শিরোনাম:
●   মহালয়ার আদ্যপান্ত : ভিন্ন দৃষ্টিকোণ ●   ঈশ্বরগঞ্জে হত্যা চেষ্টা মামলার আসামি মঞ্জু গ্রেফতার ●   মিরসরাই প্রেস ক্লাবের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা ●   রাঙামাটিতে মহালয়া উপলক্ষে “বোধনের প্রহর” সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ●   মারিশ্যাতে ২৭ বিজিবি টহলদল অবৈধভাবে পাচারকালে সেগুন কাঠ উদ্ধার ●   দুই এমপির উপস্থিতিতে ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত ●   ১১ মাসে কুরআন হিফজ সম্পন্ন করলো ৮ বছরের মুগ্ধ ●   গ্রেটার দেউলগ্রাম ওয়েলফেয়ার ট্রাষ্ট ইউকে এর সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত : সভাপতি অহিদ-সম্পাদক হাকিম ●   দূর্গম পাহাড়ে শিশুদের মাঝে শিক্ষা-সামগ্রী বিতরণ ●   আত্রাইয়ে বজ্রপাতে এক শিশুর মৃত্যু ●   ঝালকাঠিতে দুর্গাপূজা উদযাপনে জেলা প্রশাসনের প্রস্তুতিমূলক সভা ●   বান্দরবানে বিএনপির সন্ত্রাস ও মাদকবিরোধী সমাবেশ ●   পার্বতীপুরে মোস্তফাপুর ইউপি ভবন পূর্বস্থানে নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন ●   কুষ্টিয়ায় ডিবি পুলিশের বিরুদ্ধে দুই যুবককে অস্ত্র দিয়ে ফাঁসানোর অভিযোগ ●   বান্দরবানের নতুন ডিসি নাজনীন সুলতানা ●   রাঙামাটিতে আইএফআইসি ব্যাংকের ৫০ বছর পূর্তি উদ্যাপন ●   নিখোঁজ শিশুর অনিশ্চিৎ ভবিষ্যৎ : আইনি ও সামাজিক সুরক্ষা জরুরী ●   পার্বতীপুরে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার বাড়তি দামে বিক্রয়ের দায়ে দুই প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ টাকা জরিমানা ●   ভূমি মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব হিসেবে দায়িত্বে এমদাদুল হক চৌধুরী ●   রাবিপ্রবি’তে আচরণ ও শৃঙ্খলা বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত ●   ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগে নারী আটক ●   রাউজানে চেকপোস্টে পিস্তল-গুলিসহ গ্রেফতার ●   আত্রাইয়ে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত-১ ●   ঝালকাঠিতে পালিত পিতার বিরুদ্ধে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ ●   বান্দরবানে দুই দিনব্যাপী সেনাবাহিনীর ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ●   সাংবাদিকদের সাথে রাঙামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের শুভেচ্ছা বিনিময় ●   রাঙামাটিতে জমি বিরোধ নিয়ে ১৮ জনের বিরুদ্ধে পুলিশের চার্জশিট ●   ঝালকাঠিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ●   আত্রাইয়ে গোয়ালঘরের জানালার ইট খুলে দুটি গরু চুরি ●   মিরসরাইয়ে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার
রাঙামাটি, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩



CHT Media24.com অবসান হোক বৈষম্যের
শনিবার ● ১ ডিসেম্বর ২০১৮
প্রথম পাতা » ঢাকা » পার্বত্য শান্তি চুক্তি সংবিধানবিরোধী : বিচারপতি খাদেমুল ইসলাম চৌধুরী
প্রথম পাতা » ঢাকা » পার্বত্য শান্তি চুক্তি সংবিধানবিরোধী : বিচারপতি খাদেমুল ইসলাম চৌধুরী
শনিবার ● ১ ডিসেম্বর ২০১৮
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

