শিরোনাম:
●   হুমকি-ধমকি দিয়ে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে মানুষের ভোটাধিকার খর্ব করা যাবে না : জুঁই চাকমা ●   রাঙামাটি আসনের ভোটকেন্দ্র গুলিতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি করেছেন জুঁই চাকমা ●   ঈশ্বরগঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১০ দোকান পুড়ে ছাই ●   নানিয়ারচর উপজেলাকে আধুনিকায়ন করে মাঝারি শিল্প গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেব : জুঁই চাকমা ●   ঈশ্বরগঞ্জে হাতপাখা কর্মীর ওপর হামলার প্রতিবাদ ●   খাগড়াছড়িতে ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে নিরপেক্ষ ভোটের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন ●   ৫৪ বছরে দেশ দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন, হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার হয়েছে ●   বেতবুনিয়াতে জুঁই চাকমার জনসংযোগ ●   ঢাকা ১২ আসনে নির্বাচন হবে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি,জুলুম ও মাদকের বিরুদ্ধে ●   শখের বসে মোটরসাইকেল চালাতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু ●   বাঘাইছড়িতে শিল্প অঞ্চল গড়ে তোলার উপর গুরুতর করেন জুঁই চাকমা ●   বাবার বাড়ি থেকে নিখোঁজ গৃহবধু, সন্ধানে পরিবারের আকুতি ●   বেতবুনিয়া পিএসটিএস টিআরসিদের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ ●   ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে কাপ্তাইয়ে মানববন্ধন ●   ২৪ ঘন্টার মধ্যে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করুন, অন্যথায় নির্বাচন অফিস ঘেরাও করবো : সাইফুল হক ●   জুরাইছড়ি একটি দুর্গম উপজেলা সড়ক পথে যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু করা অত্যন্ত প্রয়োজন : জুঁই চাকমা ●   খোলা ড্রামের ভোজ্যতেল অনিরাপদ ●   পার্বতীপুরে ১১ দলীয় জোটের নির্বাচনী জনসভা ●   ঝালকাঠিতে ভুয়া আইনজীবী আটক ●   নির্বাচনকে ঘিরে নাশকতা ঠেকাতে খাগড়াছড়িতে ৩০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন ●   ঈশ্বরগঞ্জে বিএনপি নেতার মৃত্যু ●   জনগণের ভোটাধিকার রক্ষার্থে আমি নির্বাচন করছি : জুঁই চাকমা ●   অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে ভোক্তা সচেতনতা জরুরি ●   মিরসরাইয়ে বাড়ির উঠান থেকে মোটরসাইকেল চুরির চেষ্টা ●   চাঁদাবাজির জুলুম বন্ধে সামাজিক প্রতিরোধ জোরদার করা হবে ●   নির্বাচনকে সামনে রেখে কঠোর অবস্থানে ৪১ বিজিবি ●   স্বামীর পরকীয়ার প্রতিবাদ করায় রক্তাক্ত গৃহবধু ●   পরিবর্তিত বাংলাদেশ গড়তে জনগণকে আমার পাশে চাই : জুঁই চাকমা ●   জুলাই আন্দোলনের হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি হয়েও ঝালকাঠি-২ আসনে নির্বাচন করছেন রাজ্জাক সেলিম ●   দেশের ভাবমূর্তি ও স্থিতিশীলতায় এবারের নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ
রাঙামাটি, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৭ মাঘ ১৪৩২



CHT Media24.com অবসান হোক বৈষম্যের
শনিবার ● ৯ আগস্ট ২০২৫
প্রথম পাতা » চট্টগ্রাম বিভাগ » আন্তর্জাতিক ‘আদিবাসী’ দিবসকে ব্যবহার করে রাষ্ট্রবিরোধী চক্রান্ত
প্রথম পাতা » চট্টগ্রাম বিভাগ » আন্তর্জাতিক ‘আদিবাসী’ দিবসকে ব্যবহার করে রাষ্ট্রবিরোধী চক্রান্ত
শনিবার ● ৯ আগস্ট ২০২৫
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

আন্তর্জাতিক ‘আদিবাসী’ দিবসকে ব্যবহার করে রাষ্ট্রবিরোধী চক্রান্ত

------ সত্যান্বেষী :: ৯ আগস্ট-আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস। প্রতি বছর এই দিনটিকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে একটি কৃত্রিম উত্তাপ তৈরি করা হয়। কিছু সংগঠন নিজেদের “আদিবাসী” দাবি করে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দাবি তোলে, আলাদা পতাকা তোলে, একে কেন্দ্র করে বিদেশি অর্থে রাষ্ট্রবিরোধী এজেন্ডাও চালায়। কিন্তু প্রশ্ন হলো, বাংলাদেশে কি আদৌ আদিবাসী নামে কোনো বৈধ জনগোষ্ঠী রয়েছে? ইতিহাস ও বাস্তবতা কি এই দাবিকে সমর্থন করে? উত্তর হলো-না।

