মঙ্গলবার ● ২৫ আগস্ট ২০২৬
প্রথম পাতা » দিনাজপুর » বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৬ বছর ধরে বন্ধ ইউনিট : ২শত কোটি টাকা ব্যয় হবে চালু
বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৬ বছর ধরে বন্ধ ইউনিট : ২শত কোটি টাকা ব্যয় হবে চালু
রুকুনুজ্জামান, পার্বতীপুর প্রতিনিধি :: দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার ২ নম্বর ইউনিটটি দীর্ঘ প্রায় ছয় বছর ধরে বন্ধ রয়েছে। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ২০২০ সালের নভেম্বর থেকে উৎপাদনের বাইরে থাকা ইউনিটটি এখনো জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহে ফিরতে পারেনি। দীর্ঘদিন অচল থাকার পর ইউনিটটি পুনরায় চালু করতে বড় ধরনের ওভারহোলিংয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১ ও ২ নম্বর ইউনিটের প্রতিটির উৎপাদন ক্ষমতা ১২৫ মেগাওয়াট। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় ২ নম্বর ইউনিটের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ পরীক্ষা, সংস্কার ও পরিবর্তনের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। এ কারণে ইউনিটটিতে বড় ধরনের ওভারহোলিংয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
কেন্দ্রের সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের তথ্য অনুযায়ী, ২ নম্বর ইউনিট সংস্কার করে পুনরায় চালু করতে প্রায় ২০০ কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে। এর আগে চলতি বছরের মে মাসে কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবু বকর সিদ্দিক জানিয়েছিলেন, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা ইউনিটটি চালু করতে বড় ধরনের ওভারহোলিং প্রয়োজন হবে। এ কাজের জন্য একটি চীনা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা চলছিল বলেও জানিয়েছিলেন তিনি। সর্বশেষ অগ্রগতি জানতে কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবু বকর সিদ্দিকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘ওরা কাজ করছে। কাজ অনেক দূর অগ্রসরও হয়েছে, হলেই জানতে পারবেন।’ কাজটি কোন প্রতিষ্ঠান করছে জানতে চাইলে তিনি কোনো বিস্তারিত তথ্য না দিয়ে ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। ফলে বর্তমানে ওভারহোলিংয়ের কাজটি কোন প্রতিষ্ঠান করছে, চুক্তির মূল্য কত এবং কাজ শুরুর সুনির্দিষ্ট তারিখ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হয়নি।
২০২০ সালের নভেম্বর থেকে ইউনিটটি উৎপাদনের বাইরে রয়েছে। যান্ত্রিক সমস্যার পর সেটি আর স্বাভাবিক উৎপাদনে ফিরতে পারেনি। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় ইউনিটটির পুরোনো যন্ত্রপাতির ওপরও ব্যাপক চাপ তৈরি হয়েছে। ফলে শুধু সাধারণ মেরামত করে ইউনিটটি চালু করার পরিবর্তে পূর্ণাঙ্গ ওভারহোলিং প্রয়োজন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। ওভারহোলিং বলতে মূলত ইউনিটের গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতি খুলে পরীক্ষা করা, ক্ষতিগ্রস্ত বা মেয়াদোত্তীর্ণ যন্ত্রাংশ পরিবর্তন, প্রয়োজনীয় সংস্কার এবং পরবর্তী সময়ে পরীক্ষামূলকভাবে চালানোর প্রক্রিয়াকে বোঝানো হচ্ছে।
স্থানীয় ও সাংবাদিকদের দাবি, শুধু সংস্কার নয়, ২ নম্বর ইউনিটের ওভারহোলিংয়ের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান, অর্থ বরাদ্দ, কাজ শুরুর সময়সীমা এবং উৎপাদনে ফেরার সম্ভাব্য তারিখ জনসমক্ষে প্রকাশ করা প্রয়োজন। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা ১২৫ মেগাওয়াটের এই ইউনিটটি দ্রুত ও নির্ভরযোগ্যভাবে চালু করা গেলে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন সক্ষমতা বাড়বে। একই সঙ্গে উত্তরাঞ্চলের বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায়ও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।





পার্বতীপুরে মোস্তফাপুর ইউপি ভবন পূর্বস্থানে নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন
পার্বতীপুরে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার বাড়তি দামে বিক্রয়ের দায়ে দুই প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ টাকা জরিমানা
বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিতে স্থায়ী নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন
পার্বতীপুরে গৃহবধূ বাবলি রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামীর বিরুদ্ধে হত্যা মামলা
পার্বতীপুরে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী আটক
বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি-তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান সড়কের বেহাল দশা
বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় চলবে রেলওয়ের ৪টি রুটের যাত্রীবাহী ট্রেন
ভারত পার্বতীপুরে এলো ৪৭ লাখ ৫ হাজার ৮৮০ লিটার ডিজেল
ভারত থেকে ৭২ দফায় পার্বতীপুরে এলো ৪৭ লাখ ৫ হাজার ৮৮০ লিটার ডিজেল
পার্বতীপুর ৯২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার: নেপথ্যে কারা, উঠছে নানা প্রশ্ন