শিরোনাম:
●   ঈশ্বরগঞ্জে আসামিদের হুমকীতে বাড়ি ছাড়া বাদী পরিবার ●   শিশু ওয়াসিফাকে উদ্ধার করল পুলিশ : গ্রেপ্তার-৩ ●   ইন্টারন্যাশনাল জাম্বুরী’তে যোগ দিতে লন্ডন গমন করলো নাফিজ ●   ঝালকাঠিতে উন্নয়নে নাগরিক সংলাপ অনুষ্ঠিত ●   দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়ায় অস্ত্র ও গুলিসহ তিন সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার ●   কাল জাতীয় প্রেসক্লাবে “২০২৪ এর গণঅভ্যুত্থান ও শ্রমিকের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি ” শীর্ষক আলাচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে ●   কচুরিপানার দখলমুক্ত হচ্ছে খোজারখলার ঐতিহাসিক পুকুর ●   খাগড়াছড়ি পৌরসভার ১৩৯ কোটি টাকার উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা ●   নদীতে বিলীন স্বামীর কবর, এখন নিজের কবরের জায়গা নিয়েই শঙ্কা ●   ঈশ্বরগঞ্জে চুরি মামলার তিন আসামিসহ গ্রেফতার-৮ ●   কাপ্তাইয়ে শহীদ ওয়াসিম আকরাম স্মৃতি ক্রিকেট টুর্নামেন্টে পাহাড়তলী একাদশ চ্যাম্পিয়ন ●   রাঙ্গুনিয়ায় প্রবাসী কর্ণফুলী ক্রীড়া পরিষদের উদ্যোগে অনুদান প্রদান ●   রাঙামাটির ডলছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক প্রকাশ কুসুম বড়ুয়া বিরুদ্ধে পাহাড় কাটার অভিযোগ (ভিডিও সহ) ●   আত্মমর্যাদাশীল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সরকার বদ্ধপরিকর : পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল ●   কাউখালীতে ভারী বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ ●   পার্বতীপুরে পূবালী ব্যাংকের ৩ দিনব্যাপী ফ্রি ক্যাশলেস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন ●   মেলায় আকর্ষণ নর্থসাউথ গ্রুপের টাইটানিক বে হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট ●   ঈশ্বরগঞ্জে নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ ●   রাঙামাটিতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে রাবিপ্রবি’র ত্রাণ বিতরণ ●   রাউজানের বৃক্ষরোপণ শুরু ●   প্রধানমন্ত্রীর ব্রত বৈষম্যহীন মর্যাদাশীল বাংলাদেশ গড়া : ব্যারিস্টার মীর হেলাল ●   মিরসরাইয়ে ১৫ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট সহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ●   গাজীপুরে ‘শহীদ শিক্ষা বৃত্তি প্রদান ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত ●   ভিমরুলী ভাসমান বাজারের খাল থেকে নিখোঁজের পাঁচ ঘণ্টা পর কিশোরের লাশ উদ্ধার ●   ঝালকাঠি গৃহবধূর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার ●   নির্বাচিত সরকার মবতন্ত্রের কাছে জিম্মি হতে পারেনা ●   নিজেকে প্রতিনিয়ত নতুন জ্ঞানে সমৃদ্ধ করতে হবে : চুয়েট ভিসি ●   পার্বতীপুরে শাবলের আঘাতে পুত্র নিহত পিতা আটক ●   আত্রাইয়ে শুরু হলো কৃষক কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম ●   ঝালকাঠি নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শনে জিয়াউদ্দিন
রাঙামাটি, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩



CHT Media24.com অবসান হোক বৈষম্যের
সোমবার ● ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮
প্রথম পাতা » ঢাকা » বাংলাদেশ মানবতাবিরোধী অপরাধী রাষ্ট্রে নিমজ্জিত
প্রথম পাতা » ঢাকা » বাংলাদেশ মানবতাবিরোধী অপরাধী রাষ্ট্রে নিমজ্জিত
সোমবার ● ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

বাংলাদেশ মানবতাবিরোধী অপরাধী রাষ্ট্রে নিমজ্জিত