পার্বত্য শান্তি চুক্তি সংবিধানবিরোধী : বিচারপতি খাদেমুল ইসলাম চৌধুরী

---ঢাকা প্রতিনিধি :: (১৭ অগ্রহায়ন ১৪২৫ বাঙলা: বাংলাদেশ সময় রাত ৯.৪৯মি.) ‘পার্বত্য শান্তি চুক্তি’ সংবিধানবিরোধী বলে মন্তব্য করেছেন পার্বত্য ভূমি কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি খাদেমুল ইসলাম চৌধুরী। ‘পার্বত্য নাগরিক পরিষদের ১১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২১ বছরে জাতির প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় এ মন্তব্য করেন তিনি। আজ শনিবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের কনফারেন্স রুমে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। পার্বত্য নাগরিক পরিষদের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার আলকাছ আল মামুন ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন- জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সোলায়মান আলম শেঠ, পার্বত্য নিউজের সম্পাদক মেহেদী হাসান পলাশ, পার্বত্য নাগরিক পরিষদের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মো. শেখ আহাম্মদ রাজু, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আবদুল হামিদ রানা প্রমুখ। আরও উপস্থিত ছিলেন, পার্বত্য নাগরিক পরিষদের প্রচার সম্পাদক প্রভাষক আরিফ বিল্ল­াহ, পার্বত্য নাগরিক পরিষদের তথ্য সম্পাদক মো:ইলিয়াছ হোসাইন, পার্বত্য নাগরিক পরিষদের বান্দর বান জেলা সভাপতি মোঃ আতিকুর রহমান, পিবিসিপির সাংগঠনিক সম্পাদক কাউছার উল্লাহ সহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যের বিচারপতি খাদেমুল ইসলাম বলেন, ‘১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী থাকা অবস্থায় পার্বত্য শান্তি চুক্তিতে সই হয়।’ পার্বত্য চট্টগ্রামে মানুষের যে ভূমির অধিকার ও তাদের বসবাসের অধিকারে ডিস্টার্ব করার অধিকার কারও নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘চুক্তি হওয়ার পরবর্তীতে দেখা গেল বিভিন্ন ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। একজনের পৈত্রিক জমি আর কাউকে দেয়া যাবে না, যাদের জমি তারই থাকবে। এ ধরনের অনেক বাস্তব সমস্যা দেখা দিল। এর বিরুদ্ধে দুটি রিট পিটিশন হলো। এ মামলায় দেশের নামকরা সব আইনজীবীরা যুক্তি-তর্ক দিয়েছেন। শেষ পর্যন্ত দেখা গেল এটি আমাদের সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ফলে হাইকোট এমন রায় দিলেন যাতে এ চুক্তির অস্তিত্ব^ এখন আর নেই।’

খাদেমুল ইসলাম বলেন, ‘পার্বত্য শান্তি চুক্তি সংবিধান পরিপন্থী। তবে এটি আপিল বিভাগে পেন্ডিং আছে। পেন্ডিং থাকা অবস্থায় কাজ চলছে। কিন্তু সাংবিধানিক ভাবে চুক্তির অস্তিত্ত^ নেই। সংবিধান পরিপন্থী যেটা সেটা তো আমরা মানব না। আপিল বিভাগে যেহেতু পেন্ডিং আছে, সেহেতু এটা তারাই বিচর করবে। কিন্তু যে চুক্তিটা সংবিধান পরিপন্থী তা বাংলাদেশের সাধারণ নাগরিকের ওপর বহাল না। আমরা এটা মানতে রাজি না।

