শিরোনাম:
●   ঝিনাইদহে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ ●   যুবককে পিটিয়ে হত্যা : আটক ৩ ●   অটোপাস পাচ্ছেন অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীরা ●   জুসের সাথে ঘুমের ঔষধ খাইয়ে মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবা আটক ●   মিরসরাইয়ে ৩০ কেজি গাঁজাসহ আটক-২ ●   আজ ১৫ জুন চিত্রনায়িকা শাবানার জম্মদিন ●   রমেক মেডিকেল দালালমুক্ত করার দাবিতে সাদুল্লাপুরে মানববন্ধন ●   প্রবাসী চত্বরে এমপি মোকাব্বির খানের ৩ লাখ টাকা অনুদান ●   গণতান্ত্রিক শক্তির রাজপথে কার্যকরি ঐক্য গড়ে তোলার ডাক ●   বাগেরহাটে কাঠের পূল ভেঙ্গে ১০ গ্রামের ১৫ হাজার মানুষ দুর্ভোগ ●   ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে শিশুকে লাথি মেরে কোমরের হাড় ভেঙে দেয়ার অভিযোগ ●   মানিকছড়িতে গৃহবধুর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার ●   আলীকদমে ডায়রিয়ায় ৮ জনের মৃত্যু ●   রাঙামাটিতে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত ●   খালেদা জিয়া আবারও জ্বরে আক্রান্ত ●   পরকীয়ার জের ধরে কুষ্টিয়ায় দিনে দুপুরে মা, ছেলেকে গুলি করে হত্যা : আটক-১ ●   ঈদ-উল আযহা : গরু মোটা তাঁজা করনে ব্যস্ত ঝিনাইদহের গরু খামারীরা ●   বিশ্বনাথে দিন দিন বাড়ছে করোনার সংক্রমণ ●   কল্পনা চাকমা অপহরণের ২৫তম বার্ষিকীতে হিল উইমেন্স ফেডারেশনের অনলাইন আলোচনা ●   রাউজানে প্রবাসীর ঘরে দুর্ধর্ষ ডাকাতি ●   কৃষক ও খেতমজুর সংগ্রাম পরিষদের সভায় ২০২১-২০২২ বাজেট প্রত্যাখান ●   বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির ১৭ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দেশবাসীকে অভিনন্দন ●   মা বাবাকে প্রহারের অপরাধে পুত্র শরীফকে কারাদন্ড ●   ঝিনাইদহ করোনা ইউনিটে কর্মরত ১৭ কর্মচারীর মানবেতর জীবন ●   ঝালকাঠিতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন ●   তামাকপণ্যের দাম ও কর বাড়ানোর জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান ●   রাজস্থলীতে মডেল মসজিদ নির্মাণে অনিশ্চয়তা ●   আত্রাইয়ে মানছে না স্বাস্থ্যবিধি বাড়ছে করোনা ঝুঁকি ●   কল্পনা চাকমা অপহরণ দিবসে দীঘিনালায় আলোচনা সভা ●   বাড়ি-ঘরে অগ্নিসংযোগ লুটপাট ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারের দাবীতে মানববন্ধন
রাঙামাটি, বুধবার, ১৬ জুন ২০২১, ২ আষাঢ় ১৪২৮


CHT Media24.com অবসান হোক বৈষম্যের
শনিবার ● ৫ জুন ২০২১
প্রথম পাতা » চট্টগ্রাম » প্রকৃতি ও পরিবেশ ধ্বংসকারীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে সকল রাজনৈতিক দলের প্রতি তথ্যমন্ত্রী’র আহবান
প্রথম পাতা » চট্টগ্রাম » প্রকৃতি ও পরিবেশ ধ্বংসকারীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে সকল রাজনৈতিক দলের প্রতি তথ্যমন্ত্রী’র আহবান
৬৪ বার পঠিত
শনিবার ● ৫ জুন ২০২১
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

প্রকৃতি ও পরিবেশ ধ্বংসকারীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে সকল রাজনৈতিক দলের প্রতি তথ্যমন্ত্রী’র আহবান