---সিরাজী এম আর মোস্তাক, ঢাকা :: বাংলাদেশে অবস্থিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ১৯৭১ সালে সংঘটিত জঘন্য অপরাধের বিচারে শুধু এদেশের নাগরিক অভিযুক্ত হয়েছে। কয়েকজনের সাজা কার্যকর হয়েছে। এদেশের বিচারকগণই উক্ত ট্রাইব্যুনাল পরিচালনা করেছেন। ট্রাইব্যুনালে আন্তর্জাতিক শব্দটি থাকায় এ বিচার বিশ্বজুড়ে সমাদৃত হয়েছে। সুস্পষ্ট হয়েছে, ১৯৭১ এর প্রেক্ষিতে পাকিস্তানিরা অপরাধী নয়। তাদের অপরাধী বলা আর্ন্তজাতিক ট্রাইব্যুনাল অবমাননার শামিল। এতে বাংলাদেশ মানবতাবিরোধী অপরাধী রাষ্ট্রে নিমজ্জিত হয়েছে।
বিচারবিভাগে সংশ্লিষ্টরা এজন্য দায়ী। বিচারকগণ পাকবাহিনীর প্রতি গভীর আবেগ ও সমর্থন নিয়ে বিচার করেছে। তারা পাকবাহিনীর হত্যাকান্ড, ধর্ষণ ও যুদ্ধাপরাধী কর্মকান্ড দেখেনি। তারা এদেশের অসহায় যুদ্ধবিধ্বস্থ নাগরিকদের কর্মকান্ডকে মানবতাবিরোধী অপরাধ সাব্যস্ত করেছে। তাদের দৃষ্টিতে, ১৯৭১ এর ২৫ মার্চ থেকে ১৬ ডিসেম্বরে সংঘটিত অপরাধসমূহ পাকবাহিনী করেনি; বাংলাদেশের ঘাতক রাজাকার, আলবদর ও আশশামস গোষ্ঠি তা করেছে। এরাই ৩০ লাখ বাঙ্গালিকে হত্যা করেছে এবং ২লাখ মা-বোনের সম্ভ্রম কেড়েছে। ট্রাইব্যুনালে সাজাপ্রাপ্ত আসামীগণ প্রত্যেকে অসংখ্য হত্যা, ধর্ষণ ও মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত। যেমন, দেলোয়ার হোসেন সাঈদী একাই সহ¯্রাধিক হত্যাকান্ড ও নারী ধর্ষণ করেছে। অগণিত অপরাধী থেকে তাদের কতিপয়ের বিচার হয়েছে। যেহেতু ট্রাইব্যুনালে পাকবাহিনীর অপরাধ প্রমাণ হয়নি, তাই কতো অধিক সংখ্যক বাঙ্গালি উক্ত অপরাধকর্মে জড়িত ছিল; তা অনিশ্চিত। এ সংখ্যা বাঙ্গালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ঘোষিত ৩০ লাখ শহীদের চেয়েও বেশি হতে পারে। প্রচলিত ২লাখ তালিকাভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা ছাড়া তৎকালিন অধিকাংশ বাঙ্গালি মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকতে পারে। হয়তোবা এজন্যই বাংলাদেশে তালিকাভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা পরিবার ছাড়া ঘোষিত ৩০লাখ শহীদ স্বজনদের অস্তিত্ব নেই। তাই তালিকাভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা ব্যতিত দেশের কেউই নিরপরাধ ভাবার সুযোগ নেই। এমনকি বিচারকগণও নন। ট্রাইব্যুনালে সুস্পষ্ট বিচারে পাকিস্তানিদের পরিবর্তে বাংলাদেশিরা মানবতাবিরোধী অপরাধী প্রজন্ম সাব্যস্ত হয়েছে।
এক্ষেত্রে আসামীপক্ষের আইনজীবীগণও দায়মুক্ত নন। তারা আসামীদের নির্দোষ প্রমাণের চেষ্টা করেছেন বটে মূল অপরাধী তথা ঘাতক পাকবাহিনীর বিচার চাননি। তারা যুক্তি দেখাননি, ট্রাইব্যুনালে আন্তর্জাতিক শব্দ থাকায় এতে পাকবাহিনীর বিচার সম্ভব। তারা বলেননি, অভিযুক্তরা ছিল যুদ্ধবিধ্বস্থ, অসহায় ও নিরুপায়। পাকবাহিনীর বিচার ব্যতিত এ বিচার অন্যায়।
যাহোক, যারা বাংলাদেশকে মানবতাবিরোধী অপরাধী রাষ্ট্রে নিমজ্জিত করেছে, তারা বিশ্বাসঘাতক মীরজাফর প্রজন্ম। তাদের অপকর্মের দায় দেশের ১৬কোটি নাগরিক বহন করছে। এখন বাংলাদেশের কোনো নাগরিক বিদেশে গেলে, প্রথমে তাকে মানবতাবিরোধী অপরাধী প্রজন্ম সন্দেহ করা হয়। যা পাকিস্তানিদের ক্ষেত্রে হয়না। বিশ্ববাসী ইতিহাসের চেয়ে আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালের রায় গুরুত্ব দেয়। রায়টি এদেশের বিচারকদের মাধ্যমেই হয়েছে, তাই এতে সংশয়ের অবকাশ নেই।
