শিরোনাম:
●   দাঁড়িয়ে থাকা কাঠবাহী ট্রাকের পেছনে বাসের ধাক্কায় নিহত-৩ : আহত-১০ ●   মধ্যপাড়ার পাথর রেলপথ ও পানি উন্নয়ন বোর্ডকে ব্যবহারের নির্দেশ দিলেন উপদেষ্টা ●   জীবনানন্দ দাশের জন্মভিটা পরিদর্শনে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ●   চিৎমরমে পামোক্ষা মহাথের’র ১২তম আচারিয়া পূজা পালন ●   বিড়িতে সুখটান দিয়েও দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইতে বললেন জামায়াত প্রার্থী ফয়জুল হক ●   রাঙামাটির উলুছড়াতে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ ●   রাবিপ্রবি’র উপাচার্য এর বিরুদ্ধে দুর্নীতির মাধ্যমে ২১ জন শিক্ষক নিয়োগের অভিযোগ ●   চির নিদ্রায় শায়িত মিরসরাইয়ের রেমিট্যান্স যোদ্ধা ইসমাঈল ●   কাপ্তাইয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নেই কোন শ্মশান ●   ওসমান হাদিকে হত্যার বিচার দাবিতে ঈশ্বরগঞ্জে বিক্ষোভ ●   স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মোসাব্বিরের হত্যাকাণ্ড বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির নিন্দা ●   প্যানাম গ্রুপের বার্ষিক উৎসব উদযাপন : সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার ●   ঝালকাঠিতে চোরাই স্বর্ণ অলংকার ও নগদ অর্থসহ গ্রেফতার-৬ ●   সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় রাঙামাটিতে মিলাদ মাহফিল ●   নানিয়ারচর জোনের উদ্যোগে কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ●   রাবিপ্রবিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া’র স্মরণে শোকসভা ●   রাঙামাটি-২৯৯ আসনের রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফীর ভূমিকা রহস্যজনক : জুঁই চাকমা ●   ঝালকাঠিতে আওয়ামী লীগের ২ নেতা গ্রেফতার ●   খাগড়াছড়িতে বনবিভাগের অভিযানে বন্যপ্রাণি উদ্ধার ●   নির্বাচনে দ্বৈত নাগরিকত্বের প্রার্থীর কী বিধান, ইসির কাছে জানতে চেয়ে চিঠি ●   কাপ্তাই নৌবাহিনী স্কুল এন্ড কলেজ গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান এর বিদায় সংবর্ধনা ●   নবীগঞ্জে তীব্র শীতে বিপর্যস্ত জনজীবন ●   মিজানুর রহমান পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব পদে যোগদান ●   ঝালকাঠিতে ডিবির অভিযানে ইয়াবাসহ আটক-১ ●   আরিচা ঘাটের সেকাল আর একাল ●   কেপিএম স্কুলে খালেদা মুজাহিদ টেক সেন্টার উদ্বোধন ●   বেগম খালেদা জিয়ার শোকবইয়ে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির নেতৃবৃন্দের স্বাক্ষর ●   ঝালকাঠির ২ আসনে ৯ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল : ১৬ জন বৈধ ●   খাগড়াছড়ি ২৯৮ নং আসনে ৭টি প্রার্থীর মনোনয়পত্র বৈধ, বাতিল-৮ ●   আত্রাইয়ে জাতীয় সমাজসেবা দিবস উদযাপন
রাঙামাটি, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬, ২৭ পৌষ ১৪৩২



CHT Media24.com অবসান হোক বৈষম্যের
মঙ্গলবার ● ২০ আগস্ট ২০১৯
প্রথম পাতা » নওগাঁ » হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী শান্তির নীড় মাটির বাড়ি ঘর
প্রথম পাতা » নওগাঁ » হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী শান্তির নীড় মাটির বাড়ি ঘর
মঙ্গলবার ● ২০ আগস্ট ২০১৯
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী শান্তির নীড় মাটির বাড়ি ঘর

