বৃহস্পতিবার ● ৭ ডিসেম্বর ২০২৩
প্রথম পাতা » চট্টগ্রাম বিভাগ » লংগদুতে দয়াল চন্দ্র চাকমার জমি বেদখলের নিন্দা ও প্রতিবাদ
লংগদুতে দয়াল চন্দ্র চাকমার জমি বেদখলের নিন্দা ও প্রতিবাদ
ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট ইউপিডিএফ-মূল প্রচার ও প্রকাশনা বিভাগের নিরন চাকমা প্রেরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ-মুল) এর রাঙামাটি জেলা ইউনিটের সংগঠক সচল চাকমা আজ ৬ ডিসেম্বর-২০২৩ বুধবার এক বিবৃতিতে লংগদু উপজেলার লংগদু সদর ইউনিয়নের বড় হাড়িকাবা (খাড়িকাটা) গ্রামে সেটলার বাঙালি কর্তৃক দয়াল চন্দ্র চাকমার নামে বন্দোবস্তিকৃত জমি বেদখল করে অবৈধভাবে ঘর নির্মাণের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
তিনি দয়াল চন্দ্র চাকমার জমি বেদখল করার উদ্দেশ্যে আদালতের নির্দেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে খুপড়ি ঘর নির্মাণকে উস্কানিমূলক এবং পাহাড়িদের ওপর সাম্প্রদায়িক হামলা চালানোর ষড়যন্ত্র হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
বিবৃতিতে তিনি অভিযোগ করে বলেন, গতকাল মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) একই ইউনিয়নের ভাইবোন ছড়া এলাকার বাসিন্দা মো. মকবুলের ছেলে মো. কামাল দলবল নিয়ে দয়াল চন্দ্র চাকমার ১৯৭৫ সালে বন্দোবস্তিকৃত জমিতে খুপড়ি ঘর নির্মাণ করে।
এর আগে ২০১৯ সালেও সেটলাররা একবার ওই জমি বেদখলের চেষ্টা চালিয়েছিল উল্লেখ করে ইউপিডিএফ নেতা বলেন, লংগদুসহ বিভিন্ন এলাকায় অসংখ্য ভূমি বেদখল ঘটনার পরও প্রশাসনের পক্ষ থেকে বেদখলকারীদের বিরুদ্ধে কোন ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ না করার কারণে সেটলাররা বার বার অন্যের জমি বেদখল করতে সাহস পাচ্ছে।
জমি বেদখলের উদ্দেশ্যে পাহাড়িদের গ্রামে অনেকবার সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনাও ঘটেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি দয়াল চন্দ্র চাকমার জমিতে ঘর নির্মাণ করে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা সৃষ্টির ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান।





বর্ষবরণে রাউজানের মহামুনি বিহারে পাহাড়ি-বাঙালির মিলন মেলা কাল
এখন থেকে আর বৈসাবি নয়, স্ব-স্ব নামে উদযাপিত হবে পাহাড়ের ঐতিহ্যবাহী সামাজিক উৎসব : পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান
ইসলামপুর ইউনিয়নের প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ফাইনাল
ভোজ্যতেল, জ্বালানীতেলসহ নিত্যপণ্য নিয়ে অসাধু ব্যবসায়ীদের কারসাজি বন্ধে চট্টগ্রামে ক্যাব এর মানববন্ধন
মিরসরাইয়ে ৪ মোটরযানের সংঘর্ষে স্টিলের বান্ডেল ছিটকে পড়ে পথচারীর মৃত্যু, আহত-৩
‘বৈসাবি’ নয়, প্রতিটি সম্প্রদায়ের নিজস্ব স্বকীয়তায় উৎসব পালনের আহ্বান পার্বত্য মন্ত্রীর