শিরোনাম:
●   স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রকে নিবন্ধনের দায়িত্ব প্রদানের তাগিদ ●   চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামে ভারী বর্ষণে জনদুর্ভোগে প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলালের দুঃখ প্রকাশ ●   খাগড়াছড়িতে ইউপিডিএফ-পিসিজেএসএসের গোলাগুলিতে নিহত -৩ ●   সাভারে এনসিপির সমাবেশে ককটেল হামলায় বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির নিন্দা ●   শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আবুল কাশেম ফজলুল হকের মৃত্যুতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির শোক ●   মিরসরাইয়ে সিএনজি অটোরিকশার সংঘর্ষে আনসার কর্মকর্তা নিহত ●   প্লাবিত নিম্নাঞ্চল; ক্ষতির মুখে আমনের বীজতলা ●   তিন পার্বত্য জেলায় বাঙালিদেরও আয়কর মওকুফের দাবী নাগরিক পরিষদের ●   পানছড়ির ঘটনা পিসিজেএসএস সন্তু গ্রুপের অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহ : ইউপিডিএফ ●   ঈশ্বরগঞ্জে রাস্তা-ড্রেন-ব্রিজের দাবিতে মানববন্ধন ●   পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের ৫১ সদস্য বিশিষ্ট লামা উপজেলা কমিটি গঠন ●   বিয়ের ছয় মাসের মাথায় আত্নহত্যা প্ররোচনায় গৃহবধূ’র মৃত্যু : স্বামী গ্রেফতার ●   আত্রাইয়ে বসতবাড়িতে চুরি: চোরাই মালসহ যুবক গ্রেপ্তার ●   রাঙ্গুনিয়ায় কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন ●   রাউজানে সড়কের উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন ●   ঝালকাঠি ২৫০ শয্যা হাসপাতাল দ্রুত চালুর দাবিতে মানববন্ধন ●   ঈশ্বরগঞ্জে ইজিবাইকের চাপায় স্কুলছাত্র অর্কের মৃত্যু ●   দুই কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা সংস্কারের অভাবে রাস্তার বেহাল দশা : জনদুর্ভোগ চরমে ●   আত্রাইয়ে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত ●   বরেণ্য চিত্রশিল্পী মূস্তাফা মনোয়ারের মৃত্যুতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি শোক ●   উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার উদ্যোগে হুইলচেয়ার পেল শিক্ষার্থী মেহেদী ●   রাবিপ্রবি’র শিক্ষার্থীদের জন্য তিনটি মিনিবাসের উদ্বোধন ●   উন্নয়ন হতে হবে টেকসই ও পরিবেশবান্ধব : চুয়েট ভিসি ●   ঈশ্বরগঞ্জে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প : চিকিৎসাসেবা পেলেন পাঁচ শতাধিক মানুষ ●   খাগড়াছড়িতে দুই সপ্তাহের ব্যবধানে ইজিবাইকের চাকার সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে নিহত-১, আহত -১ ●   দুর্নীতিমুক্ত পার্বত্য অঞ্চল গড়ে তোলার ঘোষণা পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালের ●   রাউজানে সেফটিক ট্যাংকে আটকা পড়ে ২জনের প্রাণহানী ●   ধর্ষনের নিউজ করায় সাংবাদিক রাব্বি কারাগারে ●   খাগড়াছড়িতে পৃথক ঘটনায় নিহত-২, একে-৪৭ রাইফেলসহ আটক-১ ●   চূড়ান্ত বাজেটে তামাক করকাঠামো সংস্কারের আহ্বান
রাঙামাটি, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩



CHT Media24.com অবসান হোক বৈষম্যের
রবিবার ● ১৩ নভেম্বর ২০১৬
প্রথম পাতা » জাতীয় » এখন থেকে কেইস ডায়েরি ছাড়া কাউকে আদালতে আনা হলে বিচারক তাকে মুক্তি দেবেন
প্রথম পাতা » জাতীয় » এখন থেকে কেইস ডায়েরি ছাড়া কাউকে আদালতে আনা হলে বিচারক তাকে মুক্তি দেবেন
রবিবার ● ১৩ নভেম্বর ২০১৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

এখন থেকে কেইস ডায়েরি ছাড়া কাউকে আদালতে আনা হলে বিচারক তাকে মুক্তি দেবেন

---

৫৪ ধারার রায়ে আপিল বিভাগের গাইডলাইন হিসাবে নির্দেশনা । ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার ও ১৬৭ ধারায় রিমান্ডের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ছাড়াও নিম্ন আদালতের বিচারকদের প্রতি যুগান্তকারী নির্দেশনা দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। যুগান্তকারী এই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কেইস ডায়েরি (তদন্তের দিনপঞ্জি) ছাড়া কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক ওই ব্যক্তিকে মুক্তি দেবেন।

