শিরোনাম:
●   চট্টগ্রামে ফটো সাংবাদিক মনোয়ার হোসেনের শোকসভা অনুষ্ঠিত ●   ছোটহরিণায় ৩৪০ পিস ইয়াবাসহ ৬০ বোতল ভারতীয় হুইস্কি উদ্ধার করেছে ১২ বিজিবি ●   খাগড়াছড়ি শহরে দুর্বৃত্তের গুলিতে তুষার চাকমা নামের এক ব্যক্তি নিহত ●   চাটমোহরে চেয়ারম্যান পদে আ’লীগের তিন বিদ্রোহী প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিলেন ●   আত্রাইয়ে ১৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল ●   বেলছড়ি ইউপি সদস্যের পদ ছাড়লেন রুজিনা ●   নবীগঞ্জে নাগরিক সংলাপ অনুষ্ঠিত ●   নারায়ণগঞ্জ সিটি মেয়র আইভী’র নির্দেশে আধুনিকায়ন হলো বন্দর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ●   বিশ্বনাথের ১০টি খাল উদ্ধারের দাবিতে সিলেটে মানববন্ধন ●   ঘিওর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে রবিউল আলম প্রধান আলোচনার শীর্ষে ●   রাউজানে যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার ●   গাইবান্ধায় শিক্ষক-কর্মচারীদের মানববন্ধন ●   রাজশাহীতে স্বামীকে বেঁধে রেখে বৃদ্ধাকে ধর্ষণ ●   বিশ্বনাথ উপজেলায় ৩ পদে ২২ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল ●   বরিশালে শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডাস্টবিনে ২২ নবজাতকের মরদেহ ●   দুজন আতঙ্কবাদীকে মেরে ফেলেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী ●   রাউজান-রাঙ্গুনিয়া উপজেলার সীমান্তবতী এলাকায় মাদক ব্যাবসায়ীদের আস্তানায় ছাত্রলীগের অভিযান ●   বান্দ‌রবা‌নে ম‌নোনয়ন পত্র জমা‌দি‌লেন আ’লীগ প্রার্থী জাহাঙ্গীর ●   উপজেলা নির্বাচন : আত্রাইয়ে ১৪ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল ●   আদালতে ঘাতক বাবার জবানবন্দি : পরকীয়ায় আসক্ত স্ত্রীকে শাস্তি দিতে সন্তান খুন ●   রাজশাহীর মেডিকেল বর্জ্য সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত ●   গাইবান্ধায় জামায়াত মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী আখ্যায়িত করে ৪ নেতাকর্মীর পদত্যাগ ●   পটুয়াখালীতে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত-১ : আহত-২৫ ●   হাসপাতালে চোরের উপদ্রব : রোগিরা পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে ●   নওগাঁয় ব্ররুপেনোরফিন ইঞ্জেকশনসহ ৩মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ●   নতুন প্রতিষ্ঠিত ভাইবোনছড়া কলেজ এর বার্ষিক পুরস্কার বিতরণ ●   খরস্রোতা করতোয়া নদের বুক চিঁরে রোপন হচ্ছে বোরোসহ নানা ফসল ●   কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে কপিরাইট আইনে মামলা ●   কালীগঞ্জ পৌরসভা মেয়র পদে স্বতন্ত্র প্রার্থীর মা-স্ত্রীর উপর হামলা চালিয়েছে নৌকার সমর্থকরা ●   ফাল্গুনের শুরুতেই রাউজানে শিলা বৃষ্টি
রাঙামাটি, বুধবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০১৯, ৮ ফাল্গুন ১৪২৫


CHT Media24.com অবসান হোক বৈষম্যের
বুধবার ● ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮
প্রথম পাতা » আন্তর্জাতিক » নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে আ’লীগ লজ্জাজনক সংখ্যালঘুতে পরিণত হবে : ভারতীয় সাবেক সচিব
প্রথম পাতা » আন্তর্জাতিক » নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে আ’লীগ লজ্জাজনক সংখ্যালঘুতে পরিণত হবে : ভারতীয় সাবেক সচিব
২১৫ বার পঠিত
বুধবার ● ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে আ’লীগ লজ্জাজনক সংখ্যালঘুতে পরিণত হবে : ভারতীয় সাবেক সচিব

