শিরোনাম:
●   রাজাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫ দিন ধরে পানি নেই, রোগীরা ভোগান্তিতে ●   কোরবানির ঈদ সামনে রেখে ঈশ্বরগঞ্জে ব্যস্ত খামারি ●   হামে প্রায় পাঁচশো শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যুর দায় কাউকে না কাউকে নিতে হবে ●   রাঙামাটিতে সওজ বিভাগের ওয়াল থাকায় প্রাণে রক্ষা পায় ৩৮ জন যাত্রী ●   মিরসরাইয়ের করেরহাটে বাবা’কে পিটিয়ে হ’ত্যা, ঘা’তক ছেলে মিলন আটক ●   গাজীপুর কেজি স্কুল অ্যাসোসিয়েশনের পরিচিতি সভা ●   ঝালকাঠিতে ব্রিজ ভেঙ্গে পাথরবহকারি ট্রাক খালে, যোগাযোগ বিচ্ছিন ●   ব্যক্তির চেয়ে দেশ বড়”- শহীদ জিয়ার এই দর্শন বুকে নিয়েই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশকে এগিয়ে নিচ্ছেন : ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল ●   বিশ্বশান্তি-শোভা যাত্রা ও জাতীয় বৌদ্ধ মহাসম্মেলনে পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান প্রধান অতিথি থাকার সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন ●   নতুন প্রজন্মকে বিশ্বমানের দক্ষ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে আধুনিক শিক্ষার বিকল্প নেই : পার্বত্যমন্ত্রী দীপেন দেওয়ান ●   রাঙ্গামাটিতে জামায়াতে ইসলামীর বার্ষিক রুকন সম্মেলন অনুষ্ঠিত ●   প্রধানমন্ত্রীর সাথে বিকেএমইএ প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ: পোশাক খাতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা ও নীতিগত সহায়তার আশ্বাস ●   এখন থেকে আমরা “বড়ুয়া জনগোষ্ঠী” হিসাবে রাষ্ট্রের কাছে পরিচয় তুলে ধরবো ●   মিরসরাইয়ে ৮২ কেজি গাঁজাসহ ট্রাকচালক গ্রেপ্তার ●   চিরনিদ্রায় শায়িত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সংবিধান প্রণেতা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন ●   বিচারকদেরকে মনস্তাত্ত্বিক সংকট থেকে মুক্তি দিতে হবে ●   আত্রাইয়ে অভ্যন্তরীণ বোরো ধান-চাল সংগ্রহের শুভ উদ্বোধন ●   সড়কের বেহাল দশায় থমকে গেছে চরাঞ্চলের কৃষি : দুর্ভোগে জনজীবন ●   রাঙ্গুনিয়ায় ৫ দোকান ভস্মীভূত : ৫ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি ●   প্রতিবন্ধীদের শিক্ষার পাশাপাশি দক্ষতা বৃদ্ধি করতে হবে ●   ঈশ্বরগঞ্জে অবৈধ যৌন উত্তেজক ওষুধ তৈরির কারখানা সিলগালা ●   রাঙ্গুনিয়ায় ১৭ মামলার পরোয়ানাভুক্ত যুবলীগ নেতা গ্রেফতার ●   বড়পুকুরিয়া কয়লা,মধ্যপাড়া পাথর খনি ও তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিদর্শন করেন : মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ ●   বিনা ধান-২৫ এর প্রচার ও সম্প্রসারণে কৃষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা ●   মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভদের দালাল আখ্যা দেওয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন ●   পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ও সুষম উন্নয়নে কাজ করবে সরকার : পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান ●   পেশার মর্যাদা রক্ষায় আত্রাইয়ে ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের মানববন্ধন ●   পার্বতীপুরে সাংবাদিকদের সাথে ভূমিহীনদের অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে মতবিনিময় সভা ●   তামাক করকাঠামো সংস্কারের আহ্বান বিশেষজ্ঞদের ●   ঐতিহ্যবাহী মহেশখালী আদিনাথ মন্দিরের পৌরাণিক ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা
রাঙামাটি, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩



CHT Media24.com অবসান হোক বৈষম্যের
বৃহস্পতিবার ● ৪ অক্টোবর ২০১৮
প্রথম পাতা » ঢাকা » কোটা বাতিলের ঘোষণা নাকি প্রতারণা ?
প্রথম পাতা » ঢাকা » কোটা বাতিলের ঘোষণা নাকি প্রতারণা ?
বৃহস্পতিবার ● ৪ অক্টোবর ২০১৮
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

কোটা বাতিলের ঘোষণা নাকি প্রতারণা ?

