাতা » ঢাকা » অপরাধীর চেয়ে সহযোগীর সাজা বেশি
শনিবার ● ৩ মার্চ ২০১৮
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

অপরাধীর চেয়ে সহযোগীর সাজা বেশি

---সিরাজী এম আর মোস্তাক :: অপরাধ বিশ্লেষণ ও এর প্রতিকার বিধানের চুড়ান্তরূপ হল বিচার বা রায়। দীর্ঘ বিচার-বিশ্লেষণ ও জেরার পর মামলার আসামী থেকে অপরাধ সংগঠনকারী বা মূল অপরাধী এবং অপরাধে সহায়তাকারী বা সহযোগী অপরাধী নির্ণয় হয়। এরপর প্রতিকার বিধান। প্রতিকারের ক্ষেত্রে মূল অপরাধীর সাজা সহযোগী থেকে তুলনামূলক বেশি হয়। অর্থাৎ সহযোগী অপরাধীর সাজা কম বা সর্বোচ্চ সমান হয়। মূল অপরাধীর সাজা মওকুফ হলে, সহযোগীর সাজাও মওকুফ হয়। মূল অপরাধী জামিন পেলে, সহযোগীর জামিনও অবশ্যম্ভবি। এটিই আইনি বিধান বা বিচারিক নিয়ম। বাংলাদেশে সম্পুর্ণ উল্টো। এদেশে মূল অপরাধীর সাজা হোক, নাহোক বা কম হোক; সহযোগী অপরাধীর সাজা বেশি হয়। তা বলাও অন্যায়। তাতে বিচারবিভাগের অবমাননা হয়। এটি একটি স্বাধীন সংস্থা। এ বিভাগ ব্যতিত দেশে সব বিভাগেরই রয়েছে আলাদা তদারকি সংস্থা। প্রাসঙ্গিক বিশ্লেষণে ফুটে উঠেছে বাস্তবতা।
প্রসঙ্গত সবচেয়ে আলোচিত, বেগম জিয়ার জিয়া অরফানেজ ট্রাষ্ট দুর্নীতি মামলার রায় ও তাঁর আটকের বিষয়। দুদকের দায়ের করা মামলার এজাহারে, বেগম জিয়া মূল অপরাধী বা ১নম্বর আসামী। দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়া শেষে ৬৩২ পৃষ্ঠার রায় বিবরণীতে তাই প্রমাণ হয়েছে। বিচারক ডঃ আখতারুজ্জামান সেভাবেই রায় প্রদান করেছেন। তিনি বেগম জিয়াকে বিশেষ বিবেচনায় ৫বছর আর সহযোগীদের ১০বছর সাজা প্রদান করেছেন। বিচারক মহোদয় রায়ে মূল অপরাধীর সাজা কমিয়েছেন কিন্তু সহযোগীদের সাজা কমাননি। এটি আইনসম্মত কিনা, বিশ্লেষণ প্রয়োজন। পৃথিবীর কোথাও এমন নজির আছে কিনা, তা অবগতি প্রয়োজন। যদি থাকে, তবে ভালো। না থাকলে, আইনবহির্ভূত রায় প্রদানের জন্য বিচারকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত। বিচারক অভিশংসন বা রায়ের শুদ্ধতা-অশুদ্ধতা বিশ্লেষণের জন্য গঠনমূলক প্রকাশ্য মাধ্যম বা সংস্থা গড়ে তোলা উচিত।
এক্ষেত্রে বাংলাদেশে অবস্থিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাসঙ্গিক। যেহেতু ট্রাইব্যুনালে আন্তর্জাতিক শব্দ রয়েছে, অবশ্যই এর বিচার বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। এ আদালতে মূল অপরাধীর পরিবর্তে সহযোগী অপরাধীর সাজা প্রশ্নাতীত। এর বিচার্য্য বিষয়, ১৯৭১ সালে সংগঠিত জঘন্য হত্যাকান্ড ও মানবতাবিরোধী অপরাধ। যার নিকৃষ্ট পরিণতি, এদেশের ৩০ লাখ বাঙ্গালির প্রাণহানি। স্বাধীনতার পর ১৯৫ পাকসেনা উক্ত জঘন্য অপরাধে অভিযুক্ত হয়েছিল। বাঙ্গালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানে আটক কয়েক লাখ বাঙ্গালিকে ফিরে আনতে পাকিস্তান সরকারের কাছে উক্ত অপরাধীদের বিচারের ভার দিয়েছিলেন। তখনি সুস্পষ্ট হয়েছে, ১৯৭১ এর হত্যাকান্ড ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মূল অপরাধী ১৯৫ পাকসেনা। যুদ্ধকালে এদেশের বহু নাগরিক আত্মরক্ষার স্বার্থে উক্ত অপরাধীদের সহযোগীতা করেছিল। তারা রাজাকার, আলবদর, আশ-শামস প্রভূতি নামধারণ করেছিল। তারা মূল অপরাধী নয়, নিঃসন্দেহে সহযোগী অপরাধী। ৪০ বছর পর বাংলাদেশে অবস্থিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ১৯৫ মূল অপরাধীর পরিবর্তে সহযোগী অপরাধীদের বিচার হয়েছে এবং হচ্ছে। ট্রাইব্যুনাল আন্তর্জাতিক নামসর্বস্ব হলেও এতে ১৯৫ পাকসেনার বিচার হয়নি। সহযোগী হিসেবে বাংলাদেশের নাগরিকদের চুড়ান্ত সাজা ঠিকই কার্যকর হয়েছে। এ বিচার আইনসম্মত কিনা, বিশ্লেষণ প্রয়োজন। এ বিচারে কোন সত্যটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে? বাংলাদেশের মানুষই মূল অপরাধী নাকি পাকিস্তানের ১৯৫ সেনা? বঙ্গবন্ধুর ঘোষণায় উল্লেখিত ৩০ লাখ শহীদের মূল ঘাতক কারা? বাংলাদেশের নাগরিকেরা নাকি উক্ত ১৯৫ পাকসেনা? এ বিচারে বাংলাদেশের মান বেড়েছে নাকি কমেছে, তা ভাবার বিষয়। বাংলাদেশের আদালতে বেআইনি রায় হলেও এদেশে অবস্থিত আন্তর্জাতিক আদালতে কীভাবে বেআইনি হয়? এটি কি উদ্বেগের বিষয় নয়? মূলত বাংলাদেশে অবস্থিত দেশীয়-আন্তর্জাতিক কোনো আদালতই নিরপেক্ষ নয়। এদেশে মূল অপরাধীর চেয়ে সহযোগী অপরাধীর সাজা বেশি হয়।
অর্থ আত্মসাতের মামলাগুলো অতি প্রাসঙ্গিক। হলমার্ক ও বেসিক ব্যাংকের মতো অর্থ আত্মসাতের বহু মামলায় মূল অপরাধীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে। যারা পেশাজীবী হিসেবে অপরাধে সহযোগীতা করতে বাধ্য হয়েছে, তারাই জেলে বন্দী রয়েছে এবং তাদেরই বিচার চলছে। দুদক এসব মামলার তদন্তকারী সংস্থা। উল্লেখ্য যে, আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহে বড় বড় ঋণ প্রস্তাব অনুমোদন হয় বোর্ডসভা থেকে। নিয়মিত কর্মকর্তাগণ বোর্ডের নির্দেশনা মানতে বাধ্য। তাই অর্থ আত্মসাতকারীদের ঋণ অনুমোদনে বোর্ডসভার সদস্যগণই প্রকৃত দায়ী। অথচ বিচারের ক্ষেত্রে তারা ধরা-ছোঁয়ার বাইরে। বিচারকগণ মূল অপরাধীদের বাদ দিয়ে সহযোগী অপরাধীদের বছরের পর বছর আটকের আদেশ দিচ্ছেন। এটিই বাংলাদেশে বিচারব্যবস্থার স্বরূপ। এদেশে মূল অপরাধীর সাজা কম আর সহযোগী অপরাধীর সাজা বেশি।
প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়ও প্রাসঙ্গিক। যারা প্রশ্নপত্র ফাঁস করে, তারা আটক হয়না। যারা প্রশ্নপত্র পায়, শুধু তারা আটক হয়। বিচারকগণ প্রশ্নপত্র ফাঁসকারীদের পরিবর্তে প্রশ্নপ্রাপ্তদের নির্দ্বিধায় আটকের আদেশ দেন। অর্থাৎ বিচারকদের কাজই হল, মূল অপরাধীর চেয়ে সহযোগী অপরাধীকে অধিক সাজাদান।
এভাবে মূল অপরাধীর চেয়ে সহযোগী অপরাধীদের বেশি সাজাদানের প্রমাণ রয়েছে অসংখ্য। বাংলাদেশে আইনের চোখ অন্ধ তাই রায় বেআইনি হলেও তার সমালোচনা নিষিদ্ধ। এ অন্যায়-জুলুম থেকে দেশ ও দেশবাসী মুক্তি পাক, এটিই কাম্য।
শিক্ষানবিস আইনজীবী, ঢাকা।
[email protected].





