মঙ্গলবার ● ১৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রথম পাতা » উপ সম্পাদকীয় » মৌলভীবাজারের ঐতিহ্যবাহী পাঁচগাঁওয়ের দুর্গা পূজা ও কিছু কথা
মৌলভীবাজারের ঐতিহ্যবাহী পাঁচগাঁওয়ের দুর্গা পূজা ও কিছু কথা
উত্তম কুমার পাল :: প্রতিবছর শরৎকালে সারা বাংলাদেশে শারদ উৎসব শারদীয় দুর্গা পূজা ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে উদযাপন হয়ে থাকে। দেশের সার্বিক পরিস্থিতির কারণে এ বছর পূজার আমেজ অনেকটা অন্যান্য বছরের চেয়ে ভিন্ন বলে মনে হচ্ছে। আমাদের সিলেট বিভাগেও সর্বত্রই দুর্গোৎসবকে ঘিরে চলছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর থানার পাঁচগাঁওয়ের ঐতিহ্যবাহী দুর্গোৎসবও এবার বর্ণিল আনন্দ-উৎসবের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হচ্ছে। এক অলৌকিক ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পাঁচগাঁওয়ে প্রতি বছর শারদোৎসব আয়োজন করা হয়। পাঁচগাঁওয়ে প্রত্যেক বছর লাখো লাখো ভক্ত-পূজারী দেশ-বিদেশ থেকে আসেন মহামায়ার শ্রীচরণে পুষ্পাঞ্জলি প্রদানের প্রত্যাশায়। কী অলৌকিক ঘটনার জন্য পাঁচগাঁওয়ে পূজা হয়, তাই সংক্ষিপ্ত তথ্য নিয়ে এই প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।
তিনশ বছর পূর্বে তৎকালীন সময়ে পাঁচগাঁওয়ের জমিদার ছিলেন রাজারাম দাস। এই বিশিষ্ট জমিদার রাজারাম দাসের সাধক পুত্রের নাম সর্বানন্দ দাস। সাধক সর্বানন্দ দাস তৎকালীন সরকারের মন্ত্রী পদবীর কাজ করতেন। ভারতের আসামের শিব সাগর জেলায় ছিল সর্বানন্দ দাসের কর্মস্থল। এ সময় তিনি কামাখ্যাধামে পূজা করার বাসনা মনে পোষেন। নিজের বাড়ি পাঁচগাঁওয়ে যথাবিহিত পূজা করার জন্য স্ত্রী এবং কর্মচারীদের নির্দেশ প্রদান করেন। যথাযথভাবেই কামাখ্যাধামে সর্বানন্দ দাস পূজার আয়োজন করলেন। মহাষ্টমীর দিনে পঞ্চম বর্ষীয়া কুমারী পূজা দীর্ঘ ৬ ঘণ্টা ধরে চলতে লাগলো। পূজা শেষ হলো। সর্বানন্দ দাস ভগবতীকে প্রণাম করলেন। প্রণাম করার পরই এক অভূতপূর্ব দৃশ্য তিনি অবলোকন করেন। তিনি দেখলেন-কুমারীর পুরো শরীরের বর্ণ পরিবর্তন হয়ে লাল বর্ণ ধারণ করেছে। কিংকর্তব্যবিমূঢ় সর্বানন্দ দাস জানতে চাইলেন- মাগো পূজা সুসম্পন্ন হলো কি না? ভগবতী দেবী বললেন- হ্যাঁ, তোর পূজা সিদ্ধ হয়েছে। এই লাল বর্ণে তোর বাড়ি পাঁচগাঁওয়ে আবির্ভূত হয়েছিলাম। এখন থেকে এই লাল বর্ণে তুই আমার পূজা করবি।
