শিরোনাম:
●   ঐতিহ্যবাহী মহেশখালী আদিনাথ মন্দিরের পৌরাণিক ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ●   আত্রাইয়ে হেরোইনসহ ২জন মাদক কারবারি গ্রেফতার ●   রাঙামাটি জেলা চ্যাম্পিয়ন রাজনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল দল ●   বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির শীর্ষ নেত্রী বহ্নিশিখা জামালী হাসপাতালে ভর্তি ●   পার্বতীপুরে ব্রক্ষোত্তর সোনাপুকুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রাস্তার বেহাল অবস্থা ●   গাজীপুরে একই পরিবারের ৫ জনকে গলা কেটে হত্যা ●   গাঁজাসহ আটক যুবককে কোস্টগার্ডের মারধরের অভিযোগ, তদন্তের নির্দেশ ●   বিজিবির আভিযানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে মারিশ্যায় নবনির্মিত রিভারঘাট পোস্ট উদ্বোধন ●   ঝালকাঠিতে বোরো ধানে ধস, ঝড়-বৃষ্টিতে ডুবে গেছে ক্ষেত ●   নদী রক্ষায় ঈশ্বরগঞ্জে পিএফজি’র মানববন্ধন ●   খাগড়াছড়িতে ইমন নামে একজনের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার ●   বিজয়ী বিজেপি নেতৃবৃন্দকে বাংলাদেশবিরোধী উসকানি থেকে বিরত থাকার আহবান ●   ঝালকাঠিতে আমির হোসেন আমুর পরিত্যাক্ত বড়ির প্রধান ফটক কেটে উন্মুক্ত করে দিয়েছে ●   ঝালকাঠি সদরে হাম-রুবেলা : ৭৩ সন্দেহভাজন চিকিৎসা নিয়েছে, বাড়ছে নতুন ভর্তি ●   হালদায় চড়া দামে রেণু বিক্রি ●   তাঁতী দলের কেন্দ্রীয় সদস্য সচিবের স্বাক্ষর জালিয়াতি করে রাঙামাটি জেলা কমিটি অনুমোদন ●   সন্ত্রাসী, দূর্বৃত্ত ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ জোরদার করুন ●   ঝালকাঠিতে সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার ●   ঝালকাঠির সড়ক টেন্ডার হলেও কাজ শুরু না করায় বাড়ছে জনদুর্ভোগ ●   নবীগঞ্জে কাভার ভ্যানের চাপায় অজ্ঞাত বৃদ্ধ নিহত ●   পার্বতীপুরে ডেইরি খামার উন্নয়নে প্রাণিসম্পদ ও ডেইরী উন্নয়ন প্রকল্প’র সহায়তা ●   ঝালকাঠি জেলা ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা ●   বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তায় ●   জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতিসহ সাংবাদিকদের ১৪ দফা দাবি মানতে হবে ●   ধান কেটে বাড়ি ফেরার পথে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ১০ ●   গাজীপুরে অজন্তা বৌদ্ধ বিহার ও ধ্যান কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ●   যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের থেকে বিএনপি দূরে সরে যাচ্ছে সাইফুল হক, তিন মাসেই অবিশ্বাস করবেন না : জয়নুল আবদীন ফারুক ●   পার্বতীপুরে ড্রেন বন্ধের কাবণে ৫০ পরিবারের জনদুর্ভোগ ●   ঝালকাঠিতে মহান মে দিবস পালিত ●   হালদা নদীতে ডিম ছেড়েছে মা মাছ
রাঙামাটি, সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩



CHT Media24.com অবসান হোক বৈষম্যের
শনিবার ● ৯ আগস্ট ২০২৫
প্রথম পাতা » চট্টগ্রাম বিভাগ » আন্তর্জাতিক ‘আদিবাসী’ দিবসকে ব্যবহার করে রাষ্ট্রবিরোধী চক্রান্ত
প্রথম পাতা » চট্টগ্রাম বিভাগ » আন্তর্জাতিক ‘আদিবাসী’ দিবসকে ব্যবহার করে রাষ্ট্রবিরোধী চক্রান্ত
শনিবার ● ৯ আগস্ট ২০২৫
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

আন্তর্জাতিক ‘আদিবাসী’ দিবসকে ব্যবহার করে রাষ্ট্রবিরোধী চক্রান্ত

------ সত্যান্বেষী :: ৯ আগস্ট-আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস। প্রতি বছর এই দিনটিকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে একটি কৃত্রিম উত্তাপ তৈরি করা হয়। কিছু সংগঠন নিজেদের “আদিবাসী” দাবি করে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দাবি তোলে, আলাদা পতাকা তোলে, একে কেন্দ্র করে বিদেশি অর্থে রাষ্ট্রবিরোধী এজেন্ডাও চালায়। কিন্তু প্রশ্ন হলো, বাংলাদেশে কি আদৌ আদিবাসী নামে কোনো বৈধ জনগোষ্ঠী রয়েছে? ইতিহাস ও বাস্তবতা কি এই দাবিকে সমর্থন করে? উত্তর হলো-না।

