রবিবার ● ২৫ ডিসেম্বর ২০১৬
প্রথম পাতা » প্রধান সংবাদ » বিশ্বনাথ-রশিদপুর সড়কে দুর্ভোগে এলাকাবাসী
বিশ্বনাথ-রশিদপুর সড়কে দুর্ভোগে এলাকাবাসী
মো. আবুল কাশেম, বিশ্বনাথ ( সিলেট ) প্রতিনিধি :: (১১ পৌষ ১৪২৩ বাঙলা: বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬.৫৫মি.) সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার ব্যস্ততম সড়ক হলো বিশ্বনাথ-রশিদপুর সড়ক। ওই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন তিন উপজেলার কয়েক হাজার যানবাহন চলাচল করে আসছে। ইতি মধ্যে ওই সড়কের সংস্কার কাজও করা হয়েছে। কিন্তু সড়কের দুই পাশে অবশিষ্ট কোনো জায়গা থা থাকায় শিক্ষার্থী ও জনসাধারণকে পুহাতে হচ্ছে চরম দূর্ভোগ। বিশেষ করে সড়কে পাশে অবস্থিত ইলিমপুর ও বাওনপুর গ্রামের সাধারন মানুষের পাশাপাশি বিদ্যালয়, কলেজ ও মাদরাসারগামী শিক্ষার্থীরা জীবনের ঝুকি নিয়ে প্রতিদিন সড়ক দিয়ে যাতায়াত করে আসছেন। মাঝে মাঝে ওই এলাকায় সড়ক দূর্ঘটনার কবলে অনেক পড়তে হয়েছে। ওই দুটি গ্রামের পশ্চিমে বিশ্বনাথ ডিগ্রি কলেজ, পূর্বে জনমঙ্গগল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, শেখ হাবিব উল্লাহ্ মাষ্টার দাখিল মাদরাসা ও জাগরন উচ্চ বিদ্যালয় রয়েছে। ফলে বিশ্বনাথ-রশিদপুর সড়কের ওপর দিয়ে জীবনের ঝুকি নিয়ে প্রতিদিন চলাচল করে উল্লেখিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শতশত কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। তাই এই শিক্ষার্থীদের জীবন বাঁচাতে বিশ্বনাথ রশিদপুর সড়কের যে কোনো এক পাশে অন্তত দুই হাত জায়গা মাটি ভরাট করে দিলে যেমন শিক্ষার্থীদের জীবন বাচঁবে তেমনি এলাকার মানুষের চলাচলের সুবিধা হবে বলে এলাকাবাসি মনে করেন। এতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন এলাকাবাসী।
এব্যাপারে শিক্ষাথী রাহমিনা বেগম বলেন, সড়কের দু-পাশে অতিরিক্ত জায়গা না থাকা বিদ্যালয়ে অনেক ঝুকি নিয়ে যেতে হয়।
বাস চালক সাদিক মিয়া বলেন, বিশ্বনাথ-রশিদপুর সড়কের ইলিমপুর ও বাওনপুর নামক স্থান গাড়ি নিয়ে যাওয়া মাত্রই ধীরগতিতে গাড়ি চালাতে হয়। কারণ সড়কের দুই পাশে জনসাধারণ চলাচলের তেমন কোনো জায়গা নেই।
জনমঙ্গল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি আয়না মিয়া বলেন, বিশ্বনাথ-রশিদপুর সড়কে পাশে অবস্থিত দুটি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ ও বিদ্যালয়গামী শিক্ষার্থীদের ওই সড়ক দিয়ে ঝুকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।
তরুণ সমাজসেবক শেখ ফজর রহমান বলেন, আমাদের এলাকার জনসাধারণ ও শিক্ষার্থী এই সড়কের ওপর দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। অনেক সময় সড়ক দূর্ঘটনার কবলেও এলাকার লোকজনকে পড়তে হয়। তাই সড়কের দুই পাশে মাটি ভরাট করে জনসাধারণ ও শিক্ষার্থীদের চলাচলের উপযোগী করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলে প্রতি তিনি আহবান জানান।
এলাকার মুরব্বী আবুল কালাম কছির বলেন, বিশ্বনাথ-রশিদপুর সড়কের ইলিমপুর-বাওয়ানপুর নামক স্থান জনসাধারণ চলাচলের তেমন জায়গা নেই। অনেক সময় মানুষ বাধ্য হয়ে সড়কে ওপর দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। ফলে সড়কের ওপর দিয়ে যানবাহন চলাচল করতে চালকদের হিমশিম খেতে হয়। সড়কের দুই পাশ বড় করার জন্য তিনি আহবান জানান।
বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সুহেল আহমদ চৌধুরী বলেন, এই সড়কটি সড়ক ও জনপথ বিভাগের অধীনে রয়েছে। তবে এ বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে। সড়কের দুই পাশ বড় করতে গিয়ে সকল ধরণের সহযোগিতা করার আশ্বাস প্রদান করেন তিনি।





পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের ৫১ সদস্য বিশিষ্ট লামা উপজেলা কমিটি গঠন
কোরবানির ঈদ সামনে রেখে ঈশ্বরগঞ্জে ব্যস্ত খামারি
এখন থেকে আমরা “বড়ুয়া জনগোষ্ঠী” হিসাবে রাষ্ট্রের কাছে পরিচয় তুলে ধরবো
যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের থেকে বিএনপি দূরে সরে যাচ্ছে সাইফুল হক, তিন মাসেই অবিশ্বাস করবেন না : জয়নুল আবদীন ফারুক
হালদা নদীতে ডিম ছেড়েছে মা মাছ
বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে নির্মল বড়ুয়া মিলনের শুভেচ্ছা
রাঙামাটিতে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণ
ডিজিটালাইজেশন ও অটোমেশনই পোশাক খাতের ভবিষ্যৎ : অমল পোদ্দার
রাঙামাটি শহরের গর্জনতলী গ্রামের রাস্থা এখন মরণ ফাঁদ !
তামাক করকাঠামোয় সংস্কারে বাড়বে রাজস্ব, কমবে অকাল মৃত্যু