শিরোনাম:
●   খাদ্যজনিত অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে ‘ফ্রন্ট-অব-প্যাকেজ লেবেলিং’ চালুর তাগিদ ●   চলমান জ্বালানি সংকটের জন্য দায়ী ইউনুসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ●   ফাউন্ডেশন এর ফান্ড রেইজিং ইভেন্ট অনুষ্ঠিত ●   বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৬ বছর ধরে বন্ধ ইউনিট : ২শত কোটি টাকা ব্যয় হবে চালু ●   ঝালকাঠির নবাগত পুলিশ সুপারের সঙ্গে সংবাদকর্মীদের মতবিনিময় ●   শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধীস্থলে রাঙামাটি জেলা পরিষদের শ্রদ্ধা ●   ঈশ্বরগঞ্জে সার মজুদ, ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা ও এক মাসের জেল ●   ঝালকাঠিতে অসংক্রামক রোগ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত ●   রাউজানে মন্দির থেকে স্বর্ণ চুরির ঘটনায় আটক চোর ●   ঈশ্বরগঞ্জে নাশকতার মামলার আসামিসহ গ্রেফতার-৫ ●   রংপুরে একই পরিবারের চারজন হত্যাকাণ্ডে সাইফুল হকের তীব্র নিন্দা ●   হত্যাকান্ডের এক বছর পরও বাড়ি ফিরতে পারছেনা ২৮ পরিবার ●   চুয়েটের শিক্ষার্থীদের তৈরী গো কার্ট ও মার্স রোভার প্রদর্শন ●   আত্রাইয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা মাছিম উদ্দিনের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন ●   ঝালকাঠিতে জাতীয় ডিজিটাল ভূমি জোনিং বিষয়ে জেলা কর্মশালা ●   রাজধানীতে পাহাড়ি খাবারের স্বাদ নিয়ে হলিডে ইনে ‘তিন পাহাড়ের গল্প’ উৎসব ●   ঈশ্বরগঞ্জে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সম্প্রীতি অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত ●   রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে এমপি আবুল কালামের অভিনন্দন ●   আত্রাইয়ে সরকারি গাছ কাটার অপরাধে জরিমানা ●   ঝালকাঠিতে পাসপোর্ট করতে এসে দুই নারী আটক ●   ঈশ্বরগঞ্জে এক সপ্তাহ বিদ্যুৎহীন : পিডিবি অফিসে গ্রাহকদের হামলা ●   পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা পরিষদ পুনর্গঠন ●   ‘সবুজ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান’ গড়ে তোলার লক্ষে কদমতলী ধর্ম্মাংকুর বুদ্ধ বিহারে গাছের চারা রোপন করেছেন সবুজ চাকমা ●   কয়লা উন্মুক্ত পদ্ধতিতে উত্তোলনের আলোচনায় সরকার : নতুন করে উত্তপ্ত জনপদ ●   সমাজের সুবিধা বঞ্চিত মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে ১২ বিজিবি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে : লেঃ কর্ণেল মাহতাব ●   রাঙামাটি–রাজস্থলী সড়কে পিকআপ-জীপ চলাচলে বাধার অভিযোগ ●   ঈশ্বরগঞ্জে ব্যবসায়ীর দোকান ভাঙচুর ●   সুগন্ধার বুকে নৌকাবাইচ, আবহমান বাংলার ঐতিহ্যে মুখর ঝালকাঠি ●   আত্রাইয়ে ‘জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬’-এর সমাপনী ●   পানি সম্পদ মন্ত্রীর সাথে চুয়েট ভিসির মতবিনিময়
রাঙামাটি, বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩



CHT Media24.com অবসান হোক বৈষম্যের
মঙ্গলবার ● ২৪ মে ২০২২
প্রথম পাতা » ঢাকা » বানিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে “ভোক্তা অধিকার বিভাগ” চায় ক্যাব
প্রথম পাতা » ঢাকা » বানিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে “ভোক্তা অধিকার বিভাগ” চায় ক্যাব
মঙ্গলবার ● ২৪ মে ২০২২
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

বানিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে “ভোক্তা অধিকার বিভাগ” চায় ক্যাব

