শিরোনাম:
●   আত্রাইয়ে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত ●   বরেণ্য চিত্রশিল্পী মূস্তাফা মনোয়ারের মৃত্যুতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি শোক ●   উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার উদ্যোগে হুইলচেয়ার পেল শিক্ষার্থী মেহেদী ●   রাবিপ্রবি’র শিক্ষার্থীদের জন্য তিনটি মিনিবাসের উদ্বোধন ●   উন্নয়ন হতে হবে টেকসই ও পরিবেশবান্ধব : চুয়েট ভিসি ●   ঈশ্বরগঞ্জে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প : চিকিৎসাসেবা পেলেন পাঁচ শতাধিক মানুষ ●   খাগড়াছড়িতে দুই সপ্তাহের ব্যবধানে ইজিবাইকের চাকার সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে নিহত-১, আহত -১ ●   দুর্নীতিমুক্ত পার্বত্য অঞ্চল গড়ে তোলার ঘোষণা পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালের ●   রাউজানে সেফটিক ট্যাংকে আটকা পড়ে ২জনের প্রাণহানী ●   ধর্ষনের নিউজ করায় সাংবাদিক রাব্বি কারাগারে ●   খাগড়াছড়িতে পৃথক ঘটনায় নিহত-২, একে-৪৭ রাইফেলসহ আটক-১ ●   চূড়ান্ত বাজেটে তামাক করকাঠামো সংস্কারের আহ্বান ●   মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় দিয়ে প্রতারণার দায়ে বাদল বরণ বড়ুয়াকে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি থেকে বহিস্কার ●   ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকার রক্ষায় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেবে সরকার : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ●   জিয়াউর রহমান সমাজ কল্যাণ পরিষদ রাউজান শাখার কমিটি গঠন ●   গ্লোবাল হেলথ সামিট ২০২৬: ভবিষ্যৎ মহামারী প্রতিরোধ ও বৈশ্বিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নতুন রোডম্যাপ ঘোষণা ●   ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুই দালালের কারাদণ্ড ●   আপন ভাতিজার হাতেই খুন গৃহবধূ : রহস্য উদঘাটন গ্রেফতার-২ ●   আত্রাইয়ে নদীর তীরে পড়েছিল এনজিও কর্মীর মরদেহ ●   পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের কাউখালী উপজেলা কমিটি গঠন ●   রাঙামাটিতে বাদল বরণ বড়ুয়া নামের স্বঘোষিত মুক্তিযোদ্ধার সন্ধান ●   ঈশ্বরগঞ্জে বিদ্যুৎ গ্রাহককে ফাঁদে ফেলে টাকা আদায়, অভিযোগের পর টাকা ফেরত ●   পরিচ্ছন্ন শহর গড়তে মাঠে জেলা প্রশাসন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে লিফলেট বিতরণ ●   শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ধারণ করেই দেশগঠনে কাজ করছে সরকার : ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল ●   রেডব্রিজ কমিউনিটি ট্রাস্ট ইউকে-এর কার্যনির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত ●   গণতান্ত্রিক উত্তরণে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সংগ্রামী ভূমিকা অব্যাহত রাখার আহবান ●   মোতালেব প্লাজা দোকান মালিক সমিতি : বিভ্রান্তি পরিহার করে সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি পবনের ●   জিয়াউর রহমানের ১ম সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন সিডিএ চেয়ারম্যান বেলায়াত হোসেন ●   হালদায় দ্বিতীয় দফায় ডিম ছেড়েছে মা মাছ, সংগ্রহ কম ●   একটি হুইল চেয়ার বদলে দিল মুফিদুল্লাহর শিক্ষাজীবনের গল্প
রাঙামাটি, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩



CHT Media24.com অবসান হোক বৈষম্যের
রবিবার ● ৫ এপ্রিল ২০২০
প্রথম পাতা » উপ সম্পাদকীয় » গ্রাম ও শহরের সংবাদিকদের আইনী সুরক্ষা এবং অধিকার আদায়ের এক পতাকা তলে সমবেত হতে হবে
প্রথম পাতা » উপ সম্পাদকীয় » গ্রাম ও শহরের সংবাদিকদের আইনী সুরক্ষা এবং অধিকার আদায়ের এক পতাকা তলে সমবেত হতে হবে
রবিবার ● ৫ এপ্রিল ২০২০
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

গ্রাম ও শহরের সংবাদিকদের আইনী সুরক্ষা এবং অধিকার আদায়ের এক পতাকা তলে সমবেত হতে হবে