---অনলাইন ডেস্ক :: মাছুম বিল্লাহ : বাংলাদেশে ভারতের সাবেক হাইকমিশনার পিনাক রঞ্জন চক্রবর্তী দক্ষিণ এশিয়া ভিত্তিক একটি পত্রিকায় লিখেছেন, ক্রমেই এমন অভিমত জোরালো হচ্ছে যে, নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষ হলে আওয়ামী লীগ আগামী সংসদ নির্বাচনে লজ্জাজনক সংখ্যালঘুতে পরিণত হবে। অনেক সমালোচক বিশ্বাস করেন, হাসিনা সরকার নির্বাচন ‘ম্যানেজ’ করবে। দক্ষিণ এশিয়ায় একে বলা হয় ‘নির্বাচনী জালিয়াতি’।

ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব ও বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশনার ২০০৭-২০০৯ ও ডেপুটি হাই কমিশনার ১৯৯৯-২০০২ দায়িত্ব পালন করা এই কুটনৈতিক সাউথ এশিয়ান মনিটরে লোখা কলামে তিনি বাংলাদেশে আগামী নির্বাচন ও রাজনৈতিক দলগুলো নিয়ে বিশ্লেষণ করেছেন।

তিনি লিখেছেন, হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগের মধ্যে রয়েছে স্বৈরতান্ত্রিক শাসন, বিরোধী দলকে দলন ও ব্যাপক দুর্নীতি। নির্বাচনী প্রচারণায় এসব ইস্যু ও ভারত ফ্যাক্টর প্রাধান্য পাবে। রাজনৈতিক বিরোধীদের অব্যাহতভাবে হয়রানি করার ফলে জনগণের বিভিন্ন অংশের মধ্যে নীরব ক্ষোভ বেড়েই চলেছে এবং ব্যাপকভাবে এই ধারণার সৃষ্টি করেছে যে আওয়ামী লীগ সরকার পরিকল্পিতভাবে গণতান্ত্রিক রীতিনীতি ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করছে। ক্রমেই এমন অভিমত জোরালো হচ্ছে যে, নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষ হলে আওয়ামী লীগ আগামী সংসদ নির্বাচনে লজ্জাজনক সংখ্যালঘুতে পরিণত হবে। অনেক সমালোচক বিশ্বাস করেন, হাসিনা সরকার নির্বাচন ‘ম্যানেজ’ করবে। দক্ষিণ এশিয়ায় একে বলা হয় ‘নির্বাচনী জালিয়াতি’।

তিনি লিখেছেন, সরকারি চাকরির কোটার মতো ঘরোয়া ইস্যু এবং ঢাকার অবাধ্য ও বিশৃঙ্খল যানবাহন নিয়ন্ত্রণ প্রশ্নে শিক্ষার্থীদের ক্রমেই শক্তিশালী হয়ে ওঠা আন্দোলন অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করার ক্ষমতা রাখে। বিভিন্ন ইস্যুতে হাসিনার সরকারের ছন্দপতন ঘটেছে, যথাযথভাবে পরিস্থিতি সামাল দিতে পারেনি। এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ হলো ঢাকার অবাধ্য যানবাহন চালকদের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ। এসব চালক দুর্নীতিবাজ মন্ত্রী ও ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের কাছ থেকে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা পেয়ে থাকে। দুই ছাত্রের মৃত্যুর ফলে দেশব্যাপী ছাত্রদের ক্রোধ উষ্কে দেয়া ও এই ইস্যুতে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নস্যাতের অভিযোগে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন এক ফটোগ্রাফারকে গ্রেফতার ছিল বেপরোয়া সিদ্ধান্ত। এটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি করে। কিন্তু শেখ হাসিনা কোনো ধরনের নমনীয়তা প্রদর্শন করেননি।

