শিরোনাম:
●   রাঙামাটিতে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ●   স্বাধীন রাজনৈতিক শ্রেণী হিসাবেই শ্রমিকশ্রেণীকে ঘুরে দাঁড়াতে হবে : বহ্নিশিখা জামালী ●   শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি পূরণে বিশ্বাসযোগ্য পদক্ষেপ নিন ●   পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়নে সরকারের কার্যক্রম জাতিসংঘে তুলে ধরলেন পার্বত্য সচিব ●   পার্বতীপুরে শিক্ষা বিষয়ক গ্লোবাল অ্যাকশন সপ্তাহ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ●   শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী ●   রাঙামাটিতে ফার্মাসিউটিক্যালস প্রতিনিধিদের জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান ●   বৃষ্টিতে নলছিটিতে বাস খাদে, আহত প্রায় ২০ ●   নান্দাইলের বিদ্যালয়ে দুই শিক্ষিকার অলৌকিক উপস্থিতি ●   নবায়নযোগ্য জ্বালানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সোলার সরঞ্জামের শুল্ক প্রত্যাহার ও গ্রিড সুবিধা সহজ করার দাবি ওমেরা সিইও-র ●   ডিজিটালাইজেশন ও অটোমেশনই পোশাক খাতের ভবিষ্যৎ : অমল পোদ্দার ●   গৌতম বুদ্ধের প্রধান তিনটি ঘটনাকে বুদ্ধ পূণিমা অভিহিত করা হয় ●   রাঙামাটি শহরের গর্জনতলী গ্রামের রাস্থা এখন মরণ ফাঁদ ! ●   অ্যানেসথেসিয়া দেওয়ার পর শিশুর মৃত্যু, দুই চিকিৎসক পুলিশ হেফাজতে ●   ঈশ্বরগঞ্জে আইসিটি ভবন নির্মাণে বাধা : শিক্ষকদের মানববন্ধন ●   তামাক করকাঠামোয় সংস্কারে বাড়বে রাজস্ব, কমবে অকাল মৃত্যু ●   কুষ্টিয়ার লাহিনী বটতলায় রহস্যজনক বিস্ফোরনে আহত-১ ●   ফার্মাসিউটিক্যালস প্রতিনিধিদের কাছে মাসিক চাঁদা দাবির অভিযোগ ●   অজিতানন্দ মহাথেরোর পিতা-মাতার স্মরণে অষ্টপরিষ্কারসহ সংঘদান ও জ্ঞাতিভোজন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত ●   পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটি পূর্ণগঠন : সভাপতি নির্মল বড়ুয়া মিলন, সম্পাদক শ্যামল চৌধুরী ●   ঈশ্বরগঞ্জে উৎসবমুখর পরিবেশে পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ উদযাপন ●   নবীগঞ্জে বাংলা বর্ষবরণ উৎসব উদ্বোধন করলেন এমপি রেজা কিবরিয়া ●   আত্রাইয়ে বর্ণিল আয়োজনে বর্ষবরণ ●   ঝালকাঠিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে পহেলা বৈশাখ উদযাপন ●   বাঙ্গালির জীবনে বাংলা নববর্ষ ও কিছুকথা ●   আত্রাইয়ে ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত যুবকের মৃত্যু ●   বেতছড়ি হিলফুল ফুজুল সংঘের প্রবাস ফেরত ৫ সদস্যকে ফুলের সংবর্ধনা ●   আঠারবাড়ীতে সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের মাদক-জুয়া বিরোধী শপথ ●   নবনিযুক্ত ডিজিকে গাজীপুর সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের শুভেচ্ছা ●   আগামীকাল বাংলা বছরের শেষদিন চৈত্র সংক্রান্তি
রাঙামাটি, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩



CHT Media24.com অবসান হোক বৈষম্যের
রবিবার ● ১৪ মার্চ ২০২১
প্রথম পাতা » গাইবান্ধা » কচুরিপানা দিয়ে তৈরী ফুলদানি, ফুলের টব, ঝুঁড়িসহ নানা দ্রব্য সামগ্রী যাচ্ছে বিদেশে
প্রথম পাতা » গাইবান্ধা » কচুরিপানা দিয়ে তৈরী ফুলদানি, ফুলের টব, ঝুঁড়িসহ নানা দ্রব্য সামগ্রী যাচ্ছে বিদেশে
রবিবার ● ১৪ মার্চ ২০২১
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

