বুধবার ● ১ জুন ২০২২
প্রথম পাতা » ঢাকা » সাংবাদিক কাজলের তিনটি মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেছে মহামান্য হাইকোর্ট
সাংবাদিক কাজলের তিনটি মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেছে মহামান্য হাইকোর্ট
ঢাকা :: ফটোসাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজলের বিরুদ্ধে করা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের তিন মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেছেন মহামান্য হাইকোর্ট। সাংবাদিক কাজলের আইনজীবী ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া এ তথ্য জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে করা আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বুধবার ১ জুন বিচারপতি এ এস এম আব্দুল মোবিন ও বিচারপতি ম. আতোয়ার রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালতে আজ সাংবাদিক কাজলের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী জ্যোর্তিময় বড়ুয়া। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সুজিত চ্যাটার্জি বাপ্পী।
এ বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুর্টি অ্যাটর্নি জেনারেল সুজিত চ্যাটার্জি বাপ্পী বলেন, আদালত সাংবাদিক কাজলের পৃথক তিনটি মামলাতেই দুই মাসের জন্য বিচার কাজ স্থগিত করে আদেশ দিয়েছেন। আগামী ২৭ জুলাই এ বিষয়ে চূড়ান্ত শুনানির জন্য তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত।
এর আগে গত ১ ফেব্রুয়ারি ফটোসাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজলের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের হওয়া তিন মামলায় অভিযোগ গঠনের আদেশ বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করা হয়।
গত বছরের ৮ নভেম্বর ফটোসাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজলের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর, হাজারীবাগ ও কামরাঙ্গীরচর থানায় দায়ের করা তিন মামলায় অভিযোগ গঠন করেন ঢাকা সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ আস সামছ জগলুল হোসেন। সাংবাদিক কাজল বর্তমানে জামিনে আছেন।
আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য (মাগুরা-১ আসন) সাইফুজ্জামান শিখর, যুব মহিলা লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ওসমান আরা বেলী এবং সুমাইয়া চৌধুরী বন্যা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের আওতায় ২০২০ সালের ৯, ১০ ও ১১ মার্চ সাংবাদিক কাজলের বিরুদ্ধে পৃথক তিনটি মামলা করেন। মামলাগুলো করা হয় যথাক্রমে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর, হাজারীবাগ ও কামরাঙ্গীরচর থানায়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পুলিশের গোয়েন্দা শাখার উপ-পরিদর্শক মোহাম্মদ রাসেল মোল্লা ২০২০ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি, ৪ এপ্রিল ও ১৪ মার্চ চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা তিনটির অভিযোগপত্র জমা দেন।
এসব মামলায় সাংবাদিক কাজলের বিরুদ্ধে ফেসবুকে মন্ত্রী, সংসদ সদস্য এবং যুব মহিলা লীগের শীর্ষ নেতাদের সম্পর্কে অশালীন, মানহানিকর, আপত্তিকর ও ভুয়া তথ্য প্রচারের অভিযোগ আনা হয়েছিল।
২০২০ সালের ১০ মার্চ সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজল তার বকশিবাজারের বাসা থেকে দৈনিক পক্ষকাল কার্যালয়ের উদ্দেশে বের হন। হাতিরপুলের মেহের টাওয়ারের কার্যালয়ে পৌঁছান বিকেল সোয়া চারটার দিকে। সন্ধ্যা পৌনে সাতটা থেকে তার আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। পরদিন তার স্ত্রী জুলিয়া ফেরদৌসী চকবাজার থানায় নিখোঁজ হওয়ার সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। এরপর আদালতের হস্তক্ষেপে শফিকুলের ছেলে মনোরম পলক চকবাজার থানায় অপহরণের মামলা করেন।
৫৪ দিন ‘নিখোঁজ’ থাকার পর ওই বছরের ৩ মে ফটো সাংবাদিক কাজলের খোঁজ মেলে। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) তাকে বেনাপোল সীমান্ত এলাকায় উদ্দেশ্যবিহীনভাবে ঘুরতে দেখে আটক করে। ওইদিনই তাকে যশোরের একটি আদালত ফৌজদারি দণ্ডবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখিয়ে হাজতে পাঠায়।
গ্রেফতারের পর কাজলের বিরুদ্ধে প্রথমে ভারতে অবৈধ অনুপ্রবেশের মামলা করে পুলিশ। এরপর ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগ নেতাদের একাধিক মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।
গ্রেফতারের প্রায় নয় মাস পর হাইকোর্ট থেকে জামিন নিয়ে ২০২০ সালের ২৫ ডিসেম্বর কারামুক্ত হন ফটো সাংবাদিক কাজল।





বিশ্ব বাস্তবতায় জাতিসংঘের ঘোষিত ছয় অগ্রাধিকার
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর সাথে রাবিপ্রবি’র ভিসি’র সৌজন্য সাক্ষাৎ
এসডিজি অর্জনে তামাক ও নিকোটিন পণ্য বড় বাধা
ভূমিহীন আন্দোলন কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক হলেন শাহিন
সংযুক্ত গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন ময়মনসিংহ জেলা কমিটির মতবিনিময়
প্রযুক্তির আধুনিকায়ন ও টেকসই উৎপাদনের তাগিদ অমল পোদ্দারের
বেসরকারি খাতের শ্রমিকদের জন্য জরুরী ভিত্তিতে মহার্ঘ ভাতা চালু করুন
ব্যাটারিচালিত রিকশার ডাম্পিং ও পুলিশী হয়রানি বন্ধ করুণ
মূল্যস্ফীতি ও বাজার নিয়ন্ত্রণে আনতে না পারলে বেতনবৃদ্ধি কাজে আসবেনা
তুহিনকে আহবায়ক ও রণিকে সদস্য সচিব করে বিপ্লবী যুব সংহতির ঢাকা উত্তরের কমিটি গঠন