তাহলে আদিবাসী হওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক মানদণ্ড কী ?
জাতিসংঘ ও আইএলও-র মতে, আদিবাসী হওয়ার জন্য কিছু মূল শর্ত রয়েছে:

১. তারা ঐ অঞ্চলে রাষ্ট্র গঠনের পূর্বে থেকেই বসবাসকারী প্রাচীন জনগোষ্ঠী হবে।
২. তাদের নিজস্ব ভাষা, সংস্কৃতি থাকবে এবং রাষ্ট্রের মূল জনগোষ্ঠী থেকে স্বতন্ত্র হবে।
৩. তাদের অস্তিত্ব ও পরিচয় ঐ অঞ্চলের সবচেয়ে প্রাচীন শিকড়বিশিষ্ট হবে।

তাহলে দেখা যাক—বাংলাদেশে যারা নিজেদের আদিবাসী দাবি করেন, তারা আসলে কে, এবং কোথা থেকে এসেছেন?

১. চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, লুসাই - অভিবাসী, আদিবাসী নয়

এই গোষ্ঠীগুলোর মূল উৎপত্তি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে। তারা ঐতিহাসিকভাবে বর্তমান মায়ানমার, ত্রিপুরা রাজ্য ও আরাকান (বর্তমান রাখাইন) অঞ্চল থেকে আগত।

চাকমা:
ইতিহাস অনুযায়ী, চাকমা জনগোষ্ঠী ১৫-১৬ শতকে মায়ানমার ও ত্রিপুরা অঞ্চল থেকে পার্বত্য চট্টগ্রামে আসে। চাকমা রাজা ত্রিপুরা থেকে বিতাড়িত হয়ে এই অঞ্চলে আশ্রয় নেয়।
[সূত্র: B.L. Chatterjee, The Chakmas of the Chittagong Hill Tracts, 1959]

মারমা:
মারমারা মূলত বার্মার আরাকান রাজ্যের বৌদ্ধ জাতিগোষ্ঠী। ১৭৮৪ সালে বার্মিজ আক্রমণে আরাকান দখল হলে তারা পালিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামে চলে আসে।
[সূত্র: Parimal Ghosh, Colonialism, Class and a Nation: The Making of Modern India, 2001]

ত্রিপুরা:
ত্রিপুরা জনগোষ্ঠী ত্রিপুরা রাজ্য থেকে ব্রিটিশ শাসনের সময় চাষাবাদ ও চুক্তিভিত্তিক কারণে বাংলাদেশে (তৎকালীন ব্রিটিশ বাংলায়) আসে।

লুসাই:
মূলত ভারতের মিজোরাম অঞ্চল ও মায়ানমার সীমান্ত এলাকা থেকে আসা এই জনগোষ্ঠী বাংলায় খুব সামান্য সংখ্যায় বাস করে, এবং তারাও অভিবাসিত।

এদের কেউই ব্রিটিশ আগমনের পূর্বে এই অঞ্চলে ছিল না। তাই আদিবাসী হওয়ার প্রথম ও প্রধান শর্ত-”রাষ্ট্র গঠনের পূর্বে থেকেই বসবাসকারী”-তারা পূরণ করে না।

২. সাঁওতাল, ওঁরাও, মুন্ডা, পাহান, কুড়্মি- চুক্তিভিত্তিক শ্রমিক, ব্রিটিশ আমলে আগমন

এই গোষ্ঠীগুলোকে আজ রাজশাহী, দিনাজপুর, নওগাঁ, পটুয়াখালী, নেত্রকোণা, ময়মনসিংহে পাওয়া যায়। কিন্তু তারা আদিবাসী নয়, বরং ব্রিটিশরা ১৮৫০-১৯০০ সালের মধ্যে চা-বাগান ও কৃষি খামারে শ্রমিক হিসেবে নিয়ে এসেছিল।
সাঁওতালদের আদি নিবাস বর্তমান ঝাড়খণ্ড ও বিহার রাজ্যে।
ওঁরাও ও মুন্ডারা মূলত ছত্তিশগড় ও উড়িষ্যা থেকে আনা হয়।
তারা এখনও নিজেদের মূল উৎসব “সারহুল”, “বাহা” পালন করেন, যা মূলত ভারতীয় সংস্কৃতিভিত্তিক।
এরা বাংলাদেশে দুই শতাব্দীরও কম সময় ধরে আছেন, ফলে তাদেরও “আদিবাসী” বলে চালানো সম্পূর্ণ ইতিহাসবিরোধী।

