শিরোনাম:
●   মিরসরাইয়ে বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন ●   ঝালকাঠিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ●   প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে ১৪৪ ধারা জারিকৃত জমির পুকুরে বিষ প্রয়োগ ●   বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি থেকে দ্রুত কয়লা উত্তোলনের দাবিতে মানববন্ধন ●   অসহায় নাদিরার পাশে জনতার ঈশ্বরগঞ্জ ●   গাজীপুরে শহীদ শিক্ষাবৃত্তি পরীক্ষা-২০২৬ অনুষ্ঠিত ●   ঝালকাঠি রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির নতুন কমিটি ঘোষণা ●   বান্দরবানে বেতছড়া যুব সংঘকে ক্রীড়া সামগ্রী দিল সেনাবাহিনী ●   ফ্যাসিস্টের দোসর ইকবাল সোবাহান চৌধুরীরর শাস্তির দাবিতে ঝালকাঠিতে মানববন্ধন ●   ঈশ্বরগঞ্জে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ●   ঝালকাঠিতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সার্ভিস চার্জ কার্ড উদ্বোধন ●   নবীগঞ্জে ওয়ারেন্টভুক্ত ৮ আসামি গ্রেফতার ●   কেমুসাস সাহিত্য পুরষ্কার পাচ্ছেন কথাসাহিত্যিক ডা. আবদুল হাই মিনার ●   মিরসরাইয়ে আগ্নেয়াস্ত্রসহ যুবদল নেতা নওশাদ গ্রেফতার ●   ঈশ্বরগঞ্জে যুবদল নেতাকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন ●   পার্বতীপুরে ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে স্কুলশিক্ষিকার মৃত্যু ●   যুক্তরাজ্যে প্রবাসী চট্টগ্রামবাসীর মিলন মেলা অনুষ্ঠিত ●   জন্মের ১৫৩ বছর পরও শেরেবাংলার জন্মভবনে জাদুঘর হয়নি ●   ঝালকাঠিতে এলপিজি গ্যাসের দাম বৃদ্ধি : বিপাকে ক্রেতারা ●   জাতীয় যুব দিবসে সম্মাননা পেলো গোলাম মর্তুজা ●   ঈশ্বরগঞ্জে প্রধান শিক্ষকসহ ১০ শিক্ষক অনুপস্থিত : পাঠদান ব্যাহত ●   অবৈধ ইটভাটার চিমনি ও চুলা গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন ●   ঝালকাঠিতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির ১৯ বছর পর আত্মসমর্পণ ●   পার্বতীপুরে ময়মনসিংহ থেকে চট্টগ্রামগামী ফিডবোঝাই ট্রাক মালামালসহ আটক ●   সিলেট সরকারি তিব্বিয়া কলেজের চাকরি আত্মীকরণের নির্দেশ ●   গোয়াসপুর : সবুজ ক্যানভাসে ইতিহাস ও ঐতিহ্যের স্মারকলিপি ●   কৃষক অ্যাক্টিভিস্টদের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত ●   লন্ডনে ব্রিটিশ-বাংলাদেশি কারি শিল্পের জয়গান ●   আমিরাতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশী প্রবাসীর মৃত্যু ●   বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি থেকে জুঁই চাকমার পদত্যাগ : রাঙামাটি জেলা কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা
রাঙামাটি, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩



CHT Media24.com অবসান হোক বৈষম্যের
মঙ্গলবার ● ২ ফেব্রুয়ারী ২০১৬
প্রথম পাতা » জাতীয় » প্রধান বিচারপতির নাগরিকত্ব কি বাতিল হবে !
প্রথম পাতা » জাতীয় » প্রধান বিচারপতির নাগরিকত্ব কি বাতিল হবে !
মঙ্গলবার ● ২ ফেব্রুয়ারী ২০১৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

প্রধান বিচারপতির নাগরিকত্ব কি বাতিল হবে !

---
অনলাইন ডেস্ক :: (২ ফেব্রুয়ারী ২০১৬ বাংলাদেশ: সময় ১.২৩ মিঃ) বাংলাদেশ সরকার যে নতুন নাগরিকত্ব আইন করতে যাচ্ছে, তার বিধান বলে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা ও তার দুই মেয়ের নাগরিকত্বও বাতিল হয়ে যেতে পারে।

