শিরোনাম:
●   ঈশ্বরগঞ্জে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত ●   মাদক অভিযোগে ৪ শ্রমিক গ্রেপ্তার, প্রতিবাদে ৬ ঘণ্টা জ্বালানি তেল সরবরাহ বন্ধ ●   ঝালকাঠিতে ১৬০ মণ্ডপে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি ●   পাহাড়ের দুর্যোগ ও ঝুঁকি মোকাবিলায় জনসচেতনতা তৈরির তাগিদ পার্বত্য মন্ত্রীর ●   বৃদ্ধের অভিযোগ শুনে তাৎক্ষণিক পুলিশ পাঠালেন ওসি সাজ্জাদ ●   রাঙামাটি জার্নালিস্ট ক্লাব এর আত্মপ্রকাশ ●   কাউখালীতে আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবস পালন ●   রাবিপ্রবি’র একাডেমিক কাউন্সিলের ১৫ তম সভা অনুষ্ঠিত ●   পার্বতীপুরে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস উদযাপন ●   ঈশ্বরগঞ্জে কন্যাশিশু দিবসে কনার বাল্যবিয়ে ●   আত্রাইয়ের ৫৪টি মণ্ডপে চলছে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি ●   ঝালকাঠিতে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে নেওয়ার পর নারী কয়েদির মৃত্যু ●   আত্রাইয়ে আনসার ও ভিডিপির আয়োজনে তাল বীজ রোপণ অভিযান ●   চরম দুর্ভোগে স্থানীয়রা : বান্দরবান-থানচি সড়কে বাসের পর জিপ-মাহেন্দ্র চলাচল বন্ধ ●   বিজিবির অভিযানে করেরহাট থেকে ভারতীয় গরু জব্দ ●   মৌলভীবাজারের ঐতিহ্যবাহী পাঁচগাঁওয়ের দুর্গা পূজা ও কিছু কথা ●   নানিয়ারচর সেনা জোন এর পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ ●   মহালয়ার আদ্যপান্ত : ভিন্ন দৃষ্টিকোণ ●   ঈশ্বরগঞ্জে হত্যা চেষ্টা মামলার আসামি মঞ্জু গ্রেফতার ●   মিরসরাই প্রেস ক্লাবের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা ●   রাঙামাটিতে মহালয়া উপলক্ষে “বোধনের প্রহর” সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ●   মারিশ্যাতে ২৭ বিজিবি টহলদল অবৈধভাবে পাচারকালে সেগুন কাঠ উদ্ধার ●   দুই এমপির উপস্থিতিতে ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত ●   ১১ মাসে কুরআন হিফজ সম্পন্ন করলো ৮ বছরের মুগ্ধ ●   গ্রেটার দেউলগ্রাম ওয়েলফেয়ার ট্রাষ্ট ইউকে এর সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত : সভাপতি অহিদ-সম্পাদক হাকিম ●   দূর্গম পাহাড়ে শিশুদের মাঝে শিক্ষা-সামগ্রী বিতরণ ●   আত্রাইয়ে বজ্রপাতে এক শিশুর মৃত্যু ●   ঝালকাঠিতে দুর্গাপূজা উদযাপনে জেলা প্রশাসনের প্রস্তুতিমূলক সভা ●   বান্দরবানে বিএনপির সন্ত্রাস ও মাদকবিরোধী সমাবেশ ●   পার্বতীপুরে মোস্তফাপুর ইউপি ভবন পূর্বস্থানে নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন
রাঙামাটি, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩



CHT Media24.com অবসান হোক বৈষম্যের
সোমবার ● ২৯ জুলাই ২০১৯
প্রথম পাতা » গাইবান্ধা » গাইবান্ধায় গো-খাদ্য সংকট : বিপাকে খামারীরা
প্রথম পাতা » গাইবান্ধা » গাইবান্ধায় গো-খাদ্য সংকট : বিপাকে খামারীরা
সোমবার ● ২৯ জুলাই ২০১৯
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