বাংলাদেশকে মানবতাবিরোধী অপরাধী রাষ্ট্রের কালিমা মুক্ত করতে দেশবাসীকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করতে হবে। ঘাতক পাকবাহিনীর বিচার করতে হবে। বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানে অবরূদ্ধ বাঙ্গালিদের ফেরত আনতে চিহ্নিত ১৯৫ যুদ্ধাপরাধী পাকসেনাকে মুক্তি দিয়ে দেশে দালাল আইনে প্রচলিত বিচার বাতিল করেছেন। উক্ত বিচারের সমস্ত নথিপত্র বিনষ্ট করেছেন। তিনি সুষ্পষ্ট ঘোষণা করেছেন, ঘাতক পাকবাহিনীর চেয়ে আমার দেশের যুদ্ধবিধ্বস্থ বাঙ্গালি অপরাধী নয়। তাই এ বিচার কখনো প্রযোজ্য নয়। কিন্তু দীর্ঘ ৪০ বছর পর পুনরায় বিচারে শুধু বাংলাদেশের নাগরিক অভিযুক্ত হয়েছে। এটি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও ঘোষণার সুস্পষ্ট বিরোধিতা।
বাংলাদেশ মানবতাবিরোধী অপরাধী রাষ্ট্রে নিমজ্জিত
সিরাজী এম আর মোস্তাক, ঢাকাঃ বাংলাদেশে অবস্থিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ১৯৭১ সালে সংঘটিত জঘন্য অপরাধের বিচারে শুধু এদেশের নাগরিক অভিযুক্ত হয়েছে। কয়েকজনের সাজা কার্যকর হয়েছে। এদেশের বিচারকগণই উক্ত ট্রাইব্যুনাল পরিচালনা করেছেন। ট্রাইব্যুনালে আন্তর্জাতিক শব্দটি থাকায় এ বিচার বিশ্বজুড়ে সমাদৃত হয়েছে। সুস্পষ্ট হয়েছে, ১৯৭১ এর প্রেক্ষিতে পাকিস্তানিরা অপরাধী নয়। তাদের অপরাধী বলা আর্ন্তজাতিক ট্রাইব্যুনাল অবমাননার শামিল। এতে বাংলাদেশ মানবতাবিরোধী অপরাধী রাষ্ট্রে নিমজ্জিত হয়েছে।
বিচারবিভাগে সংশ্লিষ্টরা এজন্য দায়ী। বিচারকগণ পাকবাহিনীর প্রতি গভীর আবেগ ও সমর্থন নিয়ে বিচার করেছে। তারা পাকবাহিনীর হত্যাকান্ড, ধর্ষণ ও যুদ্ধাপরাধী কর্মকান্ড দেখেনি। তারা এদেশের অসহায় যুদ্ধবিধ্বস্থ নাগরিকদের কর্মকান্ডকে মানবতাবিরোধী অপরাধ সাব্যস্ত করেছে। তাদের দৃষ্টিতে, ১৯৭১ এর ২৫ মার্চ থেকে ১৬ ডিসেম্বরে সংঘটিত অপরাধসমূহ পাকবাহিনী করেনি; বাংলাদেশের ঘাতক রাজাকার, আলবদর ও আশশামস গোষ্ঠি তা করেছে। এরাই ৩০ লাখ বাঙ্গালিকে হত্যা করেছে এবং ২লাখ মা-বোনের সম্ভ্রম কেড়েছে। ট্রাইব্যুনালে সাজাপ্রাপ্ত আসামীগণ প্রত্যেকে অসংখ্য হত্যা, ধর্ষণ ও মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত। যেমন, দেলোয়ার হোসেন সাঈদী একাই সহ¯্রাধিক হত্যাকান্ড ও নারী ধর্ষণ করেছে। অগণিত অপরাধী থেকে তাদের কতিপয়ের বিচার হয়েছে। যেহেতু ট্রাইব্যুনালে পাকবাহিনীর অপরাধ প্রমাণ হয়নি, তাই কতো অধিক সংখ্যক বাঙ্গালি উক্ত অপরাধকর্মে জড়িত ছিল; তা অনিশ্চিত। এ সংখ্যা বাঙ্গালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ঘোষিত ৩০ লাখ শহীদের চেয়েও বেশি হতে পারে। প্রচলিত ২লাখ তালিকাভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা ছাড়া তৎকালিন অধিকাংশ বাঙ্গালি মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকতে পারে। হয়তোবা এজন্যই বাংলাদেশে তালিকাভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা পরিবার ছাড়া ঘোষিত ৩০লাখ শহীদ স্বজনদের অস্তিত্ব নেই। তাই তালিকাভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা ব্যতিত দেশের কেউই নিরপরাধ ভাবার সুযোগ নেই। এমনকি বিচারকগণও নন। ট্রাইব্যুনালে সুস্পষ্ট বিচারে পাকিস্তানিদের পরিবর্তে বাংলাদেশিরা মানবতাবিরোধী অপরাধী প্রজন্ম সাব্যস্ত হয়েছে।
এক্ষেত্রে আসামীপক্ষের আইনজীবীগণও দায়মুক্ত নন। তারা আসামীদের নির্দোষ প্রমাণের চেষ্টা করেছেন বটে মূল অপরাধী তথা ঘাতক পাকবাহিনীর বিচার চাননি। তারা যুক্তি দেখাননি, ট্রাইব্যুনালে আন্তর্জাতিক শব্দ থাকায় এতে পাকবাহিনীর বিচার সম্ভব। তারা বলেননি, অভিযুক্তরা ছিল যুদ্ধবিধ্বস্থ, অসহায় ও নিরুপায়। পাকবাহিনীর বিচার ব্যতিত এ বিচার অন্যায়।
