বৃহস্পতিবার ● ৩০ এপ্রিল ২০২৬
প্রথম পাতা » চট্টগ্রাম বিভাগ » রাঙামাটি শহরের গর্জনতলী গ্রামের রাস্থা এখন মরণ ফাঁদ !
রাঙামাটি শহরের গর্জনতলী গ্রামের রাস্থা এখন মরণ ফাঁদ !
দেবদত্ত মুৎসুদ্দী, রাঙামাটি :: রাঙামাটি সদর উপজেলা ৭নং ওয়াডের গর্জনতলী গ্রামের প্রধান সড়ক গুলো এখন যেন এক ভয়ংকর বিপদের ফাঁদে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন শত শত সাধারণ মানুষ, মোটরসাইকেল, সিএনজি, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী ও শিশুর ব্যবহার করে চলাচল করলেও দীর্ঘদিন ধরে শত শত ফুট বিভিন্ন স্থানে এর বেহাল ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা যথাযত কর্তৃপক্ষের নজরে না আসায় এলাকার বাসিন্দাদের চরম ক্ষোভ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, গ্রামের রাস্তার বিভিন্ন অংশ পানির লাইনের সংস্কারের কারণে গর্জনতলী গ্রামের প্রবেশ মুখে, মগপাড়া এলাকা, ব্রীজের সামনে, ব্রীজের পিছনে, বসুন্ধরা এলাকায় ভেঙে গেছে, কোথাও কোথাও বড় বড় গর্ত, কোথাও পিচ্ছিল ও ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে পড়েছে, বর্ষা মৌসুমে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে বৃষ্টি হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়। সামান্য অসাবধানতায় সিএনজি অটোরিকশা, মোটরসাইকেল চালক আরোহী শিশু, বৃদ্ধ কিংবা ভারী মালামাল বহনকারী গাড়ী ও যাত্রীরা মারাত্মক দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে।
প্রতিদিন জীবন জীবিকার তাগিদে এই পথ ব্যবহার করেন অসংখ্য সরকারি কর্মকর্তা, কর্মচারী, শিক্ষক, ছাত্র, ছাত্রী, শিশু, কিশোর, দিনমজুর। শিশুরা হাত ধরে চলাচল, মাথায় ভারী বোঝা নিয়ে, মোটরসাইকেল, সিএনজি চালিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এই রাস্তায় চলাচল করতে গিয়ে তারা প্রতিনিয়ত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়ত করছে। অনেকেই অভিযোগ করে বলেন, আমরা পেটের দায়ে, জীবন জীবিকার জন্য কাজ করতে গিয়ে বাসা থেকে বের হতে হয় , কিন্তু এই রাস্তা দিয়ে চলাচল মানেই প্রতিটা সময় দূর্ঘটনা আর বিপদের সাথে লড়াই করা বিপদ বুঝি এ ঘরেই এলো। কোনো প্রাণহানির পরই কি কেবল জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর বা জেলা প্রশাসনের টনক নড়বে? নাকি এর আগেই মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যবস্থা নিবে প্রশাসন।
স্থানীয় সিএনজি চালক হৃদয় মারমা জানান, প্রতিদিন আমি এ রাস্তা দিয়ে গাড়ি নিয়ে চলাচল করতে গিয়ে আতংকে থাকি এই বুঝি গাড়িটা উলটে গেল ভয়ে ভয়ে গাড়ি চালাই। পথচারী পুরোনজীত ত্রিপুরা জানান, নাতি, নাতনি দের নিয়ে বাসাথেকে বের হওয়া যায় না, ভয় লাগে পরে গিয়ে যদি হাত পা ভেঙ্গে যায়। তিনি আরো বলেন, যত দ্রুত সংস্কার কিংবা নতুনভাবে নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।
এবিষয়ে বলাকা ক্লাবের সহ সভাপতি রিপন বড়ুয়া জানান, অনেক দিন ধরে রাস্তার অবস্থা খুবই নাজুক রাত দুপুরে গর্ভবতী নারী, বৃদ্ধ অসুস্থ রুগীকে অনেক দূর্ভোগ পোহাতে হয় বড় ধরনের দুর্ঘটনা না ঘটার আগেই প্রশাসনের জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া খুবই প্রয়োজন।
এবিষয়ে বলাকা ক্লাবের সাহিত্য সম্পাদক ভবদত্ত মুৎসুদ্দী জানান, এটি শত শত মানুষের নিরাপত্তা ও জীবনের প্রশ্ন। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে যেকোনো সময় ঘটতে পারে জান মালেন অপূরণীয় ক্ষতি।





অজিতানন্দ মহাথেরোর পিতা-মাতার স্মরণে অষ্টপরিষ্কারসহ সংঘদান ও জ্ঞাতিভোজন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত
পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটি পূর্ণগঠন : সভাপতি নির্মল বড়ুয়া মিলন, সম্পাদক শ্যামল চৌধুরী
বেতছড়ি হিলফুল ফুজুল সংঘের প্রবাস ফেরত ৫ সদস্যকে ফুলের সংবর্ধনা
আগামীকাল বাংলা বছরের শেষদিন চৈত্র সংক্রান্তি
বর্ষবরণে রাউজানের মহামুনি বিহারে পাহাড়ি-বাঙালির মিলন মেলা কাল
এখন থেকে আর বৈসাবি নয়, স্ব-স্ব নামে উদযাপিত হবে পাহাড়ের ঐতিহ্যবাহী সামাজিক উৎসব : পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান