শিরোনাম:
●   রাঙামাটিতে আবারও ইয়াবা আটক করেছে ১২ বি‌জি‌বি’র জোয়ানরা ●   ছাত্রলীগের হামলার নিন্দা জানিয়েছে রাঙামাটি জেলা ছাত্রদল ●   দুর্নীতি ও দলীয় করণ মুক্ত প্রশাসন গড়ে তুলতে কোদাল মার্কায় ভোট দিন : জুঁই চাকমা ●   রাজধানীতে বিএনপি’র প্রার্থী মির্জা আব্বাসের উপর হামলা : আহত-৬০ ●   চলনবিল এখন মধু’র ভান্ডার ●   ৩০ ডিসেম্বর গণজাগরণ হবে : গাজীপুরে রব ●   চাটমোহরে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে স্বামী-স্ত্রী নিহত ●   নওগাঁয় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ●   পুলিশি তৎপরতায় মিছিল করতে পারেনি বিশ্বনাথ বিএনপি ●   বাউফলে বিএনপি’র ১২ নেতা কর্মীকে কুপিয়ে জখম ●   খাগড়াছড়ি হানাদার মুুক্ত দিবসে র‌্যালী ●   গাইবান্ধায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বইপড়া প্রতিযোগিতা ●   হলিবিডি টুয়েন্টিফোর ডটকম’র নির্বাহী সম্পাদক অসুস্থ, দোয়া কামনা ●   পতাকার ফেরিওয়ালা বকুল মিয়া ●   সাংবাদিক মোস্তফা কামাল আর নেই : জুঁই চাকমা’র শোক প্রকাশ ●   শ্রীপুরে বিএনপি নেতা মাওলানা রুহুল আমিন আটক ●   কালীগঞ্জের বিএনপি প্রার্থী মিলন কারাগারে ●   আঞ্চলিক দলের বাধাঁ উপেক্ষা করে দীঘিনালায় সমাবেশ ●   ইলিয়াসপত্নী লুনার প্রার্থীতা স্থগিতের বিষয়ে এলাকাবাসীর প্রতিক্রিয়া ●   গৌরীপুরে প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত-১ : অর্ধশতাধিক বাড়ি-ঘরে অগ্নিসংযোগ ●   ১৫ ডিসেম্বর গাজীপুর মুক্ত দিবস ●   শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উদযাপনের সংবাদ ●   পলাশবাড়ী থানা পুলিশের উপর অতর্কিত হামলা ●   ধানের শীষের জোয়ার দেখে ক্ষমতাসীনরা দিশেহারা : লালু ●   কালীগঞ্জে বিএনপি’র প্রার্থী ফজলুল হক মিলন গ্রেফতার ●   বিশ্বনাথের ১৩টি খাল ও ৫টি হাওর খননের দাবীতে আবেদন ●   নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে প্রার্থীকে জরিমানা ●   গাজীপুরে বিএনপির নির্বাচনী প্রচারণায় হামলা ●   গাজীপুরে শ্রমিক-পুলিশ ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ●   গনগ্রেফতার বাড়িঘর ভাংচুর নির্বাচন তদন্ত কমিটির চেয়ারম্যনের কাছে লিখিত অভিযোগ
রাঙামাটি, রবিবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৮, ২ পৌষ ১৪২৫


CHT Media24.com অবসান হোক বৈষম্যের
সোমবার ● ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮
প্রথম পাতা » ঢাকা » বাংলাদেশ মানবতাবিরোধী অপরাধী রাষ্ট্রে নিমজ্জিত
প্রথম পাতা » ঢাকা » বাংলাদেশ মানবতাবিরোধী অপরাধী রাষ্ট্রে নিমজ্জিত
২১১ বার পঠিত
সোমবার ● ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

বাংলাদেশ মানবতাবিরোধী অপরাধী রাষ্ট্রে নিমজ্জিত

---সিরাজী এম আর মোস্তাক, ঢাকা :: বাংলাদেশে অবস্থিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ১৯৭১ সালে সংঘটিত জঘন্য অপরাধের বিচারে শুধু এদেশের নাগরিক অভিযুক্ত হয়েছে। কয়েকজনের সাজা কার্যকর হয়েছে। এদেশের বিচারকগণই উক্ত ট্রাইব্যুনাল পরিচালনা করেছেন। ট্রাইব্যুনালে আন্তর্জাতিক শব্দটি থাকায় এ বিচার বিশ্বজুড়ে সমাদৃত হয়েছে। সুস্পষ্ট হয়েছে, ১৯৭১ এর প্রেক্ষিতে পাকিস্তানিরা অপরাধী নয়। তাদের অপরাধী বলা আর্ন্তজাতিক ট্রাইব্যুনাল অবমাননার শামিল। এতে বাংলাদেশ মানবতাবিরোধী অপরাধী রাষ্ট্রে নিমজ্জিত হয়েছে।