পার্বত্য নাগরিক পরিষদের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার আলকাছ আল মামুন ভূঁইয়ার সভাপতির বক্তব্যে বলেন, ১৯৯৭ সালে পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সরকার চুক্তি করে। কিন্তু এই চুক্তিতে পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা হয়নি। কারণ, পাহাড়ে বসবাসরত বৃহত্তর জনগোষ্ঠী বাঙালি এবং ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জাতিসত্ত্বার স্বার্থ সংরক্ষণ করা হয়নি। পাহাড়ে সশস্ত্র গেরিলা সন্ত্রাসী সংগঠনের সঙ্গে একপেশে এই পার্বত্য চুক্তি শান্তির বদলে একাদিক সন্ত্রাসী সংগঠনের জন্ম দিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। সন্ত্রাসী সন্তু লারমা ৩০ হাজার বাঙারীকে হত্যা করেছে। এখন নতুন ষড়যন্ত্র হিসেবে ভারতীয় নাগরিক ৮২ হাজার অস্ত্রধারী প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত সন্ত্রাসীকে বাংলাদেশের পার্বত্য চট্রগ্রামের নাগরিকত্ব করার অপচেষ্টা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, পাহাড়ে এখন খুন-গুম, অপহরণ, চাঁদাবাজি আরও বেড়েছে। শিক্ষা, চাকুরি, ব্যবসা, জনপ্রতিনিধিত্বমূলক স্থানে সৃষ্টি হয়েছে বৈষম্য। পার্বত্য চুক্তি এই বৈষম্য আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এই বৈষম্য থেকে বের হয়ে আসতে আমরা এই চুক্তির সংবিধানবিরোধী ধারা-উপধারাসমূহ বাতিল করে সংশোধনের দাবি জানাচ্ছি।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, পার্বত্য শান্তি চুক্তির তেরো বছর পার হওয়ার পর জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) নেতা সন্তু লারমা ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত শান্তি চুক্তিকে একটি প্রশ্নের মাঝে ঠেলে দিয়েছেন। ২ ডিসেম্বর শান্তি চুক্তি ২১ বছর পার করল। জেএসএসের কাছে এখনও অবৈধ অস্ত্র রয়েছে এবং তারা পার্বত্য এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে জড়িত। শান্তি চুক্তির মধ্য দিয়ে বাঙালি ও পাহাড়িদের মধ্যে ‘স্ট্যাটাসকে’ বজায় রাখা জরুরি ছিল, সেখানে সন্তু লারমা বার বার বাঙালিবিরোধী কথাবার্তা বলে আসছিলেন; কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, সরকার তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। গত ২১ বছর ধরে অবৈধভাবে তিনি আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যানের পদটি দখল করে আছেন এবং সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছেন। তিনি নির্বাচিতও নন। যেখানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতিও ৫ বছরের বেশি ক্ষমতায় থাকতে পারেন না, সেখানে সন্তু বাবু গত ১৯ বছর ধরে একজন উপমন্ত্রীর সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে আসছেন।

এখানে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে চাকমাদের ভূমিকা ছিল স্বাধীনতাবিরোধী। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দীর্ঘ ২৩ বছরের সংগ্রামে চাকমাদের কোনো ভূমিকা ছিল না। স্বাধীনতাযুদ্ধ শুরু হলে চাকমা রাজা ত্রিবিদ রায় (বর্তমান রাজা দেবাশীষ রায়ের পিতা) ও বোমাং রাজার ভাই পাকিস্তানের আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষার উদ্দেশ্যে মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন। ত্রিবিদ রায় একটিবারের জন্যও বাংলাদেশে আসেননি। তিনি এখনও ইসলামাবাদে থাকেন এবং দীর্ঘদিন তিনি পাকিস্তানের মন্ত্রী ছিলেন। পার্বত্য চট্টগ্রামের তিনটি সার্কেলের রাজারা ১৯৪৭ সালে পাকিস্তানের বাইরে থাকতে চাইলেও ১৯৭১ সালে তাদের অনুসারীরা বাঙালিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে। মুক্তিযুদ্ধের সময় এরা তথাকথিত ‘শান্তিবাহিনী’ গঠন করেছিল। এই শান্তিবাহিনীই পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রাম শুরু করেছিল। এর নেতৃত্বে ছিলেন সন্তু লারমা ও তার বড় ভাই প্রয়াত মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা। আগামীতে দেশে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু হচ্ছে। এখন পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে যারা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিল, তাদের এই বিচারের আওতায় আনা হবে কিনাসেটাই দেখার বিষয়। মুক্তিযুদ্ধে সন্তু লারমার ভূমিকা ছিল স্বাধীনতার বিপক্ষে। সেই ‘অপরাধে’ তারও তো বিচার হওয়া উচিত!