--- সংবাদ বিজ্ঞপ্তি :: ভোক্তাদের অধিকার সংরক্ষণের জন্য ভোক্তা অধিদপ্তর যথেষ্ট নয়, ভোক্তার অধিকার সংরক্ষণের জন্য বানিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘ভোক্তা অধিকার বিভাগ’ চায় কনজুমারস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)।
সোমবার দুপুর ১২টায় ‘অতিমুনাফা ও প্রতারণার শিকার ভোক্তারা: আইন মানার তোয়াক্কাই নেই’ শীর্ষক এক অনলাইন ওয়েবিনারে এ দাবি করা হয়।
ক্যাবের পক্ষ থেকে বলা হয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কাঠামো অনুযায়ী ভোক্তাদের অধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। ভোক্তা অধিদপ্তরও যথেষ্ট নয়। এর জন্য আলাদা মন্ত্রণালয় প্রয়োজন। তবে আপাতত ভোক্তাদের অধিকার সংরক্ষণে বানিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘ভোক্তা অধিকার বিভাগ’ জরুরি। দাবি না মানলে আন্দোলনে যাবারও হুশিয়ারি দেয়া হয়।
ওয়েবিনারটি পরিচালনা করেন ক্যাব এর সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ মিজানুর রহমান রাজু।
ক্যাব এর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. এম সামসুল আলম বলেন, আমরা দীর্ঘদিন থেকে দাবি করে আসছি, হয়তো আমাদের আন্দোলনের পর্যায়ে যেতে হবে। আমরা ভোক্তা অধিকার মন্ত্রণালয় চাচ্ছিলাম। ভোক্তা অধিদপ্তর ভোক্তাদের অধিকার সংরক্ষণে যথেষ্ট নয়, অন্তত ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণে আপাতত ‘ভোক্তা অধিকার বিভাগ’ চাই। নিশ্চিতভাবে ভোক্তাদের অধিকার সংরক্ষণের জন্য সরকারের পলিসি বিভাগ উদ্যোগ নিবে এবং সরকারের যথাযথ প্রশাসন, তার জায়গা থেকে দায়িত্ব পালন করবেন।
তিনি বলেন, এখন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ছাড়া আর কোথাও ভোক্তাদের যাবার জায়গা নেই। আমরাও কোন জায়গায় কোন কিছু বলে সুবিধা করতে পারছি না। আজকের এই সেমিনারের মাধ্যমে সরকারের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষনের জন্য কেবলমাত্র ভোক্তা অধিদপ্তরই যথেষ্ট নয়, ভোক্তাদের অধিকার রক্ষায় বিভাগ চাই।
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ক্যাব এর ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন।
তিনি বলেন, ব্যবসায়ীদের অসাধু তৎপরতা অপতৎপরতা ঠেকাতে ভোক্তা সংরক্ষন অধিদপ্তর, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, সিটি করপোরেশনের বাজার অভিযান পরিচালনা করছে। অপরাধের জন্য আদায় করা হচ্ছে জরিমানা, করা হচ্ছে সতর্ক। কিন্তু তারপরও অসাধু ব্যবসায়ীদের অপতৎপরতা বন্ধ হচ্ছে না।
সরকারের বিভিন্ন সংস্থার কার্যক্রমের তথ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, এ অসাধু ব্যবসায়ীদের ভিত এতই শক্তিশালী যে সরকারী প্রশাসন যন্ত্র মনে হয় তাদের কাছে অসহায়, এরা টাকার জোরে সরকারি আমলা, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও বিভিন্ন মিডিয়াকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করেন। বরং এরকম জলজ্যান্ত মানুষ মেরে কোটিপতি হবার লোকের সংখ্যা প্রতিনিয়তই বাড়ছে। ইতিপুর্বে একই কায়দায় গুড়োদুধে ময়দা মিশ্রিত করার হোতাসহ চিনি, সয়াবিন, চাল, পেয়াঁজ কেলেংকারী হোতাদের কোন শাস্তি হয়নি। তারা পর্দার আডালে আবার রেহাই পেয়ে যায়। আর সাধারন ভোক্তা হিসাবে জনগন অসচেতন ও অসংগঠিত, ভোক্তার অধিকার সম্পর্কে অজ্ঞতা, ভোক্তা সংগঠনগুলিকে সরকারি উপেক্ষার কারনে প্রকারান্তরে বাংলাদেশকে ভেজাল ও নিন্মমানের খাদ্যের বাজার ও পরীক্ষাগারে পরিণত করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। ফলে মানুষ যা আয় রোজগার করছে তার সিংহভাগই ঔষধ ও চিকিৎসার খরচ যোগাতে চলে যাচ্ছে। সরকার ও বহু জাতিক দাতা সংস্থা গুলি ব্যবসায়ী ও চেম্বারগুলিকে নানা সুবিধা দিলেও ভোক্তাদের সচেতন করার জন্য কোন কার্যকরী পদক্ষেপ নিচ্ছে না। ফলে দেশে ব্যবসায়ী ও ভোক্তাদের মধ্যে ব্যবধান বাড়ছে ও ভারসাম্যহীন পরিস্থিতি বিরাজ করছে। যা ব্যবসায় সুস্থ ধারা বিকাশে বিশাল প্রতিবন্ধক।
তিনি আরও বলেন, ব্যবসা শুধুমাত্র একটি অর্থ উপার্জনের উপায় নয়, এটা একটি সেবাও বটে। যার মাধ্যমে একজন ব্যবসায়ী ভোক্তাকে খাদ্য-পণ্য ও সেবা সার্ভিস দিয়ে সেবাও করছেন। পণ্যের মূল্য ঘষামাজা করে অতিমুনাফা আদায়ে সচেষ্ঠ হওয়াকে ব্যবসা বলা যাবে না। এটা প্রতারনা আর এই প্রতারনা ফৌজদারী অপরাধও বটে। তবে আইন দিয়ে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ সব সময় সম্ভব না ও হতে পারে। এজন্য প্রয়োজন অতিমুনাফালোভী, প্রতারক, মজুতকারী ও অসাধু ব্যবসায়ীদের সামাজিক ভাবে বয়কট করা। তাহলেই হয়তো ব্যবসা-বানিজ্যে জবাবদিহিতা ও সুশাসন নিশ্চিত হবে।

