সোমবার ● ১৪ জানুয়ারী ২০১৯
প্রথম পাতা » কৃষি » রাজশাহীতে আগাম আমের মুকুল
রাজশাহীতে আগাম আমের মুকুল
রাজশাহী প্রতিনিধি :: এখন চলছে পৌষ মাস। শীতের ভরা মৌসুম। এরইমধ্যে আমের রাজধানী রাজশাহীতে শুধু আগাম মুকুলই নয়, দেখা মিলেছে গুটিরও (কোড়ালি)। আর নগরীসহ আশেপাশের উপজেলার কিছু স্থানে দেখে দিয়েছে আগাম মুকুল। ওইসব এলাকার বাতাসে বইছে মৌ মৌ গুঞ্জন ও সুবাস। অসময়ে এমন সুস্বাদু ফল গাছে মুকুল দেখা দেওয়ায় পথচারীরাও থমকে দাঁড়িয়ে তা অবলকন করছে। কেউ কেউ সেই আম জাত নিয়ে কোন ভিন্নতা আছে কি না তা জিজ্ঞাসা করছেন গাছের মালিককে। এসব গাছে মৌসুমের ন্যয় তুলনামূলকভাবে কম মুকুল আসলেও খুশি গাছিরা। আগাম উৎপাদনে বেশি দামে আম বিক্রির আশায় স্বপ্ন দেখছেন তারা।
শনিবার মহানগরীর লক্ষীপুর ভাটাপাড়া এলাকার আবদুল মজিদ মেমোরিয়ার কিন্ডার স্কুলের গাছে দেখা গেল বেশ কিছু কোড়ালির। এছাড়াও একই দৃশ্য দেখা গেছে মহানগরীর ভদ্রা আবাসিক এলাকা, গৌরহাঙ্গা, শিরোইল, ভেড়িপাড়া, পুলিশ লাইন, মালোপাড়া ও মেহেরচন্ডিতে। অন্যদিকে পুঠিয়া উপজেলার শিলমাড়িয়া, তারাপুর, পবা উপজেলার মতিয়া বিল, দারুশা, গোদাগাড়ী উপজেলার গোগ্রাম, চারঘাট উপজেলার শলুয়াসহ অনেক স্থান থেকেও আম গাছে মুকুল দেখা গেছে এমন খবর নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট এলাকার জনপ্রতিনিধিগণ। এসব গাছে মৌসুমের ন্যয় তুলনামূলকভাবে কম মুকুল আসলেও খুশি গাছিরা। আগাম উৎপাদনে বেশি দামে আম বিক্রির আশায় স্বপ্ন দেখছেন তারা। ফলে এসব গাছে পরিচর্যার মাত্রাও বাড়িয়ে দিয়েছে।
তবে আগাম মুকুল দেখে আম চাষিরা খুশি হলেও একাধিক কৃষি কর্মকর্তাদের মতে অসময়ের কোন কিছুই সেভাবে ভালোর লক্ষন হিসাবে দেখাটা তেমন যৌক্তিক নয়। কারণ, ঘন কুয়াশা এবং অতিরিক্ত মাত্রায় ঠান্ডা পড়লেই এসব গাছের মুকুল ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। এমনকি আবহাওয়া অনুকুলে না থাকলে এসব মুকুল নষ্ট হয়ে যাবে। ফলে সেসব গাছের মালিক বা ব্যবসায়ীরা আর্থিকভাবে অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়বে। তবে যেহেতু এবার এখন পর্যন্ত আবহাওয়া ফল উৎপাদনমুখি অনুকুলে রয়েছে, যে কারণে এখন পর্যন্ত আগাম মুকুল আসা সেইসব আম গাছের মালিক বা ব্যবসায়ীদের ভয়ের কারণ নাই।
এ বিষয়ে রাজশাহী ফল গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আলীম উদ্দিন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর রাজশাহীর প্রশিক্ষন কর্মকর্তা মো. মঞ্জুরুল হক সোমবার সন্ধ্যায় বলেন, ‘গত দুই বছর থেকে রাজশাহী এলাকার কিছু সংখ্যক আমগাছে আগাম মুকুল দেখা দিচ্ছে। আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে এ নিয়ে দুশ্চিন্তার কোন কারণ নাই। বর্তমানে যে আবহাওয়া বিরাজ করছে তা অব্যাহত থাকলে এসব গাছের আম তুলনামূলকভাবে চড়া দামেই বিক্রি হবে। তবে এসব গাছের ফলের সাথে ভরা মৌসুসের চেয়ে খুব একটা বেশী পার্থক্য হবে না। কারণ, এগুলো আমের গ্রোথ কম হবে। শেষ পর্যন্ত আম পাড়ার উপযোগী হলে ফল মৌসুমের চেয়ে ১০-১৫ দিনের পার্থক্য থাকবে। আর কিছুদিন পর ফল মৌসুম শুরু হলে আগাম আসা সেইসব গাছে আবারো মুকুল আসার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে অতিরিক্তি ঘন কুয়াশা ও ঠান্ডা পড়লে কৃষিবিদদের পরামর্শ অনুযায়ী ওইসব আম গাছে ছত্রাকনাশক ওষুধ স্প্রে করতে হবে। তাহলে ক্ষতির আশঙ্কা থাকবেনা। আর স্বাভাবিকভাবে ফল মৌসুমে আম গাছে মাত্র দুই দফায় দুইবার পরিমিতভাবে ওষুধ স্প্রে করলেই যথেষ্ট। এ ক্ষেত্রে স্ব স্ব এলাকার কৃষিবিদদের পরামর্শ নিতে হবে। চলমান আবহওয়া অব্যাহত থাকলে এবার আমের ফলন বাড়বে- এমন প্রত্যাশা করছি।





হাটহাজারীতে ১২০০ কৃষকের মাঝে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ
কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ
দিনাজপুরে কৃষক কর্মী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
‘সবুজ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান’ গড়ে তোলার লক্ষে কদমতলী ধর্ম্মাংকুর বুদ্ধ বিহারে গাছের চারা রোপন করেছেন সবুজ চাকমা
জমে উঠেছে ঝালকাঠির ভাসমান পেয়ারার হাট
পার্বতীপুরে তুলাচাষীদের মাঝে বিনামূল্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ
আত্রাইয়ে অভ্যন্তরীণ বোরো ধান-চাল সংগ্রহের শুভ উদ্বোধন
বিনা ধান-২৫ এর প্রচার ও সম্প্রসারণে কৃষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা
ঝালকাঠিতে বোরো ধানে ধস, ঝড়-বৃষ্টিতে ডুবে গেছে ক্ষেত
হালদায় চড়া দামে রেণু বিক্রি