সর্বানন্দ দাস ভয় ভয় বললেন-মাগো তুমি যে আমার বাড়িতে আবির্ভূত হয়েছিলিলে তার প্রমাণ কি? উত্তরে দেবী বললেন- তোর দুর্গা মণ্ডপের বেড়ার উপর আমার হাতের ছাপ রেখে এসেছি, তুই দেখিস তা। ভগবতী সর্বানন্দের পূজায় সন্তুষ্ট হয়ে বর দিতে চাইলে, সর্বানন্দ দাস ভগবতীর শ্রীপাদপদ্ম চাওয়ার বর কামনা করেন। ভগবতী দেবী অন্য বর চাওয়ার আহ্বান জানালে সর্বানন্দ দাস প্রার্থনা করেন অন্য একটি বর। প্রার্থিত বরটি ছিল- “আমার বাড়ি পাঁচগাঁওয়ে স্থাপিত দুর্গা মণ্ডপে তুমি চিরস্থায়ীভাবে অধিষ্ঠিত থাকবে।” ভগবতী দেবী তথাস্ত বলে তার নিজ মাথার পরিহিত সোনার সিঁথি খুলে সর্বানন্দ দাসের হাতে তুলে দেন। তিনি নির্দেশ করেন- “প্রতি বছর বছর মহালয়ের সময় এই সিঁথি দ্বারা স্নান করানোর জন্য।” তখন সর্বানন্দ দাস মহামায়ার শ্রীচরণে লুটিয়ে পড়েন।
পূজোর বাঁধা, অতঃপর
কামাখ্যাধাম হতে সর্বানন্দ দাস নিজ বাড়ীতে আসেন। তিনি দেখতে পান, ভগবতী দেবীর হাতের ছাপ পূজা মণ্ডপের বেড়ার উপর। পরের বছর সর্বানন্দ দাস পাঁচগাঁওয়ে পূজার আয়োজন করা শুরু করেন। ভগবতী দেবীর আদেশ অনুযায়ী মাতৃমূর্তিকে কামাখ্যাধামের কুমারীর শরীরের লাল বর্ণের সাদৃশ্য দ্বারা রঞ্জিত করান সর্বানন্দ দাস। ভগবতীর ধ্যানে উল্লেখ আছে, ভগবতী দুর্গা দেবী অতসী পুষ্প বর্ণভা। কিন্তু পাঁচগাঁওয়ের ভগবতী দেবীকে লোহিত লাল বর্ণ করে সাজালে, সর্বস্তরের গ্রামবাসী, সর্বানন্দের আত্মীয়-স্বজন, গুরু-পুরোহিত বলতে লাগলেন, “ভগবতী দেবী লাল বর্ণ শাস্ত্র বিরুদ্ধ।” তারা এই অভিযোগ এনে পূজার আয়োজন থেকে বিরত থাকার জন্য সর্বানন্দ দাসকে চাপ প্রয়োগ করেন।
সর্বানন্দ দাস কামাখ্যাধামের চাক্ষুষ অভিজ্ঞতার কথা ব্যক্ত করলে সকলেই একবাক্যে মনগড়া ও পাগলামি বলে পূজায় যোগদান না করার সিদ্ধান্ত নেন। সেই বছর ষষ্ঠ দিন থেকে রাত পর্যন্ত কেউ পূজায় আসেননি। পুরোহিতের অভাবে সেদিন দেবীর বোধন সম্পন্ন হলো না। সর্বানন্দ দাস বিচলিত হলেন। তিনি পাগলের মতো ভগবতী দেবীকে ডাকতে লাগলেন। চোখের জলে পূজা মণ্ডপ ভাসালেন। রাত পোহাবার আর কিছু সময় বাকী এমনই মুহূর্তে গ্রামবাসী, জ্ঞাতিতবর্গ, গুরু-পুরোহিতসহ সর্বস্তরের ভক্ত-পূজারীরা দলে দলে পূজা মণ্ডপে আসতে লাগলেন। তারা এসে ভগবতী দেবীকে প্রণাম দিয়ে জানান— ভগবতী দেবী স্বপ্নাদেশ দিয়েছিলেন, ‘লাল বর্ণে পূজা করতে হবে।’ তখনই শুরু হয় মহাষ্টমীর পূজা। ঢাক-ঢোল, শঙ্খ-ঘণ্টা এবং উলুধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে পূজা মণ্ডপ। সে বছর ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা এবং আনন্দঘন পরিবেশের মধ্যেই ভগবতী দেবীর পূজা সম্পন্ন হয়।