তারা বলেন, সন্তু লারমা বার বার সেনাবাহিনীকে বিতর্কিত করেছেন। আবারও সেনা প্রত্যাহার দাবি করেছেন। এর অর্থ কী? সেনা প্রত্যাহারের ফলে যে ‘শূন্যতার’ সৃষ্টি হবে, সেই ‘শূন্যতা’ তিনি পূরণ করতে চান পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের দিয়ে! সেনাবাহিনী সরকারের অধীনে কাজ করে। দেশটির শান্তি-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্ব সাংবিধানিকভাবেই সেনাবাহিনীর ওপর বর্তেছে। যে সেনাবাহিনীকে নিয়ে আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশের এত গর্ব, সেই সেনাবাহিনীকে বিতর্কিত করে একটি ‘অসৎ উদ্দেশ্য’ সাধন করছেন সন্তু লারমা। বিবেকবান মানুষদের আজ তাই সতর্ক থাকা উচিত। এক সময় যেসব পাহাড়ি পুলিশ তথা বিডিআরে আছেন, তাদের পার্বত্য চট্টগ্রামে ‘স্থায়ী’ নিয়োগ দেয়ারও দাবি তুলেছিলেন তিনি। কেন? এই পাহাড়িদের তিনি ব্যবহার করতে চান বাঙালিদের বিরুদ্ধে? তার উদ্দেশ্য সৎ নয়। তিনি নিজে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স করেছেন। তিনি চান না খুমি, লুসাই, চাক, খিয়াং, পাংখো, রিয়াং, বোম কিংবা মুরং উপজাতির কেউ উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হোক। এরা সবচেয়ে অবহেলিত উপজাতি। সরকার সংবিধানের ১৪নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সমাজের ‘অনগ্রসর শ্রেণীর’ জন্য নানা সুযোগ-সুবিধা দেয়। অথচ এর সুবিধা নিচ্ছে চাকমারা। চাকমারা আজ শতকরা ৯৪ ভাগ উচ্চশিক্ষিত, সম্পদশালীও বটে। কিন্তু মুরং, খিয়াং, চাক, পাংখোদের এ সুযোগ-সুবিধা দেয়া হয় না। সময় এসেছে উপজাতীয় এ অনগ্রসর শ্রেণীর জন্য কিছু করা। সরকার একটি আলাদা কমিশন গঠন করতে পারে, যারা যাচাই-বাছাই করে সরকারের কাছে সুপারিশ পেশ করবে।

আলোচনা সভায় কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে ৮ দফা ঘোষনাপত্র পাঠ করা হয়।





ঢাকা এর আরও খবর

নিখোঁজ শিশুর অনিশ্চিৎ ভবিষ্যৎ : আইনি ও সামাজিক সুরক্ষা জরুরী নিখোঁজ শিশুর অনিশ্চিৎ ভবিষ্যৎ : আইনি ও সামাজিক সুরক্ষা জরুরী
ভূমি মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব হিসেবে দায়িত্বে এমদাদুল হক চৌধুরী ভূমি মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব হিসেবে দায়িত্বে এমদাদুল হক চৌধুরী
তায়কোয়ানডো ক্লাব কাপ চ্যাম্পিয়নশীপে রাজশাহী ১৫টি পদক জয়ী তায়কোয়ানডো ক্লাব কাপ চ্যাম্পিয়নশীপে রাজশাহী ১৫টি পদক জয়ী
পদত্যাগ করেছেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির যুব সংহতির সদস্য সচিব মীর রেজাউল আলম পদত্যাগ করেছেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির যুব সংহতির সদস্য সচিব মীর রেজাউল আলম
রাজধানীর আইসিসিবি লেদার এক্সপোতে ‘Bene লেদার’এর চামড়াজাত পণ্যের ব্যাপক সমাহার রাজধানীর আইসিসিবি লেদার এক্সপোতে ‘Bene লেদার’এর চামড়াজাত পণ্যের ব্যাপক সমাহার
চামড়া শিল্পে অপার সম্ভাবনা : এনেক্স লেদারের এমডি দিপু চামড়া শিল্পে অপার সম্ভাবনা : এনেক্স লেদারের এমডি দিপু
তরুণদের উচ্চ রক্তচাপজনিত হৃদরোগ ঝুঁকি হ্রাসে অর্থ বরাদ্দ বৃদ্ধির আহ্বান তরুণদের উচ্চ রক্তচাপজনিত হৃদরোগ ঝুঁকি হ্রাসে অর্থ বরাদ্দ বৃদ্ধির আহ্বান
তামাক ও নিকোটিনমুক্ত হোক তরুণ প্রজন্মের ফুসফুস তামাক ও নিকোটিনমুক্ত হোক তরুণ প্রজন্মের ফুসফুস
শিল্পে আধুনিক প্রযুক্তি ও মেশিনারিজের ব্যবহার বাড়ানোর আহ্বান সেফওয়ে টেকনোলজিসের এমডি ফারুক খানের শিল্পে আধুনিক প্রযুক্তি ও মেশিনারিজের ব্যবহার বাড়ানোর আহ্বান সেফওয়ে টেকনোলজিসের এমডি ফারুক খানের
পরিকল্পিত ও টেকসই পর্যটন ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান পার্বত্য মন্ত্রীর পরিকল্পিত ও টেকসই পর্যটন ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান পার্বত্য মন্ত্রীর

আর্কাইভ