শিরোনাম:
●   নবীগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষর কক্ষে দুঃসাহসিক চুরি ●   ঈশ্বরগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদায় ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস পালিত ●   আত্রাইয়ে ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাত করে টাকা ছিনতাই ●   ঈশ্বরগঞ্জে জুয়া খেলাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষ ●   স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির শ্রদ্ধা জ্ঞাপন ●   কাউখালীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ●   ঈশ্বরগঞ্জে শিলাবৃষ্টির তাণ্ডব : চরাঞ্চলে ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, দিশেহারা কৃষক ●   কাপ্তাইয়ে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ●   দেশ ও জাতির উন্নয়নে সাংবাদিকের ভূমিকা অতি গুরুত্বপূর্ণ ●   বিশ্বনাথে বাউল গানের আসরে হামলার ঘটনায় বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির নিন্দা ●   ইউনিয়নেই মিলবে প্রাথমিক চিকিৎসা, কমবে ভোগান্তি : জিয়াউদ্দিন হায়দার ●   মিরসরাইয়ে ঝংকার ক্লাবের কার্যকরী কমিটি ঘোষণা ●   আত্রাই প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে সংসদ সদস্যকে সংবর্ধনা প্রদান ●   ঝালকাঠিতে সন্তানের লাশ নিয়ে মানববন্ধনের দাড়িয়ে বিচার চাইলেন মা ●   কাউখালীতে পুকুরে ডুবে কিশোরের মৃত্যু ●   পার্বতীপুরে দুস্থদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও শাড়ি বিতরণ ●   মিরসরাইয়ে উত্তরণ’র ৭ম ঈদ উপহার বিতরণ ●   ঝালকাঠির ঈদবাজার পরিদর্শনে ডিআইজি মোস্তাফিজুর রহমান ●   পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে দীপেন দেওয়ান ও মীর হেলালের নিয়োগ ক্ষমতার ভারসাম্য : পাহাড়ী-বাঙালি বিভেদ থাকবে না ●   কাপ্তাইয়ে শিশুদের মুখে হাসি ফোটাতে ইফতার মাহফিল ●   ১৬ বছর পর পায়ে জুতা পড়লেন ঈশ্বরগঞ্জের বিএনপি কর্মী সবুজ ●   হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলার ৯ ডাকাতকে চট্টগ্রামের রাউজানে জনতার গণপিটুনি ●   নবীগঞ্জে শাশুড়িকে শ্বাসরোধে হত্যা : পুত্রবধূ গ্রেপ্তার ●   রাজধানীতে ফোর্টিস হসপিটালের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ●   মহা বারুণী স্নানে কাপ্তাই সীতাঘাটে ভক্তদের ঢল ●   মিরসরাইয়ে পাহাড়ের মাটি চাপায় শ্রমিকের মৃত্যু ●   ঈশ্বরগঞ্জে কোটি টাকার সড়ক সংস্কারে পুরাতন ইটের ব্যবহার ●   কারখানায় মেরামত ৫টি রেলইঞ্জিন ঈদে যুক্ত হলো রেলবহরে ●   বার কাউন্সিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে আইনজীবী হলেন রাঙামাটির দুই কৃতি শিক্ষার্থী ●   কাপ্তাইয়ে চম্পাকুঁড়ি খেলাঘর আসরের ঈদ উপহার বিতরণ
রাঙামাটি, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ১৪ চৈত্র ১৪৩২



CHT Media24.com অবসান হোক বৈষম্যের
বৃহস্পতিবার ● ৭ জুন ২০১৮
প্রথম পাতা » কৃষি » প্রকৃতির ‘লাঙল’ কেঁচো
প্রথম পাতা » কৃষি » প্রকৃতির ‘লাঙল’ কেঁচো
বৃহস্পতিবার ● ৭ জুন ২০১৮
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

