শিরোনাম:
●   সেনা সদস্য পরিচয়ে কণ্যাকে জিম্মি করে টাকা স্বর্ণালঙ্কার হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ●   ইসলামপুর ইউনিয়নের প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ফাইনাল ●   ভোজ্যতেল, জ্বালানীতেলসহ নিত্যপণ্য নিয়ে অসাধু ব্যবসায়ীদের কারসাজি বন্ধে চট্টগ্রামে ক্যাব এর মানববন্ধন ●   মিরসরাইয়ে ৪ মোটরযানের সংঘর্ষে স্টিলের বান্ডেল ছিটকে পড়ে পথচারীর মৃত্যু, আহত-৩ ●   আত্রাইয়ে সরকারের নির্ধারিত দামের চেয়ে অধিক দামে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রয়ের অভিযোগ ●   র‌্যাব-১৩ অভিযান পার্বতীপুরে ১২০০ লিটার পেট্রোল জব্দ ও জরিমানা ●   ‘বৈসাবি’ নয়, প্রতিটি সম্প্রদায়ের নিজস্ব স্বকীয়তায় উৎসব পালনের আহ্বান পার্বত্য মন্ত্রীর ●   উচ্ছেদকৃত হকারদের জীবিকার বিকল্প ব্যবস্থা করুন ●   নানিয়ারচর সেনা জোন কর্তৃক বগাছড়িতে ফুটবল টুর্নামেন্টে পুরস্কার বিতরণ ●   বিএনপি সরকারকে জনগণের গণতান্ত্রিক আকাংখ্যার পক্ষে দাঁড়াতে হবে ●   রাজনৈতিক দল ও জনগণকে সাথে নিয়ে বিপজ্জনক বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের উদ্যোগ নিতে হবে ●   বগাবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ●   রাবিপ্রবি’তে জিএসটি গুচ্ছভুক্ত A ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত ●   পাহাড়ের বৈচিত্র্যে মানবিক ঐক্যের সুর: বিজু-সাংগ্রাই-বৈসু-বিষু-চাংক্রান ●   হরমুজ প্রণালি পেরোনোর অনুমতি পেলো না ‘বাংলার জয়যাত্রা’ ●   মাঝ আকাশে বিমানে জন্ম নিল ফুটফুটে শিশু, নাগরিকত্ব নিয়ে ধোঁয়াশা ●   ‘লেবাননে যুদ্ধবিরতি না হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা নয়’ ●   ব্যাঙছড়ি সড়কের কার্পেটিং না হওয়ায় বিপাকে ৫ হাজার পরিবার ●   গণভোটের রায়ের পক্ষে অবস্থান সরকারের জন্য গৌরবজনক হবে ●   বাঘাইছড়িতে বিপ্লবী ওয়ার্কর্স পার্টির কমিটি গঠন ●   ধর্মগোধা ধর্মকুয়া চন্দ্রবংশ বৌদ্ধ বিহার ও ভাবনা কেন্দ্রের নতুন উপদেষ্টা এবং পরিচালনা কমিটি গঠন ●   রাঙামাটিতে কোতয়ালী থানার অভিযানে ৫শত গ্রাম গাঁজাসহ গ্রেফতার-১ ●   কাউখালীতে ৩ বছরে আত্মহত্যার মামলা ১১টি ●   ঝালকাঠি আঞ্চলিক মহাসড়কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন ●   আত্রাইয়ে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে প্রণোদনার সার ও বীজ বিতরণ ●   ভূমি ব্যবস্থাপনায় দুর্নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে বন্ধ করতে হবে : ভূমি প্রতিমন্ত্রী ●   ৩৪ বছর শিক্ষকতা জীবনের ইতি টানলেন প্রধান শিক্ষক ইউসুফ মিয়া ●   বিক্রয়স্থলে তামাকপণ্য প্রদর্শন নিষিদ্ধের ধারা বহাল রাখার আহ্বান ●   নান্দাইলে ১৫ বছরের কিশোর ২২দিন ধরে নিখোঁজ : প্রশাসনের ভূমিকা রহস্যজনক ●   রাঙামাটি জেলা খাদ্য কর্মকর্তা সেলিমের বিরুদ্ধে ওএমএস খাদ্য বিক্রয়ে অনিয়মের অভিযোগ : সংবাদের প্রতিবাদ
রাঙামাটি, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২



CHT Media24.com অবসান হোক বৈষম্যের
রবিবার ● ১৪ জানুয়ারী ২০২৪
প্রথম পাতা » কৃষি » দুইবছরে বরই চাষ করে ব্যাপক সফলতার মুখ দেখেছেন রশিদ
প্রথম পাতা » কৃষি » দুইবছরে বরই চাষ করে ব্যাপক সফলতার মুখ দেখেছেন রশিদ
রবিবার ● ১৪ জানুয়ারী ২০২৪
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