খণ্ডিত মহিষ জীবিতঃজনশ্রুতি রয়েছে সর্বানন্দ দাস তার গুরুকে বলেছিলেন-তন্ত্রে যেমন মহাবলি দেবার বিধান আছে, তেমনি সাধন বলে খণ্ডিত মহিষকে জীবিত করারও বিধান রয়েছে। গুরুদেব সর্বানন্দ দাসের প্রস্তাবে রাজী হয়ে গেলেন। তিনি নির্দেশ দিলেন ‘খণ্ডিত মহিষকে কেউ স্পর্শ করতে পারবে না।’ সর্বানন্দ দাস খণ্ডিত মহিষকে কেউ স্পর্শ না করার ব্যবস্থা করলেন। তিনি পূজা মণ্ডপের চারদিকে সন্ধ্যার পর থেকে জনসাধারণের প্রবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন। সন্ধ্যার পর একটি বড় মশারী দ্বারা মহিষকে আচ্ছাদিত করা হয়। এরপর খণ্ডিত মস্তক মহিষের গলার সঙ্গে সংযোজন করেন সর্বানন্দ দাস। তারপরেই গুরু-শিষ্য দুজন মিলে সারারাত মশারীর ভিতর বিধিমতো তান্ত্রিক পূজা সম্পন্ন করেন। ভোরের সূর্য উদিত হওয়ার পর সর্বানন্দ দাসকে নিয়ে সেই মহিষ দক্ষিণ দিকে দৌড় শুরু করে দিল। তার সাথে সাথে গুরুদেবও কমণ্ডলু হাতে নিয়ে দৌড় দিলেন। নাগের বাড়ির পুকুর পাড়ের কাছে যাবার পর গুরুদেব কমণ্ডলু থেকে মন্ত্রপূত জল মহিষের উপর ছিটিয়ে দেন। কমণ্ডলু থেকে জল ছিটিয়ে দেবার পরপরই মহিষ মাটিতে পড়ে যায়। সেই সময় মহিষের গলায় মস্তক সংযোজন হয়।
অসন্তুষ্ট দেবী, সর্বানন্দ দাসের নির্দেশনামা প্রায় ২/৩ বছর পর সর্বানন্দ দাস কামাখ্যাধামে গিয়ে পুনরায় কুমারী পূজা করেন। সর্বানন্দ দাস কুমারী দেবীর কাছে জানতে চাইলেন— তার বাড়ি পাঁচগাঁওয়ে সুষ্ঠু ও সঠিকভাবে পূজা সম্পন্ন হচ্ছে কি না? উত্তরে দেবী বললেন— গত বছর নবমী দিনে যে শাড়ীখানা দেবী দুর্গাকে দেয়া হয়েছিল, তা ছেঁড়া ছিল এবং পরিবারের গৃহিণীর শাড়ীর চাইতেও তা নিম্নমানের ছিল। সর্বানন্দ দাস খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন দেবীর কথাই সঠিক। পূজা, ধারকতা, ১০৮ চণ্ডীপাঠ, দশ হাজার হোম ও পূজার অন্যান্য কাজ সম্পন্ন করার জন্য সর্বানন্দ দাস গুরু-পুরোহিত, প্রতিমা গড়ক ও পূজার সামগ্রী প্রস্তুতকারীদের জন্য পৃথক পৃথক ভূমি প্রদান করেন।
সর্বানন্দ দাস দেবীর সেবার কার্যাদি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য মৃত্যুর পূর্বে তৎকালীন কমলচরণ বাবুকে একখানা নির্দেশনামা দিয়ে যান। কমলচরণ বাবুও তৎপুত্র কালিকিশোর বাবুকে এবং কালিকিশোর বাবুও তৎপুত্র কালীপদ বাবুকে অনুরূপ একখানা নির্দেশনামা লিপিবদ্ধ করে দেন। কালীপদ বাবু ৪৮ বছর বয়সে অসুস্থ হয়ে পড়েন। সে সময় তার পুত্রগণ স্থির এর মূল্য বৃদ্ধি পাবার কারণে হোম কমাইয়া দেবার সিদ্ধান্ত নেন। এ খবর কালীপদ বাবু জানতে পেরে তীব্র