ছবি: সংবাদ সংক্রান্তচট্টগ্রাম প্রতিনিধি :: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, রাজনীতিবিদের দায়িত্ব হচ্ছে মানুষকে ভালো অভ্যাসগুলো জানানো এবং শেখানো। সমস্ত রাজনৈতিক দলের প্রতি আহবান জানাই, আসুন যারা পরিবেশ ধ্বংস করে, প্রকৃতির বিরুদ্ধে কাজ করে, প্রকৃতিকে ধ্বংস করে তাদের বিরুদ্ধে আমরা যেন সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াই।
তিনি বলেন, মানুষের টিকে থাকার জন্য এই পৃথিবী দরকার, কিন্তু পৃথিবীর টিকে থাকার জন্য মানুষের দরকার নাই। পৃথিবীতে বহু প্রাণী এসেছে, বিলুপ্ত হয়ে গেছে, কিন্তু পৃথিবী টিকে আছে। মানুষও যদি পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়ে যায়, তাহলে পৃথিবীর কিছু যায় আসে না। যেভাবে আমরা পরিবেশ প্রকৃতিকে ধ্বংস করছি প্রকারান্তরে আমরা আমাদের অস্তিত্বকেই ধ্বংস করছি, এটিই হচ্ছে বাস্তব সত্য। পরিবেশ প্রকৃতিকে ধ্বংস করার মধ্য দিয়ে মানুষ ক্রমাগতভাবে নিজের অস্তিত্বকেই ধ্বংসের মুখে দ্বার করাচ্ছে। সুতরাং আমাদের নিজের প্রয়োজনেই পরিবেশ-প্রকৃতিকে সংরক্ষণ করতে হবে।
আজ (৫ জুন) দুপুরে বাংলাদেশ টেলিভিশন চট্টগ্রাম কেন্দ্রে বিশ^ পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বৃক্ষরোপন কর্মসুচির আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন সংরক্ষক আবদুল আউয়াল সরকার, বাংলাদেশ টেলিভিশনের উপ-প্রধান বার্তা সম্পাদক অনুপ কুমার খাস্তগীর। বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের জেনারেল ম্যানেজার নিতাই কুমার ভট্টাচার্য্য সভায় সভাপতিত্ব করেন।
উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক শাহ, দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম, বিটিভি’র অনুষ্ঠান প্রিভিউ কমিটির সদস্য গিয়াস উদ্দিন খাঁন স্বপন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. মো. সেলিম, উত্তর জেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম প্রমুখ।
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ঢাকা শহরের দুই কোটি মানুষ এবং চট্টগ্রাম শহরের প্রায় আশি লাখ মানুষ যদি মনে করে আমি যেখানে সেখানে ময়লা আবর্জনা ফেলব, পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা সেটি পরিস্কার করবে। তাহলে সেই শহর কখনো পরিস্কার রাখা সম্ভব হবে না। সেজন্য পরিবেশ বিজ্ঞানের একজন ছাত্র ও পরিবেশ কর্মী হিসেবে সবার প্রতি বিনীত নিবেদন জানাই, প্রত্যেকেই যেন তিনটি করে গাছ লাগাই। এটি বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার স্লোগান। একই সাথে নিজের প্রয়োজনে পরিবেশ-প্রকৃতিকে সংরক্ষণ করি, তাহলেই মানুষ এই পৃথিবীতে টিকে থাকবে।
তিনি বলেন, সারাদেশে প্রধানমন্ত্রী তিন মাসব্যাপী বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন। বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা ১৯৮১ সালে বাংলাদেশে আসার পর ১৯৮৩ সাল থেকে আওয়ামী লীগের উদ্যোগে সারাদেশে কৃষক লীগের মাধ্যমে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। প্রত্যেকে একটি বনজ, ফলদ ও ভেষজ গাছ লাগাবেন, এটি তাঁরই স্লোগান। দেশে বৃক্ষরোপন একটি সামাজিক আন্দোলনে রূপান্তরিত হয়েছে।
