শিরোনাম:
●   কাউখালীতে পাগলা কুকুরের কামড়ে বহুজন আক্রান্ত ●   ঝালকাঠিতে ঘুমন্ত ছেলেকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, বাবা গ্রেপ্তার ●   আগামীতে পার্টির লোকজন ব্যতিত অন্য কাউকে পুলিং এজেন্ট নিয়োগ দেয়া হবে না : জুঁই চাকমা ●   কাউখালীতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট শান্তি পুর্নভাবে অনুষ্ঠিত ●   খাগড়াছড়িতে বিএনপির ওয়াদুদ ভূইয়া জয়ী ●   চট্টগ্রাম-১ মিরসরাই আসনে ৪৬ হাজার ৪১৮ ভোটের ব্যবধানে নুরুল আমিন এমপি নির্বাচিত ●   রাঙমাটি-২৯৯ আসনে নির্বাচনে পাশে থাকা সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানালেন জুঁই চাকমা ●   নওগাঁ-৬ আত্রাই-রাণীনগর আসনের ভোট গ্রহণ শেষ, চলছে গণনা; কে হাসবে জয়ের হাসি? ●   ঝালকাঠিতে জাল ভোট দেওয়ার চেষ্টা: নারীর দুই বছর কারাদণ্ড ও জরিমানা ●   মিরসরাইয়ে ভোট কেন্দ্র থেকে ছাত্রদল কর্মী আটক ●   নওগাঁ-৬ আত্রাই-রাণীনগর আসনে সৎ ও উন্নয়নমুখী প্রার্থীর খোঁজে ভোটাররা ●   দিনাজপুর-৫ পার্বতীপুরে ৮৯ ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৩২টি ঝুঁকিপূর্ণ ●   ঝালকাঠিতে ২৩৭টি ভোট কেন্দ্রের নির্বাচনী সরঞ্জামাদি বিতরণ ●   কাউখালীতে পারিবারিক কলহের জেরে স্বামী স্ত্রীর বিষপান ●   বেতবুনিয়ায় সিকান্দর তাহেরা মেমোরিয়াল হেলথ কেয়ারের শুভ উদ্ভোধন ●   ঢাকা-১২ আসনে কোদাল মার্কায় গণজোয়ার কোদাল মার্কায় ভোট দিয়ে ভোটের মর্যাদা রক্ষা করুন : জননেতা সাইফুল হক ●   ঈশ্বরগঞ্জে ১১ দলীয় জোটের নির্বাচনী জনসভা ●   বেগম খালেদা জিয়ায় আত্মার মাগফেরাত কামনায় বাগবাড়ীতে মানুষের ঢল ●   দুটি আঞ্চলিক গোষ্ঠী পরোক্ষভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পর থেকে ভোটারদের মুখ কালো : জুঁই চাকমা ●   হুমকি-ধমকি দিয়ে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে মানুষের ভোটাধিকার খর্ব করা যাবে না : জুঁই চাকমা ●   রাঙামাটি আসনের ভোটকেন্দ্র গুলিতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি করেছেন জুঁই চাকমা ●   ঈশ্বরগঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১০ দোকান পুড়ে ছাই ●   নানিয়ারচর উপজেলাকে আধুনিকায়ন করে মাঝারি শিল্প গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেব : জুঁই চাকমা ●   ঈশ্বরগঞ্জে হাতপাখা কর্মীর ওপর হামলার প্রতিবাদ ●   খাগড়াছড়িতে ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে নিরপেক্ষ ভোটের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন ●   ৫৪ বছরে দেশ দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন, হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার হয়েছে ●   বেতবুনিয়াতে জুঁই চাকমার জনসংযোগ ●   ঢাকা ১২ আসনে নির্বাচন হবে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি,জুলুম ও মাদকের বিরুদ্ধে ●   শখের বসে মোটরসাইকেল চালাতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু ●   বাঘাইছড়িতে শিল্প অঞ্চল গড়ে তোলার উপর গুরুতর করেন জুঁই চাকমা
রাঙামাটি, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২



CHT Media24.com অবসান হোক বৈষম্যের
বুধবার ● ৩০ নভেম্বর ২০১৬
প্রথম পাতা » গাজিপুর » কালীগঞ্জে একাত্তরের ১ ডিসেম্বরে হত্যা করে মুক্তিকামী ১০৪ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে
প্রথম পাতা » গাজিপুর » কালীগঞ্জে একাত্তরের ১ ডিসেম্বরে হত্যা করে মুক্তিকামী ১০৪ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে
বুধবার ● ৩০ নভেম্বর ২০১৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

কালীগঞ্জে একাত্তরের ১ ডিসেম্বরে হত্যা করে মুক্তিকামী ১০৪ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে

---মুহাম্মদ আতিকুর রহমান (আতিক), গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি ::(১৬ অগ্রহায়ন ১৪২৩ বাঙলা : বাংলাদেশ সময় বেলা ২.২৫মি.) মুক্তিযুদ্ধের শেষের দিকে, বিজয়ের আসন্ন লগ্নে ১৯৭১ সালের ১ ডিসেম্বরে গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার জামালপুরের খলাপাড়ায় অবস্থিত ন্যাশনাল জুট মিলের অভ্যন্তরে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নৃশংসভাবে হত্যা করে মুক্তিকামী ১০৪ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে।

তাঁরা সবাই ছিলেন ন্যাশনাল জুট মিলের কর্মকর্তা- কর্মচারী। মিলের কর্মকর্তা-কর্মচারী হলেও তাঁরা ছিলেন মুক্তিকামী ও নানাভাবে তাঁরা মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য-সহযোগিতা করতেন।

জানা যায়, শীতলক্ষ্যা নদীর পশ্চিমপাড়ে অবস্থিত জামালপুরের খলাপাড়া ন্যাশনাল জুট মিলের বধ্যভূমি থেকে পাকিস্তানি ক্যাম্পের দূরত্ব দেড় কিলোমিটার। ঘটনার দিন একদল পাকিস্তানি সৈন্য বেলা ১১টার দিকে ন্যাশনাল জুট মিলে ঢুকে মুক্তিযোদ্ধাদের খোঁজ করে। সেখানে কোনো মুক্তিযোদ্ধা না পেয়ে তারা জামালপুরের দিকে যায়। জামালপুরে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিরোধের সম্মুখীন হলে তারা আবার ন্যাশনাল জুট মিলে ফিরে আসে। এখানে পাকিস্তানি বাহিনীর সৈন্যরা জুট মিলের ১০৬ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ধরে এনে মিলের ভেতরে অবস্থিত পুকুরপাড়ে দুটি লাইনে দাঁড় করায়। এর পর বিকেল ৩টা থেকে শুরু হয় লাইনে গুলিবর্ষণ। ব্রাশফায়ার করে ও পরে বেয়নেট চার্জ করে তারা হত্যাযজ্ঞ চালায়। কিন্তু লাইনে গুলিবর্ষণের সময় মরার ভান করে সৌভাগ্যক্রমে বেঁচে যান দুইজন। বাকি ১০৪ জন সবাই শহীদ হন।

শহীদদের কেউই স্থানীয় বাসিন্দা নন, সবাই দেশের অন্যান্য জেলার বাসিন্দা।

সেদিনই রাতের বেলা একদল মুক্তিযোদ্ধা জুট মিলের ভেতরে প্রবেশ করে ও আহত ৩ জনকে উদ্ধার করে দালানবাজারে নিয়ে যায়। আহতরা সেখানে মারা যান। তাঁদের মধ্যে আছেন মিলের কোয়ালিটি কন্ট্রোলার দিনাজপুরের আবু তালেব, টাইমকিপার আহছান উল্লাহ ও শ্যামচরণ ঘোষ। তাঁদের কবর জামালপুর বাজারের আশপাশে দেওয়া হয়। বাকি ১০১ জনের লাশ দুই দিন পুকুরপাড়ে পড়ে থাকে। দুই দিন পর মুক্তিযোদ্ধা ও গ্রামবাসী মিলে সব শহীদের লাশ জুট মিলের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণায় দুটি গর্ত খনন করে গণকবর দেয়।

ঠিক এ জায়গাটির ওপরই ন্যাশনাল জুট মিল কর্তৃপক্ষ ১৯৯৬ সালে নির্মাণ করে স্মৃতিফলক ‘শহীদ স্মরণে’। এলাকার লোকজন প্রতিবছর ১ ডিসেম্বর এ বধ্যভূমির স্মৃতিফলকে গভীর শ্রদ্ধায় ফুলেল ভালোবাসা জানায়।

সম্প্রতি স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের উদ্যোগে যথাযথ মর্যাদায় ১ ডিসেম্বর এ বধ্যভূমিতে শুয়ে থাকা অজানা শহীদদের উদ্দেশে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়। কিন্তু সরকারিভাবে বধ্যভূমিটি সংরক্ষণের কোনো কার্যক্রম এখনো গৃহীত হয়নি। তবুও এ বধ্যভূমিতে শুয়ে থাকা অমর শহীদদের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে এলাকাবাসী। তাদের চোখের ভাষায় ফুটে ওঠে, আমরা তোমাদের ভুলিনি, কখনোই ভুলব না।





আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)