শিরোনাম:
●   ১৪ ফুটের দুর্গাপ্রতিমা ঘিরে ঈশ্বরগঞ্জে দর্শনার্থীদের ভিড় ●   সুগন্ধায় স্পিডবোর্ট দুর্ঘটনা ইউএনওসহ আহত-৯ ●   পার্বত্য চট্টগ্রামের সার্বিক উন্নয়নে আড়াই হাজার কোটি টাকার মেগা প্রকল্প অনুমোদনে প্রধানমন্ত্রীর যুগান্তকারী পদক্ষেপ ●   বাঙ্গালী জাতির সার্বজনীন মিলন উৎসবে পরিনত হলো শারদীয় দূর্গাপূজা ●   মিরসরাইয়ে তিন দিন ব্যাপী বই পড়া উৎসব সম্পন্ন ●   জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় খাদ্য প্যাকেটে হস্তক্ষেপমুক্ত সতর্কতা লেবেল চালুর দাবি ●   ঝুম নিয়ন্ত্রণ বন বিভাগে জণবল সংকটের কারণে ৪ অফিস চলছে ১ বন কর্মকর্তা দিয়ে ●   বিএনপি সরকারের ০৮ মাস পূর্তিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের বিবৃতি ●   ঈশ্বরগঞ্জে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত ●   মাদক অভিযোগে ৪ শ্রমিক গ্রেপ্তার, প্রতিবাদে ৬ ঘণ্টা জ্বালানি তেল সরবরাহ বন্ধ ●   ঝালকাঠিতে ১৬০ মণ্ডপে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি ●   পাহাড়ের দুর্যোগ ও ঝুঁকি মোকাবিলায় জনসচেতনতা তৈরির তাগিদ পার্বত্য মন্ত্রীর ●   বৃদ্ধের অভিযোগ শুনে তাৎক্ষণিক পুলিশ পাঠালেন ওসি সাজ্জাদ ●   রাঙামাটি জার্নালিস্ট ক্লাব এর আত্মপ্রকাশ ●   কাউখালীতে আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবস পালন ●   রাবিপ্রবি’র একাডেমিক কাউন্সিলের ১৫ তম সভা অনুষ্ঠিত ●   পার্বতীপুরে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস উদযাপন ●   ঈশ্বরগঞ্জে কন্যাশিশু দিবসে কনার বাল্যবিয়ে ●   আত্রাইয়ের ৫৪টি মণ্ডপে চলছে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি ●   ঝালকাঠিতে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে নেওয়ার পর নারী কয়েদির মৃত্যু ●   আত্রাইয়ে আনসার ও ভিডিপির আয়োজনে তাল বীজ রোপণ অভিযান ●   চরম দুর্ভোগে স্থানীয়রা : বান্দরবান-থানচি সড়কে বাসের পর জিপ-মাহেন্দ্র চলাচল বন্ধ ●   বিজিবির অভিযানে করেরহাট থেকে ভারতীয় গরু জব্দ ●   মৌলভীবাজারের ঐতিহ্যবাহী পাঁচগাঁওয়ের দুর্গা পূজা ও কিছু কথা ●   নানিয়ারচর সেনা জোন এর পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ ●   মহালয়ার আদ্যপান্ত : ভিন্ন দৃষ্টিকোণ ●   ঈশ্বরগঞ্জে হত্যা চেষ্টা মামলার আসামি মঞ্জু গ্রেফতার ●   মিরসরাই প্রেস ক্লাবের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা ●   রাঙামাটিতে মহালয়া উপলক্ষে “বোধনের প্রহর” সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ●   মারিশ্যাতে ২৭ বিজিবি টহলদল অবৈধভাবে পাচারকালে সেগুন কাঠ উদ্ধার
রাঙামাটি, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩



CHT Media24.com অবসান হোক বৈষম্যের
শুক্রবার ● ১৮ জানুয়ারী ২০১৯
প্রথম পাতা » পটুয়াখালী » ঐতিহাসিক মজিদবাড়ীয়া শাহী মসজিদ শ্রীহীন হয়ে পড়েছে সংস্কারের অভাবে
প্রথম পাতা » পটুয়াখালী » ঐতিহাসিক মজিদবাড়ীয়া শাহী মসজিদ শ্রীহীন হয়ে পড়েছে সংস্কারের অভাবে
শুক্রবার ● ১৮ জানুয়ারী ২০১৯
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

ঐতিহাসিক মজিদবাড়ীয়া শাহী মসজিদ শ্রীহীন হয়ে পড়েছে সংস্কারের অভাবে

---পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: মির্জাগঞ্জ উপজেলার মজিদবাড়ীয়া গ্রামে পঞ্চদশ শতাব্দীতে নির্মিত পুরাতন মসজিদ সুলতানী আমলের স্থাপত্য কীর্তি নিয়ে আজও স্বগৌরবে দাড়িয়ে আছে।স্থানীয়ভাবে এই মসজিদটি মজিদবাড়ীয়া শাহী মসজিদ নামে পরিচিত। মির্জাগঞ্জ উপজেলা সদর থেকে ১৮ কিলোমিটার দক্ষিনে এই মসজিদটি অবস্থিত। বাংলার স্বাধীন ইলিয়াস শাহীর শাসনামলের শেষ দিকে নাসির উদ্দিন বারবক শাহের (১৪৫৯-১৪৭৬ খ্রীঃ) শাসনামলে খান-ই-মোয়াজ্জেম উজিয়াল খান ১৪৬৫ খ্রীষ্টাব্দে এ মসজিদটি নির্মান করেন। মসজিদটির নামানুসারেই স্থানীয় গ্রাম ও ইউনিয়নের নামকরন করা হয়েছে।মসজিদটির দৈর্ঘ্য ৪৯ ফুট এবং প্রস্থ ৩৬ ফুট। মসজিদটির পূর্বের দিকে একটি বারান্দা রয়েছে। যার দৈর্ঘ্য ২১.৫ ফুট এবং প্রস্থ ৮ ফুট।মসজিদটির প্রধান কামড়া বর্গাকারে নির্মিত এবং প্রত্যেকটির বাহু ২১.৫ ফুট লম্বা। মসজিদের দেয়ালগুলো প্রায় সাড়ে ৩ ফুট চওড়া।মসজিদের পূর্ব দিকে ৩টি এবং উত্তর ও দক্ষিন দিকে ৪টি দরজা রয়েছে।পশ্চিম দিকের দেয়ালে রয়েছে ৩টি মেহরাব। যার মাঝখানেরটি পার্শ্ববর্তী দুইটার চেয়ে আকারে বড়।প্রধান কামড়ার উপরে আধা গোলাকৃতির একটি বিরাট গম্ভুজ রয়েছে। বারান্দার ছাদ চৌচালা ঘরের আকারে নির্মিত।মসজিদটির প্রধান কামড়ার চার কোনায় ৪টি এবং বারান্দার ২ কোনায় ২টি মিনার আছে। ব্রিটিশ আমলের শেষ দিকে জঙ্গল পরিস্কার সময় এ মসজিদটির সন্ধান পাওয়া যায় আর এ কারনে স্থানীয় লোকজনের মধ্যে একটি ভ্রান্ত ধারনা ছিল যে-এ মসজিদটি মাটির নীচ থেকে অলৌকিক ভাবে গজিয়ে উঠেছে। মসজিদ সংলগ্ন একটি বিরাট দীঘি রয়েছে। দীঘিতে বাঁধানো ২টি ঘাটে মুসুল্লীরা অজু করে নামাজ আদায় করতেন। বাঁধানো ঘাট ২টি দীঘির মধ্যে দেবে গেছে আর এ কারনে স্থানীয় বাসিন্দারা গাছের গুড়ি ফেলে ওজু করা সহ যাবতীয় কাজ সারছেন। মসজিদের কাছে একটি গভরি নলকূপ স্থাপন করা হয়েছে। মসজিদ সংলগ্ন চত্ত্বরে প্রতি বছর ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় । মাহফিলের সময় দূর-দূরান্ত থেকে হাজার হাজার ধর্মপ্রান মুসলমান এ মাহফিলে শরীক হন।বাংলাদেশ প্রত্নতত্ব বিভাগের উদ্যোগে মসজিদটি দুইবার ও দীঘিটি সংস্কার করা হয়।দূর-দূরান্ত থেকে আগত দর্শনার্থীদের বিশ্রামের জন্য এরশাদ সরকারের শাসনামলে মির্জাগঞ্জ উপজেলা পরিষদ কর্তৃপক্ষ একটি বিশ্রামাগার নির্মান করে দেয়। কিন্তু বিশ্রামাগারটি নির্মানের পর এ যাবৎ পর্যন্ত কোন সংস্কার না করার ফলে বর্তমানে এটি ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।

