শিরোনাম:
●   নওগাঁয় ব্ররুপেনোরফিন ইঞ্জেকশনসহ ৩মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ●   নতুন প্রতিষ্ঠিত ভাইবোনছড়া কলেজ এর বার্ষিক পুরস্কার বিতরণ ●   খরস্রোতা করতোয়া নদের বুক চিঁরে রোপন হচ্ছে বোরোসহ নানা ফসল ●   কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে কপিরাইট আইনে মামলা ●   কালীগঞ্জ পৌরসভা মেয়র পদে স্বতন্ত্র প্রার্থীর মা-স্ত্রীর উপর হামলা চালিয়েছে নৌকার সমর্থকরা ●   ফাল্গুনের শুরুতেই রাউজানে শিলা বৃষ্টি ●   রাঙামাটি জেলা পরিষদ সদস্য সবির কুমার চাকমার পদত্যাগপত্র দাখিল ●   নৈশপ্রহরী হারুণ সরদার হত্যার ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামি গ্রেফতার ●   নওগাঁকে আধুনিক মানের শহর গড়ে তোলার জন্য জেলার সকল কর্মকর্তাদের এক সঙ্গে কাজ করতে হবে : খাদ্যমন্ত্রী ●   পুঠিয়ায় শিলা বৃষ্টিতে ফসলেন ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ●   কালীগঞ্জে এফএও প্রতিনিধিদের নিরাপদ সবজির ক্ষেত পরিদর্শন ●   স্বামী ঘর ছেড়ে পালানো গৃহবধুকে নিয়ে মা উপস্থিত হলেন থানায় ●   ভারতের প্রথম জাতি-ধর্মহীন নাগরিকের স্বীকৃতি পেল স্নেহা ●   সাবেক এমপি বদির ৩ ভাই, ভাগিনা, ফুফাতো ভাইসহ ১০২ ইয়াবা কারবারীর আত্মসমর্পণ ●   লামায় চেয়ারম্যান প্রার্থী ইসমাইল এর জানাজায় হাজা‌রো মানুষের ঢল ●   আত্রাইয়ে প্রচারনায় ব্যস্ত এবাদুর রহমান ●   গাইবান্ধায় রামসাগর এক্সপ্রেসে চালুর দাবিতে রেলওয়ে ষ্টেশনে অবস্থান কর্মসূচী ●   চলনবিলে ধান ও চালের বাজারে অসংগতির ফলে ব্যবসায় স্থবিরতা : ৭০ শতাংশ মিল চাতাল বন্ধ ●   খাগড়াছড়িতে আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে মানববন্ধন ●   আমেরিকান নাগরিকদের পাকিস্থান থেকে দেশে ফেরার নির্দেশ দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন ●   ভারত সরকার পাকিস্থানের বিরুদ্ধে একশন শুরু করে দিয়েছে ●   আখেরী মোনাজাতের মধ্য দিয়ে পাকশীতে ৮৯ তম ওয়াজ মাহফিল সমপন্ন ●   নাইক্ষ্যংছ‌ড়ি‌তে ১১ বি‌জি‌বি’র অ‌ভিযা‌নে ৪ লক্ষ ৪০‌ হাজার ইয়াবা উদ্ধার ●   ঝিনাইদহে ফেনসিডিলসহ ভুয়া সাংবাদিক গ্রেফতার ●   খাটের নিচে পাতিলের ভেতর শিশুর লাশ : ঘাতক পিতা পলাতক ●   স্মৃতির অতলে হারিয়ে যেতে বসেছে শহীদ মিনার ●   বান্দরবা‌নে ভয়াবহ আগুনে বসতবা‌ড়িসহ আইস ফ্যাক্ট‌রি ভস্মীভূত ●   শ্বাশুরী হত্যায় ঘাতক পুত্রবধু আটক ●   বাঘার ইউএনওর ফোন নাম্বর ক্লোন করে চাঁদা দাবি ●   লামায় ঘাতক টমটম কে‌ড়ে নিল মাদ্রাসা ছাত্রের প্রাণ
রাঙামাটি, সোমবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৯, ৬ ফাল্গুন ১৪২৫


CHT Media24.com অবসান হোক বৈষম্যের
শনিবার ● ৫ মে ২০১৮
প্রথম পাতা » উপ সম্পাদকীয় » কক্সবাজারের নীল জল নীল আকাশ দেখে এসে
প্রথম পাতা » উপ সম্পাদকীয় » কক্সবাজারের নীল জল নীল আকাশ দেখে এসে
৫৬৪ বার পঠিত
শনিবার ● ৫ মে ২০১৮
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

