শিরোনাম:
●   রাঙামাটিতে ৪র্থ জাতীয় হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠিত ●   কলকাতায় বিশ্ব কার ফ্রি ডে-তে রাজপথে সাইকেল র‌্যালী ●   শিল্পে আধুনিক প্রযুক্তি ও মেশিনারিজের ব্যবহার বাড়ানোর আহ্বান সেফওয়ে টেকনোলজিসের এমডি ফারুক খানের ●   প্রধান শিক্ষক প্রকাশ কুসুম বড়ুয়া বিরুদ্ধে পাহাড় কাটার সংবাদের প্রতিবাদ ●   পরিকল্পিত ও টেকসই পর্যটন ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান পার্বত্য মন্ত্রীর ●   ভেদ ভেদীতে আজগর আলী বহুতল ভবন নির্মান করেছেন রাঙামাটি-চট্টগ্রাম মুল সড়কে ●   সিসিটিভির আওতায় রাঙামাটি শহর ●   মিরসরাইয়ে ১৪০ লিটার দেশীয় চোলাইমদসহ গ্রেফতার-০৩ ●   তেল, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটময় অবস্থায় : হেলাল ●   ১৯তম বিসিএ অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬ লন্ডনে ১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে ●   বান্দরবানকে পরিচ্ছন্ন ও পর্যটকবান্ধব করার ডাক পার্বত্য মন্ত্রীর ●   ভারত পার্বতীপুরে এলো ৪৭ লাখ ৫ হাজার ৮৮০ লিটার ডিজেল ●   হেফাজতে আমিরের মাইক্রোবাস দুর্ঘটনার কবলে : অক্ষত বাবুনগরী ●   ঝালকাঠি জেলা জজ আদালতে শিশু আইন বাস্তবায়নে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত ●   রাঙামাটিতে গাউছুল আজম মাইজভাণ্ডারী মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত ●   রাঙামাটিতে জেলা উন্নয়ন কমিটির সভা অনুষ্ঠিত ●   ভারত থেকে ৭২ দফায় পার্বতীপুরে এলো ৪৭ লাখ ৫ হাজার ৮৮০ লিটার ডিজেল ●   সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি বিকৃত করে ফেইজবুকে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ●   শুধু সভা করে সময় নষ্ট করলে চলবে না :গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ●   ঈশ্বরগঞ্জে গাঁজাসহ আটক যুবকের ২ মাসের কারাদণ্ড ●   আত্রাইয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল,দুর্ঘটনার আশংকা ●   প্রকাশ কুসুম বড়ুয়া কে পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক পদে নিযুক্ত ●   ঈশ্বরগঞ্জে অনলাইন জুয়ার এজেন্ট হৃদয় গ্রেফতার, ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা ●   রেডব্রিজ কমিউনিটি ট্রাস্ট ইউকে’র প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত ●   পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠন থেকে শ্যামল চৌধুরী বহিষ্কার ●   কুষ্টিয়া কুমারখালীতে ২২ বছর ধরে চলছে বিনামূল্যের চক্ষু সেবা ক্যাম্প ●   পার্বতীপুর ৯২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার: নেপথ্যে কারা, উঠছে নানা প্রশ্ন ●   ঈশ্বরগঞ্জে জাতীয় যুবশক্তি’র আহ্বায়ক কমিটি ●   রাউজানে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট যুবকের মৃত্যু ●   মিরসরাইয়ে ইয়াবা সহ তিন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার
রাঙামাটি, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩



CHT Media24.com অবসান হোক বৈষম্যের
বুধবার ● ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫
প্রথম পাতা » পরবাস » দেশ ভেদে নাগরিক দায়বোধের তফাৎ​
প্রথম পাতা » পরবাস » দেশ ভেদে নাগরিক দায়বোধের তফাৎ​
বুধবার ● ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

