মঙ্গলবার ● ১৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রথম পাতা » চট্টগ্রাম বিভাগ » রাবিপ্রবি’র একাডেমিক কাউন্সিলের ১৫ তম সভা অনুষ্ঠিত
রাবিপ্রবি’র একাডেমিক কাউন্সিলের ১৫ তম সভা অনুষ্ঠিত
![]()
রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের ১৫ তম সভা প্রশাসনিক ভবন-১ এর সভাকক্ষে আজ ১২ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ সোমবার সকাল ১১টায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন রাবিপ্রবি’র ভাইস-চ্যান্সেলর ও একাডেমিক কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী।
একাডেমিক কাউন্সিলের সভার শুরুতে পূর্ববর্তী ১৪ তম সভার কার্যবিবরণী অনুমোদন করা হয়। অনুষ্ঠিত সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও ভবিষ্যতের একাডেমিক পরিকল্পনা ও আনুষঙ্গিক বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা করা হয়। এগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো- ইনস্টিটিউট অব লিঙ্গুইস্টিকস অ্যান্ড সিএইচটি ল্যাঙ্গুয়েজেস প্রতিষ্ঠা ও প্রয়োজনীয় জনবল অনুমোদন; তৃতীয় ভাষা হিসেবে চাইনিজ ও জাপানিজ ভাষা শিক্ষা চালুর অনুমোদন; ইনস্টিটিউট অব ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ার্স প্রতিষ্ঠার অনুমোদন; ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি অনুষদের অধীনে বিভিন্ন ইনস্টিটিউট/ সেন্টার (আইওটি এন্ড ন্যানো টেকনোলজি, ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন এন্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি, ইনস্টিটিউট অব এআই এন্ড ডাটা সায়েন্স, সেন্টার ফর এআই ইন এগ্রিকালচার এন্ড স্মার্ট ফার্মিং, সেন্টার ফর রোবটিকস এন্ড ইন্টেলিজেন্স) খোলার প্রস্তাবনা; শর্ট টার্ম কোর্স চালু (ডাটা সায়েন্স এন্ড ডাটা এনালাইসিস ফর রিসার্চ, হ্যান্ড অন রিসার্চ টুলস ফর একাডেমিক রাইটিং, পাইথন ফর এআই, বিজনেস ডাটা এনালিটিকস এন্ড ইন্টেলিজেন্স, জনবল অনুমোদন, কনফারেন্স আয়োজন; ম্যানেজমেন্ট বিভাগে মিডটার্ম-২ পরীক্ষা পুনর্বহালের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ, সান্ধ্যকালীন এমবিএ চালুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ; ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের বিবিএ ও এমবিএ প্রোগ্রামের কারিকুলাম অনুমোদন; ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল ক্লাব গঠনের জন্য অনুমোদন, বহিঃসদস্য হিসেবে পরীক্ষক নিয়োগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত, মাস্টার্সের থিসিসের তত্ত্বাবধায়ক নির্ধারণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত, শিক্ষার্থীদের গবেষণায় ইথিক্যাল রিভিউ কমিটি/বোর্ড গঠন ও অনুমোদন, স্নাতক/ স্নাতকোত্তর পর্যায়ে প্রভিশনাল ও মূল সার্টিফিকেট এর নমুনা/খসড়া কপি অনুমোদন;ফিশারিজ এন্ড মেরিন রিসোর্সেস টেকনোলজি বিভাগের স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামে বিভিন্ন শাখা (ফিশারিজ বায়োলজি এন্ড জেনেটিকস, একুয়াকালচার, লেক ম্যানেজমেন্ট এন্ড কনজারভেশন, মেরিন ফিশারিজ এন্ড ওশানোগ্রাফি, ফিশ প্রসেসিং এন্ড কোয়ালিটি কন্ট্রোল; স্নাতক প্রোগ্রামে সাময়িক ও মূল সনদে ডিগ্রীর নাম ব্যাচেলর অব সায়েন্স ইন ফিশারিজ (অনার্স) নির্ধারণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ; স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামে সাময়িক ও মূল সনদে ডিগ্রীর নাম ব্রাঞ্চ অনুসারে মাস্টার্স অব সায়েন্স ইন ফিশারিজ ইন বায়োলজি এন্ড জেনেটিকস/ একুয়াকালচার/ লেক ম্যানেজমেন্ট এন্ড কনজারভেশন/ মেরিন ফিশারিজ এন্ড ওশানোগ্রাফি/ ফিশ প্রসেসিং এন্ড কোয়ালিটি কন্ট্রোল নির্ধারণ। একাডেমিক কাউন্সিলের সদস্যদের আলোচনাক্রমে সভায় উপস্থাপিত বিষয়সমূহ বিষদ আলোচনার পর কিছু বিষয় অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয় এবং কিছু বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।
