শিরোনাম:
●   রাবিপ্রবি’তে ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের মাস্টার্স কোর্সের উদ্বোধন ●   ছোট হরিণায় বন্যাদুর্গতদের মাঝে ১২ বিজিবির ত্রাণ বিতরণ ●   মিরপুর আবাসন মেলায় দর্শনার্থীদের ব্যাপক সাড়া ●   ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির গভীর শোক ●   খাগড়াছড়ির বন্যায় এখনো পানিবন্দি সাড়ে ৩ হাজার পরিবার, দীঘিনালায় দুর্ভোগ চরমে ●   সকাল ১০টাতেও ফাঁকা ঈশ্বরগঞ্জ পিডিবি অফিস ●   কাপ্তাইয়ে ৪১ বিজিবি এর ত্রান বিতরণ ●   রাঙামাটির দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে সরকারের প্রতি দ্রুত উদ্যোগের আহ্বান বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির ●   ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর শোক ●   ঝালকাঠিতে অসহায় ছয় পরিবারের মুখে হাসি ●   রাঙ্গুনিয়ায় কর্ণফুলী নদীতে নৌকা উল্টে তরুণ নিখোঁজ ●   দাঁড়াশ ভেবে ধরা হয়েছিল দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বিষধর সাপ ●   রাঙ্গুনিয়াতে অজগর উদ্ধার : ঠান্ডাছড়ির গহীন অরণ্যে অবমুক্ত ●   কয়েক দিনের ভারি বর্ষণে রাঙামাটি সহ বিভিন্ন উপজেলায় জণ জীবন বিপর্যস্থ ●   খাগড়াছড়ির তিন মসজিদে ১ হাজার ৪শত চারা বিতরণ ●   ৫২ দিন পর উৎপাদনে ফিরেছে মধ্যপাড়া পাথর খনি ●   সেতু ধসে পড়ে রাঙামাটি-বান্দরবানের সড়ক যোগাযোগ সম্পুর্ণ বিচ্ছিন্ন ●   স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রকে নিবন্ধনের দায়িত্ব প্রদানের তাগিদ ●   চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামে ভারী বর্ষণে জনদুর্ভোগে প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলালের দুঃখ প্রকাশ ●   খাগড়াছড়িতে ইউপিডিএফ-পিসিজেএসএসের গোলাগুলিতে নিহত -৩ ●   সাভারে এনসিপির সমাবেশে ককটেল হামলায় বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির নিন্দা ●   শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আবুল কাশেম ফজলুল হকের মৃত্যুতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির শোক ●   মিরসরাইয়ে সিএনজি অটোরিকশার সংঘর্ষে আনসার কর্মকর্তা নিহত ●   প্লাবিত নিম্নাঞ্চল; ক্ষতির মুখে আমনের বীজতলা ●   তিন পার্বত্য জেলায় বাঙালিদেরও আয়কর মওকুফের দাবী নাগরিক পরিষদের ●   পানছড়ির ঘটনা পিসিজেএসএস সন্তু গ্রুপের অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহ : ইউপিডিএফ ●   ঈশ্বরগঞ্জে রাস্তা-ড্রেন-ব্রিজের দাবিতে মানববন্ধন ●   পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের ৫১ সদস্য বিশিষ্ট লামা উপজেলা কমিটি গঠন ●   বিয়ের ছয় মাসের মাথায় আত্নহত্যা প্ররোচনায় গৃহবধূ’র মৃত্যু : স্বামী গ্রেফতার ●   আত্রাইয়ে বসতবাড়িতে চুরি: চোরাই মালসহ যুবক গ্রেপ্তার
রাঙামাটি, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩



CHT Media24.com অবসান হোক বৈষম্যের
সোমবার ● ১৪ জানুয়ারী ২০১৯
প্রথম পাতা » কৃষি » রাজশাহীতে আগাম আমের মুকুল
প্রথম পাতা » কৃষি » রাজশাহীতে আগাম আমের মুকুল
সোমবার ● ১৪ জানুয়ারী ২০১৯
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

রাজশাহীতে আগাম আমের মুকুল

---রাজশাহী প্রতিনিধি :: এখন চলছে পৌষ মাস। শীতের ভরা মৌসুম। এরইমধ্যে আমের রাজধানী রাজশাহীতে শুধু আগাম মুকুলই নয়, দেখা মিলেছে গুটিরও (কোড়ালি)। আর নগরীসহ আশেপাশের উপজেলার কিছু স্থানে দেখে দিয়েছে আগাম মুকুল। ওইসব এলাকার বাতাসে বইছে মৌ মৌ গুঞ্জন ও সুবাস। অসময়ে এমন সুস্বাদু ফল গাছে মুকুল দেখা দেওয়ায় পথচারীরাও থমকে দাঁড়িয়ে তা অবলকন করছে। কেউ কেউ সেই আম জাত নিয়ে কোন ভিন্নতা আছে কি না তা জিজ্ঞাসা করছেন গাছের মালিককে। এসব গাছে মৌসুমের ন্যয় তুলনামূলকভাবে কম মুকুল আসলেও খুশি গাছিরা। আগাম উৎপাদনে বেশি দামে আম বিক্রির আশায় স্বপ্ন দেখছেন তারা।