বাংলাদেশ নাগরিকত্ব আইন-২০১৬ এর খসড়ায় বলা হয়েছে, কেউ বিদেশি কোনো সামরিক বা আধাসামরিক বাহিনী বা অন্য কোনো বিশেষ বাহিনীতে যোগদানপূর্বক বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করলে, বাংলাদেশবিরোধী কোনো ষড়যন্ত্রের সহায়তা করলে বা বাংলাদেশের অস্তিত্ব অস্বীকার ও দেশবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকলে তাদের নাগরিকত্ব বাতিল হবে। এমনকি তাদের সন্তানরাও নাগরিক হতে পারবেন না।

আর এ আইনটি কার্যকর ধরা হয়েছে ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ থেকে। যার মানে, ২৫ মার্চের পর যারা মুক্তিযু্দ্ধের বিরোধিতা করে পাকিস্তানী বাহিনীর পক্ষে কাজ করেছে বা সহায়তা করেছে তাদের নাগরিকত্বও বাতিল হয়ে যাবে।

জানা গেছে, ২০১৪ সালের ১০ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে জামায়াত নেতা মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের মামলার শুনানিকালে বর্তমান প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা আত্মস্বীকৃতি দেন তিনি পাকিস্তানী সেনাবাহিনীকে সহায়তার জন্য গঠিত পিস কমিটির সদস্য ছিলেন। এই স্বীকৃতিতে তিনি পাক সেনাদের সহযোগিতার বিষয়টিও পষ্ট করে তুলে ধরেন।

সুরেন্দ্র কুমার শুনানির এক পর্যায়ে বলেন, “আমি নিজেও শান্তি কমিটির একজন সদস্য ছিলাম।” তিনি আরো বলেন, “আমি নিজে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পক্ষে কাজ করেছি।” অবশ্য প্রধান বিচারপতিও এও দাবি করেন, দিনে পাক বাহিনীকে সহযোগিতা করলেও রাতে মুক্তিবাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করতেন।

প্রধান বিচারপতির জন্মস্থান মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় মুক্তিযুদ্ধের সময় পাক বাহিনী বহু হত্যা-ধর্ষণের ঘটনা ঘটায়। এতে তাদের সহযোগিতা করে বাংলাদেশি বিভিন্ন ব্যক্তির মাধ্যমে গঠিত শান্তি কমিটি, রাজকার ও আলবদর বাহিনীর সদস্যরাও।

শান্তি কমিটিতে থাকার ব্যাপারে প্রধান বিচারপতির এই স্বীকারোক্তি সামনে রেখে সম্প্রতি অবসরে যাওয়া সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক বেসরকারি টেলিভিশন একাত্তরে দাবি করেন, “প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা নিজে স্বীকার করেছেন, তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় শান্তি কমিটির সদস্য ছিলেন যাদের কাজ ছিল একাত্তরে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতা করা । তাই তিনি মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী রাজাকার।”

এখন প্রশ্ন হলো, বাংলাদেশ নাগরিকত্ব আইন-২০১৬ প্রণীত হলে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী হিসেবে প্রধান বিচারপতিও নাগরিকত্ব বাতিলের তালিকায় পড়বেন কি না। একই প্রশ্ন আসবে মুক্তিযুদ্ধকালে পাকিস্তানী আর্মির অনুগত হিসেবে কর্মরত জনপ্রশাসনের কর্মকর্তাদের বেলায়। এমন বেশ কয়েকজন পরবর্তীতে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় পদ-পদবী, মন্ত্রিত্ব ও সাংসদ পদও পেয়েছেন।

জানা গেছে, নতুন আইনের খসড়াটি মন্ত্রিসভার অনুমোদনের জন্য আজ সোমবারের নিয়মিত বৈঠকের কার্যসূচিতে রয়েছে বলে জানা গেছে। ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ থেকে আলোচ্য আইন কার্যকর হওয়ার আগ পর্যন্ত সময়ে এখানে জন্মগ্রহণকারীদের জন্ম সূত্রে বাংলাদেশের নাগরিক বলে বিবেচনা করা হয়েছে।

আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ থেকে আইন কার্যকর হওয়া পর্যন্ত সময়ে এই আইনের অধীন কোনো অপরাধ কেউ করলে তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হওয়ার যোগ্যতা হারাবেন। এ বিবেচনায় যদি এ সময়ের মধ্যে কেউ মুক্তিযুদ্ধকে অস্বীকার করে সে ক্ষেত্রেও আইনটি প্রযোজ্য হবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এ আইন অনুযায়ী যারা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছেন বা কোনো বিদেশি বাহিনীকে বাংলাদেশবিরোধী কোনো ষড়যন্ত্রের সহায়তা করেছেন, তাদের নাগরিকত্ব বাতিল হবে। এমনকি তাদের সন্তানরাও নাগরিক হতে পারবেন না। এটি আইন পাস হলে বিধি দ্বারাই স্পষ্ট করা হবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মোজাম্মেল হক খান বলেন, “বাস্তব প্রেক্ষাপট বিবেচনা করেই নতুন আইন করা হচ্ছে। আইনে কিছু নতুন বিষয় যুক্ত হয়েছে। আরও কিছু বিষয় পরিষ্কার করা হয়েছে।”