প্রতিবাদ জানান। তিনি নির্দেশনামার সিদ্ধান্ত ঠিক রাখার জোর নির্দেশ দেন। পুত্রগণ কালীপদ বাবুর সিদ্ধান্ত মেনে নেন। কালীপদ বাবুর অসুস্থতার পর তৃতীয় পুত্র শান্তি বাবু ভগবতীর পূজার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। শান্তি বাবু যথাবিহিত পূজা প্রতি বছরই সুষ্ঠু ও সুশৃঙ্খলভাবে আয়োজন করেন। ১৩৩৮ বাংলায় শান্তি বাবু দেহত্যাগ করেন। ১৩৬২ বাংলার ১লা বৈশাখ হতে জমিদারী প্রথা বিলুপ্ত হয়। জমিদারী প্রথা বিলুপ্তির পর দুর্গা পূজা ভিতর বাড়ীতে অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। তখন ভক্ত-পূজারীরা সমবেত হয়ে যথারীতি পূজার কার্যাদি আগের মতোই পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেন। সেই অনুযায়ী পূজা প্রতি বছরই চলতে থাকে। শান্তি বাবুর কনিষ্ঠ পুত্র শ্রী সঞ্জয় দাস প্রতি বছর প্রবাস থেকে পূজার সময় পাঁচগাঁওয়ে আসেন। তিনি এসে যথারীতি শারদীয় দুর্গা পূজার আয়োজনে নিয়োজিত থাকেন।
মুক্তিযুদ্ধ, সিঁথি রক্ষা ঃ-
১৩৭৭ বাংলার শেষ দিকে জনৈক ভক্ত প্রদত্ত রূপার তৈরি ৮০ ভরি ওজনের একটি মুটক, রূপার তৈরি একটি চরণপদ, সোনার চুড়ি, সোনার নোলক ও সোনার আংটি লুণ্ঠিত হয়। কেবলমাত্র কুমারীর মাথার সোনার সিঁথিটি রক্ষা পায়। যে মানুষ মুকুটসহ অন্যান্য সামগ্রী সোনার নোলক ও সোনার আংটি নিয়ে ছিল পরবর্তীতে তার মস্তিষ্ক বিকৃত হয়ে মারা যায়। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে শান্তি বাবু কুমারী দেবীর সিঁথি কলাপ্রোহিত স্বর্গীয় রাজিব ভট্টাচার্যের নিকট রেখে ভারতে চলে যান। যুদ্ধে রাজিব ভট্টাচার্যের সমস্ত সম্পত্তি ধ্বংস হয়। কিন্তু সিঁথি তিনি বুকের স্বর্গীয় রাজিব ভট্টাচার্যের নিকট রেখে ভারতে চলে যান। যুদ্ধে রাজিব ভট্টাচার্যের সমস্ত সম্পত্তি ধ্বংস হয়। কিন্তু সিঁথি তিনি বুকে আগলে রাখেন। শান্তি বাবু দেশে ফিরলে রাজিব ভট্টাচার্য সিঁথিটি সমঝাইয়া দেন। শান্তি বাবুর বাড়িঘর পাকিস্তানি হিংস্র হায়েনারা জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে দেয়। কিন্তু দুর্গামণ্ডপ রাসায়নিক দ্রব্য দিয়েও পোড়াতে পারেনি জানোয়ার হায়েনারা। নরপিশাচ পাক-হানাদার বাহিনীর অপচেষ্টায় ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়।
