শিরোনাম:
●   খাগড়াছড়িতে পৃথক ঘটনায় নিহত-২, একে-৪৭ রাইফেলসহ আটক-১ ●   চূড়ান্ত বাজেটে তামাক করকাঠামো সংস্কারের আহ্বান ●   মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় দিয়ে প্রতারণার দায়ে বাদল বরণ বড়ুয়াকে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি থেকে বহিস্কার ●   ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকার রক্ষায় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেবে সরকার : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ●   জিয়াউর রহমান সমাজ কল্যাণ পরিষদ রাউজান শাখার কমিটি গঠন ●   গ্লোবাল হেলথ সামিট ২০২৬: ভবিষ্যৎ মহামারী প্রতিরোধ ও বৈশ্বিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নতুন রোডম্যাপ ঘোষণা ●   ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুই দালালের কারাদণ্ড ●   আপন ভাতিজার হাতেই খুন গৃহবধূ : রহস্য উদঘাটন গ্রেফতার-২ ●   আত্রাইয়ে নদীর তীরে পড়েছিল এনজিও কর্মীর মরদেহ ●   পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের কাউখালী উপজেলা কমিটি গঠন ●   রাঙামাটিতে বাদল বরণ বড়ুয়া নামের স্বঘোষিত মুক্তিযোদ্ধার সন্ধান ●   ঈশ্বরগঞ্জে বিদ্যুৎ গ্রাহককে ফাঁদে ফেলে টাকা আদায়, অভিযোগের পর টাকা ফেরত ●   পরিচ্ছন্ন শহর গড়তে মাঠে জেলা প্রশাসন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে লিফলেট বিতরণ ●   শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ধারণ করেই দেশগঠনে কাজ করছে সরকার : ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল ●   রেডব্রিজ কমিউনিটি ট্রাস্ট ইউকে-এর কার্যনির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত ●   গণতান্ত্রিক উত্তরণে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সংগ্রামী ভূমিকা অব্যাহত রাখার আহবান ●   মোতালেব প্লাজা দোকান মালিক সমিতি : বিভ্রান্তি পরিহার করে সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি পবনের ●   জিয়াউর রহমানের ১ম সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন সিডিএ চেয়ারম্যান বেলায়াত হোসেন ●   হালদায় দ্বিতীয় দফায় ডিম ছেড়েছে মা মাছ, সংগ্রহ কম ●   একটি হুইল চেয়ার বদলে দিল মুফিদুল্লাহর শিক্ষাজীবনের গল্প ●   রাউজানে বিল থেকে লাশ উদ্ধার ●   ঝালকাঠির বাসন্ডা সেতুর ৬০০ কোটি টাকার প্রকল্পে ধীরগতি, জনমনে বাড়ছে প্রশ্ন ●   পার্বতীপুরে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, হত্যার অভিযোগ স্বজনদের ●   ঝালকাঠিতে ৩৩ আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল ●   পার্বত্যের উৎসব বাংলাদেশের অনন্য সাংস্কৃতিক ভিত্তি : পার্বত্য সচিব ●   সন্ত্রাসীদের গুলীতে নিহত যুবদল নেতা মাসুদের স্মরণে রানীরহাটে শোকসভা ●   আগামীকাল ২০ জুন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান ●   বেতবুনিয়া সাপনালা পাড়ায় বিদ্যুৎ খুঁটি আছে সংযোগ নেই ●   ডেঙ্গু রোগীদের জন্য ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে ১শত স্যালাইন দিলেন যুবদল নেতা শামীম ●   বন্ধুত্ব চাইলে অবিলম্বে ভারতকে পুশ ইন ও সীমান্ত হত্যা বন্ধ করতে হবে