এছাড়াও সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতোমধ্যে একাডেমিক সংক্রান্ত গৃহীত ও বাস্তবায়নাধীন প্রশাসনিক বিষয়সমুহ- পুনঃভর্তি, ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের তালিকা, বিভিন্ন বিভাগের পাঠ্যক্রম কমিটি ও পরীক্ষা কমিটি, সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরসহ বিবিধ বিষয়ে একাডেমিক কাউন্সিলের সদস্যবৃন্দকে অবহিত করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্ডিন্যান্স প্রণয়ন করে যথাযথ পর্ষদে উপস্থাপন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় ।
উক্ত একাডেমিক কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে সভায় প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর ও প্রকল্প পরিচালক প্রফেসর ড. মো. শফিকুল ইসলাম, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) ও একাডেমিক কাউন্সিলের সচিব মোহাম্মদ জুনাইদ কবির, সায়েন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন ড. তৌহিদুল আলম, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন ড. মুহাম্মদ রহিম উদ্দিন, প্রক্টর ও ফিশারিজ এন্ড মেরিন রিসোর্সেস টেকনোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মোঃ ফখরুদ্দিন, কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান আহমেদ ইমতিয়াজ, ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান মোহনা বিশ্বাস, ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহকারী অধ্যাপক ড. নিখিল চাকমা, ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান মোসা. হাবিবা, ফিশারিজ এন্ড মেরিন রিসোর্সেস টেকনোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মোঃ মতিউর রহমান চৌধুরী, গ্রন্থাগারিক (ভারপ্রাপ্ত) ড. সুপ্রিয় চাকমা এবং বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন, ঢাকা এর প্রিন্সিপাল জিওলোজিস্ট ও বিভাগীয় প্রধান ড. মোঃ মনিরুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও সভায় একাডেমিক কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে অনলাইন প্লাটফর্মে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সেলিম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের প্রফেসর ড. ওয়াহিদা সুমী, বাংলাদেশ ফিশারিজ রিসার্চ ইনস্টিটিউট (নদী উপকেন্দ্র) পটুয়াখালী এর সিনিয়র সাইন্টিফিক অফিসার ও সাবস্টেশন চীফ ড. মোহাম্মদ আশরাফুল হক সংযুক্ত ছিলেন।
উল্লেখ্য যে, একাডেমিক কাউন্সিল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষা বিষয়ক পর্ষদ, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন, সংবিধি, বিধি বিধান সাপেক্ষে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল একাডেমিক কার্যক্রমের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নির্ধারণ, একাডেমিক বর্ষসূচী ও তৎসম্পর্কিত পরিকল্পনা প্রণয়ন, শিক্ষা-প্রশিক্ষণ ও পরীক্ষার মান নির্ধারণ ও সংরক্ষণের সংশ্লিষ্ট কার্যাদি বিষয়ে তত্ত্বাবধান ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে থাকে।
