মঙ্গলবার ● ১৮ আগস্ট ২০২৬
প্রথম পাতা » ঢাকা » বিদেশ নির্ভরতা কাটিয়ে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জাতীয় প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করুন
বিদেশ নির্ভরতা কাটিয়ে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জাতীয় প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করুন
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক জননেতা সাইফুল হক বলেছেন, জুলাই - আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের শহীদেরা একটি বৈষম্যহীন গণতান্ত্রিক ও মানবিক রাষ্ট্র ও সমাজের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন, বিশেষ কোন শক্তি বা গোষ্ঠীর রাজনৈতিক পুঁজি বাড়াতে তারা জীবন দেয়নি। তিনি এই শহীদদেরকে নিয়ে সংকীর্ণ রাজনীতি না করতে সবার প্রতি আহবান জানান। তিনি অবিলম্বে জুলাই -আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের দের পূর্ণাংগ তালিকা প্রকাশ করতে সরকারের প্রতি আহবান জানান।
তিনি উল্লেখ করেন, গত দুই বছরে অর্থনৈতিক ও সামাজিক বৈষম্য, চাকুরীচ্যুতি, কর্মহীনতা বৃদ্ধি পেয়েছে। মানুষের জীবন জীবিকাও নিরাপদ হয়নি। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজী, দখলদারিত্ব এখনও বন্ধ হয়নি।
তিনি বলেন, বিদেশনির্ভর জ্বালানি নীতির কারনেই দেশে আজ গ্যাস বিদ্যুৎ সংকট ঘনীভূত হয়েছে।তিনি জ্বালানির ক্ষেত্রে বিদেশ নির্ভরতা কাটিয়ে উঠতে বাপেক্সসহ দেশীয় প্রতিষ্ঠানসমূহকে শক্তিশালী করতে সরকারের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, বিএনপি সরকার গত ছয়মাসে কয়েকটি ক্ষেত্রে
সাফল্য দেখাতে না পারলেও গণতান্ত্রিক অধিকার ও গণতান্ত্রিক সহিষ্ণুতার ক্ষেত্রে তারা দৃষ্টান্তমুলক সাফল্য দেখিয়েছে।এই সময়কালে রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন ও সন্ত্রাসের পথ পরিহার করে যে শাসনপদ্ধতি চলছে তা অব্যাহত রাখতে হবে।
তিনি বলেন, গত ছয় মাসে সরকার সামাজিক ও অর্থনৈতিক সুরক্ষায় যেসব প্রশংসনীয় উদ্যোগ নিয়েছে দেশের মানুষ এখন তার বাস্তবায়ন দেখতে চাইবে।
আজ বিকালে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির উদ্যোগে হাতিরঝিলের মধুবাগে কাদেরিয়া পার্টি সেন্টার মিলনায়তনে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির দুই শহীদসহ ২৪ এর গণ অভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে
“শহীদ স্মরণ সমাবেশে” তিনি উপরোক্ত বক্তব্য রাখেন।
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির হাতিরঝিল আঞ্চলিক কমিটির নেত্রী নার্গিস আকতার লিমার সভাপতিত্বে ও ফিরোজ আলীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই সভায় বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন পার্টির রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য বহ্নিশিখা জামালী, আকবর খান, মাহমুদ হোসেন, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সাইফুল ইসলাম,, বিএনপির স্থানীয় নেতা আব্দুর রশীদ খান, আকতারুজ্জামান রাজিব, মাহমুদুল হাসান মাধু, নারীনেত্রী মরিয়ম আকতার প্রমুখ
সমাবেশে বহ্নিশিখা জামালী বলেন, নির্বাচিত সরকার দেশের দায়িত্ব গ্রহনের ছয় মাস পার হলেও মানুষের জীবন, বিশেষ করে নারীদের জীবন এখনও নিরাপদ হয়নি। এখনও নারীর অধিকার ও মর্যাদা বিরোধী অপতৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
তিনি নারী বিদ্বেষী সকল অপতৎপরতা আইন করে নিষিদ্ধ করার আহবান জানান।
আকবর খান বলেন, বিএনপি সরকারকে অবশ্যই গণ অভ্যুত্থানের প্রত্যাশা ধারণ করতে হবে।তিনি সংসদের আগামী অধিবেশনে স্বাক্ষরিত জুলাই সনদ অনুযায়ী সংবিধান সংশোধন করার আহবান জানান।
বক্তারা বলেন, ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানে শ্রমিক ও শ্রমজীবী মানুষ সবচেয়ে বেশী শহীদ হলেও তারা এখনও সবচেয়ে বঞ্চিত ও নির্যাতীত।তিনি বলেন, এর শ্রমিকেরা বাঁচতে না পারলে শহীদদের জীবনদান বৃথা হয়ে যাবে।
নেতৃবৃন্দ বলেন, ২৪ এর গণঅভ্যুত্থান জনগণের সকল অংশ ত্যাগ শিকার করলেও গত দুই বছরে এর সুফল আত্মসাৎ করেছে মুষ্টিমেয় কিছু লোক।তিনি বলেন, এই অবস্থার পরিবর্তন ঘটাতে জনগণের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে হবে।
তারা বলেন, জনগণের অধিকার, ইনসাফ ও মুক্তি নিশ্চিত করতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি তার লড়াই অব্যাহত রাখবে।
সমাবেশের শুরুতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির দুই শহীদ বদিউজ্জামাল ও আবদুল লতিফসহ অভ্যুত্থানের সকল শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয় এবং এক মিনিট দাঁড়িয়ে নিরবতা পালন করা হয়।





দেশে আজ স্বপ্নচারী, নীতিনিষ্ঠ ও আদর্শবাদী নেতৃত্বের খরা চলছে
ব্যাটারিচালিত রিকশার ডাম্পিং ও পুলিশী হয়রানি বন্ধ করুণ
জলবায়ু পরিবর্তনের অদৃশ্য সংকট ও পরিণতি
সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে বিটিএমএ এবং বিজিএমইএ
নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা : সামাজিক বাস্তবতা ও উত্তরণের পথ
রক্তেকেনা জুলাই অভ্যুত্থান কোনভাবেই ব্যর্থ হতে দেয়া যাবেনা
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নারীদের ঐতিহাসিক অবদানকে এই সমাজ ও রাষ্ট্র ধারণ করতে পারেনি
৩০ জুলাই জাতীয় প্রেসক্লাবে ” ২০২৪ এর গণঅভ্যুত্থান- নারীর অধিকার ও মুক্তির গতিপথ ” শীর্ষক আলোচনা সভা
বাধ্যতামূলক অবসরে ৩২ ডিসি