কক্সবাজারের নীল জল নীল আকাশ দেখে এসে

---কক্সবাজার ঘুরে এসে রাহুল রাজ :: ‘আমি শুনেছি সেদিন তুমি সাগরের জলে ভিজে, নীল জল দিগন্ত ছুঁয়ে এসেছো…’ মৌসুমি ভৌমিকের এই গানের কথা মনে পড়ে যায় কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকতে আসার সাথে সাথেই। দু চোখ যতদূরে যায় শুধু নীল জলরাশি। হাজার দূরত্ব পাড়ি দিয়ে লোনা জলের ঢেউ গুলো পাড়ে আছড়ে পড়ার দৃশ্যে পাষাণ হৃদয়ও মুগ্ধ হবে। বালুকাময় ১২০ কিলোমিটারের এই সমুদ্র দেখে বুঝতে আর বাকি থাকল না কেন এই সমুদ্রকে পৃথিবীর দীর্ঘ সমুদ্র সৈকত বলা হয়।

চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারের দূরত্ব ১৫৯ কি.মি। পাহাড়ি রাস্তার এই পথ পাড়ি দিতে সময় লাগে প্রায় ৪ ঘণ্টা। পাহাড়, সাগর, দ্বীপ, নদী ও সমতল ভূমির এক অনন্য মিলন মোহনা কক্সবাজার। স্বাস্থ্যকর স্থান কক্সবাজার জেলার উত্তরে চট্টগ্রাম পূর্বে বান্দরবান ও বাংলাদেশ-মায়ানমার সীমানা বিভক্তকারী নাফ নদী এবং দক্ষিণ-পশ্চিমে বঙ্গোপসাগর। নয়নআভিরাম এ জেলার আয়তন ২৪৯১.৮৬ বর্গ কি.মি.।

দীর্ঘ সমুদ্র সৈকত, ভৌগোলিক অবস্থান ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের কল্যাণে কক্সবাজার বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্রে হিসাবে পরিণত হয়েছে। এ জেলার বঙ্গবন্ধু সাফারী পার্ক, নয়নাভিরাম প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন, সোনাদিয়া দ্বীপ, দেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ মহেশখালী, কুতুবদিয়া দ্বীপ, রম্যভূমি রামু, রামু লামার পাড়া বৌদ্ধ ক্যাঙ, কলাতলী, ইনানী সমুদ্র সৈকত, হিম-ছড়ির ঝরনা, বৌদ্ধ মন্দির, ইতিহাস খ্যাত কানা-রাজার গুহা, রাখাইন পল্লীদেশ-বিদেশের ভ্রমণ পিপাসু পর্যটককে আকৃষ্ট করে।