দুইবছরে বরই চাষ করে ব্যাপক সফলতার মুখ দেখেছেন রশিদ

--- রাউজান (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি :: ভাগ্য পরিবর্তনের আশায় গিয়েছিলেন সংযুক্ত আরব আমিরাতে। প্রায় ১৩ বছর প্রবাস জীবনে তাঁর ভাগ্য পরিবর্তনে বড় বাধা হয়ে পড়ে করোনা। করোনার সময়ে কাজ হারিয়ে তিনি দেশে চলে আসেন। দেশে এসে মিজানুর রশিদ সিদ্ধান্ত নেন, নিজের খালি জমিতে বরই চাষ করার। বরই চাষ করে তিনি আবারও বিদেশ চলে যান। সেখানে তাঁর ভাগ্যর চাকা পরিবর্তনা হচ্ছেনা। তিনি আবারও সিদ্ধান্ত নেন দেশে চলে আসবেন। দেশে এসে আরও বড় পরিসরে বরই চাষের পরিকল্পনা করেন তিনি। বর্তমানে রশিদের সঠিক পরিকল্পনা ও পরিশ্রমে তিনি এখন সফল একজন বরই চাষি। তিনি গত ১৩ বছরে প্রবাসে যেটি করতে পারেননি, বর্তমানে দেশে এসে গত দুইবছরে বরই চাষ করে ব্যাপক সফলতার মুখ দেখছেন। এ ব্যাপারে সফল বরই চাষি ও তরুণ উদ্যোক্তা মিজানুর রশিদ বলেন, ‘রোপণের প্রথম বছর এই বাগানের প্রায় চারশতাধিক বরই গাছ হতে প্রায় ২ লাখ ৮৫ হাজার টাকা বরই বিক্রি হয়। চলতি বছরে তিনি ১০ লাখ টাকার বরই বিক্রির আশা করছেন। এই বাগানে তাঁর প্রায় ৬ লাখ টাকা মতো খরচ হয়েছে বলে তিনি জানান। রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পোমরা সত্যপীর মাজার সংলগ্ন কাপ্তাই সড়কের দক্ষিণ পাশে বর্তমানে তাঁর এ.এস.এগ্রো বাংলাদেশ নামের বরই বাগানটি মানুষের নজর কাড়ছে। প্রায় ৪ কানি জমিতে দুই’টি বরই বাগান করা হয়েছে, সেখানে রোপণ করা হয়েছে বল সুন্দরী ও ভারত সুন্দরী জাতের বরই গাছের চারা। এই বরই যেমন রসালো, তেমনি মিষ্টি। সরেজমিনে মিজানুর রশিদের বাগানে গিয়ে দেখা যায়, বাগানজুড়ে চলছে বরই সংগ্রহের কাজ। সংগ্রহ করা পরিপক্ব বরই নির্দিষ্ট স্থানে স্তূপ করে রাখা হচ্ছে। পরে আশাপাশের বাজারে বিক্রির উদেশ্য চলে যাচ্ছে। স্থানীয় পাইকাররা বাগানে এসে বরই কিনে নিয়ে যাচ্ছে। বাগানে বরইয়ের ভারে প্রতিটি গাছ মাটিতে নুয়ে পড়ছে। অবস্থা এমন যে, গাছের পাতার চেয়ে গাছে বরই বেশি দেখা যাচ্ছে। বরই গুলো খেতে যেমন মিষ্টি দেখতে আপলের মতো মনে হবে। বাগানের চারপাশে বেড়া দেওয়া রয়েছে। পাখি ঠেকাতে সারা ক্ষেতের ওপর দিয়ে নেট জাল দিয়ে ঢেকে দিয়েছেন। এতে করে কোনো পাখি আর ক্ষেতের বরই নষ্ট করতে পারছে না। মিজানুর রশিদের বরই বাগান দেখতে নানা স্থান থেকে লোকজনের প্রতিদিন আসছেন। যাওয়ার সময় কেউ কেউ হাতে করে গাছপাকা বরই কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। অনেকে আবার বরই খেয়ে সখিন চাষি রশিদের ব্যাপক প্রশংসা করছেন। তিনি আরও বলেন, জীবিকার তাগিদে প্রবাসে ১৩ বছর কঠোর পরিশ্রম করেও ভাগ্য বদলাতে পারেনি। কিন্তু আমি কখনো হতাশ হয়নি, আমি মনে করি এই যুদ্ধে আমি সফল হয়েছি। তিনি বলেন বল সুন্দরী ও ভারত সুন্দরী জাতের বরই চাষে দ্রুত ফলন মিলে। বর্তমানে আমার এ বাগানে কর্মসংস্থান হয়েছে ৪ নারীর। এখানে কাজের টাকায় চলছে তাদের সংসার। আগামীতে আমার এই বাগানের পাশে আরও বড়কিছু করার পরিকল্পনা রয়েছে। আশা করছি সেখানে মানুষের কর্মসংস্থান হবে। বর্তমানে বেকার যুবকদের মাঝে মিজানুর রশিদ এক অনন্য উদাহরণ বলে বনে করছেন এলাকার মানুষ।





আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)