বুধবার ● ৮ জুলাই ২০২৬
প্রথম পাতা » ঢাকা » স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রকে নিবন্ধনের দায়িত্ব প্রদানের তাগিদ
স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রকে নিবন্ধনের দায়িত্ব প্রদানের তাগিদ
শিক্ষা, স্বাস্থ্য, উত্তরাধিকার এবং ভোটাধিকারের মতো মৌলিক নাগরিক অধিকারসমূহ নিশ্চিত করতে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন অপরিহার্য। রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনা, সুশাসন এবং বাজেট প্রণয়নেও নিবন্ধন তথ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে বাংলাদেশে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন হার যথাক্রমে ৫০% ও ৪৭%, যা বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক গড় হারের তুলনায় অনেক কম। অথচ সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে এই হার শতভাগে উন্নীত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বিশেষজ্ঞদের মতে, ‘জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন, ২০০৪’ সংশোধন করে নিবন্ধনের আইনি দায়িত্ব হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে দেওয়া হলে এই লক্ষ্য অর্জন দ্রুততর হবে। একই সঙ্গে এটি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ১৬.৯ অনুযায়ী সবার জন্য বৈধ পরিচয়পত্র নিশ্চিত করার লক্ষ্যমাত্রা অর্জনকে ত্বরান্বিত করবে।
আজ ০৮ জুলাই রাজধানীর বিএমএ ভবনে অনুষ্ঠিত “বাংলাদেশে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন: অগ্রগতি, প্রতিবন্ধকতা ও করণীয়” শীর্ষক এক সাংবাদিক কর্মশালায় এসব বিষয় তুলে ধরেন বক্তারা। গ্লোবাল হেলথ অ্যাডভোকেসি ইনকিউবেটর (জিএইচএআই) এর সহযোগিতায় প্রজ্ঞা (প্রগতির জন্য জ্ঞান) এই কর্মশালার আয়োজন করে। কর্মশালায় প্রিন্ট, টেলিভিশন এবং অনলাইন মিডিয়ার ৩০ জন সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেন।
কর্মশালায় উল্লেখ করা হয়, বর্তমান আইনে জন্ম ও মৃত্যুর তথ্য দেওয়ার মূল দায়িত্ব কেবল পরিবারের, স্বাস্থ্য বিভাগের নয়। তবে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোকে জন্ম নিবন্ধনের দায়িত্ব দেওয়া হলে এগুলোর আওতায় জন্ম নেওয়া দেশের প্রায় ৬৭ শতাংশ শিশুকে সহজেই নিবন্ধনের আওতায় আনা সম্ভব। এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের বহু দেশ এই পদ্ধতি অনুসরণ করেই শতভাগ নিবন্ধনের লক্ষ্য পূরণ করেছে।
জিএইচএআই-এর বাংলাদেশ কান্ট্রি লিড মুহাম্মাদ রূহুল কুদ্দুস বলেন, “শতভাগ নিবন্ধন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোকে আইনগতভাবে নিবন্ধনের দায়িত্ব প্রদানের কোন বিকল্প নেই।”
ভাইটাল স্ট্র্যাটেজিস-এর কান্ট্রি কো-অর্ডিনেটর মো. নজরুল ইসলাম বলেন, “আইন শক্তিশালীকরণের পাশাপাশি আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। এক্ষেত্রে জনবল সংকট, প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা এবং আন্তঃখাত সমন্বয়হীনতা দূর করা বিশেষভাবে জরুরি।”
ডেইলি টাইমস অফ বাংলাদেশ এর হেড অফ অনলাইন (বাংলা) মো. মনির হোসেন লিটন বলেন, “নিবন্ধন প্রক্রিয়ার দুর্বলতা ও জনভোগান্তির চিত্র তুলে ধরে নিয়মিত সংবাদ প্রকাশ করতে হবে, যা নীতি পরিবর্তনে ইতিবাচক চাপ তৈরি করবে।”
কর্মশালায় আলোচক হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রজ্ঞা’র নির্বাহী পরিচালক এবিএম জুবায়ের। গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে বিষয়ভিত্তিক উপস্থাপনা তুলে ধরেন প্রজ্ঞা’র কোঅর্ডিনেটর মাশিয়াত আবেদিন।





সাভারে এনসিপির সমাবেশে ককটেল হামলায় বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির নিন্দা
শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আবুল কাশেম ফজলুল হকের মৃত্যুতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির শোক
বরেণ্য চিত্রশিল্পী মূস্তাফা মনোয়ারের মৃত্যুতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি শোক
দুর্নীতিমুক্ত পার্বত্য অঞ্চল গড়ে তোলার ঘোষণা পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালের
চূড়ান্ত বাজেটে তামাক করকাঠামো সংস্কারের আহ্বান
ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকার রক্ষায় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেবে সরকার : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী
গ্লোবাল হেলথ সামিট ২০২৬: ভবিষ্যৎ মহামারী প্রতিরোধ ও বৈশ্বিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নতুন রোডম্যাপ ঘোষণা
গণতান্ত্রিক উত্তরণে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সংগ্রামী ভূমিকা অব্যাহত রাখার আহবান
মোতালেব প্লাজা দোকান মালিক সমিতি : বিভ্রান্তি পরিহার করে সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি পবনের