দেশ ভেদে নাগরিক দায়বোধের তফাৎ​

---উত্তর আমেরিকার ভূখণ্ডে প্রথম পা রেখেছিলাম নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরে। গত শতকের নব্বই দশকের একেবারে গোড়ার দিকে। সেই থেকে প্রতিনিয়ত নানা বিপত্তির মধ্য দিয়ে কেটে গেল এতগুলো বছর। না বিপত্তি শব্দটা বলা বোধ হয় ঠিক হলো না, আসলে ওগুলো ছিল উত্তর আমেরিকার জীবনধারার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেবার নানা স্তর। সমাজ-সামাজিকতা, শিল্প-সংস্কৃতি, দর্শন, যাপিত জীবন, আচার-আচরণ, চিন্তা-চেতনা, চলন-বলন, ইত্যাদি সবই তো এখানে যথেষ্ট ভিন্ন। এই সমাজের একজন হতে হলে, এদের চলনটা ধারণ করতে হবে বৈকি। আর সেই ধারণ করাটা সরল কোনো কাজ তো নয়। এত নিজেকে বদলাবার বিষয়, সেকি অতই সোজা?
তো ওই জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরেই ঘটে গেল প্রথম বিপত্তিটা। আমাকে নিতে যার বিমানবন্দরে আসবার কথা ছিল তাকে দেখছি না কোথাও। বিশাল অ্যারাইভাল লাউঞ্জের এপাশ থেকে ওপাশ অবধি বেশ কয়েকবার তাকে খুঁজতে গিয়ে পিপাসায় কাতর হয়ে পড়লাম। লাউঞ্জের মধ্যেই একটা কনভেনিয়েন্ট স্টোরে গিয়ে ছোট এক বোতল পানি হাতে নিয়ে সুন্দরী দোকানির কাছে দাম জানতে চাইলাম। বলল, এক ডলার। আমি আশ্চর্যান্বিত হয়ে হা করে বেশ কিছুক্ষণ তার মুখের দিকে চেয়ে রইলাম। বলে কি! এতটুকু এক বোতল পানির দাম এক ডলার? এক ডলারে তখন বাংলাদেশি ৩২ টাকা পাওয়া যেত। আর ৩২ টাকায় বাংলাদেশে ও রকম অনেক বোতল শরবত কেনা যেতে পারত। ছোট্ট মফস্বল শহর থেকে উঠে এসেছি আমি, জীবনে কাউকে পানি বেচতে দেখিনি। সামান্য দুই ঢোক পানি, তার দাম ৩২ টাকা! পানির বোতল হাতে নিয়ে ওই নারীর সুন্দরপনা মুখ খানার দিকে হা করে চেয়ে কথাগুলো ভাবছি, আর মনে মনে বলছি, কোথায় এলাম রে বাবা! কিন্তু এখন আর ভেবে কী হবে, এসেতো পড়েছিই, অবস্থা অনেকটা পড়েছ যবনের হাতে, খানা খেতে হবে সাথে—এমনই।