রাঙামাটি, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩



CHT Media24.com অবসান হোক বৈষম্যের
বৃহস্পতিবার ● ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৬
প্রথম পাতা » কৃষি » রাঙামাটিতে সেনাবাহিনীর সহযোগীতায় সেটেলারেরা নির্দিষ্ট শ্মশানে উত্তম বড়ুয়ার মৃতদেহ দাহ করতে দিল না
প্রথম পাতা » কৃষি » রাঙামাটিতে সেনাবাহিনীর সহযোগীতায় সেটেলারেরা নির্দিষ্ট শ্মশানে উত্তম বড়ুয়ার মৃতদেহ দাহ করতে দিল না
বৃহস্পতিবার ● ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

রাঙামাটিতে সেনাবাহিনীর সহযোগীতায় সেটেলারেরা নির্দিষ্ট শ্মশানে উত্তম বড়ুয়ার মৃতদেহ দাহ করতে দিল না

---
সিএইচটি মিডিয়া টুয়েন্টিফোর ডটকম :: (আপলোড ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৬: বাংলাদেশ সময় রাত ১১.৫৫ মিঃ) এইডস বর্তমান উন্নত প্রযুক্তির যুগেও একটি ঘাতক ব্যাধি। অধ্যাবধি যার কোন প্রতিবিধান আবিষ্কৃত হয়নি। ঠিক একই রকমভাবে উগ্র জাতীয়তাবাদ যাকে আমরা মৌলবাদ বলে জানি, এই মৌলবাদীদেরও নিবৃত করার কোন ঔষধ বাংলাদেশে নেই। গত ১৪ ফেব্রুয়ারী রবিবার ২০১৬ ভোর ৪ টায় রাঙামাটি পার্বত্য জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার করেঙ্গাতলি ইউনিয়নের বড়ুয়া পাড়ার স্থায়ী বাসিন্দা প্রদীপ বড়ুয়ার পুত্র উত্তম বড়ুয়া (৪০)ষ্ট্রোক করে মৃত্যু বরন করেন। ঐদিন করেঙ্গাতলি বৌদ্ধ বিহারের শ্মশানে উত্তম বড়ুয়ার মৃতদেহ দাহ করতে স্থানীয় বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের লোকজন উদ্যোগ নিলে স্থানীয় বাঙ্গালী (সেটেলার) মোঃ ইয়াছিন, মোঃ শাহাজান, জগুর আলি, আনসার আলি ও সোহেল খান বৌদ্ধ বিহার শ্মশানে এসে উত্তম বড়ুয়ার দাহ কার্যে বাধা প্রদান করেন। তারা বলেন,উত্তম বড়ুয়ার শেষকৃত্য অনুষ্ঠান এ এলাকাতে করা যাবেনা, এলাকায় দুর্গন্ধ ছড়াবে। তারা উত্তম বড়ুয়ার মৃতদেহ দূরে অন্য কোথাও নিয়ে যেতে বলেন। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের লোকজন করেঙ্গাতলি বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ উপতিষ্য মিত্র ভিক্ষুর কাছে গেলে বিহারের অধ্যক্ষ বিহার সংলগ্ন শ্মশানে উত্তম বড়ুয়ার দাহ করার পরামর্শ দেন। স্থানীয় বৌদ্ধ ধর্ম অবলম্বীরা দাহ প্রস্তুতি নিলে স্থানীয় সেটেলারেরা বিষয়টি বুঝতে পেরে ক্ষিপ্ত হয়ে করেঙ্গাতলি সেনাবাহিনীর ক্যাম্পে গিয়ে জানালে, তৎক্ষনিক বেশ কয়েকজন করেঙ্গাতলি সেনাবাহিনী ক্যাম্পের সদস্য বৌদ্ধ বিহারে উপস্থিত হয়ে দাহকাজে বাধাপ্রদান করেন এবং বলেন ক্যাম্পের কর্মরত অফিসার মৃতদেহ দুরে কোথাও পাহাড়ে নিয়ে দাহ করতে নির্দেশ দিয়েছেন।