গাইবান্ধায় গো-খাদ্য সংকট : বিপাকে খামারীরা

---গাইবান্ধা প্রতিনিধি :: গাইবান্ধা জেলার বন্যা কবলিত এলাকায় ক্রমেই প্রকট হয়ে উঠছে গো-খাদ্য সংকট। বাঁধে ও উঁচু স্থানে আশ্রয় নেয়া গবাদিপশু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন বানভাসি মানুষগুলো। বন্যার পানিতে গো-চারণ ভূমি তলিয়ে থাকায় কাঁচা ঘাস পাওয়া যাচ্ছে না। শুকনো খড়ের স্তুপ পানিতে তলিয়ে থাকায় খড়ও পাচ্ছেন না অনেকে। তবে গবাদি পশুর পানিবাহিত রোগ দেখা দিলেও প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা কোন খোঁজ রাখছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে।
গাইবান্ধার জেলার ৪ উপজেলা বন্যার পানিতে তলিয়ে আছে। বাড়ি-ঘর তলিয়ে যাওয়ায় বন্যা আক্রান্ত মানুষগুলো গবাদিপশু নিরাপদ স্থানে সরাতে পারলেও খড় সরাতে পারেননি তারা। বন্যাকবলিত এলাকার মানুষের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ফুলছড়ি উপজেলার বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও দুর্ভোগ তেমন কমেনি। বিশেষ করে কোরবানির ঈদে বিক্রির আশায় যারা গবাদিপশু পালন করছিলেন তারা গবাদিপশু নিয়ে সবচেয়ে বেশি কষ্টে রয়েছেন। দুই সপ্তাহের অধিক সময় ধরে পানিবন্দি অবস্থায় থাকায় বন্যাদুর্গত এলাকার মানুষের পাশাপাশি গবাদিপশুরও খুরা, ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন পানিবাহিত রোগ দেখা দিয়েছে। বন্যার্তদের চিকিৎসা সেবা দিতে স্বাস্থ্য বিভাগের মেডিকেল টিম কাজ করলেও প্রাণি সম্পদ বিভাগের চিকিৎসকের দেখা পাওয়া যাচ্ছে না বন্যা দুর্গত এলাকায়। খামারীদের অভিযোগ, গত এক সপ্তাহ ধরে গবাদিপশুর খাদ্য সংকট দেখা দিলেও এ নিয়ে সরকারি বেসরকারি কারও কোনো তৎপরতা নেই।
উড়িয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে আশ্রিতদের অভিযোগ, এখানে সহস্রাধিক পরিবার আশ্রয় নিয়েছে। এসব পরিবারের প্রায় প্রত্যেকের গরু ছাগল আছে। অনেকের গরু-ছাগলের দেখা দিয়েছে পানিবাহিত বিভিন্ন রোগ। দুই সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও প্রাণী সম্পদ অফিসের কেউ গবাদিপশুর খোঁজ নিতে আসেনি।
গবাদিপশু চাষীরা জানান, এই জেলার গবাদিপশুর একমাত্র খাদ্য খড় বন্যার পানিতে পচন ধরেছে, কোথাও ভেসে গেছে। এ কারণে গবাদিপশুর খাদ্য নিয়ে দুর্ভোগে পড়েছেন তারা। মানুষের খাবার জুটলেও গরুর জন্য খাবার জোটানো দুঃসাধ্য হয়ে পড়েছে। তাদের ভাষ্য, এখনো কোরবানির ঈদের আরও প্রায় দুই সপ্তাহ বাকি। খাবার দিতে না পারায় গরু নিয়ে কোরবানি ঈদ পর্যন্ত অপেক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়েছে কৃষকের জন্য। কোরবানির বাজারের জন্য প্রস্তুত করলেও খাদ্যের অভাবে শুকিয়ে যাচ্ছে মোটাতাজা গরুগুলো। কোরবানি ঈদে গরু বিক্রি করে কৃষকের দু’পয়সা রোজগারের আশা ধীরে ধীরে পরিণত হচ্ছে দুশ্চিন্তায়। এ অবস্থায় বন্যাকবলিত এলাকায় গো-খাদ্যের সংকট মেটানোর পাশাপাশি গবাদি পশুর পানিবাহিত রোগের চিকিৎসার সুযোগ বাড়ানো এবং বানভাসি অসহায় মানুষ যাতে তাদের গৃহপালিত পশু ন্যায্য দামে পশু বিক্রি করতে পারে সে বিষয়ে পদপে নেয়া জরুরি বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ আবুল কালাম শামসুদ্দিন জানান, সরকারিভাবে এখনও পর্যন্ত কোন প্রকার গো-খাদ্য বরাদ্দ পাওয়া যায়নি। জনবল সংকট ও যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে সব জায়গায় প্রাণী সম্পদ অফিসের লোকজন যেতে পারেননি। তবে যেসব এলাকায় প্রাণী সম্পদ অফিসের লোক যাওয়া সম্ভব হয়নি সেখানে সেচ্ছাসেবক নিয়োগ করে পশু চিকিৎসা করানো হচ্ছে। এছাড়া বন্যাকবলিত এলাকায় দ্রুত চিকিৎসা প্রদানের আশ্বাস দেন তিনি।





আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)