৩. আন্তর্জাতিক দিবসকে ব্যবহার করে রাষ্ট্রবিরোধী চক্রান্ত
এরা নিজেদের আদিবাসী দাবি করে আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে “জাতিগত নিপীড়ন” এর অভিযোগ আনে।
অনেক ক্ষেত্রে আলাদা পতাকা, আলাদা জাতীয় পরিচয় প্রচার করে যা রাষ্ট্রীয় ঐক্য ও সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি।
বিদেশি অর্থে পরিচালিত কিছু এনজিও এই দাবিকে ইন্ধন দেয়, যার লক্ষ্য “স্বীকৃতির” আড়ালে বাংলাদেশের ভূখণ্ড ও জাতিসত্তার বিভাজন।

বাংলাদেশের সংবিধান কী বলে?
বাংলাদেশের সংবিধানের কোথাও “আদিবাসী” শব্দটি নেই। ২০১১ সালের পঞ্চদশ সংশোধনীতে সুস্পষ্টভাবে বলা হয়:
“বাংলাদেশে বসবাসরত ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী, উপজাতি, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও জনগোষ্ঠীর ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষার্থে রাষ্ট্র ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।”
(২৩(ক) অনুচ্ছেদ)
এখানে “আদিবাসী” শব্দ এড়িয়ে চলা হয়েছে, কারণ রাষ্ট্র আদিবাসী পরিচয়কে বিভাজনের হাতিয়ার হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

রাষ্ট্রের করণীয় কী?
বাংলাদেশে বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীগুলো আমাদের রাষ্ট্রের নাগরিক। তাদের অধিকার, সংস্কৃতি ও জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। কিন্তু “আদিবাসী” নামে ভিন্ন পরিচয়ের দাবিতে বিভ্রান্তি ছড়ানো, আলাদা পতাকা ব্যবহার, কিংবা আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রে যুক্ত থাকা—এগুলো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
রাষ্ট্রের উচিত:
১. “আদিবাসী” নাম ব্যবহার করে রাষ্ট্রবিরোধী আন্দোলন ও চক্রান্তের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া।
২. শিক্ষা, গণমাধ্যম ও সচেতনতা কার্যক্রমের মাধ্যমে জনগণকে ইতিহাস ও বাস্তবতা জানানো।
৩. সংবিধানের কাঠামো মেনে জাতীয় ঐক্যের বার্তা দেওয়া।

বাংলাদেশ একটি একক জাতি রাষ্ট্র। এখানে “আদিবাসী” নামে আলাদা কোনো জাতি, আলাদা কোনো ভূমির মালিকানা বা আলাদা কোনো রাষ্ট্রীয় দাবি সংবিধান মেনে চলতে পারে না। ইতিহাসও এর পক্ষে নয়। তাই বিভ্রান্তি নয়-বাস্তবতার ভিত্তিতে এখন সময় এসেছে স্পষ্ট করে বলার: বাংলাদেশে কোনো আদিবাসী নেই, যারা আছে, তারা আমাদের নাগরিক—কিন্তু তারা অভিবাসী, আদিবাসী নয়।





চট্টগ্রাম বিভাগ এর আরও খবর

ঐতিহ্যবাহী মহেশখালী আদিনাথ মন্দিরের পৌরাণিক ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ঐতিহ্যবাহী মহেশখালী আদিনাথ মন্দিরের পৌরাণিক ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা
রাঙামাটি জেলা চ্যাম্পিয়ন রাজনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল দল রাঙামাটি জেলা চ্যাম্পিয়ন রাজনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল দল
বিজিবির আভিযানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে মারিশ্যায় নবনির্মিত রিভারঘাট পোস্ট উদ্বোধন বিজিবির আভিযানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে মারিশ্যায় নবনির্মিত রিভারঘাট পোস্ট উদ্বোধন
খাগড়াছড়িতে ইমন নামে একজনের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার খাগড়াছড়িতে ইমন নামে একজনের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার
হালদায় চড়া দামে রেণু বিক্রি হালদায় চড়া দামে রেণু বিক্রি
তাঁতী দলের কেন্দ্রীয় সদস্য সচিবের স্বাক্ষর জালিয়াতি করে রাঙামাটি জেলা কমিটি অনুমোদন তাঁতী দলের কেন্দ্রীয় সদস্য সচিবের স্বাক্ষর জালিয়াতি করে রাঙামাটি জেলা কমিটি অনুমোদন
হালদা নদীতে ডিম ছেড়েছে মা মাছ হালদা নদীতে ডিম ছেড়েছে মা মাছ
বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে নির্মল বড়ুয়া মিলনের শুভেচ্ছা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে নির্মল বড়ুয়া মিলনের শুভেচ্ছা
রাঙামাটিতে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণে জড়িত আসামী গ্রেফতার রাঙামাটিতে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণে জড়িত আসামী গ্রেফতার
রাঙামাটিতে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণ রাঙামাটিতে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণ

আর্কাইভ