এক পর্যায়ে সেনা সদস্যরা ও স্থানীয় সেটেলারেরা মিলে উত্তম বড়ুয়ার দাহ পাহাড়ের ভিতর করাতে বাধ্য করেন। এ বিষয়ে সিএইচটি মিডিয়া টুয়েন্টিফোর ডটকম করেঙ্গাতলি বিহার অধ্যক্ষ উপতিষ্য মিএ ভিক্ষুর কাছে জানতে চাইলে, তিনি বিহার শ্মশানে উত্তম বড়ুয়ার দাহকার্য সম্পাদনে স্থানীয় সেটেলার ও সেনাবাহিনীর বাধা প্রদানের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে সেনাবাহিনীর কাজ হচ্ছে বহির্শত্রু থেকে দেশকে রক্ষা করা, বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করা, যেকোন দুর্যোগের সময় উদ্ধার কাজে অংশ গ্রহণ করা, দেশের আইন শৃংখলা রক্ষা করা ও স্বেচ্ছাসেবা মূলক কাজে অংশ গ্রহণ করা। আমাদের দেশের সেনা বাহিনীর সদস্যরা বিদেশে মানবাধিকার রক্ষায় শান্তিরক্ষী বাহিনী হিসেবে কাজ করেন। করেঙ্গাতলি সেনা বাহিনী ক্যাম্পের সদস্যরা উগ্র মুসলমানদের পক্ষ নিয়ে তারা তাদের নিরপেক্ষতা হারিয়েছেন বলে তিনি দাবি করেন।
স্থানীয় বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের লোকজনের দাবি মৃত ব্যক্তিকে তাদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের শ্মশানে দাহ করতে না দেওয়ায় মৃত উত্তম বড়ুয়ার নাগরিক অধিকার খর্ব করা হয়েছে, বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের প্রতি মানবাধিকার লঙ্গন করা হয়েছে, বৌদ্ধ ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত করা হয়েছে, এটা চরম ও সুষ্পষ্ট দেশের নাগরিকদের প্রতি বৈষম্য। মৃত উত্তম বড়ুয়ার পরিবার ও স্থানীয়রা স্থানীয় প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের দাবি কেবলমাত্র সংখ্যালঘু হওয়াতে মৃত উত্তম বড়ুয়া এদেশের নাগরিক হিসেবে নির্দিষ্ট শ্মশানে দাহ কার্য সম্পাদনের মর্যাদার সুযোগ পর্যন্ত পেলনা। পার্বত্য অঞ্চলে এর চাইতে আরো বড় বড় মানবাধিকার লঙ্গনের ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটছে, যা গণমাধ্যমে প্রকাশে স্থানীয় প্রশাসনের বাধা রয়েছে । মৃত ব্যক্তির আত্মীয় স্বজন ও স্থানীয়রা বাংলাদেশের আর কোন সংখ্যলঘু সম্প্রদায় যেন কারো দ্বারা শেষকৃত্য অনুষ্ঠান ও শ্মশানে মৃতব্যক্তিদের দাহ কার্যে বাধা গ্রস্থ না হয় এবং নির্দিষ্ট শ্মশানে মৃত উত্তম বড়ুয়ার দাহ কার্যে বাধা প্রদানকারী উগ্র মৌলবাদী স্থানীয় সেটেলার ও করেঙ্গাতলি সেনা ক্যাম্পের সদস্যদের যথাযত তদন্ত পুর্বক আইনের আওতায় এনে বিচারের ব্যবস্থা করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট আবেদন জানিয়েছেন। পার্বত্য অঞ্চলসহ বাংলাদেশে এই ধরনের হীনকর্ম , মানবাধিকার লঙ্গন, সংখ্যালঘুদের প্রতি বৈষম্য প্রদান করতে দুঃসাহস আর যেন বাংলার মাটিতে না হয়। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বিপ্লব বড়ুয়া সোহেল।





আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)