গত ১২ বছরে বৃক্ষ আচ্ছাদিত ভূমির পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে উল্লেখ করে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, যেখানে এক সময় বনাঞ্চলের পরিমাণ ৮ শতাংশের নিচে নেমে এসেছিল, সেটি এখন অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। যেখানে একটি গাছের আর্থিক মূল্য অপরিসীম, সেখানে রাস্তার ধারের বনায়ন নষ্ট হয় না, জনগণই পাহাড়া দেয়। কারণ এই সামাজিক বনায়নের মালিকানা রাস্তার পাশের মানুষের আছে। এটিকে প্রবর্তন করেছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর গতিশীল নেতৃত্ব এবং জনগণকে সম্পৃক্ত করে নানা ধরণের সামাজিক বনায়ন কর্মসূচি গ্রহণ করার কারণে এটি সম্ভবপর হয়েছে।
তিনি বলেন, মানুষ কিন্তু প্রকৃতির দাস, মানুষ টিকে থাকার জন্য প্রকৃতির প্রয়োজন। এই পরিবেশ-প্রকৃতি যদি বিনষ্ট হয় তাহলে মানুষের পক্ষে ঠিকে থাকা সম্ভবপর নয়।
আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেন, পৃথিবী সৃষ্টি হয়েছে সাড়ে চারশ’ কোটি বছর আগে। বিজ্ঞান বলছে পৃথিবীতে প্রাণের অস্তিত্ব দেখা দিয়েছে দুইশ’ ৭০ কোটি বছর আগে। পৃথিবীতে প্রথম দফায় প্রাণের আবির্ভাব হবার পর কয়েক কোটি বছর প্রাণ টিকেছিল। কিন্তু এরপর বেশিরভাগ প্রাণী বিলুপ্ত হয়ে যায়। এটির মূল কারণ হচ্ছে, সেই সময় যে সমস্ত প্রাণীর উদ্ভব ঘটেছিল পরবর্তীতে প্রকৃতিতে পরিবর্তন ও পরিবেশ বিপর্যয়ের কারণে সেই প্রাণীগুলোর আর টিকে থাকা সম্ভবপর হয়নি।
এরপর দ্বিতীয় দফায় পৃথিবীতে আবার প্রাণের আবির্ভাব ঘটে প্রায় ৩০ কোটি বছর আগে। তখনই পৃথিবীতে ডাইনোসরের আবির্ভাব ঘটে। পৃথিবীতে এত বড় আকৃতির প্রাণী কখনো ছিল না। আজ থেকে সাড়ে ৬ শ কোটি বছর আগে ডাইনোসরসহ সে সময়ের যে প্রাণের আবির্ভাব ঘটেছিল বেশিরভাগ প্রাণী বিলুপ্ত হয়ে যায়। এই বিলুপ্তির প্রধান কারণ হচ্ছে পরিবেশ এবং প্রকৃতিতে পরিবর্তন।
তিনি আরও বলেন, এরপর তৃতীয় দফায় প্রাণের আবির্ভাব ঘটে পৃথিবীতে, যার মধ্যে একটি প্রাণী হচ্ছে মানুষ। পৃথিবীতে এখন নানা ধরণের প্রাণী আছে। আজকের পৃথিবীতে মানুষ মনে করছে তারা এই পৃথিবীর অধিপতি। সেই কারণে মানুষ সমস্ত প্রকৃতিকে নিজের প্রয়োজনে ব্যবহার করছে। নিজের প্রয়োজনে যথেচ্ছভাবে ব্যবহার করার কারণে মানুষ আজ অনুভব করছে প্রকৃতি বৈরী হলে কি হয়।
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বর্তমানে করোনা ভাইরাসের বিষয়েও ব্যাপকভাবে গ্রহণযোগ্য মতবাদ হচ্ছে একটি বিশেষ প্রাণী থেকে মানুষের শরীরে এই করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটেছে। সবধরণের প্রাণীকে নিজের প্রয়োজনে ব্যবহার করা, সরধরণের প্রাণী খেয়ে ফেলা এটির কারণে আজকে আমরা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছি। করোনা কিভাবে আজকে মানুষকে পর্যুদস্ত করেছে, সেটি সবাই অনুভব করছি।
তিনি বলেন, যে বাতাস ছাড়া মানুষ টিকতে পারে না, সেই অক্সিজেনটুকু আমরা স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করতে পারছি না। অক্সিজেন গ্রহণের জন্য আমাদের যে শ^াসতন্ত্র সেটিকে আবরণ দিয়ে ঢেকে রাখতে হচ্ছে, এটি আমাদের কারণেই হয়েছে। আমাদের অনেক উন্নতি হয়েছে, কিন্তু এত উন্নতির পরেও আমরা দেখলাম করোনার কাছে আমরা কি রকম অসহায়। এটির প্রধান কারণ হচ্ছে সবকিছুকে নিজের প্রয়োজনে ব্যবহারের মানুষের যে মনোবৃত্তি, অন্যপ্রাণীর প্রয়োজনটাকে কোনসময় মাথায় না রাখা, পরিবেশ-প্রকৃতিকে ধ্বংস করা। এটির কারণে আমরা বারে বারে বিপর্যয়ের সম্মুখীন হচ্ছি।



google.com, pub-4074757625375942, DIRECT, f08c47fec0942fa0

আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)