অগণিত মানুষের ঢল এবং বলি : যথারীতি এবারও বলি অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিবছরই পাঁচগাঁও দুর্গামণ্ডপ লাখো লাখো মানুষের মিলন মেলায় মুখরিত হয়। দেশ-বিদেশ থেকে ভক্তরা আসেন মায়ের শ্রীচরণে প্রণাম দেবার বাসনায়। পূজা উপলক্ষ্যে পাঁচগাঁও বর্ণাঢ্য মেলা বসে। পূজোয় পাঁচগাঁও বর্ণিল সাজে সজ্জিত হয়। সর্বস্তরের মানুষের পদচারণায় দুর্গোৎসব হয়ে ওঠে হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসার সম্মিলন। ‘শাশ্বতী’ নামে প্রতি সাজে সজ্জিত হয়। সর্বস্তরের মানুষের পদচারণায় দুর্গোৎসব হয়ে ওঠে হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসার সম্মিলন। ‘শাশ্বতী’ ইতিমধ্যেই ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। সারা পৃথিবীতেই বছরে একটি সাহিত্য সংকলন পাঁচগাঁও থেকে প্রকাশিত হয়। ‘শাশ্বতী’ ইতিমধ্যেই ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। এমনি এক দুঃসময়-দুর্দিনে আজ এক অস্থিরতা বিরাজ করছে। সেই অস্থিরতা আমাদের মাতৃভূমি বাংলাদেশকেও আঁকড়ে ধরেছে। এমনি এক দুঃসময়-দুর্দিনে আজ এক অস্থিরতা বিরাজ করছে। সেই অস্থিরতা আমাদের মাতৃভূমি বাংলাদেশকেও আঁকড়ে ধরেছে। আমরা প্রত্যাশা রাখছি মহামায়ার আগমনী ধ্বনিতে মহামায়া, জগজ্জননী ও দুর্গতিনাশিনী দেবী দুর্গা মা এসেছেন এবার পূজা নিতে। আমরা প্রত্যাশা রাখি, মহামায়া হবে মানুষের মন-প্রাণ। মানুষ শুধু মহামায়া, জগজ্জননী ও দুর্গতিনাশিনী দেবী দুর্গা মা এসেছেন এবার পূজা নিতে। আমরা প্রত্যাশা রাখছি মহামায়ার আগমনী ধ্বনিতে সকল অস্থিরতা, সংকট ও সংশয়ের পতন হবে। সমস্ত পৃথিবীতেই সুখ-শান্তির আলোয় মাতোয়ারা হবে মানুষের মন-প্রাণ। দেশের সার্বজনীন সকল অস্থিরতা, সংকট ও সংশয়ের পতন হবে। মহিষাসুরদের নশ্বর হাতের কালো থাবা হতে দশভুজা বাঁচাবেন সমগ্র মানব জাতিকে। মানুষ শুধু ভালোবাসাতেই বেঁচে থাকবে চিরকাল।
বিশ্ব জুড়ে নেমে আসুক শান্তির সুবাতাস। এটাই হউক শারদীয় দুর্গা উৎসবে সকলের চাওয়া।
লেখক : উত্তম কুমার পাল হিমেল
সভাপতি, জাতীয় হিন্দু সমাজ সংস্কার সমিতি,নবীগঞ্জ উপজেলা শাখা হবিগঞ্জ।





মহালয়ার আদ্যপান্ত : ভিন্ন দৃষ্টিকোণ
নিখোঁজ শিশুর অনিশ্চিৎ ভবিষ্যৎ : আইনি ও সামাজিক সুরক্ষা জরুরী
কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ
বিশ্ব বাস্তবতায় জাতিসংঘের ঘোষিত ছয় অগ্রাধিকার
নেপালের বন্যা: সীমান্তের ঊর্ধ্বে এক সংকট
জলবায়ু পরিবর্তনের অদৃশ্য সংকট ও পরিণতি
নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা : সামাজিক বাস্তবতা ও উত্তরণের পথ
স্বাধীন রাজনৈতিক শ্রেণী হিসাবেই শ্রমিকশ্রেণীকে ঘুরে দাঁড়াতে হবে : বহ্নিশিখা জামালী
গৌতম বুদ্ধের প্রধান তিনটি ঘটনাকে বুদ্ধ পূণিমা অভিহিত করা হয়