---আলহাজ্ব এ,কে,এম মকছুদ আহমেদ :: বর্তমান সময়ের সাংবাদপত্র শিল্পে যে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে তা নিরসনে গ্রাম ও শহরের সাংবাদিকদের আইনী সুরক্ষা এবং অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে সকলকে এক পতাকা তলে সমবেত হতে হবে। নতুবা টিকে থাকা মুশকিল হয়ে পড়বে। বর্তমানে গ্রাম বা শহরে যে হারে সাংবাদিক বেড়েছে এবং ভূঁই ফোঁর সাংবাদিক সংগঠন সৃষ্টি হযেছে এতে করে সমাজে টিকে থাকা অত্যন্ত কষ্ট কর হয়ে পড়েছে। এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে সমাজে টিকে থাকা দায় হয়ে পড়েছে। এ জন্যই সকল সংগঠন গুলো ভেঙ্গে দিয়ে এক পতাকা তলে সমবেত হতে হবে। সত্যিকার সাংবাদিকদের আলাদা করে ফেলতে হবে। একটি সংগঠনের ছাদের নীচে মিলিত হয়ে সংগঠনকে মজবুত করতে হবে। নতুবা আইনী সুশাসন এবং টিকে থাকার অধিকার আদায় করা সম্ভব নয়। প্রথমে গ্রামের সাংবাদিকদের এক জোট করার জন্য শহরের সাংবাদিকদের ভূমিকা গ্রহণ করতে হবে। শহরে যদি এক জোট না হয় তাহলে গ্রামকে ঠিক করা যাবে না। বর্তমানে গ্রাম ও শহরের সাংবাদিকদের যে বৈষম্য বিরাজ করছে সেটা দুর করতে না পারলে কোন উন্নতি সম্ভব নয়। আমি গ্রাম থেকে রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে গায়ের গায়ে পায়ে হেটে বিচরণ করে যে খবর টি অনেক কষ্ট করে সংবাদ পাঠালাম। আপনি ঢাকায় ১০/২০ তলা ভবনে এসিতে বসে আমার পাঠানো নিউজটাকে ফেলে দেন অথবা সারা দেশের খবরের সাথে একটি শব্দ দিয়ে শেষ করে দেন। আমার কষ্টাজিত বিজ্ঞাপনের টাকায় আপনি মহা সাংবাদিক বনে যান। অথচ আপনি হাজার হাজার টাকা বেতন নিয়ে রাজার হালে দিন যাপন করেন। আর আমি এক বেলা অন্ন যোগাতে ও কষ্ট হয়। অথ্যাৎ বেতন বোর্ড রোয়েদাদে ঢাকা আর মফস্বলে যে বেতন বৈষম্যতা আছে সেটাকে বৈষম্যতা আছে সেটাকে দুর করতে হবে। শহর আর গ্রামের মধ্যে যে বিরাট বৈষম্যতা রয়েছে সেটা দুর করতে উভয়কে এক জোটে হয়ে কাজ করতে হবে। আপনি তো শহরে জন্ম গ্রহণ করেন নি। আপনি গ্রামে জন্ম গ্রহণ করে মানুষ হয়ে শহরে গিয়ে বড় হয়ে গেছেন। আমি গ্রামে থেকে ছোট হয়ে রয়ে গেলাম। হাতে গোনা কয়েকজন শহরে জন্মগ্রহণ করেছেন।
সকালে সম্মিলিত ভাবে আইনী সুরক্ষার জন্য কাজ করতে হবে এবং আইনে প্রনয়নকারীদের ও মনোভাব পরিবর্তনের জন্য সম্মিলিত ভাবে এগিয়ে আসতে হবে। আইনী সুরক্ষা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত অধিকার আদায় করা সম্ভব নয়। কাজেই গ্রাম ও শহরের তারতম্য ভুলে গিয়ে আইনী সুরক্ষা আসতে হবে।
বেতন বোর্ডের বৈষম্য দুর করতে হবে। সাথে সাথে বিজ্ঞাপন নীতিমালা পরিবর্তনে সম্মিলিত উদ্যোগ নিতে হবে। শহরের পত্রিকায় অর্থাৎ জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেওয়ার রেওয়াজ আছে কিন্তু গ্রামের দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেওয়ার রেওয়াজ নেই। হয়তো বা অনেকেই বলবেন এটা কেমন কথা গ্রামের পত্রিকা না খেয়ে বেছে আছে। আর শহরের পত্রিকায় তেলা মাতায় তেল দিয়ে যাচ্ছে। এটা যদি দুর করা না যায় বৈষম্য থেকে যাবে।
এরশাদ সাহেবের আমলে ৮০%, ২০% ভাগ ছিলো। জিয়ার আমলে ৬০%, ৪০%,-৪০%, ৬০% আর খালেদার আমলে শেষ দিকে এ থেকে এখন চলছে গ্রামের পত্রিকা বিজ্ঞাপন বন্ধ। ২০০৫ সাল থেকে চলে আসছে। গ্রামের পত্রিকা কি খেয়ে বেচে আছে। চিন্তা করে কি কেউ দেখেছেন। বেতন, বিজ্ঞাপন বৈষম্য দুর করা না গেলে গ্রাম শহর কোন সাংবাদিকদের নিরাপত্তা অথবা অধিকার আদায় কোন টাই হবে না। আগে শহরের সাংবাদিকদের মন মানসিকতা পরিবর্তন করতে হবে তার পরে সমস্যা সমাধানের এগিয়ে আসতে হবে।
এ ছাড়াও সংবাদপত্র মালিকদের ও সংগঠন রয়েছে। পূর্বে বাংলাদেশ সংবাদপত্র পরিষদ, এডিটর কাউন্সিল, গ্রামীন সংবাদপত্র পরিষদ ছিল।
বর্তমানে নোয়াব একছত্র দখরদার হিসাবে আছে। তারাই সংবাপত্রের ভাগ্য বিধাতা। সংবাদপত্র পরিষদ, সম্পাদক পরিষদ সহ আরও কিছু সংগঠন রয়েছে। যেখানে মতদ্বৈততা রয়েছে। কাজেই সংবাদপত্র মালিকদের একটি সংগঠনের পতাকাতলে আসতে হবে। সম্পাদক পরিষদ একটাই করতে হবে। এখানে ও গ্রাম শহর বিভাজন। বড় ছোটর বেড়াজাল। এগুলো বন্ধ করতে না পারলে সংবাদপত্র শিল্প টিকেয়ে রাখা অনেক কষ্ট সাধ্য হয়ে পড়বে।
এছাড়া নিউজ প্রিন্ট কালি, প্লেইট, বিদ্যুৎ বিল, ইনকাম ট্যাস্ক, বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত। সে দিকে নজর দিতে হবে। নতুবা যেই তিমিরে সেই তিমিরে থেকে যাবে।
অতএব, সংশ্লিষ্ট সকলকে মনোভাব পবিরর্তন করে এগিয়ে আসতে হবে।
লেখক : আলহাজ্ব এ,কে,এম মকছুদ আহমেদ, সম্পাদক দৈনিক গিরিদর্পণ, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা।