তাহলে আদিবাসী হওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক মানদণ্ড কী ?
জাতিসংঘ ও আইএলও-র মতে, আদিবাসী হওয়ার জন্য কিছু মূল শর্ত রয়েছে:

১. তারা ঐ অঞ্চলে রাষ্ট্র গঠনের পূর্বে থেকেই বসবাসকারী প্রাচীন জনগোষ্ঠী হবে।
২. তাদের নিজস্ব ভাষা, সংস্কৃতি থাকবে এবং রাষ্ট্রের মূল জনগোষ্ঠী থেকে স্বতন্ত্র হবে।
৩. তাদের অস্তিত্ব ও পরিচয় ঐ অঞ্চলের সবচেয়ে প্রাচীন শিকড়বিশিষ্ট হবে।

তাহলে দেখা যাক—বাংলাদেশে যারা নিজেদের আদিবাসী দাবি করেন, তারা আসলে কে, এবং কোথা থেকে এসেছেন?

১. চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, লুসাই - অভিবাসী, আদিবাসী নয়

এই গোষ্ঠীগুলোর মূল উৎপত্তি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে। তারা ঐতিহাসিকভাবে বর্তমান মায়ানমার, ত্রিপুরা রাজ্য ও আরাকান (বর্তমান রাখাইন) অঞ্চল থেকে আগত।

চাকমা:
ইতিহাস অনুযায়ী, চাকমা জনগোষ্ঠী ১৫-১৬ শতকে মায়ানমার ও ত্রিপুরা অঞ্চল থেকে পার্বত্য চট্টগ্রামে আসে। চাকমা রাজা ত্রিপুরা থেকে বিতাড়িত হয়ে এই অঞ্চলে আশ্রয় নেয়।
[সূত্র: B.L. Chatterjee, The Chakmas of the Chittagong Hill Tracts, 1959]

মারমা:
মারমারা মূলত বার্মার আরাকান রাজ্যের বৌদ্ধ জাতিগোষ্ঠী। ১৭৮৪ সালে বার্মিজ আক্রমণে আরাকান দখল হলে তারা পালিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামে চলে আসে।
[সূত্র: Parimal Ghosh, Colonialism, Class and a Nation: The Making of Modern India, 2001]

ত্রিপুরা:
ত্রিপুরা জনগোষ্ঠী ত্রিপুরা রাজ্য থেকে ব্রিটিশ শাসনের সময় চাষাবাদ ও চুক্তিভিত্তিক কারণে বাংলাদেশে (তৎকালীন ব্রিটিশ বাংলায়) আসে।

লুসাই:
মূলত ভারতের মিজোরাম অঞ্চল ও মায়ানমার সীমান্ত এলাকা থেকে আসা এই জনগোষ্ঠী বাংলায় খুব সামান্য সংখ্যায় বাস করে, এবং তারাও অভিবাসিত।

এদের কেউই ব্রিটিশ আগমনের পূর্বে এই অঞ্চলে ছিল না। তাই আদিবাসী হওয়ার প্রথম ও প্রধান শর্ত-”রাষ্ট্র গঠনের পূর্বে থেকেই বসবাসকারী”-তারা পূরণ করে না।

২. সাঁওতাল, ওঁরাও, মুন্ডা, পাহান, কুড়্মি- চুক্তিভিত্তিক শ্রমিক, ব্রিটিশ আমলে আগমন

এই গোষ্ঠীগুলোকে আজ রাজশাহী, দিনাজপুর, নওগাঁ, পটুয়াখালী, নেত্রকোণা, ময়মনসিংহে পাওয়া যায়। কিন্তু তারা আদিবাসী নয়, বরং ব্রিটিশরা ১৮৫০-১৯০০ সালের মধ্যে চা-বাগান ও কৃষি খামারে শ্রমিক হিসেবে নিয়ে এসেছিল।
সাঁওতালদের আদি নিবাস বর্তমান ঝাড়খণ্ড ও বিহার রাজ্যে।
ওঁরাও ও মুন্ডারা মূলত ছত্তিশগড় ও উড়িষ্যা থেকে আনা হয়।
তারা এখনও নিজেদের মূল উৎসব “সারহুল”, “বাহা” পালন করেন, যা মূলত ভারতীয় সংস্কৃতিভিত্তিক।
এরা বাংলাদেশে দুই শতাব্দীরও কম সময় ধরে আছেন, ফলে তাদেরও “আদিবাসী” বলে চালানো সম্পূর্ণ ইতিহাসবিরোধী।

৩. আন্তর্জাতিক দিবসকে ব্যবহার করে রাষ্ট্রবিরোধী চক্রান্ত
এরা নিজেদের আদিবাসী দাবি করে আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে “জাতিগত নিপীড়ন” এর অভিযোগ আনে।
অনেক ক্ষেত্রে আলাদা পতাকা, আলাদা জাতীয় পরিচয় প্রচার করে যা রাষ্ট্রীয় ঐক্য ও সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি।
বিদেশি অর্থে পরিচালিত কিছু এনজিও এই দাবিকে ইন্ধন দেয়, যার লক্ষ্য “স্বীকৃতির” আড়ালে বাংলাদেশের ভূখণ্ড ও জাতিসত্তার বিভাজন।