ঢাকা এর আরও খবর

ঢাকা-১২ আসনে কোদাল মার্কায় গণজোয়ার কোদাল মার্কায় ভোট দিয়ে ভোটের মর্যাদা রক্ষা করুন : জননেতা সাইফুল হক ঢাকা-১২ আসনে কোদাল মার্কায় গণজোয়ার কোদাল মার্কায় ভোট দিয়ে ভোটের মর্যাদা রক্ষা করুন : জননেতা সাইফুল হক
ঢাকা ১২ আসনে নির্বাচন হবে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি,জুলুম  ও মাদকের বিরুদ্ধে ঢাকা ১২ আসনে নির্বাচন হবে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি,জুলুম ও মাদকের বিরুদ্ধে
২৪ ঘন্টার মধ্যে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করুন, অন্যথায় নির্বাচন অফিস ঘেরাও করবো : সাইফুল হক ২৪ ঘন্টার মধ্যে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করুন, অন্যথায় নির্বাচন অফিস ঘেরাও করবো : সাইফুল হক
খোলা ড্রামের ভোজ্যতেল অনিরাপদ খোলা ড্রামের ভোজ্যতেল অনিরাপদ
অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে ভোক্তা সচেতনতা জরুরি অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে ভোক্তা সচেতনতা জরুরি
চাঁদাবাজির জুলুম বন্ধে সামাজিক প্রতিরোধ জোরদার করা হবে চাঁদাবাজির জুলুম বন্ধে সামাজিক প্রতিরোধ জোরদার করা হবে
কোদালেই ভোট দিন, গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ধারা ফিরিয়ে আনব : জননেতা সাইফুল হক কোদালেই ভোট দিন, গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ধারা ফিরিয়ে আনব : জননেতা সাইফুল হক
নির্বাচনের গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে : সাইফুল হক নির্বাচনের গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে : সাইফুল হক
তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ আসন্ন সংসদের প্রথম অধিবেশনে পাশের আহ্বান তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ আসন্ন সংসদের প্রথম অধিবেশনে পাশের আহ্বান
ঢাকা ১২ কে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদকমুক্ত করতে হবে : জননেতা সাইফুল হক ঢাকা ১২ কে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদকমুক্ত করতে হবে : জননেতা সাইফুল হক

আর্কাইভ