---নাজমুল হক নাহিদ, আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি :: নওগাঁর আত্রাইয়ে হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার চির ঐতিহ্য নিদর্শন সবুজ শ্যামল ছায়া ঘেরা শান্তির নীড় মাটির তৈরি বাড়ি (ঘর)। যা এক সময় ছিল গ্রামের মানুষের কাছে মাটির বাড়ি বা ঘর গরিবের এসি বাড়ি নামে পরিচিত। কিন্তু কালের আবর্তে আজ হারিয়ে যাচ্ছে এই ঐতিহ্যবাহী মাটির বাড়ি ঘর।

বেশি দিনের কথা নয়, বাংলার প্রতিটি গ্রামে নজরে পরতো এই মাটির বাড়ি ঘর। ঝড়-বৃষ্টি থেকে বাঁচার পাশা-পাশি প্রচুর গরম ও শীতে বসবাস উপযোগী মাটির তৈরি বাড়ি ঘর। এসব মাটির বাড়ি ঘর আর তেমন একটা নজরে পড়ে না। আধুনিকতার ছোঁয়ায় আর সময়ের পরিবর্তে গ্রাম বাংলা থেকে ঐতিহ্যবাহী মাটির তৈরি বাড়ি ঘর বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। এই বাড়ি ঘর শীত ও গরম মৌসুমে আরামদায়ক বলে গ্রামের অনেক বিত্তবানও এই মাটির দ্বিতল বাড়ি ঘর তৈরি করেন।

জানা যায়, অতি প্রাচীনকাল থেকেই মাটির বাড়ি বা ঘরের প্রচলন ছিল। গ্রামের মানুষের কাছে এই বাড়ি বা ঘর ঐতিহ্যের প্রতীক ছিল। গ্রামের বিত্তবানরা এক সময় অনেক অর্থ ব্যয় করে মজবুত মাটির দ্বিতল বাড়ি ঘর তৈরি করতেন। যা এখনও কিছু কিছু গ্রামে চোখে পড়ে। এঁটেল বা আঠালো মাটির কাঁদায় পরিণত করে ২-৩ ফুট চওড়া করে দেয়াল বা ব্যাট তৈরি করা হয় ১০-১৫ ফুট উঁচু। দেয়ালে কাট বা বাঁশের শিলিং তৈরি করে তার ওপর খর বা টিনের ছাউনি দেয়া হয়। মাটির বাড়ি ঘর অনেক সময় দোতলা পর্যন্ত করা হতো। সব ঘর বড় মাপের হয়না। গৃহিনীরা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মাটির দেয়ালে বিভিন্ন রকমের আল্পনা এঁকে ঘরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতেন। প্রাকৃতিক দূর্যোগ ও বর্ষা মৌসুমে মাটির বাড়ি ঘরের ক্ষতি হয় বলে বর্তমান সময়ে দীর্ঘ স্থায়ীত্বের কারণে গ্রামের মানুষরা ইটের বাড়ি নির্মাণের আগ্রহী হচ্ছেন। ভূমিকম্প বা বন্যা না হলে একটি একটি মাটির বাড়ি শত বছরেও বেশি স্থায়ী হয়। কিন্তু বর্তমান সময়ে কালের বিবর্তনে ইটের দালানকোটা আর বড় বড় অট্রালিকার কাছে হার মানছে মাটির বাড়ি ঘর।

উপজেলার শাহাগোলা গ্রামের আজাদ সরদার, ভবানীপুরের রমজান আলী, রসুলপুর গ্রামের মোবারক আলী, হাতিয়াপাড়া গ্রামের হাফিজুল, আয়তালী ও আব্দুস সামাদসহ আরো অনেকে জানান, মাটির তৈরি এই বাড়ি ঘর তারা পেয়েছেন পৈত্রিক ভাবে। তাদের পূর্ব পুরুষরাও এই মাটির তৈরি বাড়িতেই জীবন কাটিয়ে গেছেন। তাই এখনও তারা এই বাড়িগুলো ভাঙ্গেনি। মাটির বাড়ি বসবাসের জন্য আরামদায়ক হলেও যুগের পরিবর্তনে আধুনিকতার সময় অধিকাংশ মাটির বাড়ি ঘর ভেঙ্গে অধিক নিরাপত্তা ও স্বল্প জায়গায় দীর্ঘ স্থায়ী ভাবে অনেক লোকের নিবাস কল্পে গ্রামের মানুষরা ইটের বাড়ি ঘর তৈরি করছেন বলে অনেকের ধারনা।





আর্কাইভ