শুক্রবার ● ৯ জানুয়ারী ২০২৬
প্রথম পাতা » চট্টগ্রাম বিভাগ » রাবিপ্রবি’র উপাচার্য এর বিরুদ্ধে দুর্নীতির মাধ্যমে ২১ জন শিক্ষক নিয়োগের অভিযোগ
রাবিপ্রবি’র উপাচার্য এর বিরুদ্ধে দুর্নীতির মাধ্যমে ২১ জন শিক্ষক নিয়োগের অভিযোগ
রাবিপ্রবি’র উপাচার্য এর বিরুদ্ধে দুর্নীতির মাধ্যমে ২১ জন শিক্ষক নিয়োগের অভিযোগ
প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মকর্তা নিয়োগে অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার ও রাজনৈতিক বিদ্বেষমূলক আচরণের নানা অভিযোগ রয়েছে রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবিপ্রবি) উপাচার্য ড. আতিয়ার রহমানের বিরুদ্ধে। একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক মতাদর্শের ব্যক্তিদের অগ্রাধিকার দিয়ে আসছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার ৮ জানুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান বরাবর এমন অভিযোগ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রকল্প পরিচালক আবদুল গফুর।
তিনি অভিযোগ করেন, অন্যায়ের প্রতিবাদ করায় কোনো ধরনের কারণ দর্শানো ছাড়া ও নীতিমালা উপেক্ষা করে তাকে অবৈধভাবে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। কর্মচারী বিধিমালা-২০১৮ অনুযায়ী কারণ ব্যতিরেকে এ ধরনের শাস্তিমূলক আদেশ দেওয়া যায় না।
নিয়োগে অনিয়ম
রাবিপ্রবিতে ড. আতিয়ার রহমানের যোগদানের পর থেকে শিক্ষক ও কর্মকর্তা নিয়োগে ব্যাপক স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, চট্টগ্রামের বাসিন্দাদের বঞ্চিত করে ২২ জন শিক্ষক নিয়োগে জামায়াত-শিবির ঘরানার ব্যক্তিদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এই ২২ জনের মধ্যে মাত্র একজন পাহাড়ি সম্প্রদায়ের।
এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮ জন কর্মকর্তার মধ্যে কেউ স্থানীয় নন। বয়সসীমা উপেক্ষা করে ৩৬-৪২ বছর বয়সী প্রার্থীদের প্রভাষক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পদ না থাকা সত্ত্বেও পদ পরিবর্তন করে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। একাধিক নিয়োগ প্রার্থীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা থাকা সত্ত্বেও তারা নিয়োগ পেয়েছেন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আদেশ অমান্য
শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা আদেশ অনুযায়ী প্রকল্প পরিচালক পদে বদলি বা অপসারণের ক্ষমতা বিশ্ববিদ্যালয়ের নেই। তবু ভিসি আবদুল গফুরকে সাময়িক বহিষ্কারের আদেশ দেন।
ঠিকাদারি কাজে নীতিমালা লঙ্ঘন
রাঙামাটির স্থানীয় ঠিকাদারদের বাদ দিয়ে যশোর ও চট্টগ্রাম থেকে আত্মীয়স্বজন বা পরিচিত ঠিকাদার এনে বিভিন্ন পূর্ত ও সাপ্লাই কাজের বরাদ্দ দিয়েছেন উপাচার্য। নিয়ম উপেক্ষা করে ব্যয় অনুমোদন করে প্রতি মাসে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি বিল ব্যক্তিগত কাজে ব্যয় করা হয়েছে বলে অভিযোগে বলা হয়।
রাজনৈতিক প্রভাব ও ক্যাম্পাসে বৈষম্যমূলক আচরণ
উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়কে ‘জামায়াতের ঘাঁটিতে পরিণত করেছেন’। বিভিন্ন অনুষ্ঠান শুরু ও শেষ করা হয় একপাক্ষিক ধর্মীয় আচার বা রাজনৈতিক বক্তব্য দিয়ে। পাহাড়ি ও ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণে নিরুৎসাহিত করা হয়। ক্যাম্পাসকে দলীয় আড্ডার জায়গা হিসেবে ব্যবহার করায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক শান্তি ও শৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে।
বেগম জিয়ার শোকসভা পণ্ডের অভিযোগ
৭ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত খালেদা জিয়ার স্মরণসভা ইচ্ছাকৃতভাবে নস্যাৎ করার অভিযোগও ওঠে ভিসির বিরুদ্ধে। এআই-প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভুয়া ভয়েস প্রচারের মাধ্যমে হলের ভেতরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা হয়। সেখানে অন্তত দেড়শ শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তা ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করেছেন।
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ভঙ্গ
অভিযোগে বলা হয়, ভয়েস বিকৃত করে জনসম্মুখে প্রচার করার মাধ্যমে ব্যক্তিগত, মানহানি, নিরাপত্তা বিঘ্ন, টেলিযোগাযোগ আইন-২০০১, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘন করেছেন।
অভিযোগ বিষয়ে জানতে রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. আতিয়ার রহমানের ব্যক্তিগত মুঠোফোনে একাধিবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। পরে তার হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠিয়েও সাড়া মেলেনি।





চির নিদ্রায় শায়িত মিরসরাইয়ের রেমিট্যান্স যোদ্ধা ইসমাঈল
কাপ্তাইয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নেই কোন শ্মশান
সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় রাঙামাটিতে মিলাদ মাহফিল
নানিয়ারচর জোনের উদ্যোগে কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা
রাবিপ্রবিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া’র স্মরণে শোকসভা
রাঙামাটি-২৯৯ আসনের রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফীর ভূমিকা রহস্যজনক : জুঁই চাকমা