শিরোনাম:
●   ত্যাগ-তিতিক্ষার রাজনীতিতে তিন দশক পাড় করেছে বিএনপির নেতা নান্নু ●   জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নারীদের ঐতিহাসিক অবদানকে এই সমাজ ও রাষ্ট্র ধারণ করতে পারেনি ●   লাল পেইন্টার পাসপোর্ট পেলেন রাঙ্গুনিয়ার সাকিব ●   ৩০ জুলাই জাতীয় প্রেসক্লাবে ” ২০২৪ এর গণঅভ্যুত্থান- নারীর অধিকার ও মুক্তির গতিপথ ” শীর্ষক আলোচনা সভা ●   রনি’র চলন্ত গাড়িতে ফিল্মি স্টাইলে গুলি ●   জমে উঠেছে ঝালকাঠির ভাসমান পেয়ারার হাট ●   চুয়েটের প্রয়াত শিক্ষার্থী অর্ণব সাহার স্মরণে শোক সভা ●   ঈশ্বরগঞ্জে মোবাইল কোর্টে জব্দকৃত বালুভর্তি ট্রলার ছিনতাই ●   কেপিএমে উন্মুক্ত নক আউট মিনিবার ফুটবল টুর্ণামেন্টেের উদ্বোধনী খেলায় ফকিরাঘোনা বিজয়ী ●   ঝালকাঠিতে কন্যাশিশুর অধিকার সুরক্ষা ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত ●   পার্বতীপুরে তুলাচাষীদের মাঝে বিনামূল্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ ●   প্রতিবন্ধী কিশোরী অপহরণ ও ধর্ষণচেষ্টা মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার ●   রাবিপ্রবি’তে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে প্রফেসর ড. মো. শফিকুল ইসলাম এর যোগদান ●   রাউজান মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স ক্লাবের আত্মপ্রকাশ ●   রাঙ্গুনিয়ায় নদীভাঙনের মুখে মসজিদ-মাদ্রাসা ●   বাধ্যতামূলক অবসরে ৩২ ডিসি ●   গ্রেটার দেউলগ্রাম ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট ইউকে এর গ্রীষ্মকালীন ভ্রমণ ●   বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্বের ঐতিহ্য ধরে রেখে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ●   রাঙামাটিতে চার জনের যাবজীবন ●   যুক্তরাজ্যে ওয়াটফোর্ড বাংলাদেশী এসোসিয়েশনের চট্টগ্রামের মেজবান অনুষ্ঠিত ●   ঝালকাঠিতে রোগী নিয়ে এম্বুলেন্স ছিটকে পড়লো খাদে চালক সহ আহত ছয় ●   কাপ্তাইয়ে টেকসই উন্নয়ন অভিষ্ট সমূহ বাস্তবায়ন ও সমন্বয় সম্পর্কিত সভা অনুষ্ঠিত ●   রাঙামাটিতে জননেতা সাইফুল হক এর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত ●   ঈশ্বরগঞ্জে আসামিদের হুমকীতে বাড়ি ছাড়া বাদী পরিবার ●   শিশু ওয়াসিফাকে উদ্ধার করল পুলিশ : গ্রেপ্তার-৩ ●   ইন্টারন্যাশনাল জাম্বুরী’তে যোগ দিতে লন্ডন গমন করলো নাফিজ ●   ঝালকাঠিতে উন্নয়নে নাগরিক সংলাপ অনুষ্ঠিত ●   দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়ায় অস্ত্র ও গুলিসহ তিন সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার ●   কাল জাতীয় প্রেসক্লাবে “২০২৪ এর গণঅভ্যুত্থান ও শ্রমিকের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি ” শীর্ষক আলাচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে ●   কচুরিপানার দখলমুক্ত হচ্ছে খোজারখলার ঐতিহাসিক পুকুর
রাঙামাটি, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩



CHT Media24.com অবসান হোক বৈষম্যের
সোমবার ● ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪
প্রথম পাতা » কৃষি » কাসাভা চাষে পার্বত্য অঞ্চলের বন ভূমিতে জীববৈচিত্র্য ধ্বংস করছে
প্রথম পাতা » কৃষি » কাসাভা চাষে পার্বত্য অঞ্চলের বন ভূমিতে জীববৈচিত্র্য ধ্বংস করছে
সোমবার ● ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

কাসাভা চাষে পার্বত্য অঞ্চলের বন ভূমিতে জীববৈচিত্র্য ধ্বংস করছে

--- আব্দুল্লাহ আল মামুন, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি :: পাহাড়ে উচ্চ শর্করাসমৃদ্ধ ফসল ‘কাসাভা’ চাষ ধীরে ধীরে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। তবে এ কাসাভা চাষ পার্বত্য অঞ্চলের বন ভূমিতে জীববৈচিত্র্য ধ্বংস করছে, বিরুপ প্রভাব পড়ছে পাহাড় ও পরিবেশে। এতে করে প্রকৃতি হারাচ্ছে তার ভারসাম্য, কমছে মাটির উর্বরতা, নীচে নামছে পানির স্তর।