সমালোচকেরা অভিযোগ করছেন যে প্রতিটি জাতীয় প্রতিষ্ঠানের সাথে আপস করে সেগুলো দলের প্রতি সহানুভূতিশীলদের দিয়ে বোঝাই করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে কথিত জাতীয় অভিযানটি ‘গুলি করে হত্যার’ নীতিতে পর্যবেশিত হয় বলে মানবাধিকার অ্যাক্টিভিস্টরা জানিয়েছেন। এতে অনেক নিরপরাধ মারা যায়। হিন্দু সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্য সুপ্রিম কোর্টের সাবেক এক প্রধান বিচারপতি সরকারের সাথে বিবাদে জড়িয়ে পদত্যাগ করতে ও বিদেশে নির্বাসনে যেতে বাধ্য হন। সাধারণভাবে আওয়ামী লীগের প্রতি সমর্থনসূচক থাকা হিন্দু সংখ্যালঘুরাও ক্ষুব্ধ, কারণ আওয়ামী লীগ নেতারা দায়মুক্তির সাথে হিন্দু সম্পত্তি জবরদখল করেছে। আওয়ামী লীগ নেতারা মনে করেন, আওয়ামী লীগকে সমর্থন করা ছাড়া ভারতের কাছে আর কোনো বিকল্প নেই এবং হিন্দু সংখ্যালঘুদের হয়রানি ও বৈষম্য করা হলেও কিছু বলবে না।

তিনি আরও লিখেছেন, প্রধান বিরোধী দল বিএনপি’র চেয়ারম্যান, দু’বারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দুর্নীতির অভিযোগে জেলে যাওয়ায় দলটি বিশৃঙ্খল হয়ে পড়েছে। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক জিয়া লন্ডনে প্রবাসী। কয়েকটি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হওয়ায় তিনি দেশে ফিরতে পারছেন না। দেশে ফিরলে তাকে বেশ কয়েক বছর কারাগারে থাকতে হতে পারে। তবে দেয়াল পিঠ ঠেকে যাওয়ায় দেশজুড়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি গ্রহণ করতে পারে বিএনপি। এতে করে সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ করার মতো পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। এমনটা হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকলেও তা বিএনপির দাবি- ক্ষমতাসীনরা বাদে অন্য যেকেউ নির্বাচন আয়োজনের দায়িত্বে আসুক-পূরণ করতে পারে। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আস্থার অভাব বিপুল ও তাদের একমতে পৌঁছা অসম্ভব। বিরোধীদের সাথে কোনো ধরনের সংলাপে অনীহার কথা বারবার জোর দিয়ে বলছেন হাসিনা।

কলামে পিনাক রঞ্জন চক্রবর্তী লিখেছেন, তারেক রহমানের সমর্থনপুষ্ট মধ্যপন্থী বিএনপি নেতারা ভারতের সাথে যোগাযোগ করেছেন। ক্ষমতাসীন সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে উৎসাহ দিয়েছেন তারেক। কয়েক দিনের মধ্যেই আদালত ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় দিবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এতে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান উভয়কেই মৃত্যুদ- দেওয়া হতে পারে। তা ঘটলে বাংলাদেশ নিশ্চিতভাবেই ব্যাপক বিক্ষোভে ফেটে পড়বে। হাসিনা যদিও সামরিক বাহিনীর পরিচর্যায় খুবই যতœবান, এর নেতৃত্ব বাছাই করেন যত্নের সাথে, কিন্তু তবুও সামরিক হস্তক্ষেপের বিপদ সবসময়ই ওঁত পেতে থাকে।

বিএনপির প্রবীণ নেতারা তারেককে অপছন্দ করেন, তারা নেতা হিসেবে খালেদাকেই অগ্রাধিকার দেবেন। বিএনপির মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা রয়েছে, এমন গুঞ্জনও রয়েছে যে ভাঙনের মাধ্যমে নতুন দলের আবির্ভাব ঘটতে পারে। সম্ভাব্য ভাঙনে আওয়ামী লীগের হাত আছে বলেও গুঞ্জন রয়েছে। বিএনপির নির্বাচনী প্লাটফর্মের মধ্যে রয়েছে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন আয়োজনের দাবি। দলটি অভিযোগ করছে, আওয়ামী লীগ সরকার নির্বাচন কমিশন ও বিচার বিভাগকে অবদমিত করে রেখেছে। ভোট জালিয়াতি ও কারচুপির উদ্বেগ প্রশমন করতে হাসিনা ২০১৩ সালে বিএনপির নেতাদের অন্তর্ভুক্ত করে নির্বাচনকালীন সরকার গঠনের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। বিএনপি প্রস্তাবটি গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে জোর দিয়ে বলেছিল যে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে হাসিনাকে অবশ্যই পদত্যাগ করতে হবে, সবার কাছে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের হাতে সরকারের দায়িত্ব হস্তান্তর করতে হবে।

