শিরোনাম:
●   স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মোসাব্বিরের হত্যাকাণ্ড বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির নিন্দা ●   প্যানাম গ্রুপের বার্ষিক উৎসব উদযাপন : সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার ●   ঝালকাঠিতে চোরাই স্বর্ণ অলংকার ও নগদ অর্থসহ গ্রেফতার-৬ ●   সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় রাঙামাটিতে মিলাদ মাহফিল ●   নানিয়ারচর জোনের উদ্যোগে কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ●   রাবিপ্রবিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া’র স্মরণে শোকসভা ●   রাঙামাটি-২৯৯ আসনের রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফীর ভূমিকা রহস্যজনক : জুঁই চাকমা ●   ঝালকাঠিতে আওয়ামী লীগের ২ নেতা গ্রেফতার ●   খাগড়াছড়িতে বনবিভাগের অভিযানে বন্যপ্রাণি উদ্ধার ●   নির্বাচনে দ্বৈত নাগরিকত্বের প্রার্থীর কী বিধান, ইসির কাছে জানতে চেয়ে চিঠি ●   কাপ্তাই নৌবাহিনী স্কুল এন্ড কলেজ গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান এর বিদায় সংবর্ধনা ●   নবীগঞ্জে তীব্র শীতে বিপর্যস্ত জনজীবন ●   মিজানুর রহমান পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব পদে যোগদান ●   ঝালকাঠিতে ডিবির অভিযানে ইয়াবাসহ আটক-১ ●   আরিচা ঘাটের সেকাল আর একাল ●   কেপিএম স্কুলে খালেদা মুজাহিদ টেক সেন্টার উদ্বোধন ●   বেগম খালেদা জিয়ার শোকবইয়ে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির নেতৃবৃন্দের স্বাক্ষর ●   ঝালকাঠির ২ আসনে ৯ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল : ১৬ জন বৈধ ●   খাগড়াছড়ি ২৯৮ নং আসনে ৭টি প্রার্থীর মনোনয়পত্র বৈধ, বাতিল-৮ ●   আত্রাইয়ে জাতীয় সমাজসেবা দিবস উদযাপন ●   মিরসরাইয়ে ইয়াং জেনারেশন ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত ●   ঢাকা-১২ আসনে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাইফুল হক এর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা ●   টিমওয়ার্ক ও একাগ্রতাই আমাদের সাফল্যের চাবিকাঠি : পানাম গ্রুপের এমডি ●   ওসমান হাদির নামে নলছিটি লঞ্চঘাটের নামকরণ ●   পার্বতীপুরে বেগম খালেদা জিয়ার গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত ●   বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির আয়োজনে রাঙামাটিতে বেগম খালেদা জিয়া’র শোক সভা ●   পরকীয়া প্রতিরোধে কঠোর আইন চায় ভুক্তভোগী স্বামী ●   রাঙামাটি-২৯৯ আসনে জুঁই চাকমার মনোনয়ন পত্র বৈধ ঘোষণা ●   মিরসরাইয়ে অসহায় মায়ের চিকিৎসায় আর্থিক সহযোগিতা প্রদান ●   পার্বতীপুরে বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া অনুষ্টিত
রাঙামাটি, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬, ২৬ পৌষ ১৪৩২



CHT Media24.com অবসান হোক বৈষম্যের
সোমবার ● ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪
প্রথম পাতা » কৃষি » কাসাভা চাষে পার্বত্য অঞ্চলের বন ভূমিতে জীববৈচিত্র্য ধ্বংস করছে
প্রথম পাতা » কৃষি » কাসাভা চাষে পার্বত্য অঞ্চলের বন ভূমিতে জীববৈচিত্র্য ধ্বংস করছে
সোমবার ● ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

কাসাভা চাষে পার্বত্য অঞ্চলের বন ভূমিতে জীববৈচিত্র্য ধ্বংস করছে

--- আব্দুল্লাহ আল মামুন, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি :: পাহাড়ে উচ্চ শর্করাসমৃদ্ধ ফসল ‘কাসাভা’ চাষ ধীরে ধীরে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। তবে এ কাসাভা চাষ পার্বত্য অঞ্চলের বন ভূমিতে জীববৈচিত্র্য ধ্বংস করছে, বিরুপ প্রভাব পড়ছে পাহাড় ও পরিবেশে। এতে করে প্রকৃতি হারাচ্ছে তার ভারসাম্য, কমছে মাটির উর্বরতা, নীচে নামছে পানির স্তর।

বৈজ্ঞানিক ভাষায় এর নাম ‘কাসাভা’ হলেও খাগড়াছড়িতে এটি ‘কাঠ আলু’ নামে পরিচিত। সমতল ভূমির চেয়ে পাহাড়ে এটির ফলন বেশি হয়।

