সোমবার ● ৯ মার্চ ২০২৬
প্রথম পাতা » ঢাকা » পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়নে সমন্বয় ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে : দীপেন দেওয়ান
পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়নে সমন্বয় ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে : দীপেন দেওয়ান
ঢাকা, ০৯ মার্চ ২০২৬ :: পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি বলেছেন, পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে কার্যকর সমন্বয় থাকা জরুরি। সমন্বয় থাকলে কাজের অপচয় রোধ হয় এবং গুণগত মান নিশ্চিত হয়, যা সরাসরি সাধারণ মানুষের কল্যাণে আসে। তিনি উন্নয়ন কাজে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং সরকারি সম্পদের সাশ্রয়ী ব্যবহারের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
আজ সোমবার রাজধানীর বেইলি রোডে পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্স অডিটোরিয়ামে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সংস্থাসমূহ কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পসমূহের জানুয়ারি ২০২৬ মাসের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সমন্বয় ও কৃচ্ছতা সাধনের আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি বলেন, রাস্তাঘাট বা অবকাঠামো নির্মাণে এলজিইডি, জেলা পরিষদ ও উন্নয়ন বোর্ড আলাদাভাবে কাজ করে। এসব কাজের মধ্যে সঠিক সমন্বয় না থাকলে উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয় এবং অনেক সময় বরাদ্দকৃত টাকা ফেরত যায়। আমাদের প্রতিটি কাজে কৃচ্ছতা সাধন করতে হবে। মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি গুরুত্বের সাথে বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশব্যাপী যে মিতব্যয়িতা ও সম্পদ সাশ্রয়ের ঘোষণা দিয়েছেন, আমাদের তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে হবে। তিনি রুলস অব বিজনেস মেনে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও প্রকৌশল খাতের কাজগুলো তদারকি করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।
১৮০ দিনের কর্মসূচি বাস্তবায়নে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি বলেন, বর্তমান সরকারের প্রধান লক্ষ্য হলো নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী ১৮০ দিনের কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়ন করা। কোনো কাজই ফেলে রাখা যাবে না। আজকের কাজ আজই শেষ করতে হবে। প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল আরও বলেন, মন্ত্রণালয়ের কাজে কোনো ধরনের গড়িমশি সহ্য করা হবে না। আমরা চাই প্রতিটি প্রকল্প সততার সাথে শেষ হোক। প্রয়োজনে আকস্মিক পরিদর্শনের (সারপ্রাইজ ভিজিট) মাধ্যমে কাজের মান যাচাই করা হবে।
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান প্রকল্পের ব্যয়ের সার্বিক অগ্রগতিতে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত ব্যয়ের অগ্রগতি ১৬.৯৪%, যা জাতীয় গড় অগ্রগতির (২১.১৮%) চেয়ে পিছিয়ে। নির্বাচনের কারণে কাজের গতি কিছুটা কমলেও এখন দ্রুততার সাথে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তৎপর হওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।
সভায় জানানো হয়, ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) এ মন্ত্রণালয়ের অনুকূলে মোট ৮৭২ কোটি ৪০ লাখ ৭৯ হাজার টাকা বরাদ্দ রয়েছে। এর মধ্যে জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত ২৫৮ কোটি ৫৭ লাখ ২২ হাজার টাকা ছাড় করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মনিরুল ইসলামের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদার, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরাসহ মন্ত্রণালয় ও আওতাধীন সংস্থাসমূহের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।





খাদ্য প্যাকেটের সম্মুখভাগে সতর্কবার্তা বাড়াবে ভোক্তা সচেতনতা, কমাবে স্বাস্থ্যঝুঁকি
সরকারের পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী আগামী দুই বছর বিদ্যুৎ এর দাম না বাড়ানোর আহবান
বিদ্যুৎ এর মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত স্বেচ্ছাচারী
বাংলাদেশ - ভারত সীমান্তে ভারতের পুশইন তৎপরতা বন্ধে কুটনৈতিক উদ্যোগ নেবার আহবান
পার্বত্য বিষয়ক মন্ত্রীর সাথে ইউএনএফপিএ ও আইএলও প্রতিনিধিদের সাক্ষাৎ
ঈদযাত্রা স্বস্তির ও নিরাপদ রাখুন : সাইফুল হক
তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন শক্তিশালীকরণে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা প্রশংসনীয়
শতভাগ জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন এসডিজি অর্জনে সহায়ক
সরকারকে দৃঢতার সাথে জনপ্রত্যাশা পূরণে পদক্ষেপ নিতে হবে