শনিবার মহানগরীর লক্ষীপুর ভাটাপাড়া এলাকার আবদুল মজিদ মেমোরিয়ার কিন্ডার স্কুলের গাছে দেখা গেল বেশ কিছু কোড়ালির। এছাড়াও একই দৃশ্য দেখা গেছে মহানগরীর ভদ্রা আবাসিক এলাকা, গৌরহাঙ্গা, শিরোইল, ভেড়িপাড়া, পুলিশ লাইন, মালোপাড়া ও মেহেরচন্ডিতে। অন্যদিকে পুঠিয়া উপজেলার শিলমাড়িয়া, তারাপুর, পবা উপজেলার মতিয়া বিল, দারুশা, গোদাগাড়ী উপজেলার গোগ্রাম, চারঘাট উপজেলার শলুয়াসহ অনেক স্থান থেকেও আম গাছে মুকুল দেখা গেছে এমন খবর নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট এলাকার জনপ্রতিনিধিগণ। এসব গাছে মৌসুমের ন্যয় তুলনামূলকভাবে কম মুকুল আসলেও খুশি গাছিরা। আগাম উৎপাদনে বেশি দামে আম বিক্রির আশায় স্বপ্ন দেখছেন তারা। ফলে এসব গাছে পরিচর্যার মাত্রাও বাড়িয়ে দিয়েছে।

তবে আগাম মুকুল দেখে আম চাষিরা খুশি হলেও একাধিক কৃষি কর্মকর্তাদের মতে অসময়ের কোন কিছুই সেভাবে ভালোর লক্ষন হিসাবে দেখাটা তেমন যৌক্তিক নয়। কারণ, ঘন কুয়াশা এবং অতিরিক্ত মাত্রায় ঠান্ডা পড়লেই এসব গাছের মুকুল ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। এমনকি আবহাওয়া অনুকুলে না থাকলে এসব মুকুল নষ্ট হয়ে যাবে। ফলে সেসব গাছের মালিক বা ব্যবসায়ীরা আর্থিকভাবে অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়বে। তবে যেহেতু এবার এখন পর্যন্ত আবহাওয়া ফল উৎপাদনমুখি অনুকুলে রয়েছে, যে কারণে এখন পর্যন্ত আগাম মুকুল আসা সেইসব আম গাছের মালিক বা ব্যবসায়ীদের ভয়ের কারণ নাই।

এ বিষয়ে রাজশাহী ফল গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আলীম উদ্দিন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর রাজশাহীর প্রশিক্ষন কর্মকর্তা মো. মঞ্জুরুল হক সোমবার সন্ধ্যায় বলেন, ‘গত দুই বছর থেকে রাজশাহী এলাকার কিছু সংখ্যক আমগাছে আগাম মুকুল দেখা দিচ্ছে। আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে এ নিয়ে দুশ্চিন্তার কোন কারণ নাই। বর্তমানে যে আবহাওয়া বিরাজ করছে তা অব্যাহত থাকলে এসব গাছের আম তুলনামূলকভাবে চড়া দামেই বিক্রি হবে। তবে এসব গাছের ফলের সাথে ভরা মৌসুসের চেয়ে খুব একটা বেশী পার্থক্য হবে না। কারণ, এগুলো আমের গ্রোথ কম হবে। শেষ পর্যন্ত আম পাড়ার উপযোগী হলে ফল মৌসুমের চেয়ে ১০-১৫ দিনের পার্থক্য থাকবে। আর কিছুদিন পর ফল মৌসুম শুরু হলে আগাম আসা সেইসব গাছে আবারো মুকুল আসার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে অতিরিক্তি ঘন কুয়াশা ও ঠান্ডা পড়লে কৃষিবিদদের পরামর্শ অনুযায়ী ওইসব আম গাছে ছত্রাকনাশক ওষুধ স্প্রে করতে হবে। তাহলে ক্ষতির আশঙ্কা থাকবেনা। আর স্বাভাবিকভাবে ফল মৌসুমে আম গাছে মাত্র দুই দফায় দুইবার পরিমিতভাবে ওষুধ স্প্রে করলেই যথেষ্ট। এ ক্ষেত্রে স্ব স্ব এলাকার কৃষিবিদদের পরামর্শ নিতে হবে। চলমান আবহওয়া অব্যাহত থাকলে এবার আমের ফলন বাড়বে- এমন প্রত্যাশা করছি।





আর্কাইভ