বিচারবিভাগে সংশ্লিষ্টরা এজন্য দায়ী। বিচারকগণ পাকবাহিনীর প্রতি গভীর আবেগ ও সমর্থন নিয়ে বিচার করেছে। তারা পাকবাহিনীর হত্যাকান্ড, ধর্ষণ ও যুদ্ধাপরাধী কর্মকান্ড দেখেনি। তারা এদেশের অসহায় যুদ্ধবিধ্বস্থ নাগরিকদের কর্মকান্ডকে মানবতাবিরোধী অপরাধ সাব্যস্ত করেছে। তাদের দৃষ্টিতে, ১৯৭১ এর ২৫ মার্চ থেকে ১৬ ডিসেম্বরে সংঘটিত অপরাধসমূহ পাকবাহিনী করেনি; বাংলাদেশের ঘাতক রাজাকার, আলবদর ও আশশামস গোষ্ঠি তা করেছে। এরাই ৩০ লাখ বাঙ্গালিকে হত্যা করেছে এবং ২লাখ মা-বোনের সম্ভ্রম কেড়েছে। ট্রাইব্যুনালে সাজাপ্রাপ্ত আসামীগণ প্রত্যেকে অসংখ্য হত্যা, ধর্ষণ ও মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত। যেমন, দেলোয়ার হোসেন সাঈদী একাই সহ¯্রাধিক হত্যাকান্ড ও নারী ধর্ষণ করেছে। অগণিত অপরাধী থেকে তাদের কতিপয়ের বিচার হয়েছে। যেহেতু ট্রাইব্যুনালে পাকবাহিনীর অপরাধ প্রমাণ হয়নি, তাই কতো অধিক সংখ্যক বাঙ্গালি উক্ত অপরাধকর্মে জড়িত ছিল; তা অনিশ্চিত। এ সংখ্যা বাঙ্গালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ঘোষিত ৩০ লাখ শহীদের চেয়েও বেশি হতে পারে। প্রচলিত ২লাখ তালিকাভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা ছাড়া তৎকালিন অধিকাংশ বাঙ্গালি মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকতে পারে। হয়তোবা এজন্যই বাংলাদেশে তালিকাভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা পরিবার ছাড়া ঘোষিত ৩০লাখ শহীদ স্বজনদের অস্তিত্ব নেই। তাই তালিকাভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা ব্যতিত দেশের কেউই নিরপরাধ ভাবার সুযোগ নেই। এমনকি বিচারকগণও নন। ট্রাইব্যুনালে সুস্পষ্ট বিচারে পাকিস্তানিদের পরিবর্তে বাংলাদেশিরা মানবতাবিরোধী অপরাধী প্রজন্ম সাব্যস্ত হয়েছে।
এক্ষেত্রে আসামীপক্ষের আইনজীবীগণও দায়মুক্ত নন। তারা আসামীদের নির্দোষ প্রমাণের চেষ্টা করেছেন বটে মূল অপরাধী তথা ঘাতক পাকবাহিনীর বিচার চাননি। তারা যুক্তি দেখাননি, ট্রাইব্যুনালে আন্তর্জাতিক শব্দ থাকায় এতে পাকবাহিনীর বিচার সম্ভব। তারা বলেননি, অভিযুক্তরা ছিল যুদ্ধবিধ্বস্থ, অসহায় ও নিরুপায়। পাকবাহিনীর বিচার ব্যতিত এ বিচার অন্যায়।
যাহোক, যারা বাংলাদেশকে মানবতাবিরোধী অপরাধী রাষ্ট্রে নিমজ্জিত করেছে, তারা বিশ্বাসঘাতক মীরজাফর প্রজন্ম। তাদের অপকর্মের দায় দেশের ১৬কোটি নাগরিক বহন করছে। এখন বাংলাদেশের কোনো নাগরিক বিদেশে গেলে, প্রথমে তাকে মানবতাবিরোধী অপরাধী প্রজন্ম সন্দেহ করা হয়। যা পাকিস্তানিদের ক্ষেত্রে হয়না। বিশ্ববাসী ইতিহাসের চেয়ে আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালের রায় গুরুত্ব দেয়। রায়টি এদেশের বিচারকদের মাধ্যমেই হয়েছে, তাই এতে সংশয়ের অবকাশ নেই।
বাংলাদেশকে মানবতাবিরোধী অপরাধী রাষ্ট্রের কালিমা মুক্ত করতে দেশবাসীকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করতে হবে। ঘাতক পাকবাহিনীর বিচার করতে হবে। বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানে অবরূদ্ধ বাঙ্গালিদের ফেরত আনতে চিহ্নিত ১৯৫ যুদ্ধাপরাধী পাকসেনাকে মুক্তি দিয়ে দেশে দালাল আইনে প্রচলিত বিচার বাতিল করেছেন। উক্ত বিচারের সমস্ত নথিপত্র বিনষ্ট করেছেন। তিনি সুষ্পষ্ট ঘোষণা করেছেন, ঘাতক পাকবাহিনীর চেয়ে আমার দেশের যুদ্ধবিধ্বস্থ বাঙ্গালি অপরাধী নয়। তাই এ বিচার কখনো প্রযোজ্য নয়। কিন্তু দীর্ঘ ৪০ বছর পর পুনরায় বিচারে শুধু বাংলাদেশের নাগরিক অভিযুক্ত হয়েছে। এটি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও ঘোষণার সুস্পষ্ট বিরোধিতা।
বাংলাদেশ মানবতাবিরোধী অপরাধী রাষ্ট্রে নিমজ্জিত
সিরাজী এম আর মোস্তাক, ঢাকাঃ বাংলাদেশে অবস্থিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ১৯৭১ সালে সংঘটিত জঘন্য অপরাধের বিচারে শুধু এদেশের নাগরিক অভিযুক্ত হয়েছে। কয়েকজনের সাজা কার্যকর হয়েছে। এদেশের বিচারকগণই উক্ত ট্রাইব্যুনাল পরিচালনা করেছেন। ট্রাইব্যুনালে আন্তর্জাতিক শব্দটি থাকায় এ বিচার বিশ্বজুড়ে সমাদৃত হয়েছে। সুস্পষ্ট হয়েছে, ১৯৭১ এর প্রেক্ষিতে পাকিস্তানিরা অপরাধী নয়। তাদের অপরাধী বলা আর্ন্তজাতিক ট্রাইব্যুনাল অবমাননার শামিল। এতে বাংলাদেশ মানবতাবিরোধী অপরাধী রাষ্ট্রে নিমজ্জিত হয়েছে।
বিচারবিভাগে সংশ্লিষ্টরা এজন্য দায়ী। বিচারকগণ পাকবাহিনীর প্রতি গভীর আবেগ ও সমর্থন নিয়ে বিচার করেছে। তারা পাকবাহিনীর হত্যাকান্ড, ধর্ষণ ও যুদ্ধাপরাধী কর্মকান্ড দেখেনি। তারা এদেশের অসহায় যুদ্ধবিধ্বস্থ নাগরিকদের কর্মকান্ডকে মানবতাবিরোধী অপরাধ সাব্যস্ত করেছে। তাদের দৃষ্টিতে, ১৯৭১ এর ২৫ মার্চ থেকে ১৬ ডিসেম্বরে সংঘটিত অপরাধসমূহ পাকবাহিনী করেনি; বাংলাদেশের ঘাতক রাজাকার, আলবদর ও আশশামস গোষ্ঠি তা করেছে। এরাই ৩০ লাখ বাঙ্গালিকে হত্যা করেছে এবং ২লাখ মা-বোনের সম্ভ্রম কেড়েছে। ট্রাইব্যুনালে সাজাপ্রাপ্ত আসামীগণ প্রত্যেকে অসংখ্য হত্যা, ধর্ষণ ও মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত। যেমন, দেলোয়ার হোসেন সাঈদী একাই সহ¯্রাধিক হত্যাকান্ড ও নারী ধর্ষণ করেছে। অগণিত অপরাধী থেকে তাদের কতিপয়ের বিচার হয়েছে। যেহেতু ট্রাইব্যুনালে পাকবাহিনীর অপরাধ প্রমাণ হয়নি, তাই কতো অধিক সংখ্যক বাঙ্গালি উক্ত অপরাধকর্মে জড়িত ছিল; তা অনিশ্চিত। এ সংখ্যা বাঙ্গালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ঘোষিত ৩০ লাখ শহীদের চেয়েও বেশি হতে পারে। প্রচলিত ২লাখ তালিকাভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা ছাড়া তৎকালিন অধিকাংশ বাঙ্গালি মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকতে পারে। হয়তোবা এজন্যই বাংলাদেশে তালিকাভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা পরিবার ছাড়া ঘোষিত ৩০লাখ শহীদ স্বজনদের অস্তিত্ব নেই। তাই তালিকাভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা ব্যতিত দেশের কেউই নিরপরাধ ভাবার সুযোগ নেই। এমনকি বিচারকগণও নন। ট্রাইব্যুনালে সুস্পষ্ট বিচারে পাকিস্তানিদের পরিবর্তে বাংলাদেশিরা মানবতাবিরোধী অপরাধী প্রজন্ম সাব্যস্ত হয়েছে।