বৈজ্ঞানিক ভাষায় এর নাম ‘কাসাভা’ হলেও খাগড়াছড়িতে এটি ‘কাঠ আলু’ নামে পরিচিত। সমতল ভূমির চেয়ে পাহাড়ে এটির ফলন বেশি হয়।

বিভিন্ন পুষ্টিগুণ এবং উচ্চ ক্যালোরিযুক্ত কার্বোহাইড্রেটসমৃদ্ধ এই কাসাভা থেকে উন্নতমানের সাদা আটা পাওয়া যায়। যা দিয়ে রুটি, বিস্কুট, চিপস, গুক্লোজসহ নানাবিধ খাদ্য তৈরি করা যায়।
এ ছাড়া শাগু, বিয়ার, পোল্ট্রি ফিড, বস্ত্র ও কাগজ তৈরির শিল্পে প্রচুর কাসাভার ব্যবহার হয়।
আফ্রিকা মহাদেশে কাসাভার চাষ বেশি হয়। সেখানকার মানুষ কাসাভা খেয়ে জীবন ধারণ করেন। বাংলাদেশে এটি অনেকের কাছে ‘শিমুল আলু’ নামে পরিচিত। পাহাড়ি অঞ্চলে অনেকটা অবহেলায় চাষ হওয়া এ উদ্ভিদটি এখন সম্ভাবনাময় অর্থকরী ফসল।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, সবুজ পাহাড়ে সম্প্রসারিত দক্ষিণ আফ্রিকার ফসল কাসাভা চাষে মুল অর্থ যোগানদাতা প্রাণ আর এফ এল গ্রুপের প্রাণ এগ্রো বিসনেস লিমিটেড ও রহমান কেমিক্যালস লিমিটেড সুদমুক্ত ঋণ দেয়ার প্রলোভনে আংশিক সহায়তাদানের মাধ্যমে চুক্তিভিত্তিক কাসাভা চাষে উৎসাহ জোগাচ্ছে গরিব লোকদের।

বাজারে অন্যান্য পণ্যের দাম বাড়লেও প্রতিযোগিতা না থাকায় কাসাভার দাম বাড়ছে না। ফলে অনেকটা বাধ্য হয়েই কোম্পানির মনগড়া মূল্যে কাসাভা বিক্রি করতে হচ্ছে চাষিদের।
কোম্পানি দুটি প্রতি মে.টন কাসাভার মূল্য দেয় মাত্র ৮০০০ টাকা। এতে করে ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তারা।

জানা গেছে, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার রামগড়, গুইমারা, মানিকছড়ি ও মাটিরাঙ্গা উপজেলার প্রায় এক হাজার একর জমিতে এ বছর কাসাভার চাষ হয়েছে।
মাটিরাঙ্গা উপজেলার খেদাছড়া এলাকার কৃষকরা জানান, বর্ষা মৌসুমে কাসাভা রোপণ করা হয়। এটি পাঁচ থেকে আট ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়। প্রতি একর জমিতে ৬-৭ মে. টন কাসাভা পান কৃষকরা।
সূত্র বলছে, এই শিমুল আলু (কাসাভা) চাষের জন্য খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা, মহালছড়ি, গুইমারা, মানিকছড়ি উপজেলার বেশি বনভূমি উজাড় করে হচ্ছে এর চাষ। যা মাটির টপ চয়েল উৎপাটন, ভূমি ধ্বস, মাটি ক্ষয় এর জন্য দায়ী।

এক সময় পার্বত্য চট্টগ্রামে দেখা মিলতো হরিণ,বনমোরগ, খোরগোশ, গুইসাপ, বানর, লজ্জাবতী বানর, গন্ধগোকুল, বন বিড়ালসহ বিভিন্ন পাখি ও সাপের। ছিলো নিরাপদ আবাসস্থলও। যা বর্তমানে বিলুপ্ত প্রায়।

আর পাহাড়ের উচু-নিচু বনভূমিতে কচি-কাঁচা গাছ কাটা থেকে শুরু করে বনভূমি ধ্বংসের কারনে এসব বন্যপ্রাণী হারিয়ে যেতে বসেছে বলে বলছেন বিশেষজ্ঞরা।
এদিকে, কাসাভা চাষের বিষয়টি দৃষ্টি গোচর হয়েছে জানিয়ে খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মো. সহিদুজ্জামান বলেন, জেলা বন ও পরিবেশ কমিটির সভায় এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছে। পাহাড়ে কাসাভা চাষ, প্রতিক্রিয়া ও প্রভাব খতিয়ে দেখার জন্য উপজেলা বন ও পরিবেশ কমিটিকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
এ চাষে খারাপ প্রভাব, অনুমোদন, ভাল দিক খারাপ দিক তদন্ত করে জানালে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জানান জেলা প্রশাসক।





আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)