বালুর উপর দিয়ে হাটতে এই জেলার নাম করণের কারণ অনুসন্ধানে জানা যায়, এই জেলা ককসবাজার প্যানেওয়া ’ নামেও পরিচিতি ছিল। যার সাহিত্যিক নাম ‘হলুদ ফুল’। এর অপর একটি উল্লেখযোগ্য নাম হলো পালংকি। আধুনিক ককসবাজারের নামকরণ করা হয়েছে প্রখ্যাত বিট্রিশ নৌ-অফিসার ক্যাপ্টেন হিরাম কক্স এর নামানুসারে। যিনি একজন ব্রিটিশ ইন্ডিয়ার আর্মি অফিসার ছিলেন। তিনি ১৭৯৮ সালে মৃত বরণ করেন।
---
জেলার নাম করণের কারণ জানার পর দৃষ্টি কাড়ে সমুদ্রকে কেন্দ্র করে এখানকার হাজার মানুষের নিত্য দিনের জীবিকা নির্বাহরে উপায়। কেউবা আধুনিক ক্যামেরা নিয়ে আগ্রহের সাথে বলছে, ছবি তুলবেন? এই স্মৃতিকে আপনি সাথে নিয়ে যেতে পারবেন। লক্ষ্য করলাম পর্যটকেরা অনেকেই এই সব সৌখিন আলোক চিত্রদের ক্যামেরা বন্ধী হচ্ছেন। কিছু সময়ের ভিতরে ছবি প্রিন্ট করে তুলে দেওয়া হচ্ছে পর্যটকের হাতে। ঘোড়া বা বালু বাইক নিয়ে অনেকেই সমুদ্রের পাড় দিয়ে ছুটে চলেছেন। কেউ ব্যস্ত সমুদ্রের নীল জলে স্পিড বোড ভাসাতে। ছোট ছোট ছেলে মেয়েরা সমুদ্রের ঝিনুক কুড়িয়ে তৈরি করেছে বিভিন্ন গহনা, গৃহ সাজাবার জিনিস। পাড়ে বসে সমুদ্রের সতেজ বাতাস সেবনের জন্য রয়েছে ঘণ্টা হিসাবে সৌখিন কেদারা সেখানে মাথা রাখতেই ছোট ছেলেদের দল ছুটে এসে শরীর ম্যাসাজ করে দিতে চাইবে। ঘণ্টা হিসাবে সেই ম্যাসাজে আপনার ক্লান্তি নিমেষেই দূর হয়ে যাবে। আব্দুর কাদের নামের এক কিশোর জানান, শরীর ম্যাসাজ করে দিনে পাঁচ শত থেকে হাজার টাকা পর্যন্ত আয় হয়। মূলত পর্যটক মৌসুমেই এখানকার স্থানীয় ছেলে- মেয়েরা এই কর্মে নিজেদের নিয়োজিত করে।
সমুদ্রের জলে গোসলের পর টাকার বিনিময়ে পোশাক পরিবর্তনের জন্য রয়েছে বিভিন্ন চেঞ্জিং রুম। পর্যটনদের আকর্ষণ করতে রয়েছে বার্মিজ বাজার। মূলত বার্মা থেকে আনা পণ্যের মিলনের জন্য এই বাজারের নাম বার্মিজ বাজার। সমুদ্রের পাড়ে যাবার রাস্তার দু’পাশে গড়ে উঠেছে অনেক রকমারি খাবারের দোকান। যেখানে, নানান আকারের সামুদ্রিক চিংড়ি, কাকঁড়া, নানা ধরনের মাছ থেকে শুরু করে অক্টোপাস পর্যন্ত খাওয়ার ব্যবস্থা আছে। পঞ্চাশ টাকা থেকে শুরু করে হাজার টাকা পর্যন্ত খাবারের মেনু রয়েছে এখানে। পছন্দ মত খাবার মুহুর্তেই সামনে হাজির করে আপানর রসনাবিলাসী মনকে মাতিয়ে তুলবে। সমুদ্র দেখার পাশাপাশি সমুদ্রের তলদেশ দেখার কৌতুহল থাকলে ঝাউতালার রেডিয়েন্ট ফিস ওয়ার্ল্ড দেখে আসতে পারেন।
বাংলাদেশে প্রথমবারের মত সামুদ্রিক মাছের এ্যাকুরিয়াম শো তৈরির মধ্য দিয়ে সমুদ্রের তলদেশের বৈচিত্র্য তুলে ধরা হয়েছে এখানে। মাথাপিছু তিনশত টাকা প্রদানে পর্যটকেরা সমুদ্রের তলদেশের দৃশ্য দেখার সুযোগ পাচ্ছে।
সমুদ্রকে কেন্দ্র করে এখানে গড়ে উঠেছে অগণিত হোটেল, মোটেল, গেষ্টহাউজ ও নিবাস কেন্দ্র। এই সমুদ্রকে কেন্দ্র করে এখানে প্রতিদিন আসছে হাজারও পর্যটক এবং এই সব দর্শকের মাধ্যমেই জীবিকানিবহ করছে হাজারো মানুষ।
---
জেলা প্রশাসকের সাথে কথা বলে জানা যায়, ককসবাজারের ইতিহাস মুঘল আমরে শুরু হয়েছে। বর্তমান ককসবাজারের পাশ দিয়ে মুঘল শাসন কর্তা শাহ সুজা আরাকান প্রদেশে যাওয়ার পথে এ অঞ্চলের পাহাড় ও সাগরের মিলিত সৌন্দর্য অবলোকন করে মুগ্ধ হয়ে যান। তিনি তার সেনা-সামন্তকে এখানে ঘাঁটি করতে বলেন। সঙ্গে সঙ্গে তাঁর সেনা বহরের এক হাজার পালকি (ঢুলি) এখানে অবস্থান নেয়। এক হাজার ঢুলি (পালকি) এর নাম এর নামকরণও হয় ডুলাহাজারা যা বর্তমানে চকরিয়া উপজেলার একটি ইউনিয়ন। মুঘল আমলের পরবর্তীতে এ অঞ্চল টিপরা এবং আরাকানদের দখলে চলে যায়। তারপর পর্তুগীজ’রা কিছু সময় এ অঞ্চলে শাসন করে। অত:পর ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানির ক্যাপ্টেন হিরাম ককসকে এ অঞ্চলের দায়িত্ব-ভার দেয়া হয়।
তিনি এখানে একটি বাজার প্রতিষ্ঠা করেন। যা ‘ককস সাহেবের বাজার’ এবং পরবর্তীতে ককসবাজার নামে পরিচিত পায়। ১৮৫৪ সালে ককসবাজার মহকুমায় পরিণত হয়। ব্রিটিশ শাসন-পরবর্তীতে ককসবাজার পূর্ব-পাকিস্থানের অংশ হয়। ক্যাপ্টেন এ্যাডভোকেট ফজলুর করিম ককসবাজার পৌরসভার প্রথম চেয়ারম্যান হন এবং সাগর সৈকতের পাশ দিয়ে বনায়নের সূচনা করেন যা কিনা পর্যটনের বিকাশ ও সাগরের জোয়ারের হাত থেকে ককসবাজার কে রক্ষায় ভূমিকা রাখে। তিনি পাবলিক লাইব্রেরি ও টাউন হল স্থাপন করেন। অবশেষে ১৯৮৪ সালে ককসবাজার মহুকুমা ককসবাজার জেলায় উন্নীত হয়। বর্তমানে ককসবাজার বাংলাদেশের প্রধান পর্যটন কেন্দ্রে সারা বিশ্বে পরিচিতি লাভ করছে।

