শিরোনাম:
●   ঈশ্বরগঞ্জে সার মজুদ, ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা ও এক মাসের জেল ●   ঝালকাঠিতে অসংক্রামক রোগ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত ●   রাউজানে মন্দির থেকে স্বর্ণ চুরির ঘটনায় আটক চোর ●   ঈশ্বরগঞ্জে নাশকতার মামলার আসামিসহ গ্রেফতার-৫ ●   রংপুরে একই পরিবারের চারজন হত্যাকাণ্ডে সাইফুল হকের তীব্র নিন্দা ●   হত্যাকান্ডের এক বছর পরও বাড়ি ফিরতে পারছেনা ২৮ পরিবার ●   চুয়েটের শিক্ষার্থীদের তৈরী গো কার্ট ও মার্স রোভার প্রদর্শন ●   আত্রাইয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা মাছিম উদ্দিনের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন ●   ঝালকাঠিতে জাতীয় ডিজিটাল ভূমি জোনিং বিষয়ে জেলা কর্মশালা ●   রাজধানীতে পাহাড়ি খাবারের স্বাদ নিয়ে হলিডে ইনে ‘তিন পাহাড়ের গল্প’ উৎসব ●   ঈশ্বরগঞ্জে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সম্প্রীতি অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত ●   রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে এমপি আবুল কালামের অভিনন্দন ●   আত্রাইয়ে সরকারি গাছ কাটার অপরাধে জরিমানা ●   ঝালকাঠিতে পাসপোর্ট করতে এসে দুই নারী আটক ●   ঈশ্বরগঞ্জে এক সপ্তাহ বিদ্যুৎহীন : পিডিবি অফিসে গ্রাহকদের হামলা ●   পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা পরিষদ পুনর্গঠন ●   ‘সবুজ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান’ গড়ে তোলার লক্ষে কদমতলী ধর্ম্মাংকুর বুদ্ধ বিহারে গাছের চারা রোপন করেছেন সবুজ চাকমা ●   কয়লা উন্মুক্ত পদ্ধতিতে উত্তোলনের আলোচনায় সরকার : নতুন করে উত্তপ্ত জনপদ ●   সমাজের সুবিধা বঞ্চিত মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে ১২ বিজিবি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে : লেঃ কর্ণেল মাহতাব ●   রাঙামাটি–রাজস্থলী সড়কে পিকআপ-জীপ চলাচলে বাধার অভিযোগ ●   ঈশ্বরগঞ্জে ব্যবসায়ীর দোকান ভাঙচুর ●   সুগন্ধার বুকে নৌকাবাইচ, আবহমান বাংলার ঐতিহ্যে মুখর ঝালকাঠি ●   আত্রাইয়ে ‘জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬’-এর সমাপনী ●   পানি সম্পদ মন্ত্রীর সাথে চুয়েট ভিসির মতবিনিময় ●   বিদেশ নির্ভরতা কাটিয়ে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জাতীয় প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করুন ●   আত্রাইয়ে তিতুমীর এক্সপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় যুবকের মৃত্যু ●   রেডব্রিজ কমিউনিটি ট্রাস্টের জরুরি সভা অনষ্ঠিত ●   বড়পুকুরিয়ায় খনির ১৬৮ শ্রমিকে পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলন চলছে ●   বঙ্গবন্ধুর শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে খাবার বিতরণ করায় যুব মহিলা লীগ নেত্রী গ্রেফতার ●   দেশে আজ স্বপ্নচারী, নীতিনিষ্ঠ ও আদর্শবাদী নেতৃত্বের খরা চলছে
রাঙামাটি, মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩



CHT Media24.com অবসান হোক বৈষম্যের
শনিবার ● ১ জুলাই ২০১৭
প্রথম পাতা » নওগাঁ » কালের বির্বতনে হাট-বাজারে জৌলুশ নেই নরসুন্দরদের
প্রথম পাতা » নওগাঁ » কালের বির্বতনে হাট-বাজারে জৌলুশ নেই নরসুন্দরদের
শনিবার ● ১ জুলাই ২০১৭
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

