রবিবার ● ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রথম পাতা » চট্টগ্রাম বিভাগ » পরিকল্পিত ও টেকসই পর্যটন ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান পার্বত্য মন্ত্রীর
পরিকল্পিত ও টেকসই পর্যটন ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান পার্বত্য মন্ত্রীর
ঢাকা, ১৯/০৯/২০২৬ :: বাংলাদেশের পর্যটন খাতের বিপুল সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে পরিকল্পিত, টেকসই, নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব পর্যটন ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী সাচিং প্রু এমপি।
আজ রাজধানী ঢাকার আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরা (ICCB)-এর ২ নম্বর হলে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী ‘১৩তম এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ার (ATF) ২০২৬’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
পার্বত্য চট্টগ্রামের পর্যটন সম্ভাবনা তুলে ধরে মাননীয় মন্ত্রী সাচিং প্রু এমপি বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের পর্যটন উন্নয়নে স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সরাসরি সম্পৃক্ত করতে হবে, যাতে তারা এর সুফল পেতে পারে। একইসঙ্গে পরিবেশ রক্ষা ও পর্যটন অবকাঠামো উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয় বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির পাহাড়, বন, হ্রদ, ঝরনা এবং বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতিকে কেন্দ্র করে ইকো-ট্যুরিজম, সাংস্কৃতিক ও অ্যাডভেঞ্চার পর্যটনের অপার সম্ভাবনা রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী সফল এই মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মিস ফাহিমা আক্তার, এনডিসি। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান জনাব মো. শামীমুজ্জামান এবং বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ব্যারিস্টার মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকী। তারা এবারের মেলার অভূতপূর্ব সাফল্যের প্রশংসা করেন এবং পর্যটন খাতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধির গুরুত্ব তুলে ধরেন।
উল্লেখ্য, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স-এর মূল পৃষ্ঠপোষকতায় (Title Sponsor) আয়োজিত এই মেলার সমাপনী অনুষ্ঠান থেকেই আগামী ২৩–২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৭ ঢাকায় পরবর্তী ‘১৪তম এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ার’ আয়োজনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়।
সুন্দর সমাজ গঠনে তরুণদের ক্রীড়ামুখী করার আহ্বান ভূমি প্রতিমন্ত্রীর
চট্টগ্রাম, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ : তরুণরাই দেশের শক্তি। তরুণসমাজ কেবল দেশের ভবিষ্যৎ নয়, তারা বর্তমানের রূপকার। তরুণদের মাদক ও নানা সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রেখে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলার বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, এমপি।
গতকাল চট্টগ্রাম জেলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়া স্মৃতি আন্তঃস্কুল ফুটবল টুর্নামেন্ট’-এর প্রথম আসরের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল, এমপি এ মন্তব্য করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভূমি প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে প্রাত্যহিক জীবনের অংশ হিসেবে খেলাধুলাকে গ্রহণ করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, স্কুলপর্যায় থেকে যদি নিয়মিত ক্রীড়া চর্চার সুযোগ নিশ্চিত করা যায়, তবে আগামী দিনের তরুণদের মাঝে নেতৃত্ব গুণাবলী, শৃঙ্খলাপরায়ণতা এবং পারস্পরিক সম্প্রীতির মানসিকতা গড়ে উঠবে। এভাবেই আমাদের দেশের তরুণ সমাজকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। তিনি বলেন, আজকের তরুণদের সঠিক দিকনির্দেশনাই নির্ধারণ করে আগামী দিনে দেশ কোন পথে পরিচালিত হবে।
টুর্নামেন্টের চেয়ারম্যান এরশাদ উল্লাহ, এমপি-র সভাপতিত্বে এবং প্রধান সমন্বয়ক নাজিমুর রহমানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক ইসরাফিল খসরু।
প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ফাইনাল খেলা শেষে আমন্ত্রিত অতিথিরা বিজয়ী ও বিজিত দলের খেলোয়াড়দের হাতে ট্রফি এবং পুরস্কার তুলে দেন। পরবর্তীতে মনোজ্ঞ আতশবাজির প্রদর্শনী এবং জাসাস শিল্পীদের পরিবেশনায় জমকালো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্টের সফল সমাপ্তি ঘটে।
পার্বত্য অঞ্চলে আধুনিক কৃষি সম্প্রসারণে কৃষি মন্ত্রীর সহযোগিতা চাইলেন পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু, এমপি
ঢাকা, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬: পার্বত্য চট্টগ্রামের পরিবেশ ও প্রকৃতি রক্ষা করে আধুনিক কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা চেয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু, এমপি। আজ দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের সাথে তাঁর কার্যালয়ে এক সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ আহ্বান জানান।