উপ সম্পাদকীয় এর আরও খবর

স্বাধীন রাজনৈতিক শ্রেণী হিসাবেই শ্রমিকশ্রেণীকে ঘুরে দাঁড়াতে হবে :  বহ্নিশিখা জামালী স্বাধীন রাজনৈতিক শ্রেণী হিসাবেই শ্রমিকশ্রেণীকে ঘুরে দাঁড়াতে হবে : বহ্নিশিখা জামালী
গৌতম বুদ্ধের প্রধান  তিনটি ঘটনাকে বুদ্ধ পূণিমা অভিহিত করা হয় গৌতম বুদ্ধের প্রধান তিনটি ঘটনাকে বুদ্ধ পূণিমা অভিহিত করা হয়
বাঙ্গালির জীবনে বাংলা নববর্ষ ও কিছুকথা বাঙ্গালির জীবনে বাংলা নববর্ষ ও কিছুকথা
পাহাড়ের বৈচিত্র্যে মানবিক ঐক্যের সুর: বিজু-সাংগ্রাই-বৈসু-বিষু-চাংক্রান পাহাড়ের বৈচিত্র্যে মানবিক ঐক্যের সুর: বিজু-সাংগ্রাই-বৈসু-বিষু-চাংক্রান
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে দীপেন দেওয়ান ও মীর হেলালের নিয়োগ ক্ষমতার ভারসাম্য : পাহাড়ী-বাঙালি বিভেদ থাকবে না পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে দীপেন দেওয়ান ও মীর হেলালের নিয়োগ ক্ষমতার ভারসাম্য : পাহাড়ী-বাঙালি বিভেদ থাকবে না
আজ ঐতিহাসিক পাকুয়াখালী গণহত্যা দিবস আজ ঐতিহাসিক পাকুয়াখালী গণহত্যা দিবস
গৌতম বুদ্ধের ছয়টি স্মৃতি বিজড়িত আষাঢ়ী পূর্ণিমা গৌতম বুদ্ধের ছয়টি স্মৃতি বিজড়িত আষাঢ়ী পূর্ণিমা
পাহাড়ে নববর্ষ ও চৈত্রসংক্রান্তির সাতরঙা উৎসব : মো. রেজুয়ান খান পাহাড়ে নববর্ষ ও চৈত্রসংক্রান্তির সাতরঙা উৎসব : মো. রেজুয়ান খান
সিয়াম সাধনার পুরস্কার : ঈদুল ফিতরের মাহাত্ম্য ও তাৎপর্য সিয়াম সাধনার পুরস্কার : ঈদুল ফিতরের মাহাত্ম্য ও তাৎপর্য
পার্বত্য চুক্তির ২৭ বছর : শান্তি চুক্তি পাহাড়ে বসবাসরত সকল জনগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষায় সম্পূর্ণ ব্যর্থ পার্বত্য চুক্তির ২৭ বছর : শান্তি চুক্তি পাহাড়ে বসবাসরত সকল জনগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষায় সম্পূর্ণ ব্যর্থ

আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)