বৃহস্পতিবার ● ৮ সেপ্টেম্বর ২০২২
প্রথম পাতা » গুনীজন » নান্দাইলের অগ্নিপুরুষ বিপ্লবী সুরেন্দ্র মোহন ঘোষ মধু ঘোষের ৪৬ তম মৃত্যুবার্ষিকী
নান্দাইলের অগ্নিপুরুষ বিপ্লবী সুরেন্দ্র মোহন ঘোষ মধু ঘোষের ৪৬ তম মৃত্যুবার্ষিকী
মো. আজিজুর রহমান ভূঁঞা বাবুল,ময়মনসিংহ প্রতিনিধি :: আজ ৭ সেপ্টেম্বর নান্দাইলের অগ্নিপুরুষ বিপ্লবী সুরেন্দ্র মোহন ঘোষ মধু ঘোষের ৪৬ তম মৃত্যুবার্ষিকী।সংগ্রামী রাজণীতিবিদ ও যুগান্তর দলের অন্যতম কান্ডারি সুরেন্দ্র মোহন ঘোষ মধু ঘোষ ছিলেন ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন অন্যতম ব্যক্তিত্ব ও যুগান্তর দলের অন্যতম পুরোধা। তিনি ছিলেন ভারতের লোকসভা ও রাজ্যসভার সদস্য। তিনি হেমেন্দ্রকেশোর আচার্য চৌধুরীর প্রতিষ্ঠিত ময়মনসিংহের সাধনা সমিতির সদস্য ছিলেন। তাঁর বিপ্লবী বন্ধু মহারাজ ত্রৈলোক্যনাথ চক্রবর্তী তাঁরই দিল্লীর বাড়িতে ১৯৭০ সালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
বৃটিশ ভারতের বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল উপজেলার খারুয়া ইউনিয়নের খারুয়া গ্রামে ১৮৯৩ সালের ২২ এপ্রিল এক স¤্রান্ত হিন্দু পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন তিনি।তাঁর বাবার নাম কামিনী মোহন ঘোষ।তিনি ১৪ বছর বয়সে স্বদেশী আন্দোলনে যোগ দেন।ময়মনসিংহ জেলা শহরের মৃত্যুঞ্জয় স্কুল ও আনন্দ মোহন কলেজে পড়াশোনা করেন। প্রথম বার্ষিক শ্রেণিতে পড়ার সময় বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র রাখার অভিযোগে এক বছর কারদন্ড ভোগ করেন।সেই থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত
বিভিন্ন সময়ে দীর্ঘ প্রায় ২৪ বছর ব্রিটিশ রাজের কারাদন্ড ভোগ করেন এবং মোট ৯৬ দিন জেলে অনশন করেন ।তিনি ‘মধু ঘোষ’ অর্থাৎ ‘মধুদা’ নামেই সমধিক পরিচিত ছিলেন।
১৯০৭ সাল থেকে ১৯৩৮ সাল পরবর্তী যুগান্তর দল বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া পর্যন্ত তিনি দলের বিশিষ্ট কর্মী ও নেতা হিসেবে যুক্ত ছিলেন।১৯২৩ সাল থেকে ১৯২৯ সাল পর্যন্ত দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের স্বরাজ দলে তাঁর বিশেষ ভূমিকা ছিল। ১৯২০ সালে জাতীয় কংগ্রেসে যোগ দিয়ে আমৃত্যু তার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
অসহযোগ আন্দোলনে তার যুগান্তর দল গান্ধীজির নেতৃত্ব মেনে নিলেও তিনি বা তার দল অহিংসাকে নীতি হিসেবে গ্রহণ করেনি। ১৯২৮ সালে কলকাতা ঐতিহাসিক কংগ্রেস অধিবেশনে নেতৃত্বের স্বাক্ষর রাখেন এই বিপ্লবী। অবিভক্ত বাংলায় ত্রিশের দশকে যতীন্দ্র মোহন সেনগুপ্ত ও সুভাষচন্দ্র ্র বসুর নেতৃত্বের বিরোধ দেখা দিলে তিনি তাঁর দল নিয়ে সুভাষচন্দ্র বসুর পাশে এসে দাঁড়ান।
ত্রিপুরা কংগ্রেসের আগ পর্যন্ত তার সঙ্গে সুভাষচন্দ্র ও শরৎচন্দ্র বসুর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। বিপ্লবের পথে যারা তার অগ্রজপ্রতিম ছিলেন তাদের মধ্যে যতীন্দ্র্রনাথ মুখোপাধ্যায় ও ডা. যাদুগোপাল মুখোপাধ্যায়ের নাম উল্লেখযোগ্য। তাঁর কারাসঙ্গীদের মধ্যে ছিলেন বিপ্লবী সূর্য সেন এবং মান্দালয় জেলে নেতাজী সুভাষচন্দ্র।
সুরেন্দ্র্রমোহন ঘোষ ১৯৩৯ সাল বঙ্গীয় প্রাদেশিক কমিটির অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হন।দীর্ঘদিন তিনি সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৪৬ সালে কন্সটিটুয়েন্ট এসেম্বলির সদস্য নির্বাচিত হয়ে ভারতবর্ষের ভাবী শাসনতন্ত্র তৈরির কাজে আত্মনিয়োগ করেন। ১৯৫০-১৯৫২ সারে অস্থায়ী পার্লামেন্টের সদস্য এবং এবং ভারতীয় লোক সভার সদস্য হন।১৯৫৬ ও ১৯৬২ সালে রাজ্যসভার সদস্য এবং ১৯৬২ সাল থেকে ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত পার্লামেন্টে কংগ্রেস দলের ডিপুটি লিডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।নান্দাইলের মাটিতে জন্ম নেয়া এই অগ্নিপুরুষ নিজ অঞ্চলের চেয়ে ভারতবর্ষে ব্যাপক খ্যাতিলাভ করেন। আজীবন বিপ্লবী সুরেন্দ্র মোহন ঘোষ মধু ঘোষ ১৯৭৬ সালের ৭ সেপ্টেম্বর বাধ্যক্যজনিত সমস্যায় ভারতের মাটিতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।





ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির গভীর শোক
ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর শোক
শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আবুল কাশেম ফজলুল হকের মৃত্যুতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির শোক
বরেণ্য চিত্রশিল্পী মূস্তাফা মনোয়ারের মৃত্যুতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি শোক
চিরনিদ্রায় শায়িত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সংবিধান প্রণেতা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন
কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আশা ভোঁসলে আর নেই
চলে গেলে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান তফাদার
আগামীকাল বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব গণসংগীত শিল্পী এপোলো জামালীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির আয়োজনে রাঙামাটিতে বেগম খালেদা জিয়া’র শোক সভা
সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি রাঙামাটি জেলা কমিটির শোক