যাহোক, যারা বাংলাদেশকে মানবতাবিরোধী অপরাধী রাষ্ট্রে নিমজ্জিত করেছে, তারা বিশ্বাসঘাতক মীরজাফর প্রজন্ম। তাদের অপকর্মের দায় দেশের ১৬কোটি নাগরিক বহন করছে। এখন বাংলাদেশের কোনো নাগরিক বিদেশে গেলে, প্রথমে তাকে মানবতাবিরোধী অপরাধী প্রজন্ম সন্দেহ করা হয়। যা পাকিস্তানিদের ক্ষেত্রে হয়না। বিশ্ববাসী ইতিহাসের চেয়ে আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালের রায় গুরুত্ব দেয়। রায়টি এদেশের বিচারকদের মাধ্যমেই হয়েছে, তাই এতে সংশয়ের অবকাশ নেই।
বাংলাদেশকে মানবতাবিরোধী অপরাধী রাষ্ট্রের কালিমা মুক্ত করতে দেশবাসীকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করতে হবে। ঘাতক পাকবাহিনীর বিচার করতে হবে। বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানে অবরূদ্ধ বাঙ্গালিদের ফেরত আনতে চিহ্নিত ১৯৫ যুদ্ধাপরাধী পাকসেনাকে মুক্তি দিয়ে দেশে দালাল আইনে প্রচলিত বিচার বাতিল করেছেন। উক্ত বিচারের সমস্ত নথিপত্র বিনষ্ট করেছেন। তিনি সুষ্পষ্ট ঘোষণা করেছেন, ঘাতক পাকবাহিনীর চেয়ে আমার দেশের যুদ্ধবিধ্বস্থ বাঙ্গালি অপরাধী নয়। তাই এ বিচার কখনো প্রযোজ্য নয়। কিন্তু দীর্ঘ ৪০ বছর পর পুনরায় বিচারে শুধু বাংলাদেশের নাগরিক অভিযুক্ত হয়েছে। এটি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও ঘোষণার সুস্পষ্ট বিরোধিতা।
[email protected]





ঢাকা এর আরও খবর

কাল জাতীয় প্রেসক্লাবে “২০২৪ এর গণঅভ্যুত্থান ও শ্রমিকের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি ” শীর্ষক আলাচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে কাল জাতীয় প্রেসক্লাবে “২০২৪ এর গণঅভ্যুত্থান ও শ্রমিকের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি ” শীর্ষক আলাচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে
মেলায় আকর্ষণ নর্থসাউথ গ্রুপের টাইটানিক বে হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট মেলায় আকর্ষণ নর্থসাউথ গ্রুপের টাইটানিক বে হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট
নির্বাচিত সরকার মবতন্ত্রের কাছে জিম্মি হতে পারেনা নির্বাচিত সরকার মবতন্ত্রের কাছে জিম্মি হতে পারেনা
গত দু’বছর রাষ্ট্র জুলাই শহীদদের স্বপ্নের উল্টো পথে হাটছে : সাইফুল হক গত দু’বছর রাষ্ট্র জুলাই শহীদদের স্বপ্নের উল্টো পথে হাটছে : সাইফুল হক
মিরপুর আবাসন মেলায় দর্শনার্থীদের ব্যাপক সাড়া মিরপুর আবাসন মেলায় দর্শনার্থীদের ব্যাপক সাড়া
ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির গভীর শোক ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির গভীর শোক
ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর শোক ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর শোক
স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রকে নিবন্ধনের দায়িত্ব প্রদানের তাগিদ স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রকে নিবন্ধনের দায়িত্ব প্রদানের তাগিদ
সাভারে এনসিপির সমাবেশে ককটেল হামলায় বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির নিন্দা সাভারে এনসিপির সমাবেশে ককটেল হামলায় বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির নিন্দা
শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আবুল কাশেম ফজলুল হকের মৃত্যুতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির শোক শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আবুল কাশেম ফজলুল হকের মৃত্যুতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির শোক

আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)