সোমবার ● ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
প্রথম পাতা » চট্টগ্রাম বিভাগ » দুটি আঞ্চলিক গোষ্ঠী পরোক্ষভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পর থেকে ভোটারদের মুখ কালো : জুঁই চাকমা
দুটি আঞ্চলিক গোষ্ঠী পরোক্ষভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পর থেকে ভোটারদের মুখ কালো : জুঁই চাকমা
স্টাফ রিপোর্টার :: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাঙামাটিতে ছয়টি জাতীয় রাজনৈতিক দল, একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রত্যক্ষভাবে এবং দুটি আঞ্চলিক গোষ্ঠী পরোক্ষভাবে অংশগ্রহণ করেছে। দুটি আঞ্চলিক গোষ্ঠী পরোক্ষভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পর থেকে ভোটারদের মুখ কালো- এমন মন্তব্য করেছেন ২৯৯ নম্বর রাঙামাটি আসনে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির মনোনীত কোদাল প্রতীকের প্রার্থী জুঁই চাকমা।
তিনি নির্বাচনি ব্যানার-ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ করেন এবং ভোটের দিন কেন্দ্র দখলের আশঙ্কার কথাও জানান।
০৯ ফেব্রুয়ারি সোমবার সন্ধ্যায় জেলা শহরের কোর্ট বিল্ডিং এলাকার নির্বাচনি কার্যালয়ে ‘মিট দ্য প্রেস’-এ জুঁই চাকমা অভিযোগ করে বলেন, “আমি যখন নির্বাচনি প্রচারণায় বিভিন্ন উপজেলায় গিয়েছি, তখন দেখেছি একটি রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ও সমর্থকরা নির্বাচনি আচরণবিধি মানছেন না। এর দায় রাঙামাটি আসনের রিটার্নিং অফিসার ও নির্বাচন কমিশনের। ভোটের মাঠে যারা আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন, তারা ভোটকেন্দ্রে গিয়ে কী করবেন, তা তারাই ভালো জানেন। শুরু থেকেই আমরা লক্ষ্য করেছি, রাঙামাটি আসনের রিটার্নিং অফিসার ও সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসারের ভূমিকা রহস্যজনক।”
এ সময় প্রার্থীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচনি মুখ্য এজেন্ট নির্মল বড়ুয়া মিলন, নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব পলাশ চাকমা, যুগ্ম সদস্য সচিব অপু বড়ুয়া, সদস্য প্রকাশ চৌধুরী বড়ুয়া, নিখিল চাকমা, অরুনজিতা চাকমা প্রমুখ।
জুঁই চাকমা বলেন, “এবার রাঙামাটি আসনে ছয়টি জাতীয় রাজনৈতিক দল, একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রত্যক্ষভাবে এবং দুটি আঞ্চলিক গোষ্ঠী পরোক্ষভাবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে। দুটি আঞ্চলিক গোষ্ঠী পরোক্ষভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পর থেকেই ভোটারদের মুখ কালো। এই দুটি আঞ্চলিক গোষ্ঠীর নেতৃবৃন্দের কাছে আমার আহ্বান থাকবে-ছাত্র-শ্রমিক-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর দেশে গণতান্ত্রিক পন্থায় ভোটাররা যেন তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেন। আপনাদের হাতে জনপ্রিয়তা যাচাইয়ের সুযোগ এসেছে।”
২৯৯ নম্বর রাঙামাটি আসনে এই প্রর্থী বলেন বলেন, “আমি জানতে পেরেছি, ইতোমধ্যে সুবলং লঞ্চঘাটের যাত্রী ছাউনি থেকে এবং জীবতলী ইউনিয়নের হাজার মানিক নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয় ও হাজাছড়ি হেডম্যানপাড়া যাত্রী ছাউনির সামনে থেকে আমার নির্বাচনি প্রচারণার ব্যানার ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে। বিষয়টি অত্যন্ত নিন্দনীয় ও দুঃখজনক।”
জুঁই চাকমা বলেন, “আমি যেখানে গিয়েছি, মানুষ আমাদের সাদরে গ্রহণ করেছেন। চা-নাস্তা ও ভাত দিয়ে আপ্যায়ন করেছেন। নারী ভোটাররা আমাকে পেয়ে বুকে জড়িয়ে ধরেছেন এবং আমার নির্বাচনি প্রচারণায় সহযোগিতা করেছেন। রাজনীতির মাধ্যমে মানুষের সেবা করার মানসিকতা আমার আরও দৃঢ় হয়েছে। এই নির্বাচনে আমি জিতলেও ওই মানুষগুলোর কাছে যাব, না জিতলেও তাদের সঙ্গে দেখা করতে যাব।”
এ সময় তিনি ২৯৯ নম্বর রাঙামাটি আসনের রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফীর কাছে তিনটি দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬-এর ভোট ও গণভোটের ভোটগণনা বিবরণী (ফরম-১৬) প্রতিটি কেন্দ্রের ফলাফল যেন প্রার্থীদের সরবরাহ করা হয়;
ভোটকেন্দ্র দখল ও পেশিশক্তি প্রয়োগের অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিকভাবে ওই কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ বন্ধ করা হয়;
বিনা বাধায় ভোটাররা যেন তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেন এবং কোনো প্রার্থীর নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা নিয়ে সংশ্লিষ্ট অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হয়।





নানিয়ারচর উপজেলাকে আধুনিকায়ন করে মাঝারি শিল্প গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেব : জুঁই চাকমা
খাগড়াছড়িতে ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে নিরপেক্ষ ভোটের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন
বেতবুনিয়াতে জুঁই চাকমার জনসংযোগ
শখের বসে মোটরসাইকেল চালাতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু
বাঘাইছড়িতে শিল্প অঞ্চল গড়ে তোলার উপর গুরুতর করেন জুঁই চাকমা
বেতবুনিয়া পিএসটিএস টিআরসিদের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