তিনি লিখেছেন, বাংলাদেশ ও ভারতে যথাক্রমে ২০১৮ ও ২০১৯ সালে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ফলে বিএনপি’র হাসিনাকে ভারতের প্রতি অতিরিক্ত নতজানু দেখানোর সম্ভাবনা থাকায় ভারত ফ্যাক্টর হবে বিপুল। প্রধান সমালোচনা হবে, হাসিনা ভারতকে খুব বেশি ছাড় দিয়েছেন, কিন্তু বিনিময়ে পেয়েছেন অতি সামান্য। আসামের জাতীয় নাগরিক নিবন্ধন (এনআরসি) প্রকাশের ফলে ইস্যুটি ভারতে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ফলে দীর্ঘ দিন ঝুলে থাকা অবৈধ অভিবাসী ইস্যুটি বাংলাদেশকে অব্যাহতভাবে উদ্বিগ্ন করবে। বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে এনআরসি থেকে সৃষ্ট অনিবার্য প্রভাব থেকে সুরক্ষিত রাখতে হবে। নদীর পানিবণ্টন এখনো দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেলেও তা কাটিয়ে ওঠা যাবে না এমন নয়।

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক পূর্ণ বিকশিত পর্যায়ে উপনীত হয়েছে এবং পরিকাঠামোর আরো একীভূতকরণ, সীমান্ত বাণিজ্য কেন্দ্র আরো আধুনিকায়ন, মটরযান চুক্তি, দ্বিপক্ষীয় চুক্তি ভবিষ্যতে আরো জোরালো হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ঢাকায় যে দলই ক্ষমতায় আসুক না কেন ভারত তার সাথে কাজ করবে। তাই বলে কোন হাসিনা-বিরোধীকে ভারত বিকল্প মনে করছে, এমনকিছু ভাবা হবে কষ্টকর কল্পনা। অবশ্য, হাসিনার স্বৈরতান্ত্রিক প্রবণতা ও তার প্রতি ভারতের সমর্থন অনিবার্য মনে করাটা ভারতের স্বার্থের অনুকূল নয়- ভারতের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে ক্রমেই এমন অনুভূতিও জোরালো হচ্ছে। সূত্র:আমাদের সময়.কম



আন্তর্জাতিক এর আরও খবর

দুজন আতঙ্কবাদীকে মেরে ফেলেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী দুজন আতঙ্কবাদীকে মেরে ফেলেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী
ভারতের প্রথম জাতি-ধর্মহীন নাগরিকের স্বীকৃতি পেল স্নেহা ভারতের প্রথম জাতি-ধর্মহীন নাগরিকের স্বীকৃতি পেল স্নেহা
আমেরিকান নাগরিকদের পাকিস্থান থেকে দেশে ফেরার নির্দেশ দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন আমেরিকান নাগরিকদের পাকিস্থান থেকে দেশে ফেরার নির্দেশ দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন
ভারত সরকার পাকিস্থানের বিরুদ্ধে একশন শুরু করে দিয়েছে ভারত সরকার পাকিস্থানের বিরুদ্ধে একশন শুরু করে দিয়েছে
বাংলাদেশের ইলিশ চুরি করতে বিশেষ করিডোর তৈরি করেছে ভারত বাংলাদেশের ইলিশ চুরি করতে বিশেষ করিডোর তৈরি করেছে ভারত
ভারতের কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে ভারতের কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে
আরব আমিরাতের সিভিল ডিফেন্স থেকে সম্মাননা পেলেন বাংলাদেশের ফারুক আরব আমিরাতের সিভিল ডিফেন্স থেকে সম্মাননা পেলেন বাংলাদেশের ফারুক
বিকেএসপিতে এশিয়ান অনূর্ধ্ব-১৪ টেনিস প্রতিযোগিতা উদ্বোধন বিকেএসপিতে এশিয়ান অনূর্ধ্ব-১৪ টেনিস প্রতিযোগিতা উদ্বোধন
শক্তিশালী হচ্ছে ঘূর্ণাবর্ত : পশ্চিমবঙ্গে সতর্কতা জারি শক্তিশালী হচ্ছে ঘূর্ণাবর্ত : পশ্চিমবঙ্গে সতর্কতা জারি
ভারতে চলন্ত ট্রেনের নীচে পড়ে অন্তত নিহত -৫০ ভারতে চলন্ত ট্রেনের নীচে পড়ে অন্তত নিহত -৫০

আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)