কচুরিপানা দিয়ে তৈরী ফুলদানি, ফুলের টব, ঝুঁড়িসহ নানা দ্রব্য সামগ্রী যাচ্ছে বিদেশে

ছবি : সংবাদ সংক্রান্তসাইফুল মিলন, গাইবান্ধা প্রতিনিধি :: গাইবান্ধা ফুলছড়ি উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে নারীদের নান্দনিক এবং শৈল্পিক নিপুণতায় এই জলজ কচুরিপানাও এখন মূল্যবান হয়ে উঠেছে। কচুরিপানা থেকে উৎপাদিত নানা মূল্যবান শৌখিন সামগ্রীর মধ্যে ফুলদানি, ফুলের টব, মাদুর, ঝুঁড়িসহ ঘর সাজানোর অন্যান্য জিনিস এখন উচ্চমূল্যে বিক্রি হচ্ছে। এমনকি কচুরিপানা থেকে তৈরী এসব সামগ্রী আমেরিকাসহ নানা দেশেও যাচ্ছে বলে জানা গেছে।

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার মদনেরপাড়া গ্রামের সুভাষ চন্দ্র ঢাকা থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে এসে শুরুতেই ভাষারপাড়া গ্রামে কচুরিপানা শুকিয়ে তা থেকে নানা সামগ্রী তৈরীর বিষয়ে ওই এলাকার কয়েকজন নারীকে প্রশিক্ষণ দেয়। এরপর ভাষারপাড়া, কঞ্চিপাড়া, মদনেরপাড়া ও সদর উপজেলার দারিয়াপুর এবং তালতলা গ্রামের ২শ’ ৫০ জন নারীকে নিয়ে কচুরিপানার এসমস্ত নানা সামগ্রী তৈরীর কাজ শুরু করেন।

৪টি গ্রামের ২শ’ ৫০ জন দরিদ্র নারী যুক্ত হয়েছে এই কাজের সঙ্গে। ভাষারপাড়া গ্রামে কচুরিপানা নিয়ে কর্মরত নারীদের সাথে কথা বললে জানা যান, বাড়ির কাজ, নিজের কাজ এছাড়া ছাত্রীরা পড়ালেখার অবসরে কচুরিপানা দিয়ে ফুলদানি তৈরীসহ নানা সামগ্রী তৈরীতে নিয়োজিত। তারা দিনে ৫-৬টা পর্যন্ত ফুলদানি তৈরী করতে পারে। এতে তাদের প্রতিদিনের আয় হয় ২শ’ থেকে ২শ’ ৫০ টাকা। এই আয়ের টাকা দিয়ে সংসারের খরচ যোগাচ্ছে এবং তার পাশাপাশি এক সময়ের পরিত্যক্ত কচুরিপানাকেও আয়মূলক শিল্প সামগ্রীতেও পরিণত করছে।

এব্যাপারে এই কাজের উদ্যোক্তা সুভা চন্দ্র জানান, তার পুঁজি অল্প। এ কারণে অর্থাভাবে তিনি এই শিল্পের প্রয়োজনীয় ও বিকাশ ঘটাতে পারছেন না। কচুরিপানার এই ঘর সাজানো জিনিসের যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে। বিদেশেও চাহিদা কম নয়। তবে এজন্য ব্যাংক থেকে ক্ষুদ্র ঋণসহ প্রয়োজনীয় সরকারি সহযোগিতা পেলে ওই কচুরিপানা থেকে উন্নতজাতের হস্তশিল্প তৈরী করে এ অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর নারীদের স্বাবলম্বী করে তুলতে তা যথেষ্ট কার্যকর ভুমিকা রাখবে।

ফুলছড়ি উপজেলা পরিষদের চেয়ারমান জেএম সেলিম পারভেজ জানান, তিনি এ কাজ কোনদিন দেখেননি। শুকনো পানা এক সময় আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলা হতো। গো-খাদ্য হিসেবেও ব্যবহার করা হতো। কিন্তু এখন সেই পানা দিয়ে তৈরী হচ্ছে ফুলদানিসহ অন্যান্য জিনিস। এতে এই এলাকার নারীদের যেমন উপকার হচ্ছে, তেমনি গ্রামের তৈরী সামগ্রী দেশ থেকে রপ্তানি হচ্ছে আমেরিকার মতো উন্নত দেশে। এটা আমাদের জন্য গর্বের বিষয়।





আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)