প্রকৃতির ‘লাঙল’ কেঁচো

---বিশ্বনাথ প্রতিনিধি :: কৃষি ও কেঁচো। জড়িয়ে আছে নিবিড়ভাবে। কৃষিতে কেঁচোর অবদান অপরিসীম। প্রাকৃতিকভাবে কেঁচোই বাঁচিয়ে রেখেছে কৃষি। মাটির উর্বরা শক্তি বৃদ্ধিতে অন্যতম সহায়ক। এ জন্য কেঁচোকে বলা হয় প্রকৃতির ‘লাঙল’ ও কৃষকের বন্ধু। কেঁচোর বৈজ্ঞানিক নাম : Metaphir posthuma. এনিলিডা বা অঙ্গুরীমাল পর্বের অতি পরিচিত, মাটিতে গর্ত খুঁড়ে বাস করা প্রাণী। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এদের রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। পৃথিবীজুড়ে ৪ হাজারেরও বেশি প্রজাতির কেঁচো রয়েছে। এর মধ্যে ৪৫০টির বেশি প্রজাতি শনাক্ত করে কৃষিকাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। বিজ্ঞানী চার্লস ডারউইন সর্বপ্রথম কেঁচোর গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা সকলকে জানান। উদ্ভিদ বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, কেঁচো সাধারণত ফসলি জমি, বতসভিটার আশপাশে ভেজা স্যাঁতসেঁতে জায়গায় বাস করে। এরা আলো ও তাপ সহ্য করতে পারে না। দিনে গর্তে বাস করে। রাতে খাদ্যের জন্য বের হয়। এদের চোখ, কান ও ফুসফুস নেই। ত্বকের সাহায্যে শ্বাস-প্রশ্বাস চালায়। কেঁচো সাধারণত সাত-আট ইঞ্চি লম্বা হয়ে থাকে। খনন ও চলন ক্রিয়ার মাধ্যমে ৩ মিটার পর্যন্ত মাটি কর্ষণ করতে পারে কেঁচো। ফলে মাটিতে ছিদ্রের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। মাটির গহ্বরে পানি প্রবেশে সাহায্য করে। মাটির তলায় স্থিতিশীলতা এবং বায়ু চলাচল বৃদ্ধি পায়। যা ফসল উৎপাদনে মুখ্য ভূমিকা রাখে। এ ছাড়াও কেঁচো সার (কেঁচো কম্পোস্ট) নতুন মাত্রা যোগ করেছে কৃষি ক্ষেত্রে। বর্তমানে কমে যাচ্ছে প্রকৃতির লাঙল হিসেবে পরিচিত কেঁচো। জমিতে মাত্রাতিরিক্ত রাসায়নিক সার ও কীটনাশক প্রয়োগের ফলে দিনে দিনে কমে যাচ্ছে পরিবেশের অতি উপকারী এ প্রাণীটি। তাছাড়া এখন ‘এলফিস’ ধরতে একশ্রেণির শিকারিরা কৃষি জমি থেকে বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় প্রচুর কেঁচো ধরে ব্যবহার করে থাকেন। কথা হয় বিশ্বনাথের বাউসী গ্রামের ধানি জমিতে কেঁচো ধরতে আসা বলাই (৭০) -এর সঙ্গে। তিনি নবীগঞ্জের কালিয়ার ভাঙ্গা ইউনিয়নের কড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি জানান, প্রতিদিন এলফিস ধরার ২০০ থেকে ২৫০টি বড় সাইজের কেঁচো প্রয়োজন হয়। একেক দিন একেক জমি থেকে কেঁচো ধরি। কেঁচো এলফিস ধরতে সাহায্য করে। এর বাইরে তার আর কোনো উপকারের কথা জানা নেই। পরিবেশবিদরা বলছেন, কেঁচো কমে যাওয়ায় এর বিরুপ প্রভাব আমাদের পরিবেশ ও অর্তনীতিতে পড়েছে। জমির উর্বরা শক্তি হ্রাস পেয়ে কমে যাচ্ছে ফসল উৎপাদন। এ বিষয়ে কথা হলে প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের গবেষণা সহযোগী শিহাব খালেদীন সাংবাদিকদের’কে বলেন, কেঁচোর অপকারী কোনো দিক নেই বললেই চলে। প্রকৃতির ‘লাঙল’ কেঁচো ধানি জমির মাটি আলগা করে। অতি উপকারী এ প্রাণী এখন ব্যবহার করা হয় জৈব সার তৈরির কাজেও। এক সময় বৃষ্টি হলে জমিতে প্রচুর কেঁচো দেখা যেত। বর্তমানে অতিমাত্রায় কীটনাশক ও সার ব্যবহারের ফলে এরা হারিয়ে যাচ্ছে।





আর্কাইভ