বৃহস্পতিবার আপিল বিভাগ এই রায় প্রকাশ করে। প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা ৩৯৬ পৃষ্ঠার এই রায়টি লিখেন। এতে সাক্ষর করেন বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার। গত ২৪ মে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার ও পুলিশ রিমান্ড প্রশ্নে ১৩ বছর আগে দেওয়া হাইকোর্টের রায় বহাল রাখে আপিল বিভাগ। বহালের সাড়ে ৫ মাসের মধ্যে আপিল বিভাগ গতকাল এ সংক্রান্ত পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করল।

ম্যাজিস্ট্রেট, বিচারক এবং ট্রাইব্যুনালের জন্য গাইডলাইন

১. যদি কোন ব্যক্তিকে কোন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কার্যবিধির ১৬৭(২) ধারা মোতাবেক কেস ডায়েরি ছাড়া উপস্থাপন করেন, তবে ম্যাজিস্ট্রেট, আদালত বা ট্রাইব্যুনাল ওই ব্যক্তিকে ধারা ১৬৭ অনুযায়ী মুক্তি দিবেন। এক্ষেত্রে তার কাছ একটি বন্ড নিতে হবে।

২. যদি কোন গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে কোন সুনির্দিষ্ট মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোন কর্মকর্তা যদি কোন আবেদন করেন, যে ব্যক্তি আগে থেকেই কাস্টডিতে আছেন, ওই ব্যক্তিকে যদি মামলার ডায়েরিসহ আদালতে হাজির করা না হয় এবং গ্রেপ্তারের আবেদন যদি দৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত না হয় এবং যদি ভিত্তিহীন হয়, তবে আদালত ওই আবেদন প্রত্যাখ্যান করবেন।

৩. উপরোক্ত শর্তপূরণ সাপেক্ষে যদি কোন ব্যক্তিকে আটকের ১৫ দিনের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করা না যায়, যা ১৬৭(২) ধারা মোতাবেক এবং ওই মামলা যদি সেশন কোর্ট বা ট্রাইব্যুনালে বিচারযোগ্য হয় তবে ম্যাজিস্ট্রেট ওই অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ৩৪৪ ধারা অনুযায়ী রিমান্ডে পাঠাতে পারবেন, তবে একইসঙ্গে ১৫ দিনের বেশি নয়।

৪. ফরোয়ার্ডিং এ বর্ণিত কারণ যদি ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে সন্তোষজনক মনে হয় এবং কেস ডায়েরিতে বর্ণিত অভিযোগ অথবা তথ্য যদি দৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত হয় এবং কেস ডায়েরিতে যদি ওই ব্যক্তি আটক রাখার জন্য তথ্য থাকে, ম্যাজিস্ট্রেটে ওই ব্যক্তি আরও আটক রাখার জন্য আদেশ দিবেন, যা তিনি সঠিক মনে করেন।

৫. কোন কাজ থেকে বিরত রাখতে ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার কোন ব্যক্তিকে আটকের আবেদন বিচারক মঞ্জুর করবেন না।

৬. ১৬৭ ধারায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে কোন আদালতে হাজির করা হলে শর্তগুলো পূরণ করা হয়েছে কি-না, সেটা দেখা ম্যাজিস্ট্রেট বা বিচারকের দায়িত্ব।

৭. যদি ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে এটা বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর যে কোন সদস্য বা কর্মকর্তা যার কোন ব্যক্তিকে আইনত কারারুদ্ধ করার ক্ষমতা আছে, ওই কর্মকর্তা বা সদস্য আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কার্যক্রম করেছেন তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দণ্ড-বিধির ২২০ ধারা অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পারবেন।