প্রাচীন স্থাপত্যকলার উজ্জ্বল নিদর্শন এ শাহী মসজিদটি দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে বহু দর্শনার্থী মজিদবাড়ীয়া গ্রামে আসেন। কিন্তু দর্শনার্থীদেও এখানে থাকা ও খাওয়ার কোন সুব্যবস্থা নেই, নেই কোন ব্যবহারযোগ্য শৌচাগার । ফলে দূর-দূরান্ত থেকে আসা দর্শনার্থীরা বিশ্রাম নিতে পারছেন না এবং শৌচাগার না থাকায় প্রাকৃতিক কাজ সারতে বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে ।বাংলাদেশ প্রত্নতত্ব বিভাগের উদ্যোগে মসজিদটি দুইবার সংস্কার করার পর বর্তমানে সৌর বিদ্যুতের সংযোগ থাকায় রাতের বেলায় স্থানীয় মুসুল্লীরা নিরাপদে নামাজ আদায় করা সহ আগত দর্শনার্থীরা মসজিদেও বারান্দায় বিশ্রাম নেন। মসজিদের দেয়ালগুলোতে আগাছা গজিয়ে উঠেছে । স্থানীয় কোন জনপ্রতিনিধি বা কোন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে কোন দেখ ভাল না করায় এটি এখন শ্রীহীন হয়ে পড়েছে । কে বা কারা মসজিদেও দক্ষিন পশ্চিম কোনের পিলারের বেশ কিছু ইট খুলে নিয়ে যাওয়ায় প্রাচীন এ মসজিদটির সৌর্ন্দয্য এখন নাম মাত্র। আগত দর্শনার্থীদের দেয়া দান-ছদকার টাকায় মসজিদের ইমামের বেতন প্রদান সহ আনুষাঙ্গিক প্রয়োজনীয় খরচ বহন করা হয় বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান।

ঢাকার থেকে মসজিদটি দেখতে আসা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষার্থী আছিব,জাকির হোসেন ও সাইদুজ্জামান শাওন বলেন- সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে মসজিদটির ছবি দেখে মসজিদটি দেখতে এসেছিলাম ।কিন্তু এসে দেখি এটির অবস্থা খুবই করুন,প্রাচীন এ মসজিদটি জরুরী ভিত্তিতে সংস্কার সহ আগত দর্শনার্থীদের জন্য একটি বিশ্রামাগার নির্মান ও উন্নতমানের শৌচাগার নির্মানের জন্য দাবী জানান ।

এ ব্যাপারে মজিদবাড়ীয়া ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম সরোয়ার কিসলু বলেন, তিন বছর আগে আমি স্থানীয় কয়েকজনকে নিয়ে প্রততত্ত্ব বিভাগে যোগাযোগ করে সংস্কারের আবেদন করলে চলতি বছরে তারা নিজস্ব ঠিকাদার দিয়ে মসজিদের কিছু সংস্কার করে চলে যায় ।তবে বিশ্রামাগারটি সংস্কার করা বা নতুন একটি বিশ্রামাগার ও উন্নতমানের শৌচাগার নির্মানের জন্য উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে কথা বলবো।





আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)