শিরোনাম:
●   পার্বত্য চট্টগ্রামে রোজার মাসে শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষায় ডিসি এসপিদের তৎপর থাকার নির্দেশ পার্বত্য মন্ত্রীর ●   ঝালকাঠির দুই সংসদ সদস্যের সঙ্গে জেলা প্রশাসনের মতবিনিময় সভা ●   ১৮০ দিনের কর্মসূচি দৃশ্যমান করা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রীর ●   কাপ্তাইয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন ●   কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এর শ্রদ্ধা ●   রাবিপ্রবিতে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত ●   আমের মুকুলে সেজেছে ঈশ্বরগঞ্জ : বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা ●   একুশ মানেই অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থান : চুয়েট ভিসি ●   ভাষা শহীদদের প্রতি বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির শ্রদ্ধা জ্ঞাপন ●   নেতৃত্ব নয়, সেবক হয়ে ব্যবসায়ীদের পাশে থাকতে চান হাজী মিল্টন রহমান ●   নবীগঞ্জে জঙ্গল থেকে এক বৃদ্ধের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার ●   রাঙামাটিতে একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষ্যে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির শ্রদ্ধাঞ্জলী ●   কাউখালীতে ব্রাকের কীটনাশকযুক্ত মশারী বিতরণ ●   গোলাপগঞ্জে কলার বাজারে ক্রেতারা দিশেহারা ●   ঈশ্বরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ চিকিৎসক যোগদান ●   আত্রাইয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা ●   মাহে রমজানকে স্বাগত জানিয়ে পার্বতীপুর জামায়াতে ইসলামী র‌্যালি ●   সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পার্বত্য চট্টগ্রাম গড়ে তুলতে চাই : পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান ●   তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারকে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির শুভেচ্ছা ●   কেপিএম স্কুলের ছাত্র জাহেদ উর রহমান এখন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ●   ঝালকাঠিতে চা বানাতে গিয়ে আগুনে পুড়ে প্রাণ গেল বৃদ্ধার ●   পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের দাবি আদায়ের লক্ষে স্মারকলিপি প্রদান, অবস্থান ধর্মঘট, রাজপথে বিক্ষোভ ও হরতাল পালনের মত কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা ●   কাউখালীতে পাগলা কুকুরের কামড়ে বহুজন আক্রান্ত ●   ঝালকাঠিতে ঘুমন্ত ছেলেকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, বাবা গ্রেপ্তার ●   আগামীতে পার্টির লোকজন ব্যতিত অন্য কাউকে পুলিং এজেন্ট নিয়োগ দেয়া হবে না : জুঁই চাকমা ●   কাউখালীতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট শান্তি পুর্নভাবে অনুষ্ঠিত ●   খাগড়াছড়িতে বিএনপির ওয়াদুদ ভূইয়া জয়ী ●   চট্টগ্রাম-১ মিরসরাই আসনে ৪৬ হাজার ৪১৮ ভোটের ব্যবধানে নুরুল আমিন এমপি নির্বাচিত ●   রাঙমাটি-২৯৯ আসনে নির্বাচনে পাশে থাকা সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানালেন জুঁই চাকমা ●   নওগাঁ-৬ আত্রাই-রাণীনগর আসনের ভোট গ্রহণ শেষ, চলছে গণনা; কে হাসবে জয়ের হাসি?
রাঙামাটি, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২ ফাল্গুন ১৪৩২



CHT Media24.com অবসান হোক বৈষম্যের
বৃহস্পতিবার ● ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯
প্রথম পাতা » গাইবান্ধা » উপকারে আসছে না বন্যা আশ্রয়ণ কেন্দ্রগুলো
প্রথম পাতা » গাইবান্ধা » উপকারে আসছে না বন্যা আশ্রয়ণ কেন্দ্রগুলো
বৃহস্পতিবার ● ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