বাংলাদেশের সংবিধান কী বলে?
বাংলাদেশের সংবিধানের কোথাও “আদিবাসী” শব্দটি নেই। ২০১১ সালের পঞ্চদশ সংশোধনীতে সুস্পষ্টভাবে বলা হয়:
“বাংলাদেশে বসবাসরত ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী, উপজাতি, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও জনগোষ্ঠীর ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষার্থে রাষ্ট্র ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।”
(২৩(ক) অনুচ্ছেদ)
এখানে “আদিবাসী” শব্দ এড়িয়ে চলা হয়েছে, কারণ রাষ্ট্র আদিবাসী পরিচয়কে বিভাজনের হাতিয়ার হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

রাষ্ট্রের করণীয় কী?
বাংলাদেশে বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীগুলো আমাদের রাষ্ট্রের নাগরিক। তাদের অধিকার, সংস্কৃতি ও জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। কিন্তু “আদিবাসী” নামে ভিন্ন পরিচয়ের দাবিতে বিভ্রান্তি ছড়ানো, আলাদা পতাকা ব্যবহার, কিংবা আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রে যুক্ত থাকা—এগুলো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
রাষ্ট্রের উচিত:
১. “আদিবাসী” নাম ব্যবহার করে রাষ্ট্রবিরোধী আন্দোলন ও চক্রান্তের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া।
২. শিক্ষা, গণমাধ্যম ও সচেতনতা কার্যক্রমের মাধ্যমে জনগণকে ইতিহাস ও বাস্তবতা জানানো।
৩. সংবিধানের কাঠামো মেনে জাতীয় ঐক্যের বার্তা দেওয়া।

বাংলাদেশ একটি একক জাতি রাষ্ট্র। এখানে “আদিবাসী” নামে আলাদা কোনো জাতি, আলাদা কোনো ভূমির মালিকানা বা আলাদা কোনো রাষ্ট্রীয় দাবি সংবিধান মেনে চলতে পারে না। ইতিহাসও এর পক্ষে নয়। তাই বিভ্রান্তি নয়-বাস্তবতার ভিত্তিতে এখন সময় এসেছে স্পষ্ট করে বলার: বাংলাদেশে কোনো আদিবাসী নেই, যারা আছে, তারা আমাদের নাগরিক—কিন্তু তারা অভিবাসী, আদিবাসী নয়।





চট্টগ্রাম বিভাগ এর আরও খবর

হুমকি-ধমকি দিয়ে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে মানুষের ভোটাধিকার খর্ব করা যাবে না : জুঁই চাকমা হুমকি-ধমকি দিয়ে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে মানুষের ভোটাধিকার খর্ব করা যাবে না : জুঁই চাকমা
রাঙামাটি আসনের ভোটকেন্দ্র গুলিতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি করেছেন জুঁই চাকমা রাঙামাটি আসনের ভোটকেন্দ্র গুলিতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি করেছেন জুঁই চাকমা
নানিয়ারচর উপজেলাকে আধুনিকায়ন করে মাঝারি শিল্প গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেব : জুঁই চাকমা নানিয়ারচর উপজেলাকে আধুনিকায়ন করে মাঝারি শিল্প গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেব : জুঁই চাকমা
খাগড়াছড়িতে ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে নিরপেক্ষ ভোটের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন খাগড়াছড়িতে ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে নিরপেক্ষ ভোটের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন
বেতবুনিয়াতে জুঁই চাকমার জনসংযোগ বেতবুনিয়াতে জুঁই চাকমার জনসংযোগ
শখের বসে মোটরসাইকেল চালাতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু শখের বসে মোটরসাইকেল চালাতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু
বাঘাইছড়িতে শিল্প অঞ্চল গড়ে তোলার উপর গুরুতর করেন জুঁই চাকমা বাঘাইছড়িতে শিল্প অঞ্চল গড়ে তোলার উপর গুরুতর করেন জুঁই চাকমা
বেতবুনিয়া পিএসটিএস টিআরসিদের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ বেতবুনিয়া পিএসটিএস টিআরসিদের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ
৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে কাপ্তাইয়ে মানববন্ধন ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে কাপ্তাইয়ে মানববন্ধন
জুরাইছড়ি একটি দুর্গম উপজেলা সড়ক পথে যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু করা অত্যন্ত প্রয়োজন : জুঁই চাকমা জুরাইছড়ি একটি দুর্গম উপজেলা সড়ক পথে যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু করা অত্যন্ত প্রয়োজন : জুঁই চাকমা

আর্কাইভ