মঙ্গলবার ● ২৫ অক্টোবর ২০২২
প্রথম পাতা » সকল বিভাগ » নবীগঞ্জে ১ বছরেও জন্ম নিবন্ধন সনদ সংশোধন করাতে পারেননি
নবীগঞ্জে ১ বছরেও জন্ম নিবন্ধন সনদ সংশোধন করাতে পারেননি
নবীগঞ্জ প্রতিনিধি :: নবীগঞ্জে ১ বছরেও ছেলে-মেয়ের জন্ম সনদ সংশোধন করাতে না পেরে নিরুপায় হয়ে ১ মহিলা উপজেলা নির্বাহি অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। ২৪ অক্টোবর সোমবার দুপুরে পৌর কর্মচারী কর্তৃক হয়রানী ও দূর্ব্যাবহারের শিকার মাহমুদা আক্তার নামের এক মহিলা উপজেলা নির্বাহি অফিসার বরাবর অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ সূত্রে প্রকাশ, গত বছরের অক্টোবর মাসের শেষ দিকে ৩ ছেলে-মেয়ের জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করানোর জন্য পৌরসভায় যান মাহমুদা আক্তার। তখন পৌরসভা থেকে ওই মহিলা ও তার স্বামীর এনআইডি, জন্ম নিবন্ধন সনদ এবং তার ছেলে-মেয়েদের আগের নিবন্ধন নিয়ে আসতে বলা হয়। জন্ম সনদ সংশোধনীর প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস দেয়ার পর পৌরসভার কর্মচারী এলেমান আহমেদ চৌধুরী এবং বনানী দাশ কথিত বিভিন্ন কাল্পনিক অভিযোগে সময় ক্ষেপন করতে থাকেন। এক পর্যায়ে বলা হয় পৌরসভা কার্যালয়ে সংশোধনের আবেদন নেয়া হয়না। পরে তিনি জানতে পারেন ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তা আতাউর রহমান শামীম তার ওসমানী রোডস্থ দোকানে আবেদন করা হয়। একাধিকবার ওইখানে এসেও তিনি আবেদন করতে পারেন নি। দীর্ঘ ১ বছর এভাবেই চলে যায়। এর মাঝেই তার এক নবজাতক মেয়ে জন্মের পরদিন মারা যায় এবং বেশ কিছুদিন অসুস্থ শরীর নিয়ে পৌরসভায় আবেদনের জন্য যান তিনি। সামনে তার মেয়ে ও ছেলের পরীক্ষা। তাদের রেজিস্ট্রেশন এবং ইউনিক আইডি কার্ড তৈরীর জন্য এটা খুব জরুরী। গত ১৮ অক্টোবর পৌর ডিজিটাল সেন্টারে আবেদন করলে কর্তৃপক্ষ জানান আবেদন হয়নি। পরে উপজেলা পরিষদের সামনে একটি দোকানে গিয়ে আবেদন করলে কর্তৃপক্ষ বলে আবেদনটি তাদের কাছে আসেনি। পরবর্তীতে উপজেলা সহকারী প্রোগ্রামার কাজী মঈনুল হোসেন এর কাছে গেলে তিনি বলেন আবেদন হয়েছে, তবে পৌর কর্তৃপক্ষ এপ্রুভ করেনি। পৌরসভায় গিয়ে বললেই হবে। পৌরসভায় গিয়ে প্রথমে ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তা আতাউর রহমান শামীমের কাছে গেলে তিনি বলেন, উপজেলা সহকারী প্রোগ্রামারের কাছে কেন গেলেন। মেয়র মহোদয়ের কাছে গিয়ে উনার স্বাক্ষর নিয়ে আসেন। অনেক অপেক্ষার পর মেয়রের স্বাক্ষর নিয়ে পৌর কর্মচারী এলেমান আহমেদ চৌধুরীর নিকট গিয়ে গেলে উত্তেজিত হয়ে বলেন, আপনি উপজেলা সহকারী প্রোগ্রামারের নিকট কেন গেলেন এবং চরম দুর্ব্যাবহার করেন। পরে আবারও উপজেলা সহকারী প্রোগ্রামার এর কাছে গেলে তিনি ৫ মিনিটের মধ্যেই সবকিছু ঠিক করে দেন। এক পর্যায়ে পৌরসভায় সংশোধিত প্রিন্ট কপির জন্য গেলে প্রিন্টারে সমস্যার অজুহাত দেখিয়ে ৪/৫ দিন পর আসতে বলেন। সোমবার ২৪ অক্টোবর প্রিন্ট কপি নেয়ার জন্য পৌরসভায় গেলে আবারও বলা হয় প্রিন্টার ঠিক হয়নি, ঠিক হলে এসে নিয়ে যাবেন। এরই প্রেক্ষিতে তিনি ২৪ অক্টোবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে উপজেলা নির্বাহি অফিসার ইমরান শাহরিয়ার বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।





নবীগঞ্জে ৭১ লাখ টাকার কাজে অনিয়মের অভিযোগ
বড়পুকুরিয়ার মজুদ কয়লা নিয়ে বিপাকে কর্তৃপক্ষ
গৌরীপুরে বাড়িঘর লুটপাট, পুলিশের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী
তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ আইনে রূপান্তরের দাবি
মার্কিন - ইজরায়েল অশুভ জোট সারা দুনিয়াকে বৃদ্ধাংগুলী দেখিয়ে চলেছে
ভারত থেকে পার্বতীপুরে আসছে ৫ হাজার টন ডিজেল
আক্কেলপুরে ট্রেনের ধাক্কায় যুবকের মৃত্যু