তিনি বলেন, “নতুন বিষয়ের মধ্যে বাংলাদেশ নিয়ে বিশেষ অবদানে বিদেশি নাগরিকদের সম্মানসূচক নাগরিকত্ব দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে। আগে বিশেষ নাগরিকত্ব দেওয়া হতো শুধু গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য। এখন কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অবদানের জন্য সম্মানসূচক নাগরিকত্ব দেওয়া হবে বিদেশি নাগরিকদের। এ ছাড়া তাদের রাজনীতি করার বিষয়টিও স্পষ্ট করা হয়েছে আইনে।”

ড. মোজাম্মেল হক খান আরো বলেন, “আইনে নাগরিক না থাকার বা না হওয়ার কিছু বিধান রয়েছে। যদি কেউ এর মধ্যে পড়েন, তাহলে তার নাগরিকত্ব বাতিল হবে।”

সুরেন্দ্র কুমার সিনহার জন্ম ১৯৫১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার তিলকপুর গ্রামে। তার বাবার নাম ললিত মোহন সিনহা এবং মায়ের নাম ধনবতী সিনহা। তার স্ত্রী সুষমা সিনহা। এ দম্পতির দুই মেয়ে সূচনা সিনহা ও আশা রানী সিনহা।

তিনি এলএলবি পাস করার পর ১৯৭৪ সালে সিলেট জেলা জজ আদালতে অ্যাডভোকেট হিসেবে কাজ শুরু করেন। ১৯৭৮ সালে হাইকোর্টে এবং ১৯৯০ সালে আপিল বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ১৯৯৯ সালের ২৪ অক্টোবর তিনি হাইকোর্টে বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান ২০০৯ সালের ১৬ জুলাই আপিল বিভাগের বিচারপতি হন।

বাংলাদেশের সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে আনা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা আপিল বিভাগের যে বেঞ্চ বাতিল করেছিল, এস কে সিনহা ছিলেন তার অন্যতম সদস্য। ২০১১ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার চূড়ান্ত রায় দেওয়া বেঞ্চেও সদস্য হিসাবে ছিলেন তিনি।

এছাড়া সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ঢাকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে জামায়াত নেতা আবদুল কাদের মোল্লা, মুহাম্মদ কামারুজ্জামান, আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী ও বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর আপিল শুনানিতেও বিচারপতির দায়িত্বে ছিলেন সুরেন্দ্র কুমার সিনহা।

এর মধ্যে আবদুল কাদের মোল্লা ছাড়া বাকি সকলের মামলায় আপিল বেঞ্চের সভাপতি ছিলেন সুরেন্দ্র কুমার। এসব মামলার কোনোটিতেই মৃত্যুদণ্ড হ্রাস করা হয়নি, বরং মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে, যা রিভিউ আবেদনেও কমেনি। এর মধ্যে মাওলানা নিজামী ছাড়া সকলের ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে।

সুরেন্দ্র কুমার সিনহা বাংলাদেশের ২১ তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে গত বছরের ১৯ জানুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

এই দায়িত্ব গ্রহণের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে গত ১৮ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে দেওয়া প্রধান বিচারপতি বাণী নিয়ে এরই মধ্যে বাংলাদেশে তুমুল রাজনৈতিক বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

ওই বাণীতে প্রধান বিচারপতি বলেন, “সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিগণ বাংলাদেশের সংবিধান, আইনের রক্ষণ, সমর্থন ও নিরাপত্তা বিধানের শপথ গ্রহণ করেন। কোনো বিচারপতি অবসর গ্রহণের পর তিনি একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে গণ্য হন বিধায় তাঁর গৃহীত শপথও বহাল থাকে না। আদালতের নথি সরকারি দলিল (পাবলিক ডকুমেন্ট)। একজন বিচারপতি অবসর গ্রহণের পর আদালতের নথি নিজের নিকট সংরক্ষণ, পর্যালোচনা বা রায় প্রস্তুত করা এবং তাতে দস্তখত করার অধিকার হারান। আশা করি বিচারকগণ আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে এমন বেআইনি কাজ থেকে বিরত থাকবেন।”