এক্ষেত্রে আসামীপক্ষের আইনজীবীগণও দায়মুক্ত নন। তারা আসামীদের নির্দোষ প্রমাণের চেষ্টা করেছেন বটে মূল অপরাধী তথা ঘাতক পাকবাহিনীর বিচার চাননি। তারা যুক্তি দেখাননি, ট্রাইব্যুনালে আন্তর্জাতিক শব্দ থাকায় এতে পাকবাহিনীর বিচার সম্ভব। তারা বলেননি, অভিযুক্তরা ছিল যুদ্ধবিধ্বস্থ, অসহায় ও নিরুপায়। পাকবাহিনীর বিচার ব্যতিত এ বিচার অন্যায়।
যাহোক, যারা বাংলাদেশকে মানবতাবিরোধী অপরাধী রাষ্ট্রে নিমজ্জিত করেছে, তারা বিশ্বাসঘাতক মীরজাফর প্রজন্ম। তাদের অপকর্মের দায় দেশের ১৬কোটি নাগরিক বহন করছে। এখন বাংলাদেশের কোনো নাগরিক বিদেশে গেলে, প্রথমে তাকে মানবতাবিরোধী অপরাধী প্রজন্ম সন্দেহ করা হয়। যা পাকিস্তানিদের ক্ষেত্রে হয়না। বিশ্ববাসী ইতিহাসের চেয়ে আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালের রায় গুরুত্ব দেয়। রায়টি এদেশের বিচারকদের মাধ্যমেই হয়েছে, তাই এতে সংশয়ের অবকাশ নেই।
বাংলাদেশকে মানবতাবিরোধী অপরাধী রাষ্ট্রের কালিমা মুক্ত করতে দেশবাসীকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করতে হবে। ঘাতক পাকবাহিনীর বিচার করতে হবে। বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানে অবরূদ্ধ বাঙ্গালিদের ফেরত আনতে চিহ্নিত ১৯৫ যুদ্ধাপরাধী পাকসেনাকে মুক্তি দিয়ে দেশে দালাল আইনে প্রচলিত বিচার বাতিল করেছেন। উক্ত বিচারের সমস্ত নথিপত্র বিনষ্ট করেছেন। তিনি সুষ্পষ্ট ঘোষণা করেছেন, ঘাতক পাকবাহিনীর চেয়ে আমার দেশের যুদ্ধবিধ্বস্থ বাঙ্গালি অপরাধী নয়। তাই এ বিচার কখনো প্রযোজ্য নয়। কিন্তু দীর্ঘ ৪০ বছর পর পুনরায় বিচারে শুধু বাংলাদেশের নাগরিক অভিযুক্ত হয়েছে। এটি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও ঘোষণার সুস্পষ্ট বিরোধিতা।
mrmostak786@gmail.com



ঢাকা এর আরও খবর

রাজধানীতে বিএনপি’র প্রার্থী মির্জা আব্বাসের উপর হামলা : আহত-৬০ রাজধানীতে বিএনপি’র প্রার্থী মির্জা আব্বাসের উপর হামলা : আহত-৬০
বর্তমান সরকারের দুই মেয়াদে ব্যাংকিখাতে ১০ বছরে ব্যাংক থেকে লুট হয়েছে সাড়ে ২২ হাজার কোটি টাকা বর্তমান সরকারের দুই মেয়াদে ব্যাংকিখাতে ১০ বছরে ব্যাংক থেকে লুট হয়েছে সাড়ে ২২ হাজার কোটি টাকা
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির ২৬ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির ২৬ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা
ইসিতে বেগম জিয়ার রায় নিয়ে যা হলো ইসিতে বেগম জিয়ার রায় নিয়ে যা হলো
আওয়ামীলীগের মনোনয়ন পেল যেসব যুদ্ধাপরাধী আওয়ামীলীগের মনোনয়ন পেল যেসব যুদ্ধাপরাধী
জেলা প্রশাসকদের রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাই কোর্টে রিট জেলা প্রশাসকদের রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাই কোর্টে রিট
২০৬ আসনে বিএনপি’র চূড়ান্ত প্রার্থী যারা : রাঙামাটিতে মনি স্বপন দেওয়ান ২০৬ আসনে বিএনপি’র চূড়ান্ত প্রার্থী যারা : রাঙামাটিতে মনি স্বপন দেওয়ান
অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ
হাবিবুল্লাহ সিদ্দিকীকে লিগ্যাল নোটিশ হাবিবুল্লাহ সিদ্দিকীকে লিগ্যাল নোটিশ
জাতীয় পার্টির নতুন মহাসচিব রাঙা জাতীয় পার্টির নতুন মহাসচিব রাঙা

আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)