---সিরাজী এম আর মোস্তাক, ঢাকা :: মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় সংসদে একই স্থানে একই বিষয়ে একই মুখে দু’রকম ঘোষণা দিয়ে ব্যাপক খ্যাতি অর্জন করেছেন। তা হলো কোটা বাতিলের ঘোষণা। আজ ০৩ অক্টোবর, ২০১৮ তারিখে মন্ত্রীসভার বৈঠকে তিনি প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীতে কোটা বাতিলের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দিয়েছেন। এর আগে মাননীয় মন্ত্রীপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে গঠিত কমিটি প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর চাকুরিতে কোটা বাতিলের প্রস্তাব করেছেন। ঠিক তখনি ব্যাংকার্স রিক্রুটমেন্ট কমিটির অধীনে সরকারি ব্যাংকসমুহে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীতে অনেকগুলো পদে শুধুমাত্র মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি হয়েছে। (বিজ্ঞপ্তি নম্বর- ১৫১/২০১৮, তারিখ- ১আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ মোতাবেক ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দ)। ৪০তম বিসিএসেও মুক্তিযোদ্ধা কোটাসুবিধা ও তাদের ৩২বছর বয়সের সুযোগ রয়েছে। যেসব পদে কোটা বাতিলের ঘোষণা হয়েছে, ঠিক তাতেই শুধুমাত্র মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বহু নিয়োগ প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে চলমান রয়েছে। অর্থাৎ একদিকে মাত্র কয়েকটি পদে কোটা বাতিলের ঘোষণা অন্যদিকে উক্ত পদেই শুধুমাত্র মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নিয়োগপ্রক্রিয়া চলছে। বিষয়টি কেমন হল? এটি কি আদৌ কোটা বাতিলের ঘোষণা, নাকি আগের মতোই প্রতারণা?
কোটা অর্থ, অন্যায় বৈষম্য বা অন্যায় সুবিধাদান। এতে একপক্ষ বৈষম্যের শিকার হয় এবং অন্যপক্ষ অন্যায় সুবিধা পায়। জনগোষ্ঠির মাঝে ভারসাম্য রক্ষা বা সমতা বিধানে কোটার প্রচলন হয়। বাংলাদেশে ৫৬ভাগ কোটা প্রচলিত। এতে ১০ভাগ করে জেলা ও নারী কোটা, ০৫ভাগ উপজাতি কোটা, ০১ভাগ প্রতিবন্ধী কোটা এবং সর্বাধিক ৩০ভাগ রয়েছে মুক্তিযোদ্ধাকোটা। জেলা, নারী ও উপজাতি কোটায় দেশের প্রত্যন্ত জনগোষ্ঠি বিশেষ সুবিধা পায়। প্রকৃতপক্ষে বিভাগীয় ও প্রত্যন্ত জেলার জীবনমান সমান নয়। পুরুষ ও নারীর যোগ্যতা ও জীবনমান সমান নয়। একইভাবে পাহাড়ি ও সমতল এলাকার জীবনমানও সমান নয়। এসব ক্ষেত্রে ভারসাম্য রক্ষায় অন্তত ০৩ভাগ করে কোটা বিবেচনা করা যায়। আর একান্ত মানবিক কারণে ০১ভাগ প্রতিবন্ধী কোটা বাতিল করা উচিত নয়। এ ১০ভাগ কোটা বহাল রাখা, একান্ত মানবিক বিষয়।
৩০ভাগ মুক্তিযোদ্ধাকোটা তেমন গুরুত্বপুর্ণ নয়। এটি সম্পুর্ণ ঐতিহাসিক ও চেতনার বিষয়। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস পর্যালোচনায় কোথায়ও এ কোটার অস্তিত্ব নেই। বাঙ্গালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর সময়ে মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা, ভাতা ও কোটা ছিলনা। তখন মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয় ছিলনা। যারা বঙ্গবন্ধুর প্রতি কোটা বৈষম্যের অপবাদ দেন, তারা তাঁর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস বিকৃত করেন। কেউ যদি বলেন, বঙ্গবন্ধু মুক্তিযোদ্ধা কোটা চালু করেছেন বা মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা দিয়েছেন; সম্পুর্ণ মিথ্যা কথা। বঙ্গবন্ধু ২লাখ মুক্তিযোদ্ধা তালিকা, তাদের জন্য ভাতা ও কোটা চালু করলে, কখনোই ৩০লাখ শহীদের ঘোষণা দিতেননা। বঙ্গবন্ধু তাঁর সকল ভাষণ ও কর্মকান্ডে তৎকালিন সাড়ে সাত কোটি বাঙ্গালিকে একীভূত করেছেন। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির জন্য শুধু ৬৭৬ যোদ্ধাকে বিশেষ খেতাব প্রদান করেছেন। ঘোষিত ৩০লাখ শহীদের পক্ষ থেকে ৭জনকে বীরশ্রেষ্ঠ এবং অবশিষ্ট সকল যোদ্ধা, বন্দী, আত্মত্যাগী ও সহযোগী বীর বাঙ্গালির পক্ষ থেকে ৬৬৯ জনকে (বীর উত্তম, বীর বিক্রম ও বীর প্রতিক) খেতাব প্রদান করেছেন। তিনি দেশের সবাইকে মুক্তিযোদ্ধা ও লাখো শহীদের পরিবারভুক্ত করেছেন। তিনি ৩০লাখ শহীদ ও অগণিত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা, তাদের জন্য ভাতা ও তাদের সন্তান-সন্ততির জন্য কোটা চালুর কথা কখনো ভাবেননি। এজন্যই তিনি বাঙ্গালি জাতির পিতা স্বীকৃত হয়েছেন।
বঙ্গবন্ধুর শাহাদাতের পর স্বার্থান্বেষী রাজনীতিবিদগণ মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে অযথা বাড়াবাড়ি করেছেন। তারা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বর্জন করে সাড়ে সাত কোটি বীর বাঙ্গালির পরিবর্তে নিজেদের পছন্দমত ২লাখ মুক্তিযোদ্ধা তালিকা করেছেন। তালিকাভুক্তদের জন্য ভাতা ও তাদের সন্তান-সন্ততির জন্য কোটা চালু করেছেন। জাতীয় সংসদ থেকে বাজেট বরাদ্দ দিয়ে অবৈধ স্বার্থের বিনিময়ে কোটাভোগীদের রাজনৈতিক হাতিয়ারে ব্যবহার করেছেন। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রের অধীনে কমপক্ষে ৪/৫টি পরিবারকে মুক্তিযোদ্ধা কোটাসুবিধা প্রদান করে তাদের দ্বারা ভোটকেন্দ্র দখলের পায়তারা করেছেন। এভাবে মুক্তিযোদ্ধা কোটাভোগীরা সরকারের কাছে গুরুত্বপুর্ণ বিবেচিত হয়েছেন। সরকার তাদের স্বার্থ রক্ষায় একটি পুর্ণাঙ্গ মন্ত্রণালয় চালু করেছেন। এতে হাজার হাজার কোটি টাকা বাজেট বরাদ্দ দিচ্ছেন। দেশের সকল চাকুরি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তিতে ৩০ভাগ মুক্তিযোদ্ধাকোটা পুরোপুরি পরিপালন করেছেন। স্বাধীনতার পর এযাবত দেশে যত নিয়োগ হয়েছে এবং তাতে ৩০ভাগ মুক্তিযোদ্ধাকোটা পরিপালনে যেটুকু ব্যাত্যয় ঘটেছে, তা পুরণ করেছেন। যেমন ধরুন, কোনো প্রতিষ্ঠানে এযাবত ১০০০ নিয়োগ হয়েছে। তাতে ৩০ভাগ মুক্তিযোদ্ধাকোটায় ৩০০জন নিয়োগের কথা। হয়তো ১০০পদে ব্যাত্যয় ঘটেছে। বর্তমানে উক্ত প্রতিষ্ঠানে আরো ১০০পদ খালি হয়েছে। তাতে মুক্তিযোদ্ধাকোটায় ৩০পদ ও ব্যাত্যয়ঘটিত ১০০পদ মিলে সম্পুর্ণ নিয়োগপ্রক্রিয়া শুধু মুক্তিযোদ্ধাকোটায় সম্পন্ন হয়েছে। সম্প্রতি বিসিএস, বিভিন্ন ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠানে শুধুমাত্র মুক্তিযোদ্ধাকোটায় নিয়োগ হয়েছে। এভাবে দেশের সকল প্রতিষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধা কোটাভোগীগণ প্রাধান্য লাভ করেছেন। ২লাখ তালিকাভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা পরিবার থেকে কোটাভোগীরা সংখ্যায় প্রায় ২০লাখে উন্নীত হয়েছেন। এমতাবস্থায় সরকার কোটা বাতিলের ঘোষণা দিলেও তা মুক্তিযোদ্ধা কোটার ক্ষেত্রে কখনো প্রযোজ্য হবেনা। ষঢ়যন্ত্রের মাধ্যমে কোটা বাতিলের ছলনায় কোটাভোগীদের অপশক্তি প্রদর্শনে সরকার তাদেরকে আন্দোলনে নামিয়ে শোডাউনের পায়তারা করেছেন। অর্থাৎ সরকার ছলেবলে কৌশলে মুক্তিযোদ্ধাকোটা বহাল রাখবেন।
