শিরোনাম:
●   প্রভাষক নুরুল আবছার রচিত ইংলিশ বুস্টার বই এর মোড়ক উন্মোচন ●   আসন্ন সংসদ অধিবেশনেই তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ আইন হিসেবে পাশ করা হবে : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ●   দখল দূষণে ঈশ্বরগঞ্জ কাঁচামাটিয়া নদী এখন অস্তিত্ব সংকটে ●   মধ্যপাড়া পাথর খনিতে উত্তোলন বন্ধের শঙ্কা ●   পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়নে সমন্বয় ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে : দীপেন দেওয়ান ●   ঝালকাঠিতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ●   ঈশ্বরগঞ্জে ব্রিজ না থাকায় নড়বড়ে সাঁকোই ছয় গ্রামের মানুষের ভরসা ●   আন নূর মুহাম্মদিয়া মেহেরুন্নেছা হিফজ মাদ্রাসায় ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ●   খাগড়াছড়িতে জামায়াতের ইফতার মাহফিল ●   নারীর অধিকার ও মর্যাদা বিরোধী অপতৎপরতা বন্ধ করতে হবে ●   অপরাধ দমনে কোনো ছাড় নয়, দলমত নির্বিশেষে জিরো টলারেন্স : প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল ●   চিংম্রংয়ে সাংগ্রাই আয়োজনে উদযাপন কমিটি গঠন ●   বেতবুনিয়ায় পারিবারিক কলহের জেরে বিষপানে যুবকের মৃত্যু ●   ঢাকা- ১২ আসনের ভোটার ও জনগণের প্রতি শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা ●   রাঙামাটি সিভিল সার্জন কার্যালয়ে পদায়ন বাণিজ্য : স্বাস্থ্য বিভাগে সিন্ডিকেট কাছে জিম্মি ●   ঝিনাইদহে বিএনপি’র নেতা কর্মীদের পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠালো আ.লীগ নেতা কর্মীরা ●   আত্রাইয়ে স্ত্রী-সন্তানকে ছুরিকাঘাতে হত্যার পর মাদকাসক্ত স্বামীর আত্মহত্যা ●   পাহাড়ের জনপ্রিয় নাম শিরিনা আক্তার ●   ঝালকাঠিতে জামায়াতের মেয়র পদে প্রার্থী ঘোষণা ●   জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন যুগোপযোগীকরণ জরুরি ●   রাঙামাটিতে জেলা খাদ্য কর্মকর্তা সেলিম এর বিরুদ্ধে ওএমএস খাদ্য বিক্রয়ে অনিয়মের অভিযোগ ●   চুয়েট ক্লাব এর ইফতার মাহফিল ●   ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনীর হত্যা অপরাধমূলক আন্তর্জাতিক সন্ত্রাস ●   দরিদ্রদের উৎসবের আনন্দ বাড়াতে বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান পার্বত্য মন্ত্রীর ●   নারীকে জনসম্পদে রূপান্তর ছাড়া জাতীয় প্রবৃদ্ধি সম্ভব নয় : পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল ●   পার্বত্য জেলা পরিষদ নিয়ে পার্বত্য মন্ত্রীর বক্তব্য ভূল উপস্থাপন করায় প্রতিবাদ ●   ঈশ্বরগঞ্জ পৌর শহরে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার চরম বিপর্যয় ●   রাঙামাটিতে দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত নির্বাহী প্রকৌশলী পরাগ বড়ুয়া বহাল তবিয়তে ●   আগামীকাল বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব গণসংগীত শিল্পী এপোলো জামালীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী ●   পার্বতীপুরে এনসিপির ১ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত
রাঙামাটি, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২



CHT Media24.com অবসান হোক বৈষম্যের
বুধবার ● ৪ জানুয়ারী ২০২৩
প্রথম পাতা » অপরাধ » খাগড়াছড়িতে রাতের আঁধারে পাহাড় কাটছে একটি চক্র
প্রথম পাতা » অপরাধ » খাগড়াছড়িতে রাতের আঁধারে পাহাড় কাটছে একটি চক্র
বুধবার ● ৪ জানুয়ারী ২০২৩
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