এই বাণীকে কেন্দ্র করে সুপ্রিম কোর্টের বেশ কয়েক জন সিনিয়র আইনজীবী ও অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপি দাবি করছে, সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক অবসরে যাওয়ার ১৬ মাস পরে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে অবৈধ ঘোষণা করে যে রায় দিয়েছেন তা অবৈধ।

তাদের দাবি ওই রায় অবৈধ হওয়ায় ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নিজের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিতশেখ হাসিনার তৃতীয় সরকারও অবৈধ। এর মধ্যে বিএনপি নেতারা খায়রুল হকের গ্রেপ্তারও দাবি করে আসছেন।

আর এমন বিতর্কের মধ্যেই প্রধান বিচারপতির বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বুধবার জাতীয় সংসদে আইন মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেছিলেন, তিনি (সুরেন্দ্র কুমার) বলে বসলেন, জাজমেন্ট ডিক্লেয়ার করার পর অবসরের পর রায় লিখলে অসাংবিধানিক। এটা যদি অসাংবিধানিক-অগণতান্ত্রিক হয় তাহলে রাষ্ট্রের ভিত্তিগুলো অসাংবিধানিক হয়ে যায়। ইনক্লুডিং চিফ জাস্টিস হিমসেলফ। এ ধরনের কোনো কথা জুডিশিয়ারির কাছ থেকে আসার পরে দেশটা কেঁপে উঠল। সাথে সাথেই আমাদের বিরোধী দল বলে বসল এই সরকার অবৈধ।”

সুরঞ্জিত বলেন, “রাজনীতি যখন স্থিতিশীল হয়ে আছে তখন তার এই কথা উসকানি। আমরা মনে করি, সুপ্রিম কোর্টের মতো একটি প্রতিষ্ঠান সেখান থেকে যদি এটি রেমপেন্ট (নির্বিচার) মন্তব্য চলে আসে…”

তিনি বলেন, “মানুষ মনে করবে, আপনার কোনো এজেন্ডা আছে। মানুষ মনে করে… আমরা ঘর পোড়া গরু। নিশ্চয়ই কোনো অসাংবিধানিক শক্তির সঙ্গে আঁতাত করে সাংবিধানিক শক্তি এ কথা বলছে।”





জাতীয় এর আরও খবর

৮১ বছরে জাতিসংঘ : কার্যকর জাতিসংঘ গড়ার চ্যালেঞ্জ ৮১ বছরে জাতিসংঘ : কার্যকর জাতিসংঘ গড়ার চ্যালেঞ্জ
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে এমপি আবুল কালামের অভিনন্দন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে এমপি আবুল কালামের অভিনন্দন
জলবায়ু পরিবর্তনের অদৃশ্য সংকট ও পরিণতি জলবায়ু পরিবর্তনের অদৃশ্য সংকট ও পরিণতি
বিএনপি আন্দোলন-সংগ্রামের শরিকদের সাথে বেঈমানী করেছে : লেবার পার্টির চেয়ারম্যান বিএনপি আন্দোলন-সংগ্রামের শরিকদের সাথে বেঈমানী করেছে : লেবার পার্টির চেয়ারম্যান
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সব কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে রিট ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সব কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে রিট
ফুসফুসের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় শক্তিশালী তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন জরুরি ফুসফুসের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় শক্তিশালী তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন জরুরি
প্রার্থীদের দলের প্রত্যয়নপত্র বাধ্যতামূলক : ভোটকেন্দ্র স্থাপনে ডিসি ও এসপিদের নেতৃত্বে জেলা কমিটি বাতিল : ইসি প্রার্থীদের দলের প্রত্যয়নপত্র বাধ্যতামূলক : ভোটকেন্দ্র স্থাপনে ডিসি ও এসপিদের নেতৃত্বে জেলা কমিটি বাতিল : ইসি
বিভক্তি বিভাজনের পথে গণঅভ্যুত্থানের অর্জন বিসর্জন দেয়া যাবেনা- সাইফুল হক বিভক্তি বিভাজনের পথে গণঅভ্যুত্থানের অর্জন বিসর্জন দেয়া যাবেনা- সাইফুল হক
পর্বতারোহী প্রকৌশলী কাওছার রূপক-কে  জাতীয় পতাকা হস্তান্তর পর্বতারোহী প্রকৌশলী কাওছার রূপক-কে জাতীয় পতাকা হস্তান্তর
জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অলাভজনক করতে পারলে নির্বাচনে ইদুর দৌড় অনেক খানি বন্ধ করা সম্ভব জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অলাভজনক করতে পারলে নির্বাচনে ইদুর দৌড় অনেক খানি বন্ধ করা সম্ভব

আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)