শিরোনাম:
●   রাঙামাটিতে ০৭ মামলার পলাতক আসামী ও মাদক সম্রাট হোসেন গাঁজাসহ গ্রেফতার ●   বেতবুনিয়া ভু- উপগ্রহ কেন্দ্রের ভিতর থেকে সরকারি সেগুন গাছ কেটে নেওয়ার চেষ্টা দুর্বৃত্তদের ●   গাড়ির জন্য অতিরিক্ত জ্বালানি ব্যবহারের অভিযোগ নাকচ করেছেন প্রকল্প পরিচালক ●   রাঙ্গুনিয়াতে গরু বাজারে দুই পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ : আহত-৩ ●   পার্বত্য বিষয়ক মন্ত্রীর সাথে ইউএনএফপিএ ও আইএলও প্রতিনিধিদের সাক্ষাৎ ●   নবীগঞ্জে বাণিজ্য মেলা বন্ধের দাবিতে তৌহিদী জনতার বিক্ষোভ মিছিল ●   ঈদযাত্রা স্বস্তির ও নিরাপদ রাখুন : সাইফুল হক ●   পার্বতীপুরে বাড়ছে সুস্বাদু ও রসালো তালশাঁসের চাহিদা ●   ঈশ্বরগঞ্জে শিশু ও নারী ধর্ষণ-হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন ●   তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন শক্তিশালীকরণে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা প্রশংসনীয় ●   খাগড়াছড়িতে মারমা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অপপ্রচারে প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ●   বেতবুনিয়ায় জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট ●   বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির শ্রমিকরা কোল ফেইস বোনাসের দাবিতে বিক্ষোভ ●   শতভাগ জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন এসডিজি অর্জনে সহায়ক ●   রাঙ্গুনিয়ায় ছাদের ময়লা পরিষ্কার করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে তরুণ শিক্ষকের মৃত্যু ●   পার্বতীপুর প্রেসক্লাবের সদস্যদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রতিবাদে মানববন্ধন ●   আত্রাইয়ে ৩৫০ পিস নেশা জাতীয় অ্যাম্পুল ইনজেকশনসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ●   শিশু ও নারীর নিরাপত্তার দাবিতে ঈশ্বরগঞ্জে মানববন্ধন ●   সরকারকে দৃঢতার সাথে জনপ্রত্যাশা পূরণে পদক্ষেপ নিতে হবে ●   রাঙামাটি জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন : সভাপতি শাহ আলম ও সম্পাদক শিশুমনি চাকমা ●   কোতয়ালী থানার বিশেষ অভিযানে মাদক কার্বারী ও অনলাইন জুয়ারীসহ গ্রেফতার-৩ ●   রাঙ্গামাটিতে বিনামূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত ●   ঝালকাঠিতে যৌথ অভিযানে ১ হাজার কেজি সরকারি গম উদ্ধার ●   রাস্তা বিলীন, চরম দুর্ভোগে বালিহাটা কমিউনিটি ক্লিনিকের সেবাগ্রহীতারা ●   ঝালকাঠিতে ভূমিমেলা উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি অনুষ্ঠিত ●   রাউজানে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার ●   মিরসরাইয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে কুপিয়ে জখম : আটক-৪ ●   দুর্গম পাহাড়ের এক নির্ভীক কণ্ঠস্বর : সাংবাদিক আবদুর রহিম ●   জনস্বার্থে রিট : বরিশালে পরেশ সাগর স্কুল মাঠের বাণিজ্য মেলা বন্ধে হাইকোর্টের নির্দেশ ●   একজন আরেকজনকে দোষারোপ করে উন্নয়ন হয় না : ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী
রাঙামাটি, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩



CHT Media24.com অবসান হোক বৈষম্যের
রবিবার ● ১৭ জানুয়ারী ২০১৬
প্রথম পাতা » কৃষি » পার্বত্য অঞ্চলে সেনা বাহিনীদের দ্বারা সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বাঙ্গালীরা
প্রথম পাতা » কৃষি » পার্বত্য অঞ্চলে সেনা বাহিনীদের দ্বারা সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বাঙ্গালীরা
রবিবার ● ১৭ জানুয়ারী ২০১৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

পার্বত্য অঞ্চলে সেনা বাহিনীদের দ্বারা সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বাঙ্গালীরা

---

ষ্টাফ রিপোর্টার :: পার্বত্য চট্টগ্রামে বাংলাদেশ সেনা বাহিনীর উপস্থিতি দেখা যায় মুলতঃ আশি দশকে শান্তি বাহিনী প্রতিষ্ঠার পর থেকে ৷ তাহলে এটা তো পরিস্কার যে পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনা বাহিনীকে ডেকে এনেছেন শান্তি বাহিনীর সদস্যরা৷
পার্বত্য চুক্তির পর পর শান্তি বাহিনীকে কাগজে কলমে বিলুপ্ত করা হয়েছে এবং পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনা বাহিনীর অপরেশন দাবানল বিলুপ্ত করে নতুন ভাবে অপারেশন উত্তরন নামে কাজ করার দায়িত্ব প্রদান করা হয়৷
দেশের ভুখন্ডের ভিতর সরকারী যে কোন প্রয়োজনে বাংলাদেশ সেনা বাহিনী তাদের দায়িত্ব পালন করবেন এটা যেমন সত্য তেমনি কেবল মাত্র সেনা সদস্যরা পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থানীদের ভিতর রাজনীতি করলে সেটাও বলা বা দেখিয়ে দেয়া জরুরী৷