৮. যখন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোন কর্মকর্তা কোন অভিযুক্ত ব্যক্তিতে রিমান্ডে বা তার কাস্টডিতে নিবেন, তখন তার দায়িত্ব হচ্ছে নির্ধারিত সময় শেষে তাকে আদালতে তাকে আদালতে হাজির করা। যদি পুলিশ রিপোর্ট বা অন্য কোনভাবে জানা যায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তি মারা গেছেন তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট মেডিকেল বোর্ডের মাধ্যমে ভিকটিমের শারীরিক পরীক্ষার নির্দেশ দিবেন, যদি দেখা যায় যে, ভিকটিমের এরই মধ্যে দাফন হয়ে গেছে সেক্ষেত্রে মৃতদহ উঠিয়ে মেডিকেল পরীক্ষার নির্দেশ দিবেন, যদি মেডিকেল বোর্ডের রিপোর্টে দেখা যায়, মৃত্যু হত্যাজনিত, তবে ম্যাজিস্ট্রেট হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইন, ২০১৩ এর ১৫ ধারা অনুযায়ী ওই কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, অথবা ওই কর্মকর্তা যার কাস্টডিতে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে তার বিরুদ্ধে অপরাধ আমলে নিবেন।

৯. যদি ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে উপাদান বা তথ্য থাকে কোন ব্যক্তি কাস্টডিতে নির্যাতন বা মৃত্যুর শিকার হয়েছেন (নির্যাতন এবং হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইন, ২০১৩ এর ধারা ২ এ বর্ণিত সংজ্ঞা অনুযায়ী) নির্যাতনের ক্ষেত্রে তিনি ভিকটিমকে নিকটস্থ চিকিৎসকের কাছে রেফার করবেন। আর মৃত্যুর ক্ষেত্রে আঘাত বা মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়ার জন্য মেডিকেল বোর্ডে রেফার করবেন। যদি মেডিকেল রিপোর্টে দেখা যায় আটক ব্যক্তিকে নির্যাতন করা হয়েছে অথবা নির্যাতনের কারণে মৃত্যু হয়েছে, এক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট ধারা ৪ ও ৫ এ মামলার জন্য অপেক্ষা না করে স্বপ্রণোদিত হয়ে ধারা ১৯০(১)(সি) অনুযায়ী অপরাধ আমলে নিবেন। এসব নির্দেশনা সার্কুলেট করতে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রারকে জেনারেলকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সূত্র :ইত্তেফাক





জাতীয় এর আরও খবর

বিএনপি আন্দোলন-সংগ্রামের শরিকদের সাথে বেঈমানী করেছে : লেবার পার্টির চেয়ারম্যান বিএনপি আন্দোলন-সংগ্রামের শরিকদের সাথে বেঈমানী করেছে : লেবার পার্টির চেয়ারম্যান
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সব কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে রিট ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সব কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে রিট
ফুসফুসের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় শক্তিশালী তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন জরুরি ফুসফুসের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় শক্তিশালী তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন জরুরি
প্রার্থীদের দলের প্রত্যয়নপত্র বাধ্যতামূলক : ভোটকেন্দ্র স্থাপনে ডিসি ও এসপিদের নেতৃত্বে জেলা কমিটি বাতিল : ইসি প্রার্থীদের দলের প্রত্যয়নপত্র বাধ্যতামূলক : ভোটকেন্দ্র স্থাপনে ডিসি ও এসপিদের নেতৃত্বে জেলা কমিটি বাতিল : ইসি
বিভক্তি বিভাজনের পথে গণঅভ্যুত্থানের অর্জন বিসর্জন দেয়া যাবেনা- সাইফুল হক বিভক্তি বিভাজনের পথে গণঅভ্যুত্থানের অর্জন বিসর্জন দেয়া যাবেনা- সাইফুল হক
পর্বতারোহী প্রকৌশলী কাওছার রূপক-কে  জাতীয় পতাকা হস্তান্তর পর্বতারোহী প্রকৌশলী কাওছার রূপক-কে জাতীয় পতাকা হস্তান্তর
জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অলাভজনক করতে পারলে নির্বাচনে ইদুর দৌড় অনেক খানি বন্ধ করা সম্ভব জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অলাভজনক করতে পারলে নির্বাচনে ইদুর দৌড় অনেক খানি বন্ধ করা সম্ভব
স্বাধীতনার ৫৩ বছরে প্রথম বার জাতীয় রাজনীতিতে জায়গা পেলেন দলিত জনগোষ্ঠীর নেতা ভীম্পাল্লী ডেভিড রাজু স্বাধীতনার ৫৩ বছরে প্রথম বার জাতীয় রাজনীতিতে জায়গা পেলেন দলিত জনগোষ্ঠীর নেতা ভীম্পাল্লী ডেভিড রাজু
পাসপোর্ট করতে আর লাগবে না পুলিশ ভেরিফিকেশন পাসপোর্ট করতে আর লাগবে না পুলিশ ভেরিফিকেশন
সেনাবাহিনী প্রধানের কুয়েত সফর সেনাবাহিনী প্রধানের কুয়েত সফর

আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)