কালের বির্বতনে হাট-বাজারে জৌলুশ নেই নরসুন্দরদের

---আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি :: (১৭ আষাঢ় ১৪২৪ বাঙলা : বাংলাদেশ সময় বেলা ৩.৩৪মি.) কালের বির্বতনে নওগাঁর আত্রাইায়ের হাট-বাজারে আর জৌলুশ নেই নরসুন্দরদের। আগে হাট-বাজারে রাস্তার পাশে বা গাছতলায় বসে খৌরকর্ম করত নরসুন্দর বা নাপিতরা। কোন কোন এলাকায় এদের শীল বলেও অবহিত করা হতো। পেশার ধরন পরিবর্তন হওয়ায় অনেক স্থানে এদের আর দেখা যায় না। তবে যারা আজও আধুনিক সেলুনের ব্যবস্থা করতে পারেনি তারা রয়ে গেছে রাস্তায় বা গাছ তলায়। আবার কেউ কেউ দক্ষতার অভাবে পুরনো নিয়মে পেশাকে আকড়ে ধরে আছেন। এদের একজন নওগাঁর আত্রাই উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের বিমল চন্দ্র শীল কান্দুর। হাটে হাটে বসে পুরোনো দিনের মতো চুল দাড়ি কামানোর প্রথাকে আঁকড়ে ধরে রুটি রুজির সন্ধানে আজও ব্যস্ত সময় পার করছেন। হাটে হাটে প্রতিদিন যা আয় হয় তা দিয়ে চলে তার সংসার। বিমল চন্দ্র শীল কান্দুর বলেন, আজও আমি গাছের নিচ থেকে উঠে এসে বড় আয়না ঝুলানো দোকান দিতে পারিনি। তাই আজও বট বা বড় কোন গাছের নিচে বসে বিভিন্ন হাট-বাজারে আপন মনে এই পেশা আঁকড়ে ধরে আছি। যুব সম্প্রদায়ের কেউ আর তার কাছে এই পিড়েয় বা ইটে বসে চুল দাড়ি কামাতে আসে না। সেলুনে যেতে যারা টাকার ভয় করে সেই মানুষগুলো চুল দাড়ি কামানোর জন্য তার কাছে আসে।
আলাপচারিতায় উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের র্স্বগীয় রবি শীলের পূত্র গৌতম শীল বলেন, আমি ছোট বেলা থেকেই ক্ষুর, কেচি নিয়ে বাবার হাত ধরে এ পেশায় নেমে পড়েছি। এ পেশায় নিজেকে দক্ষ কারিগর হিসাবে গড়ে তুলতে আর অভাবের সংসারের হাল ধরতেই লেখাপড়া করতে পারিনি। ছোট বেলা থেকে অভাব অনাটন সাথে নিয়ে কোন রকমে এই কাজ করে আজও বেঁচে আছি। এ কাজে অনেকের ভাগ্যের অনেক পরিবর্তন হলেও তার ভাগ্যের কোন পরিবর্তন হয়নি বলেও জানান তিনি। এ প্রজম্নোকে উদ্দেশ্য করে উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের বাংলাদেশ রেলওয়ের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আব্দুল আজিজ সিএইচটি মিডিয়া প্রতিনিধিকে জানান, জমিদার আমলে হিন্দু সম্প্রদায়ের শীল পরিবারের সদস্যরা নরসুন্দর বা নাপিতের কাজ করতো। জমিদার আমলে এ পেশার বৈশিষ্ট্য ছিলো রমরমা। তখন তারা হাট বাজারে দল বেঁধে কাজ করতো। এলাকা ভেদে বিয়ের দিন বা আগের দিন বর ও কনের বাড়িতে নরসুন্দরদের ডাক পড়তো। সামাজিক আচার অনুষ্ঠানে তাদের একটা অংশ গ্রহণ ছিল। কালের বির্বতনে নরসুন্দর পেশার এখন ধরণ বদলেছে। রাস্তা ফুটপাত ও গাছ তলা থেকে উঠে এসেছে চক চকে দোকানের মধ্যে। এ পেশায় আধুনিকতার ছোঁয়া লাগায় এখন আর সেই আগের দিনের মত এ পেশার আর বাদ বিচার নেই। কোন বিশেষ শ্রেণীর মানুষ এখন আর এই পেশায় নেই। বরং সকল সম্প্রদায়ের কেউ না কেই এ পেশায় জড়িয়ে পড়েছে। আধুনিক সভ্যতার এ যুগে নরসুন্দরা তাদের সেই পুরানো পেশা পরিবর্তন করে আধুনিকতার ছোঁয়া লাগায় তাদের জীবন ধারা অনেক পাল্টে গেছে। সেই সাথে হাট বাজারে ফিড়েয় বা ইটের ওপর বসে নাপিতদের চুলদাড়ি কামানোর পুরনো দিনের কর্ম প্রায় হারাতে বসেছে। তবে এখনও কোথাও কোথাও ছড়িয়ে ছিটিয়ে হাট বাজারে তাদের কাজ করতে দেখা যায়। ছোট বেলায় বাবার সাথে হাটে গিয়ে ফিড়েয় বা ইটে বসে চুল কেটেছি। আবার নাপিতরা বাড়ি বা গ্রামের মহল্লায় এসে নির্দিষ্ট স্থানে বসে সবার চুল দাড়ি কামিয়ে দিত। অনেকে নগদ পয়সা দিতো আবার অনেকে বছর ভিত্তিক ফসল উঠলে তাদের ধান পাট গম ছোলা দিয়ে চুলদাড়ি কামানোর টাকা পয়সা পরিশোধ করার রেওয়াজ ছিল।





আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)