দেশে এমন কোন খাত নেই যেখানে অসাধু ব্যবসায়ীরা মাথা চারা দেয়নি বলে আক্ষেপ প্রকাশ করে ড. এম সামসুল আলম আরও বলেন, আমরা ভোক্তারা অনেকটা বন্দী হয়ে গেছি। এই বন্দি দশা থেকে মুক্তি দেবার জন্য দেশের আইন, সরকারি প্রতিষ্ঠান কেউ-ই সফল নন।
ভোক্তাদের প্রতি অনুরোধ রেখে তিনি বলেন, আপনারা জেলায় জেলায় অন্তত একটা করে ঘটনা চিহ্নিত করুন। যাতে এসব ঘটনাকে ভোক্তা অধিকার সুরক্ষা আইনের আওতায় এনে আদালতে ফৌজদারি আইনে মামলা করা যায়। ভোক্তা অধিদপ্তরের হয়তো এখনও মামলা করার অধিকার নেই। তবে এই আইন করা হচ্ছে। কিন্ত একমাত্র সংগঠন ক্যাব, যাকে মামলা করার অধিকার দেয়া হয়েছে। আমরা প্রয়োজনে প্রমাণ সহ এসব ভোক্তা স্বার্থ বিরোধী ঘটনায় আদালতে যাব।
সেমিনারে ভোক্তাকণ্ঠের সম্পাদক কাজী আব্দুল হান্নান বলেন, আমাদের দেশে দুটি সময়কে অসাধু ব্যবসায়ীরা কারসাজির মহা উৎসব হিসেবে নেয়। এর মধ্যে রমজানের ঈদ এবং বাজেটকে সামনে রেখে দাম বৃদ্ধির কারসাজি শুরু করে ব্যবসায়ীরা। এবছর ঈদ এবং বাজেট কাছাকাছি সময়ে হওয়ায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম আগে থেকেই বাড়িয়ে দিয়েছে। বাজেটকে সামনে রেখে আরেক দফা বাড়ানোর পায়তারা করছে।
সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ক্যাব এর সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট হুমায়ূন কবির ভূঁইয়া।





ঢাকা এর আরও খবর

খাদ্যজনিত অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে ‘ফ্রন্ট-অব-প্যাকেজ লেবেলিং’ চালুর তাগিদ খাদ্যজনিত অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে ‘ফ্রন্ট-অব-প্যাকেজ লেবেলিং’ চালুর তাগিদ
চলমান জ্বালানি সংকটের জন্য দায়ী ইউনুসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার চলমান জ্বালানি সংকটের জন্য দায়ী ইউনুসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধীস্থলে রাঙামাটি জেলা পরিষদের শ্রদ্ধা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধীস্থলে রাঙামাটি জেলা পরিষদের শ্রদ্ধা
রাজধানীতে পাহাড়ি খাবারের স্বাদ নিয়ে হলিডে ইনে ‘তিন পাহাড়ের গল্প’ উৎসব রাজধানীতে পাহাড়ি খাবারের স্বাদ নিয়ে হলিডে ইনে ‘তিন পাহাড়ের গল্প’ উৎসব
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে এমপি আবুল কালামের অভিনন্দন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে এমপি আবুল কালামের অভিনন্দন
বিদেশ নির্ভরতা কাটিয়ে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জাতীয় প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করুন বিদেশ নির্ভরতা কাটিয়ে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জাতীয় প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করুন
দেশে আজ স্বপ্নচারী, নীতিনিষ্ঠ ও আদর্শবাদী নেতৃত্বের খরা চলছে দেশে আজ স্বপ্নচারী, নীতিনিষ্ঠ ও আদর্শবাদী নেতৃত্বের খরা চলছে
ব্যাটারিচালিত রিকশার ডাম্পিং ও পুলিশী হয়রানি বন্ধ করুণ ব্যাটারিচালিত রিকশার ডাম্পিং ও পুলিশী হয়রানি বন্ধ করুণ
জলবায়ু পরিবর্তনের অদৃশ্য সংকট ও পরিণতি জলবায়ু পরিবর্তনের অদৃশ্য সংকট ও পরিণতি
সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে বিটিএমএ  এবং বিজিএমইএ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে বিটিএমএ এবং বিজিএমইএ

আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)