শুক্রবার ● ১২ মার্চ ২০২১
প্রথম পাতা » কৃষি » পেঁয়াজের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি
পেঁয়াজের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি
জাহিদুর রহমান তারিক, ঝিনাইদহ প্রতিনিধি :: ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার পাইকপাড় গ্রামে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে পেঁয়াজ। ক্ষেতেও রয়েছে, যা কৃষক বাড়িতে এনে স্তুপ করে রাখছেন বিক্রির আশায়। পেঁয়াজ সংরক্ষণের কোন ব্যবস্থা না থাকায় অল্প টাকায় বিক্রি করতে বাধ্য হন উপজেলার কৃষকরা। স্থানীয়রা বলছেন, এ উপজেলায় পেঁয়াজের প্রচুর চাষ হয়ে থাকে। সবচেয়ে বেশি চাষ হয় পাইকপাড়া গ্রামে। কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, শৈলকুপা উপজেলায় চাষযোগ্য জমি আছে ২৮ হাজার ৫শ হেক্টর। তারমধ্যে এ বছর পেঁয়াজের চাষ হয়েছে ৭হাজার ৮শ ৯০ হেক্টর জমিতে। এরমধ্যে শুধু পাইকপাড়া গ্রামে চাষ হয়েছে ৩৫০ হেক্টর জমিতে। বারি-১, লাল তীর, লাল তীর কিংসহ বেশ কয়েকটি জাতের পেঁয়াজ বেশি চাষ হচ্ছে। এবছর অনেক কৃষক সুখসাগর জাতও চাষ করেছেন। পাইকপাড়া গ্রামের কৃষক রবিউল ইসলামের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, বাড়ির বাইরে মেয়েরা পেঁয়াজ থেকে গাছ কেটে আলাদা করছেন। বাড়ির মধ্যে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে পেঁয়াজ। ঘর-বারান্দা কোথাও একটু খালি জায়গা নেই। শোবার ঘরের খাটের নিচেও পেঁয়াজ। তিনি জানান, এবছর ৮ বিঘা জমিতে পেঁয়াজের চাষ করেছেন তিনি। এসব জমিতে চাষ করেছেন হাইব্রীড লাল তীরকিং জাত। যার মধ্যে অর্ধেক জমির পেঁয়াজ বাড়িতে নিয়ে এসেছেন। এখনও মাঠে পেঁয়াজ রয়েছে।তিনি আরও জানান, প্রতি বিঘায় সব মিলিয়ে ৩৫ থেকে ৪৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। একবিঘায় (৪০ শতাংশ) ১শ ২০ মণ পেঁয়াজ পাচ্ছেন। যা ১৪ শত টাকা প্রতি মণ দরে বিক্রি করে ১ লক্ষ ৬৮ হাজার টাকা ঘরে আসবে। চর সোন্দহ গ্রামের কৃষক আমিরুল ইসলাম জানান, তিনিও তার জমিতে এ পেঁয়াজ চাষ করেছেন। ক্ষেত থেকে ৬শ মণ পেঁয়াজ পাবেন বলে তিনি আশা করছেন। আমিরুল ইসলাম অরো জানান, সরকারিভাবে এ উপজেলায় পেঁয়াজ সংরক্ষণের কোন ব্যবস্থা নেই। যে কারণে কৃষকরা পেঁয়াজ সংরক্ষণ করতে পারেন না। তাই অনেক সময় সঠিক মূল্য থেকে বঞ্চিত হন। শৈলকুপার পেঁয়াজ ব্যাবসায়ী রেজাউল বিশ্বাস জানান শৈলকুপা বাজার থেকে ঢাকার কারওয়ান বাজার, ভৈরব, সিলেট, চট্রগাম, খুলনা, বরিশাল সহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পেঁয়াজ যায়। দেশের চাহিদার বড় একটি অংশের যোগান শৈলকুপা থেকে হয়ে থাকে। পাইকপাড়া ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা কোরবান আলী জানান, এ ব্লকে ৭ হাজার হেক্টর চাষযোগ্য জমি আছে। আর ১৫৬০টি কৃষি পরিবার রয়েছে। এবছর সাড়ে ৪ হাজার হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষ হয়েছে। কম-বেশি প্রায় সব পরিবারে রয়েছে পেঁয়াজ। চাষটি ক্রমেই বাড়ছে বলে তিনি জানান। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আক্রাম হোসেন জানান, এ উপজেলায় পেঁয়াজের চাষ বাড়ছে। গত ১০ বছরে এ চাষ বেড়েছে। এবার উপজেলায় পেঁয়াজের ফলন ভালো হয়েছে। তবে পেঁয়াজের দাম কিছুটা কম। এখানে একটি কোল্ড স্টোর জরুরি।





আত্রাইয়ে সরিষা ফুলের সৌন্দর্যে মুগ্ধ প্রকৃতিপ্রেমীরা
ঈশ্বরগঞ্জে নবান্ন উৎসবের আমেজে গ্রামীণ জনপদ
আত্রাইয়ে পাট চাষে দিন দিন আগ্রহ হারাচ্ছেন কৃষকরা
কাউখালীতে কৃষি অধিদপ্তরের পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস অনুষ্ঠিত
কাউখালীতে জাতীয় ফল মেলা অনুষ্ঠিত
ঝালকাঠিতে আম বাগান হয়ে উঠেছে সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত
বাগেরহাটে লবণাক্ত পতিত জমিতে মাঠজুড়ে সূর্যমূখীর হাঁসি ঝিলিক
আত্রাইয়ে বেড়েছে পেঁয়াজের বীজ চাষ
শরীরের জন্য পুষ্টি, তাপ ও শক্তি যোগাতে পুষ্টিকর খাবারে কোনো বিকল্প নেই : মনিরুজ্জামান খান
ফটিকছড়িতে বোরো চাষে নারী শ্রমিকরা