রাবিপ্রবি’তে বিশ্ব ডাক দিবস উপলক্ষে ‘চিঠি উৎসব’ অনুষ্ঠিত
বিশ্ব ডাক দিবস উপলক্ষে রাঙামাটি প্রধান ডাকঘরের আয়োজনে ১১ অক্টোবর ২০২৬ খ্রি. তারিখ রোজ রবিবার সকাল ১০:০০ ঘটিকায় রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরি প্রাঙ্গণে ‘চিঠি উৎসব’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ব ডাক দিবস উপলক্ষে চিঠি লেখার ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা, ডাক বিভাগের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি এবং পারস্পরিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে এ চিঠি উৎসবের আয়োজন করা হয়।
আয়োজিত এ উৎসবের উদ্বোধন করেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ জুনাইদ কবির, ডেপুটি পোস্টমাস্টার জেনারেল (রাঙামাটি পোস্টাল ডিভিশন) সুদ্বীপ চাকমা, অ্যাসিস্ট্যান্ট পোস্টমাস্টার জেনারেল কাম পোস্টমাস্টার (রাঙামাটি প্রধান ডাকঘর) অরুণ বিকাশ চাকমা, রাঙামাটি ডাক উপ-বিভাগের পরিদর্শক রাজীব চৌধুরীসহ রাঙ্গামাটি প্রধান ডাকঘরের অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ কর্তৃক আয়োজিত এ ‘চিঠি উৎসব’ আয়োজন করায় ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং ডাক বিভাগের উল্লেখযোগ্য কাজ, ঐতিহ্য ও অর্থ সাশ্রয়ী সেবা সম্পর্কে বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি বলেন, আমরা যেহেতু পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, ডাক বিভাগের সকল কার্যক্রমকে প্রমোট করা আমাদের নীতিগত দায়িত্ব। রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাক সংক্রান্ত সকল কাজ ডাক বিভাগের সাথে করতে চাই এবং জাতীয় অর্থনীতি পুনর্গঠনে একই সাথে দেশকে ও জাতিকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি আরো বলেন, আধুনিক প্রযুক্তির যুগে মোবাইল, ই-মেইল, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারের কারণে চিঠি লেখার ও তা প্রেরণের কাজ কমে এসেছে, তবুও চিঠির আবেদন ও আবেগ এখনও আছে। ডাক বিভাগের অতীত ঐতিহ্য ও ঐতিহাসিক ভূমিকা তুলে ধরেন এবং মানুষে মানুষে বাস্তব যোগাযোগ স্থাপনে ডাক সেবার গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দেন।
দিনব্যাপী আয়োজিত চিঠি উৎসবে বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থাপিত অস্থায়ী বুথে শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী-শিক্ষার্থীদেরকে বাংলাদেশ ডাক বিভাগের বিভিন্ন সেবা (ডাকমাশূল, দেশে-বিদেশে ইএমএস সার্ভিস, লেটার পোস্ট সার্ভিস, এয়ার পার্সেল সার্ভিস, স্পীড পোস্ট, ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফার সার্ভিস-ইএমটিএস, চিঠি ও পণ্যের ট্র্যাকিং সুবিধা) সম্পর্কে প্রচার এবং সেবা সর্ম্পকিত লিফলেট বিতরণ করা হয়।
উল্লেখ্য যে, প্রতিবছর ৯ অক্টোবর বিশ্ব ডাক দিবস পালিত হয় এবং দিবসটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ডাক সেবার গুরুত্ব তুলে ধরে নানা কর্মসূচী পালন করে থাকে।





নানিয়ারচর সেনা জোন এর পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ
মিরসরাই প্রেস ক্লাবের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা
রাঙামাটিতে মহালয়া উপলক্ষে “বোধনের প্রহর” সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
মারিশ্যাতে ২৭ বিজিবি টহলদল অবৈধভাবে পাচারকালে সেগুন কাঠ উদ্ধার
১১ মাসে কুরআন হিফজ সম্পন্ন করলো ৮ বছরের মুগ্ধ
দূর্গম পাহাড়ে শিশুদের মাঝে শিক্ষা-সামগ্রী বিতরণ