মূলত সরকারের উচিত, কোটার যৌক্তিক সংস্কার করা। উল্লেখিত ১০ভাগ মানবিক কোটা বহাল রেখে মুক্তিযোদ্ধাসহ সকল কোটা বাতিল করা। বাঙ্গালি জাতির পিতার মহান আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত চেতনা রক্ষা করা। এপ্রসঙ্গে মুক্তিযোদ্ধা কোটাভোগীদের অসার দাবি যৌক্তিকভাবে খন্ডন করা। তা হলো- দেশের কোটাবঞ্চিত কোটি কোটি ছাত্রজনতা, তারাও মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম। তারাও বঙ্গবন্ধু প্রজন্ম। তারাও লাখো শহীদ প্রজন্ম। তারা অমুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম নয়। শুধুমাত্র ২লাখ তালিকাভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা দেশ স্বাধীন করেনি। প্রচলিত ২লাখ মুক্তিযোদ্ধা তালিকা ও কোটার ফলে ৩০লাখ শহীদের আত্মত্যাগ অস্বীকার করা হয়েছে। লাখো শহীদ প্রজন্মের প্রতি বৈষম্য করা হয়েছে। বাঙ্গালি জাতির পিতার মুখশ্রিত ’১৯৭১ এর সকল বাঙ্গালিই মুক্তিযোদ্ধা’ ঘোষণাটি শাস্বত ও চিরন্তন সত্য। যারা এ সত্য অস্বীকার করবে, তারা বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম নয়। সুতরাং শুধুমাত্র প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর চাকুরিতে নয়, সকল চাকুরিতে কোটা বাতিলের ঘোষণাটি দ্রুত গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা উচিত। এছাড়া সরকারের এ ঘোষণা, সাব্যস্ত হবে নিছক প্রতারণা।
[email protected]





ঢাকা এর আরও খবর

হামে প্রায় পাঁচশো শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যুর দায় কাউকে না কাউকে নিতে হবে হামে প্রায় পাঁচশো শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যুর দায় কাউকে না কাউকে নিতে হবে
প্রধানমন্ত্রীর সাথে বিকেএমইএ প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ: পোশাক খাতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা ও নীতিগত সহায়তার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর সাথে বিকেএমইএ প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ: পোশাক খাতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা ও নীতিগত সহায়তার আশ্বাস
বিচারকদেরকে মনস্তাত্ত্বিক সংকট থেকে মুক্তি দিতে হবে বিচারকদেরকে মনস্তাত্ত্বিক সংকট থেকে মুক্তি দিতে হবে
তামাক করকাঠামো সংস্কারের আহ্বান বিশেষজ্ঞদের তামাক করকাঠামো সংস্কারের আহ্বান বিশেষজ্ঞদের
ঐতিহ্যবাহী মহেশখালী আদিনাথ মন্দিরের পৌরাণিক ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ঐতিহ্যবাহী মহেশখালী আদিনাথ মন্দিরের পৌরাণিক ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির শীর্ষ নেত্রী বহ্নিশিখা জামালী হাসপাতালে ভর্তি বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির শীর্ষ নেত্রী বহ্নিশিখা জামালী হাসপাতালে ভর্তি
বিজয়ী বিজেপি নেতৃবৃন্দকে বাংলাদেশবিরোধী উসকানি থেকে বিরত থাকার আহবান বিজয়ী বিজেপি নেতৃবৃন্দকে বাংলাদেশবিরোধী উসকানি থেকে বিরত থাকার আহবান
সন্ত্রাসী,  দূর্বৃত্ত ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ জোরদার করুন সন্ত্রাসী, দূর্বৃত্ত ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ জোরদার করুন
জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতিসহ সাংবাদিকদের ১৪ দফা দাবি মানতে হবে জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতিসহ সাংবাদিকদের ১৪ দফা দাবি মানতে হবে
যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের থেকে বিএনপি দূরে সরে যাচ্ছে সাইফুল হক, তিন মাসেই অবিশ্বাস করবেন না : জয়নুল আবদীন ফারুক যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের থেকে বিএনপি দূরে সরে যাচ্ছে সাইফুল হক, তিন মাসেই অবিশ্বাস করবেন না : জয়নুল আবদীন ফারুক

আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)