এই জেলায় ৮ টি উপজেলা, ৭১ টি ইউনিয়ান, ৯৯২ টি গ্রাম, ৫ টি পৌরসভা, ৮ টি থানা এবং ১৮৮ টি মৌজা রয়েছে।

সমুদ্রের পাড়েই রয়েছে পর্যটক পুলিশ। কক্সবাজারে আগত পর্যটকদের নিরাপত্তরার জন্য তাদের রয়েছে বিশেষ পদক্ষেপ। দেশি পর্যটকদের সাথে বিদেশি পর্যটকেরাও নির্বিঘেœ বিশ্বের সবচেয়ে বড় সমুদ্র সৈকতে ভ্রমণ করে ক্লান্তি থেকে অবসর নিতে ব্যস্ত থাকে।

অনেক স্থানে সমুদ্রের পাড় দখল করে গড়ে উঠছে অবৈধ হোটেল এবং অনমুদিত আবাসিক প্রকল্প। যাতে একদিকে এই দীর্ঘ সমুদ্রের সৌন্দর্য ক্ষতি হচ্ছে অন্য দিকে অনেক মানুষ এইসব আবাসিক প্রকল্পে প্রতারিত হচ্ছে।
বিশ্বের উন্নত দেশের সমুদ্র সৈকতের অনুরূপ সুযোগ সুবিধা কক্সবাজারে সৃষ্টি করতে পারলে অচিরেই বাংলাদেশের পর্যটক শিল্প বিপ্লব আসবে বলে ধারণা অনেক বিশেষজ্ঞরা।



উপ সম্পাদকীয় এর আরও খবর

নৌকায় গাওয়া ‘ভাটি’ অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী লোক-সঙ্গীত ভাটিয়ালি গান নৌকায় গাওয়া ‘ভাটি’ অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী লোক-সঙ্গীত ভাটিয়ালি গান
শিশুদের মনস্তাত্ত্বিক ভিত্তি পর্যবেক্ষেণেই কর্মমুখী শিক্ষার প্রয়োজন শিশুদের মনস্তাত্ত্বিক ভিত্তি পর্যবেক্ষেণেই কর্মমুখী শিক্ষার প্রয়োজন
দুর্নীতিরোধেই সরকারের অবস্থান জিরো টলারেন্স দুর্নীতিরোধেই সরকারের অবস্থান জিরো টলারেন্স
জ্ঞান অন্বেষণে বই বিতরণ উৎসবের কোনো বিকল্প নেই জ্ঞান অন্বেষণে বই বিতরণ উৎসবের কোনো বিকল্প নেই
স্বাধীন বাংলাদেশের অহংকার স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র স্বাধীন বাংলাদেশের অহংকার স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র
বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা ও চিকিৎসা খাতে উন্নয়ন বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা ও চিকিৎসা খাতে উন্নয়ন
সরকারের দীর্ঘ সময়েই শিক্ষা উন্নয়নের বাস্তবায়ন ও পরিকল্পনা সরকারের দীর্ঘ সময়েই শিক্ষা উন্নয়নের বাস্তবায়ন ও পরিকল্পনা
হেমন্তের পরেই বৈচিত্র্যপূর্ণ শীতঋতু : গ্রামেও এখন প্রাণোচ্ছলতার আয়োজন খেজুর রস হেমন্তের পরেই বৈচিত্র্যপূর্ণ শীতঋতু : গ্রামেও এখন প্রাণোচ্ছলতার আয়োজন খেজুর রস
পার্বত্য অঞ্চলে বাঙালিরাই বৈষম্যের স্বীকার পার্বত্য অঞ্চলে বাঙালিরাই বৈষম্যের স্বীকার
পরিবেশ সুরক্ষা ও নান্দনিক পরিবেশ বাস্তবায়িত হলেই আর্থ-সমাজিকের অগ্রগতি পরিবেশ সুরক্ষা ও নান্দনিক পরিবেশ বাস্তবায়িত হলেই আর্থ-সমাজিকের অগ্রগতি

আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)