আড়ষ্টভাব কাটল সুন্দরীর কথায়, বলল ওটি কি কিনবেন আপনি? হ্যাঁ সূচক মাথা নেড়ে মানিব্যাগ থেকে ২০ ডলারের একটি নোট বের করে তার হাতে দিলাম। হাসিমুখে নোটটি নিয়ে সে আমাকে ১৮ ডলার ৯৩ সেন্ট ভাঙতি ফেরত দিল। আমি অঙ্কে কাঁচা নই। বললাম তুমি ১৯ ডলার ফেরত দেবে, ৭ সেন্ট কম দিলে কেন? সে বলল আপনি বোধকরি প্রথম এসেছেন নিউইয়র্কে। এখানে পণ্য কিনলে ক্রেতাকে শতকরা সাত ভাগ হারে ট্যাক্স দিতে হয়। ট্যাক্স দিতে হয়! কথাটি ওর মুখের থেকে কেড়ে নিয়ে নাক-চোখ কুঁচকে, কপালের চামড়া ভাঁজ করে, এক বিশাল প্রশ্ন আকারে ওর দিকেই ছুড়ে দিলাম। ট্যাক্স শব্দটা তার আগে শুনেছি বটে, কিন্তু জীবনে এই প্রথম দিতে হলো! দোকানি নারী ধীরস্থির, শান্তচিত্ত ও স্মিতহাস্যে বলল, আস্তে আস্তে আপনি ট্যাক্স দেওয়াটা বুঝে যাবেন।লেখক
না ট্যাক্স দেওয়াটা আজও বুঝিনি আমরা। আমাদের বাংলাদেশিদের মননে ট্যাক্স দেওয়া ব্যাপারটি নেই। আমি শুধু বাংলাদেশে বসবাসকারী বাঙালিদের কথাই বলছি না। আমরা যারা প্রবাসী বাংলাদেশি, তারাও স্বপ্রণোদিত হয়ে, নিজস্ব উদ্যোগে, সঠিক হিসাবে ট্যাক্স পরিশোধের সংস্কৃতি অর্জন করতে পারিনি। কী প্রক্রিয়ায় ট্যাক্স কম দেওয়া যায়, বা না দিয়ে পারা যায়, সেটিই যেন আমাদের ভাবনা। একটি রাষ্ট্র তো জনগণের ট্যাক্সের টাকায় বিকশিত হবে। অন্য, বস্ত্র, শিক্ষা, চিকিৎসাসহ জীবনধারণের মৌলিক উপাদানগুলোর ব্যয়নির্বাহ রাষ্ট্রকে তো জনগণের ট্যাক্সের টাকায়ই করতে হবে। স্বাধীনতার ৪৪ বছর পরেও কী আমাদের দেশটি ভিক্ষার ঝুলি বা বিদেশি ঋণের টাকায় চলবে? ট্যাক্স দেব না এটি যেন আমাদের জাতীয় প্রবণতা।
সম্প্রতি বাংলাদেশের সকল সংবাদমাধ্যমের প্রধান খবর ছিল বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের টিউশন ফিয়ের ওপরে সরকারের ধার্যকৃত ভ্যাট (মূল্য সংযোজন কর) প্রত্যাহারের দাবিতে ছাত্রদের চলমান আন্দোলন। এ নিয়ে প্রাজ্ঞজনেরা নানা কথা বলছেন। আমি বিষয়ের বেশি গভীরে যেতে চাই না। শিক্ষার্থীরা বলছে তারা ভ্যাট দেবে না, সরকার বলছে ভ্যাট দেবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। বিশ্ববিদ্যালয়ওয়ালারা বলছে শিক্ষাদান কোনো পণ্য বিক্রি নয়, ওটি সেবাকার্য। সুতরাং ভ্যাট চাওয়া ঠিক নয়। আমরা কে না জানি, বাংলাদেশের অধিকাংশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শিক্ষাকে পণ্য হিসেবেই কেনাবেচা করছে, সেবা হিসেবে নয়। দেশের বিদ্যমান আইন অনুযায়ী বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মুনাফার পুরোটাই কর্তৃপক্ষকে শিক্ষার উন্নয়নে ব্যয় করতে হবে। কিন্তু বাস্তবতা কি তাই, তেমনটা হচ্ছে কি? এই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে প্রতি বছর শত শত কোটি টাকার লেনদেন হচ্ছে। অথচ সরকারকে ট্যাক্স দেবার কথা এলেই সবাই বেজার! ট্যাক্স না দেওয়ার ব্যাপারে ছাত্র-শিক্ষক-কর্তৃপক্ষ ও এক শ্রেণির সুধীজন সকলেই এককাট্টা! এই টিউশন ফিয়ের ওপরে ভ্যাট কে দেবে বা কত দেবে তা নিয়ে তর্ক হোক, কিন্তু সরকারের কোষাগারে ট্যাক্স যাবেই না, এমন যুক্তি আত্মঘাতী।
ভিন্ন আরেকটি ঘটনা বলি। ৮-১০ বছর আগে দৈনিক ইত্তেফাকে ছোট্ট একটি খবর বেরিয়েছিল। মোটা দাগে খবরটির সারকথা এ রকম—বাংলাদেশের আয়কর অধিদপ্তর দেশের সকল আইনজীবীদের আয়কর বিভাগের সঙ্গে নিবন্ধিত হতে বলেছে। অর্থাৎ উকিল সাহেবদের প্রত্যেকের যেন একটি করে আয়কর শনাক্তকরণ নম্বর থাকে (টিআইএন) ও বছর শেষে যেন তারা তাদের আয়-ব্যয়ের হিসাবটি দাখিল করেন। আর যদি কারও আয় করযোগ্য হয় তো তিনি দেশের অন্য নাগরিকদের মতো করেই প্রচলিত হারে কর পরিশোধ করবেন। এমন সার্কুলার জারি করে তৎকালীন সরকার মহা বিপাকে পড়েছিলেন। উকিল সাহেবরা এই নিবন্ধিত হওয়া ও আয়ের হিসাব দাখিলের বাধ্যবাধকতার বিষয়টি সুনজরে দেখলেন না। কর দেওয়া তো অনেক দূরের কথা। সরকারের বিরুদ্ধে সেই সময়ে তারা আন্দোলনের হুমকিধমকিও দিয়েছিলেন। এমনতর মানসিকতা কী উকিল বাবুদের শোভা পায়? তারা একটি দেশের আইনের রক্ষক-চালক, তারা শিক্ষিত-সচেতন ও রোজগেরে নাগরিক, তারাও ট্যাক্স দেবেন না! বলুন দেখি তাহলে ট্যাক্স দেবে কারা? দেশ চালানোর টাকা আসবে কোথা থেকে?
এই ট্যাক্স দেওয়া নিয়ে কানাডীয়দের (মূল ধারার কানাডীয়) মানসিকতার একটা নমুনা বলে আজ শেষ করব। ২০১০ সালের জানুয়ারির প্রচণ্ড শীতের মধ্যে একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখাতে টরন্টো জেনারেল হাসপাতালে গিয়েছি। সকাল নয়টার অ্যাপয়েন্টমেন্ট সেরে বেরোতে বেরোতে বেলা সাড়ে এগারোটা বাজল। তো ওই বেরোবার পথে সদর দরজা সংলগ্ন রাস্তার ওপর দেখি ১৫-২০ জনের একটি দল প্লাকার্ড হাতে পিকেটিং করছেন। রাস্তায় চলমান গাড়িগুলোর চালকদের কেউ কেউ ভেঁপু বাজিয়ে তাদের সমর্থনও জানাচ্ছেন। একজন পিকেটারের কাছে দাঁড়িয়ে জিজ্ঞাসা করলাম, তোমাদের দাবি কি? বলল, বাজেটে টাকার কমতি এই অজুহাতে হাসপাতালের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সার্ভিস বন্ধ করে দেবার পাঁয়তারা চলছে। আবার মেডিকেল টেকনিশিয়ানের ছাঁটাই করারও নাকি পরিকল্পনা আছে। এগুলোরই বিরুদ্ধাচরণ করছি আমরা। তার কথার পিঠে আমি বললাম, টাকা না থাকলে কর্তৃপক্ষ সব সার্ভিস দেবেই বা কীভাবে? সে বলল, ওটি হবে না, হাসপাতালের সেবা কমানো চলবে না, প্রয়োজনে সরকারকে ট্যাক্স বাড়িয়ে টাকার সংস্থান করতে হবে। বাংলাদেশি মানসিকতা আমার, বললাম ট্যাক্স বাড়ালে প্রদেশব্যাপী জনসাধারণ আন্দোলন করবে না? সে বোধ হয় আমার কনসার্নটি ঠিক বুঝতে পারল না। বলল সংগত কারণে ট্যাক্স বাড়লে প্রতিবাদ হবে কেন? আরও বলল, কি বলছ তুমি? হাসপাতালের সেবা কমাটা তোমার জীবনমরণ সমস্যা। এ জন্য (প্রয়োজন পড়লে) তুমি বর্ধিত হারে ট্যাক্স দেবে না? বাড়তি ট্যাক্স না দিয়ে তুমি কি প্রয়োজনীয় চিকিৎসার অভাবে মরতে চাও? আমি ছোট্ট করে বললাম, তাহলে বলা যায় তোমরা ট্যাক্স বাড়ানোর জন্য আন্দোলন করছ! আমার এহেন জিজ্ঞাসায় সে বেশ বিরক্ত হলো। তবুও ভদ্রতা করে বলল, স্বাস্থ্যসেবা পেতে চাইলে আমাদের সঙ্গে দাঁড়িয়ে যাও।