খাগড়াছড়িতে রাতের আঁধারে পাহাড় কাটছে একটি চক্র

ছবি : সংবাদ সংক্রান্ত আব্দুল্লাহ আল মামুন, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি :: খাগড়াছড়িতে পরিবেশ আইন অমান্য করেই চলছে পাহাড় কাটার মহোৎসব। প্রশাসনের নজরদারি না থাকায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছে পাহাড় খেকোরা। অবাধে চলছে পাহাড় কাটা। রাতের আঁধারে পাহাড় কাটছে একটি চক্র। প্রশাসন কার্যকর কোনো ব্যবস্থা না নেয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
শুষ্ক মৌসুম এলেই খাগড়াছড়িতে শুরু হয় পাহাড় কাটার মহোৎসব। এ কারণে প্রতি বর্ষায় শুরু হয় পাহাড় ধস।
সরেজমিনে মঙ্গলবার৩ জানুয়ারী দুপুরে জেলা সদরের সবুজবাগ এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, একটি চক্রের ইন্ধনে প্রকাশ্যে বিশালকার পাহাড় কেটে ঘরবাড়ি নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে আমিনা বেগম, জাহাঙ্গীর, জাহানারা, মোজাম্মেলসহ অন্ততঃ ১০/১২টি পরিবার।
বর্ষা মৌসুমে ফের পাহাড় ধসে প্রাণহানির পাশাপাশি মানবিক বিপর্যয়ের শঙ্কায় স্থানীয়রা। প্রতিবছর বর্ষায় পাহাড় ধসে ব্যাপক প্রাণহাণির পরও পাহাড়খেকোরা তান্ডব চালাচ্ছে খাগড়াছড়ি শহরের সবুজবাগ, রসুলপুর, কুমিল্লাটিলা, শালবাগান, গামারীঢালা এলাকায়। তাছাড়া রামগড়ের পাতাছড়া কালাবাড়ীতে সম্প্রতি দেখা গেছে, বিশাল পাহাড় কেটে পোল্ট্রি ফার্মের কার্যক্রম শুরু করতে প্রশাসনের নাকের ডগায় প্রকাশ্যে পাহাড় কাটছে প্রভাবশালীরা। জেলা সদরের প্রতিটি উপজেলায় একই চিত্র প্রতিয়মান হচ্ছে, ফলে আবারো প্রাণহানির শঙ্কায় স্থানীয়রা। প্রশাসনের নিরবতায় ক্ষুব্ধ তারা।
কয়েক বছর ধরে খাগড়াছড়িসহ তিন পার্বত্য জেলায় পাহাড় ধসে প্রাণহানি ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও পাহাড় কাটা বন্ধ হয়নি। বিনা বাঁধায় পাহাড় খেকোরা আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। প্রশাসনের নজর ফাঁকি দিয়ে প্রতি রাতে চলে পাহাড় কাটা। সারা রাত ধরে চলে মাটি পরিবহন।
পাহাড় কাটার এ ধারাহিকতা রোধ করা না গেলে, অচিরেই খাগড়াছড়িতেও রাঙ্গামাটির পরিনতির আশংকা করছেন সচেতন মহল।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ১৩ জুনের রাতে টানা তিনদিনের ভারী বৃষ্টি আর বজ্রপাতে রাঙ্গামাটিতে ঘটে যায় স্মরণকালের পাহাড় ধসের ঘটনা। প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে দিনটি ফিরে এলে রাঙ্গামাটিবাসীর মনে দেখা দেয় আতঙ্কের সেই ভয়াল স্মৃতি। পাহাড় ধসে মাটি চাপা পড়ে একদিনেই প্রাণ হারিয়েছিলেন নারী-পুরুষ ও শিশুসহ ১২০জন। এর মধ্যে শহরের মানিকছড়িতে একটি সেনা ক্যাম্পের নিচে রাঙ্গামাটি-চট্টগ্রাম প্রধান সড়কের উপর ধসে পড়া মাটি অপসারণ করতে গিয়ে পুনরায় পাহাড় ধসের মাটি চাপা পড়ে নিহত হন ওই ক্যাম্পের দুই কর্মকর্তাসহ ৫সেনা সদস্য।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন অপরিকল্পিতভাবে পাহাড় কাটার কারণে বর্ষায় পার্বত্য জেলায় বড় ধরনের বিপর্যয় নেমে আসে। প্রশাসনিকভাবে পাহাড় কাটা নিয়ন্ত্রণ করতে না পারায় দেদারছে পাহাড় কাটা চলছে। অবিলম্বে তাদের অপতৎপরতা বন্ধ করা না গেলে ভয়াবহ পরিবেশ ঝুঁকির আশঙ্কা রয়েছে।
পাহাড় কাটার প্রতিযোগিতায় উদ্বিগ্ন পরিবেশবাদীরাও। এ অশুভ প্রতিযোগিতা বন্ধে প্রশাসনের দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ চান তারা। তবে প্রশাসন বলছে, পাহাড় কাটা বন্ধে সমন্বিত উদ্যোগের প্রয়োজন। শুধু প্রতিশ্রুতি নয়, বন্ধ হোক পাহাড় ধস। থামুক মৃত্যুর মিছিল। এমন প্রত্যাশা খাগড়াছড়িবাসীর।
এ ব্যাপারে খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) জেসমিন আক্তারের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করলে তিনি মোবাইল রিসিভ করেননি।





আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)