উপকারে আসছে না বন্যা আশ্রয়ণ কেন্দ্রগুলো

---গাইবান্ধা প্রতিনিধি :: গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তিস্তা নদীর চরাঞ্চলে নির্মিত আশ্রয়ণ কেন্দ্র, গুচ্ছ গ্রাম এবং বন্যা সেল্টারগুলো কোন উপকারে আসছে না চরবাসীর। দীর্ঘদিন থেকে মেরামত, সংস্কার, পুর্ণনির্মাণ, মাটি ভরাট, পরিচর্যা, বসবাস না করা ও পরিকল্পিতভাবে নির্মাণ না করার কারণে বর্তমানে ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। বন্যার স্রোতে এবং ভাঙনে বেশ কয়েকটি আশ্রয়ণ কেন্দ্র ভেঙে এবং নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেলেও আজও তা মেরামত করা হয়নি। তাছাড়াও বেশিভাগ আশ্রয়ণ কেন্দ্র এবং গুচ্ছ গ্রামের ঘরগুলো প্রভাবশালীর দখলে তালাবদ্ধ অবস্থায় রয়েছে দীর্ঘদিন থেকে।
উপজেলার তারাপুর, বেলকা, হরিপুর, চন্ডিপুর, শ্রীপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা নদী বর্তমানে একাধিক শাখা ও নালা নদীতে রুপ নিয়েছে। যার কারণে ভাঙনের তীব্রতা দিন দিন বেড়েই চলছে। পানির গতিপথ একমুখী না হওয়ায় চরাঞ্চলে বসবাসকারি পরিবারগুলো প্রতিনিয়ত ভাঙনের শিকার হচ্ছে। সেই সাথে ভাঙনের কবলে পড়ে নদীগর্ভে বিলিন হচ্ছে বসতবাড়ি, আবাদি জামি এবং বিভিন্ন স্থাপনা।
উপজেলায় ১৩টি আশ্রয়ণকেন্দ্র, ১০টি গুচ্ছ গ্রাম ও ৩টি বন্যা সেল্টার রয়েছে। এর বেশিভাগ আশ্রয়ণ কেন্দ্র ও গুচ্ছগ্রাম গুলো বর্তমানে ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। চলতি বছরের স্বরণকালের বন্যায় চরাঞ্চলের আশ্রয়ণ কেন্দ্র এবং গুচ্ছ গ্রাম গুলোর ভিতরে ৩ হতে ৪ ফিট পর্যন্ত পানি প্রবেশ করেছিল। যার কারণে সেখানে বন্যার সময় অবস্থান করতে পারেনি বানভাসিরা। অভিজ্ঞ মহলের দাবি অপরিকল্পিতভাবে এবং নিচু এলাকায় আশ্রয়ণ প্রকল্প নির্মাণ করায় ব্যবহার উপযোগি নয়। কাপাসিয়া ইউনিয়নের রফিকুল ইসলাম জানান, আশ্রয়ণ প্রকল্প শুধু নামে রয়েছে কাজে নাই। আশ্রয়ণ কেন্দ্রের কক্ষগুলো ব্যবহারের যোগ্য নয়। তাছাড়া বেশিভাগ আশ্রয়ণ কেন্দ্রের কক্ষগুলো বর্তমানে তালাবদ্ধ। তিনি বলেন, চরের কিছু সংখ্যক অসাধু ব্যক্তি জোর পূর্বক ঘর বরাদ্দ নিয়ে তালাবদ্ধ করে রেখে অন্যত্র বসবাস করে। বন্যার সময় ত্রাণ নেওয়ার জন্য ঘরে এসে বসবাস শুরু করে। দীর্ঘদিন ঘরগুলো ব্যবহার না করায় দিন দিন ব্যবহারের যোগ্য হয়ে পড়ছে।
হরিপুর ইউপি চেয়ারম্যান নাফিউল ইসলাম জিমি জানান, আমার ইউনিয়নে এনর্জিও সংস্থা কর্তৃক নির্মিত একটি আশ্রয়ণ কেন্দ্র ২০১৫ সালের বন্যার স্রোতে ভেঙে গেছে। কিন্তু আজও তা এনর্জিও ও জিও সংস্থা আশ্রয়ণটি মেরামত ও সংস্কার করেনি। তাছাড়া সরকারিভাবে নির্মিত আশ্রয়ণ কেন্দ্রগুলো সংস্কার না করায় দিন-দিন ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়ছে। এছাড়া প্রয়োজনের তুলনায় আশ্রয়ণ কেন্দ্রের সংখ্যা অনেক কম।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নুরুন্নবী সরকার জানান, পূর্বে যে সব আশ্রয়ণ কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছিল তা দিন-দিন ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। ইতিমধ্যে মজিব কেল্লা নির্মাণের জন্য চাহিদা পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে কমপক্ষে ১৮টি মজিব কেল্লা নির্মাণ করা একান্ত প্রয়োজন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সোলেমান আলী জানান, উপজেলার বিভিন্ন চরাঞ্চলে আধুনিক প্রযুক্তির আশ্রয়ণ কেন্দ্র নির্মাণের জন্য চাহিদা পাঠানো হয়েছে।





আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)