পরবাস এর আরও খবর

১৯তম বিসিএ অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬ লন্ডনে ১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে ১৯তম বিসিএ অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬ লন্ডনে ১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে
রেডব্রিজ কমিউনিটি ট্রাস্ট ইউকে’র প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত রেডব্রিজ কমিউনিটি ট্রাস্ট ইউকে’র প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত
যুক্তরাজ্যের এনফিল্ডে ব্রিটিশ বাংলাদেশি কাপ অনুষ্ঠিত যুক্তরাজ্যের এনফিল্ডে ব্রিটিশ বাংলাদেশি কাপ অনুষ্ঠিত
লন্ডনের ইলফোর্ডে গ্রেটার চট্টগ্রাম অ্যাসোসিয়েশন ইউকে’র মিলনমেলা লন্ডনের ইলফোর্ডে গ্রেটার চট্টগ্রাম অ্যাসোসিয়েশন ইউকে’র মিলনমেলা
ছাত্র পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সফল করার লক্ষ্যে জরুরি সভা অনুষ্ঠিত ছাত্র পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সফল করার লক্ষ্যে জরুরি সভা অনুষ্ঠিত
সৌদি আরব থেকে ৭ জনের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর সৌদি আরব থেকে ৭ জনের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর
ফাউন্ডেশন এর ফান্ড রেইজিং ইভেন্ট অনুষ্ঠিত ফাউন্ডেশন এর ফান্ড রেইজিং ইভেন্ট অনুষ্ঠিত
রেডব্রিজ কমিউনিটি ট্রাস্টের জরুরি সভা অনষ্ঠিত রেডব্রিজ কমিউনিটি ট্রাস্টের জরুরি সভা অনষ্ঠিত
ভারতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যু ভারতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যু
গ্রেটার দেউলগ্রাম ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট ইউকে এর গ্রীষ্মকালীন ভ্রমণ গ্রেটার দেউলগ্রাম ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট ইউকে এর গ্রীষ্মকালীন ভ্রমণ

আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)