বিভিন্ন পুষ্টিগুণ এবং উচ্চ ক্যালোরিযুক্ত কার্বোহাইড্রেটসমৃদ্ধ এই কাসাভা থেকে উন্নতমানের সাদা আটা পাওয়া যায়। যা দিয়ে রুটি, বিস্কুট, চিপস, গুক্লোজসহ নানাবিধ খাদ্য তৈরি করা যায়।
এ ছাড়া শাগু, বিয়ার, পোল্ট্রি ফিড, বস্ত্র ও কাগজ তৈরির শিল্পে প্রচুর কাসাভার ব্যবহার হয়।
আফ্রিকা মহাদেশে কাসাভার চাষ বেশি হয়। সেখানকার মানুষ কাসাভা খেয়ে জীবন ধারণ করেন। বাংলাদেশে এটি অনেকের কাছে ‘শিমুল আলু’ নামে পরিচিত। পাহাড়ি অঞ্চলে অনেকটা অবহেলায় চাষ হওয়া এ উদ্ভিদটি এখন সম্ভাবনাময় অর্থকরী ফসল।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, সবুজ পাহাড়ে সম্প্রসারিত দক্ষিণ আফ্রিকার ফসল কাসাভা চাষে মুল অর্থ যোগানদাতা প্রাণ আর এফ এল গ্রুপের প্রাণ এগ্রো বিসনেস লিমিটেড ও রহমান কেমিক্যালস লিমিটেড সুদমুক্ত ঋণ দেয়ার প্রলোভনে আংশিক সহায়তাদানের মাধ্যমে চুক্তিভিত্তিক কাসাভা চাষে উৎসাহ জোগাচ্ছে গরিব লোকদের।

বাজারে অন্যান্য পণ্যের দাম বাড়লেও প্রতিযোগিতা না থাকায় কাসাভার দাম বাড়ছে না। ফলে অনেকটা বাধ্য হয়েই কোম্পানির মনগড়া মূল্যে কাসাভা বিক্রি করতে হচ্ছে চাষিদের।
কোম্পানি দুটি প্রতি মে.টন কাসাভার মূল্য দেয় মাত্র ৮০০০ টাকা। এতে করে ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তারা।

জানা গেছে, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার রামগড়, গুইমারা, মানিকছড়ি ও মাটিরাঙ্গা উপজেলার প্রায় এক হাজার একর জমিতে এ বছর কাসাভার চাষ হয়েছে।
মাটিরাঙ্গা উপজেলার খেদাছড়া এলাকার কৃষকরা জানান, বর্ষা মৌসুমে কাসাভা রোপণ করা হয়। এটি পাঁচ থেকে আট ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়। প্রতি একর জমিতে ৬-৭ মে. টন কাসাভা পান কৃষকরা।
সূত্র বলছে, এই শিমুল আলু (কাসাভা) চাষের জন্য খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা, মহালছড়ি, গুইমারা, মানিকছড়ি উপজেলার বেশি বনভূমি উজাড় করে হচ্ছে এর চাষ। যা মাটির টপ চয়েল উৎপাটন, ভূমি ধ্বস, মাটি ক্ষয় এর জন্য দায়ী।

এক সময় পার্বত্য চট্টগ্রামে দেখা মিলতো হরিণ,বনমোরগ, খোরগোশ, গুইসাপ, বানর, লজ্জাবতী বানর, গন্ধগোকুল, বন বিড়ালসহ বিভিন্ন পাখি ও সাপের। ছিলো নিরাপদ আবাসস্থলও। যা বর্তমানে বিলুপ্ত প্রায়।

আর পাহাড়ের উচু-নিচু বনভূমিতে কচি-কাঁচা গাছ কাটা থেকে শুরু করে বনভূমি ধ্বংসের কারনে এসব বন্যপ্রাণী হারিয়ে যেতে বসেছে বলে বলছেন বিশেষজ্ঞরা।
এদিকে, কাসাভা চাষের বিষয়টি দৃষ্টি গোচর হয়েছে জানিয়ে খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মো. সহিদুজ্জামান বলেন, জেলা বন ও পরিবেশ কমিটির সভায় এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছে। পাহাড়ে কাসাভা চাষ, প্রতিক্রিয়া ও প্রভাব খতিয়ে দেখার জন্য উপজেলা বন ও পরিবেশ কমিটিকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
এ চাষে খারাপ প্রভাব, অনুমোদন, ভাল দিক খারাপ দিক তদন্ত করে জানালে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জানান জেলা প্রশাসক।





আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)