---
পার্বত্য অঞ্চলে অপারেশন উত্তরনের আওতায় বাংলাদেশ সেনা বহিনী বিভিন্ন সময়ে পার্বত্য এলাকায় অভিযান চালিয়ে সন্ত্রাসীদের আস্তানা থেকে বিপুল পরিমান গোলা বারুদ ও সন্ত্রাসীদের বিভিন্ন সরঞ্জামসহ সেনা বাহিনীর পোষাক উদ্ধার করেছেন, কিন্তু সন্ত্রাসীদের ব্যবহৃত পোষাকের মধ্যে সেনা বাহিনীর পোষাক কি ভাবে সন্ত্রাসীদের কাছে পাওয়া যায় সে বিষয়ে আজ পর্যন্ত সেনা বাহিনী বা তাদের গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআই গণমাধ্যমে কোন ধরনের ব্যাখ্য দেয়নি৷

বিষয়টি নিয়ে পার্বত্য অঞ্চলে জনমনে প্রশ্ন রয়েছে৷
১৯৬০ সালে কাপ্তাই হ্রদে ভিটা মাটি হারিয়ে উচু পাহাড়ে বসতি স্থাপন করে স্থানীয় বাঙ্গালীরা৷ পার্বত্য চুক্তির আগে বা পরে পার্বত্য অঞ্চলে সেনা বাহিনীদের দ্বারা সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে স্থায়ী বাঙ্গালীরা, নাম মাত্র ক্ষতিপুরণের কিছু টাকা দিয়ে রাঙামাটি,বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলা গুলিতে বাঙ্গালীদের গ্রামসহ স্বপরিবারে উচ্ছেদ করে তাদের জায়গাতে নির্মান করা হয়েছে সেনা বাহিনীর গেরিসন বা সেনানিবাস৷
এমন কি রাঙামাটিতে বাঙ্গালীদের মসজিদ ও কবরস্থান পর্যন্ত দখল করে নিয়েছে সেনা বাহিনীর সদস্যরা ৷
পার্বত্য অঞ্চলের সেনা বাহিনীকে নিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (পিসিজেএসএস) , ইউপিডিএফ, চাকমা সার্কেল চীফ, অধ্যাপক মেজবাহ কামাল, সৈয়দ আবুল মকছুদ, সুলতানা কামাল, পংকজ ভট্টেচায্য গং, বামপন্থী রাজনৈতিক সংগঠনের নেতারা দেশে এবং বিদেশে অপপ্রচার করে সেনা বাহিনীকে তাদের মুল লক্ষ্য থেকে সরাতে বার বার চেষ্টা করছেন৷
পার্বত্য চুক্তির পর সেনা প্রধান,চট্টগ্রামের জিওসি,রাঙামাটি ৩০৫ বিগ্রেডের বিগ্রেড কমান্ডার, রাঙামাটি জেলা ডিজিএফআই অধিনায়ক ও সদর জোন কমান্ডার প্রায় সময় দেখা যায় পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান সাবেক গেরিলা নেতা জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা) সাথে সরকারী ভাবে স্বাক্ষাত করতে এবং জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা) সেনা নিবাসে উপস্থিত হয়ে সেনা বাহিনীর দ্বারা পরিচালিত বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন ও সনদপত্র বিতরণ করেন৷ সন্তু লারমা সেনা বাহিনীর অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে পার্বত্য অঞ্চলে সেনা বাহিনীর উন্নয়ন মুলক কার্যক্রমের ভুয়সি প্রশংসা করেন৷

---
পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ চেয়ারম্যান প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার একজন ব্যক্তি, তিনি প্রশাসনের সব স্থানে যাবেন এটা সত্য, কিন্তু কয়েক দিন যেতে না যেতে পার্বত্য অঞ্চল থেকে সেনা বাহিনীকে তুলে নেয়ার দাবি জানান গণমাধ্যমে৷ দেশের বিশিষ্টজনরা এটাকে পিসিজেএসএস প্রধান জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা)’র রাজনৈতিক ষ্টেনবাজি বলে আখ্য দিয়েছেন৷
ইদানিং পিসিজেএসএস প্রধান জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা) ও সেকেন্ড ইন কমান্ড বলে পরিচিত ২৯৯ আসনের ঊষাতন তালুকদরা এমপি সরকারে থেকে সরকারের বিরুদ্ধে ১ লা জানুয়ারী ২০১৬ থেকে চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য আন্দোলনের ডাক দিয়ে আবার পার্বত্য জনসাধারনের সাথে রাজনৈতিক ষ্টেনবাজি করছেন৷ একজন আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান আরেক জন সংসদ সদস্য হিসাবে সরকারী সকল ধরনের সুযোগ সুবিধা ভোগ করে কি ভাবে সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রাম করবেন ? সাধারন জনগণের প্রশ্ন ।
বর্তমান সরকারের বামপন্থী একজন মন্ত্রী রাজধানীতে বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ,পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি ও বাংলাদেশ সেনা বাহিনী এরা শক্র - শক্র খেলেন আসলে এরা একে অপরের বন্ধু৷
যদি তাই হয় তাহলে পার্বত্য অঞ্চলের বর্তমান মুল সমস্য ; সর্বত্রে চাঁদাবজি, অপহরণ,ভুমি সমস্যা,পর্যটনের উন্নয়নে স্থানীয়দের বাধাঁ প্রদান ও রাজনৈতিক নেতাদের ভিতর ক্ষমতার অপব্যাবহার রোধকল্পে প্রশাসনিক ব্যবস্থা ইত্যাদি কাজে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ পার্বত্য অঞ্চলে সেনা বাহিনীকে কাজে লাগাতে পারেন বলে বিজ্ঞ মহলের ধারনা৷ (ছবি সংগৃহীত)

আপলোড : ১৭ জানুয়ারী ২০১৬ : বাংলাদেশ : সময় : বেলা ১২.০০





আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)