বান্দরবানের ঐতিহ্যবাহী বোমাং সার্কেলের রাজপুত্র ও পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু কৃষি মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর দপ্তরে পৌঁছালে কৃষি মন্ত্রী তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। বৈঠকে পার্বত্য চট্টগ্রামসহ সমগ্র দেশের কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের সার্বিক উন্নয়ন এবং উভয় মন্ত্রণালয়ের পারস্পরিক সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে হৃদ্যতাপূর্ণ আলোচনা হয়।
বৈঠকে পার্বত্য অঞ্চলের সম্ভাবনা ও কৌশল তুলে ধরে পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু বলেন, পার্বত্য এলাকার দুর্গম অঞ্চলগুলোতে ক্ষতিকর তামাক ও নেশাজাতীয় উদ্ভিদ চাষ পুরোপুরি বন্ধ করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। সমতলের কৃষকদের মতো পার্বত্য অঞ্চলের কৃষকদেরও আধুনিক কৃষি প্রযুক্তিতে দক্ষ করে তুলতে বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা জরুরি।
মন্ত্রী সাচিং প্রু আরও বলেন, কৃষি বিপ্লবের এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) যুগে ব্যাপক উৎপাদন বাড়ানোর এখনই উপযুক্ত সময়। দেশে নিরাপদ খাদ্য ও পুষ্টির চাহিদা মেটাতে কফি, কাজুবাদাম, হলুদ, ইক্ষু ও বাঁশ চাষ বাড়িয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল জাতীয় অর্থনীতিতে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
কৃষি মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, এমপি পার্বত্য মন্ত্রীর এই উদ্যোগ ও প্রস্তাবকে স্বাগত জানান। তিনি বলেন, পাহাড়ি ও সমতল—উভয় ভূমির কৃষকদের ভাগ্য বদলে এবং দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে কৃষি মন্ত্রণালয় ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় যৌথভাবে কাজ করবে।
পার্বত্য অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর সহযোগিতা চাইলেন পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু
ঢাকা, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ : পার্বত্য চট্টগ্রামের পরিবেশ ও প্রকৃতি রক্ষা করে দুর্গম এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে স্থানীয় সরকার বিভাগের সহযোগিতা চেয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সাচিং প্রু, এমপি।
আজ দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান, এমপি-এর কার্যালয়ে এক সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এই আহ্বান জানান।
বান্দরবানের ঐতিহ্যবাহী বোমাং সার্কেলের রাজপুত্র ও পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু স্থানীয় সরকার বিভাগে পৌঁছালে মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।
বৈঠকে দুই মন্ত্রীর মধ্যে উভয় মন্ত্রণালয়ের পারস্পরিক সহযোগিতার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে হৃদ্যতাপূর্ণ আলোচনা হয়। পার্বত্য চট্টগ্রামসহ সমগ্র দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে বর্তমান সরকারের নিরলস প্রচেষ্টার কথা উল্লেখ করে পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু বলেন, পার্বত্য অঞ্চলে নিরাপদ ও সুপেয় পানি সরবরাহে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এ সময় তিনি স্থানীয় সরকার বিভাগের এই ধরনের কার্যক্রমকে সাধুবাদ জানান এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
পার্বত্য অঞ্চলের সম্ভাবনা ও বর্তমান চ্যালেঞ্জগুলো তুলে ধরে মন্ত্রী সাচিং প্রু বলেন, পার্বত্য এলাকার দুর্গম অঞ্চলগুলোতে এখনও অনেক রাস্তা কাঁচা ও মাটির তৈরি, যার ফলে বর্ষা ও বৃষ্টির দিনে এসব পথে চলাচলে সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। পাহাড়ি অঞ্চলের মানুষ অত্যন্ত পরিশ্রমী। তাঁদের সুগম চলাচলের সুবিধার জন্য স্থানীয় সরকারের পক্ষ থেকে পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণ সর্বদা প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পাবে বলে আশা রাখি।
পার্বত্য মন্ত্রীর এই উদ্যোগ ও প্রস্তাবকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানিয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান, এমপি বলেন, পাহাড়ি ও সমতল—উভয় অঞ্চলের মানুষের ভাগ্যোন্নয়ন এবং দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় যৌথভাবে কাজ করবে।





বান্দরবানকে পরিচ্ছন্ন ও পর্যটকবান্ধব করার ডাক পার্বত্য মন্ত্রীর
হেফাজতে আমিরের মাইক্রোবাস দুর্ঘটনার কবলে : অক্ষত বাবুনগরী
রাঙামাটিতে গাউছুল আজম মাইজভাণ্ডারী মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত
রাঙামাটিতে জেলা উন্নয়ন কমিটির সভা অনুষ্ঠিত
সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি বিকৃত করে ফেইজবুকে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে
প্রকাশ কুসুম বড়ুয়া কে পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক পদে নিযুক্ত